logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…
  • Latest News
  • News
  • Politics
  • Elections
  • Viral
  • Astrology
  • Horoscope in Hindi
  • Horoscope in English
  • Latest Political News
logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…

*১০ বছরের 'ভাত-প্রতিজ্ঞা' ভাঙলেন সুভাষ বর্মন, গ্রামবাসীকে খাওয়ালেন ভাত* *শীতলখুঁচি, ১০ মে:* "বিজেপি সরকার না আসা পর্যন্ত ভাত মুখে তুলব না"— প্রায় ১০ বছর আগে নেওয়া সেই প্রতিজ্ঞা অবশেষে পূর্ণ করলেন শীতলখুঁচির সুভাষ বর্মন। রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর রবিবার নিজে ভাত খেলেন এবং গোটা গ্রামবাসীকে ভাত খাওয়ানোর আয়োজন করলেন তিনি। সুভাষ বর্মনের দাবি, প্রায় এক দশক আগে বিজেপি করার 'অপরাধে' তাঁকে রান্না করা ভাত খেতে দেওয়া হয়নি। সেই অপমানের জবাবেই তিনি প্রতিজ্ঞা করেন, যতদিন না পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার আসবে, ততদিন তিনি ভাত মুখে তুলবেন না। গত ১০ বছর তিনি রুটি, মুড়ি, চিঁড়ে খেয়েই দিন কাটিয়েছেন। রাজ্যে সরকার বদলের খবর আসতেই রবিবার নিজের বাড়িতে ভাত রান্নার আয়োজন করেন সুভাষ। পুজো-পাঠ সেরে প্রথমে নিজে ভাত মুখে তোলেন। এরপর গ্রামের প্রায় এক হাজার মানুষকে নিমন্ত্রণ করে পাত পেড়ে ভাত, ডাল, তরকারি খাওয়ান। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি ৪ নং মণ্ডল সভাপতি নবীন বর্মন, জেলা কমিটির সদস্য যোগেশ বর্মন, প্রাক্তন মন্ডল সভাপতি মহেন্দ্র বর্মন, , বুথ সভাপতি সুভাষ বর্মন এবং প্রতিনিধিরা ও মহিলা নেত্রী শ্রাবণী রায় সহ অন্যান্য কার্যকর্তারা। তাঁরা সুভাষ বর্মনকে মিষ্টিমুখ করান। ভাত মুখে দেওয়ার পর আবেগাপ্লুত সুভাষ বর্মন বলেন, "সেদিন খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। মা-ঠাকুমা বলতেন, ভাতের অপমান সহ্য হয় না। তাই প্রতিজ্ঞা করেছিলাম। আজ ১০ বছর পর ভাত খেলাম। মনে হচ্ছে নতুন জীবন পেলাম। ডাবল ইঞ্জিন সরকার এলে আর কাউকে যেন এই দিন দেখতে না হয়।" ৪ নং মণ্ডল সভাপতি নবীন বর্মন বলেন, "সুভাষদার মতো কর্মীর ত্যাগেই আজ এই দিন এসেছে। ওনার এই জেদ, এই নিষ্ঠা আমাদের অনুপ্রেরণা। আমরা চাই, রাজনীতির জন্য কারও পেটের ভাত যেন কেড়ে নেওয়া না হয়।" সুভাষের বাড়িতে এই আয়োজনকে ঘিরে এলাকায় উৎসবের মেজাজ। গ্রামবাসীরা বলেন, "কাকার জেদ দেখে আমরা অবাক হতাম। আজ ওনার মুখে হাসি দেখে ভালো লাগছে।" উল্লেখ্য, ভোটের ফল ঘোষণার পর শীতলখুঁচি ব্লকে একের পর এক এমন অভিনব উদযাপনের খবর আসছে। *১০ বছরের 'ভাত-প্রতিজ্ঞা' ভাঙলেন সুভাষ বর্মন, গ্রামবাসীকে খাওয়ালেন ভাত* *শীতলখুঁচি, ১০ মে:* "বিজেপি সরকার না আসা পর্যন্ত ভাত মুখে তুলব না"— প্রায় ১০ বছর আগে নেওয়া সেই প্রতিজ্ঞা অবশেষে পূর্ণ করলেন শীতলখুঁচির সুভাষ বর্মন। রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর রবিবার নিজে ভাত খেলেন এবং গোটা গ্রামবাসীকে ভাত খাওয়ানোর আয়োজন করলেন তিনি। সুভাষ বর্মনের দাবি, প্রায় এক দশক আগে বিজেপি করার 'অপরাধে' তাঁকে রান্না করা ভাত খেতে দেওয়া হয়নি। সেই অপমানের জবাবেই তিনি প্রতিজ্ঞা করেন, যতদিন না পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার আসবে, ততদিন তিনি ভাত মুখে তুলবেন না। গত ১০ বছর তিনি রুটি, মুড়ি, চিঁড়ে খেয়েই দিন কাটিয়েছেন। রাজ্যে সরকার বদলের খবর আসতেই রবিবার নিজের বাড়িতে ভাত রান্নার আয়োজন করেন সুভাষ। পুজো-পাঠ সেরে প্রথমে নিজে ভাত মুখে তোলেন। এরপর গ্রামের প্রায় এক হাজার মানুষকে নিমন্ত্রণ করে পাত পেড়ে ভাত, ডাল, তরকারি খাওয়ান। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি ৪ নং মণ্ডল সভাপতি নবীন বর্মন, জেলা কমিটির সদস্য যোগেশ বর্মন, প্রাক্তন মন্ডল সভাপতি মহেন্দ্র বর্মন, , বুথ সভাপতি সুভাষ বর্মন এবং প্রতিনিধিরা ও মহিলা নেত্রী শ্রাবণী রায় সহ অন্যান্য কার্যকর্তারা। তাঁরা সুভাষ বর্মনকে মিষ্টিমুখ করান। ভাত মুখে দেওয়ার পর আবেগাপ্লুত সুভাষ বর্মন বলেন, "সেদিন খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। মা-ঠাকুমা বলতেন, ভাতের অপমান সহ্য হয় না। তাই প্রতিজ্ঞা করেছিলাম। আজ ১০ বছর পর ভাত খেলাম। মনে হচ্ছে নতুন জীবন পেলাম। ডাবল ইঞ্জিন সরকার এলে আর কাউকে যেন এই দিন দেখতে না হয়।" ৪ নং মণ্ডল সভাপতি নবীন বর্মন বলেন, "সুভাষদার মতো কর্মীর ত্যাগেই আজ এই দিন এসেছে। ওনার এই জেদ, এই নিষ্ঠা আমাদের অনুপ্রেরণা। আমরা চাই, রাজনীতির জন্য কারও পেটের ভাত যেন কেড়ে নেওয়া না হয়।" সুভাষের বাড়িতে এই আয়োজনকে ঘিরে এলাকায় উৎসবের মেজাজ। গ্রামবাসীরা বলেন, "কাকার জেদ দেখে আমরা অবাক হতাম। আজ ওনার মুখে হাসি দেখে ভালো লাগছে।" উল্লেখ্য, ভোটের ফল ঘোষণার পর শীতলখুঁচি ব্লকে একের পর এক এমন অভিনব উদযাপনের খবর আসছে।

4 hrs ago
user_শীতলখুঁচি হেডলাইন
শীতলখুঁচি হেডলাইন
সিতাইকুচি, কোচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ•
4 hrs ago

*১০ বছরের 'ভাত-প্রতিজ্ঞা' ভাঙলেন সুভাষ বর্মন, গ্রামবাসীকে খাওয়ালেন ভাত* *শীতলখুঁচি, ১০ মে:* "বিজেপি সরকার না আসা পর্যন্ত ভাত মুখে তুলব না"— প্রায় ১০ বছর আগে নেওয়া সেই প্রতিজ্ঞা অবশেষে পূর্ণ করলেন শীতলখুঁচির সুভাষ বর্মন। রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর রবিবার নিজে ভাত খেলেন এবং গোটা গ্রামবাসীকে ভাত খাওয়ানোর আয়োজন করলেন তিনি। সুভাষ বর্মনের দাবি, প্রায় এক দশক আগে বিজেপি করার 'অপরাধে' তাঁকে রান্না করা ভাত খেতে দেওয়া হয়নি। সেই অপমানের জবাবেই তিনি প্রতিজ্ঞা করেন, যতদিন না পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার আসবে, ততদিন তিনি ভাত মুখে তুলবেন না। গত ১০ বছর তিনি রুটি, মুড়ি, চিঁড়ে খেয়েই দিন কাটিয়েছেন। রাজ্যে সরকার বদলের খবর আসতেই রবিবার নিজের বাড়িতে ভাত রান্নার আয়োজন করেন সুভাষ। পুজো-পাঠ সেরে প্রথমে নিজে ভাত মুখে তোলেন। এরপর গ্রামের প্রায় এক হাজার মানুষকে নিমন্ত্রণ করে পাত পেড়ে ভাত, ডাল, তরকারি খাওয়ান। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি ৪ নং মণ্ডল সভাপতি নবীন বর্মন, জেলা কমিটির সদস্য যোগেশ বর্মন, প্রাক্তন মন্ডল সভাপতি মহেন্দ্র বর্মন, , বুথ সভাপতি সুভাষ বর্মন এবং প্রতিনিধিরা ও মহিলা নেত্রী শ্রাবণী রায় সহ অন্যান্য কার্যকর্তারা। তাঁরা সুভাষ বর্মনকে মিষ্টিমুখ করান। ভাত মুখে দেওয়ার পর আবেগাপ্লুত সুভাষ বর্মন বলেন, "সেদিন খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। মা-ঠাকুমা বলতেন, ভাতের অপমান সহ্য হয় না। তাই প্রতিজ্ঞা করেছিলাম। আজ ১০ বছর পর ভাত খেলাম। মনে হচ্ছে নতুন জীবন পেলাম। ডাবল ইঞ্জিন সরকার এলে আর কাউকে যেন এই দিন দেখতে না হয়।" ৪ নং মণ্ডল সভাপতি নবীন বর্মন বলেন, "সুভাষদার মতো কর্মীর ত্যাগেই আজ এই দিন এসেছে। ওনার এই জেদ, এই নিষ্ঠা আমাদের অনুপ্রেরণা। আমরা চাই, রাজনীতির জন্য কারও পেটের ভাত যেন কেড়ে নেওয়া না হয়।" সুভাষের বাড়িতে এই আয়োজনকে ঘিরে এলাকায় উৎসবের মেজাজ। গ্রামবাসীরা বলেন, "কাকার জেদ দেখে আমরা অবাক হতাম। আজ ওনার মুখে হাসি দেখে ভালো লাগছে।" উল্লেখ্য, ভোটের ফল ঘোষণার পর শীতলখুঁচি ব্লকে একের পর এক এমন অভিনব উদযাপনের খবর আসছে। *১০ বছরের 'ভাত-প্রতিজ্ঞা' ভাঙলেন সুভাষ বর্মন, গ্রামবাসীকে খাওয়ালেন ভাত* *শীতলখুঁচি, ১০ মে:* "বিজেপি সরকার না আসা পর্যন্ত ভাত মুখে তুলব না"— প্রায় ১০ বছর আগে নেওয়া সেই প্রতিজ্ঞা অবশেষে পূর্ণ করলেন শীতলখুঁচির সুভাষ বর্মন। রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর রবিবার নিজে ভাত খেলেন এবং গোটা গ্রামবাসীকে ভাত খাওয়ানোর আয়োজন করলেন তিনি। সুভাষ বর্মনের দাবি, প্রায় এক দশক আগে বিজেপি করার 'অপরাধে' তাঁকে রান্না করা ভাত খেতে দেওয়া হয়নি। সেই অপমানের জবাবেই তিনি প্রতিজ্ঞা করেন, যতদিন না পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার আসবে, ততদিন তিনি ভাত মুখে তুলবেন না। গত ১০ বছর তিনি রুটি, মুড়ি, চিঁড়ে খেয়েই দিন কাটিয়েছেন। রাজ্যে সরকার বদলের খবর আসতেই রবিবার নিজের বাড়িতে ভাত রান্নার আয়োজন করেন সুভাষ। পুজো-পাঠ সেরে প্রথমে নিজে ভাত মুখে তোলেন। এরপর গ্রামের প্রায় এক হাজার মানুষকে নিমন্ত্রণ করে পাত পেড়ে ভাত, ডাল, তরকারি খাওয়ান। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি ৪ নং মণ্ডল সভাপতি নবীন বর্মন, জেলা কমিটির সদস্য যোগেশ বর্মন, প্রাক্তন মন্ডল সভাপতি মহেন্দ্র বর্মন, , বুথ সভাপতি সুভাষ বর্মন এবং প্রতিনিধিরা ও মহিলা নেত্রী শ্রাবণী রায় সহ অন্যান্য কার্যকর্তারা। তাঁরা সুভাষ বর্মনকে মিষ্টিমুখ করান। ভাত মুখে দেওয়ার পর আবেগাপ্লুত সুভাষ বর্মন বলেন, "সেদিন খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। মা-ঠাকুমা বলতেন, ভাতের অপমান সহ্য হয় না। তাই প্রতিজ্ঞা করেছিলাম। আজ ১০ বছর পর ভাত খেলাম। মনে হচ্ছে নতুন জীবন পেলাম। ডাবল ইঞ্জিন সরকার এলে আর কাউকে যেন এই দিন দেখতে না হয়।" ৪ নং মণ্ডল সভাপতি নবীন বর্মন বলেন, "সুভাষদার মতো কর্মীর ত্যাগেই আজ এই দিন এসেছে। ওনার এই জেদ, এই নিষ্ঠা আমাদের অনুপ্রেরণা। আমরা চাই, রাজনীতির জন্য কারও পেটের ভাত যেন কেড়ে নেওয়া না হয়।" সুভাষের বাড়িতে এই আয়োজনকে ঘিরে এলাকায় উৎসবের মেজাজ। গ্রামবাসীরা বলেন, "কাকার জেদ দেখে আমরা অবাক হতাম। আজ ওনার মুখে হাসি দেখে ভালো লাগছে।" উল্লেখ্য, ভোটের ফল ঘোষণার পর শীতলখুঁচি ব্লকে একের পর এক এমন অভিনব উদযাপনের খবর আসছে।

More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
  • *১০ বছরের 'ভাত-প্রতিজ্ঞা' ভাঙলেন সুভাষ বর্মন, গ্রামবাসীকে খাওয়ালেন ভাত* *শীতলখুঁচি, ১০ মে:* "বিজেপি সরকার না আসা পর্যন্ত ভাত মুখে তুলব না"— প্রায় ১০ বছর আগে নেওয়া সেই প্রতিজ্ঞা অবশেষে পূর্ণ করলেন শীতলখুঁচির সুভাষ বর্মন। রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর রবিবার নিজে ভাত খেলেন এবং গোটা গ্রামবাসীকে ভাত খাওয়ানোর আয়োজন করলেন তিনি। সুভাষ বর্মনের দাবি, প্রায় এক দশক আগে বিজেপি করার 'অপরাধে' তাঁকে রান্না করা ভাত খেতে দেওয়া হয়নি। সেই অপমানের জবাবেই তিনি প্রতিজ্ঞা করেন, যতদিন না পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার আসবে, ততদিন তিনি ভাত মুখে তুলবেন না। গত ১০ বছর তিনি রুটি, মুড়ি, চিঁড়ে খেয়েই দিন কাটিয়েছেন। রাজ্যে সরকার বদলের খবর আসতেই রবিবার নিজের বাড়িতে ভাত রান্নার আয়োজন করেন সুভাষ। পুজো-পাঠ সেরে প্রথমে নিজে ভাত মুখে তোলেন। এরপর গ্রামের প্রায় এক হাজার মানুষকে নিমন্ত্রণ করে পাত পেড়ে ভাত, ডাল, তরকারি খাওয়ান। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি ৪ নং মণ্ডল সভাপতি নবীন বর্মন, জেলা কমিটির সদস্য যোগেশ বর্মন, প্রাক্তন মন্ডল সভাপতি মহেন্দ্র বর্মন, , বুথ সভাপতি সুভাষ বর্মন এবং প্রতিনিধিরা ও মহিলা নেত্রী শ্রাবণী রায় সহ অন্যান্য কার্যকর্তারা। তাঁরা সুভাষ বর্মনকে মিষ্টিমুখ করান। ভাত মুখে দেওয়ার পর আবেগাপ্লুত সুভাষ বর্মন বলেন, "সেদিন খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। মা-ঠাকুমা বলতেন, ভাতের অপমান সহ্য হয় না। তাই প্রতিজ্ঞা করেছিলাম। আজ ১০ বছর পর ভাত খেলাম। মনে হচ্ছে নতুন জীবন পেলাম। ডাবল ইঞ্জিন সরকার এলে আর কাউকে যেন এই দিন দেখতে না হয়।" ৪ নং মণ্ডল সভাপতি নবীন বর্মন বলেন, "সুভাষদার মতো কর্মীর ত্যাগেই আজ এই দিন এসেছে। ওনার এই জেদ, এই নিষ্ঠা আমাদের অনুপ্রেরণা। আমরা চাই, রাজনীতির জন্য কারও পেটের ভাত যেন কেড়ে নেওয়া না হয়।" সুভাষের বাড়িতে এই আয়োজনকে ঘিরে এলাকায় উৎসবের মেজাজ। গ্রামবাসীরা বলেন, "কাকার জেদ দেখে আমরা অবাক হতাম। আজ ওনার মুখে হাসি দেখে ভালো লাগছে।" উল্লেখ্য, ভোটের ফল ঘোষণার পর শীতলখুঁচি ব্লকে একের পর এক এমন অভিনব উদযাপনের খবর আসছে। *১০ বছরের 'ভাত-প্রতিজ্ঞা' ভাঙলেন সুভাষ বর্মন, গ্রামবাসীকে খাওয়ালেন ভাত* *শীতলখুঁচি, ১০ মে:* "বিজেপি সরকার না আসা পর্যন্ত ভাত মুখে তুলব না"— প্রায় ১০ বছর আগে নেওয়া সেই প্রতিজ্ঞা অবশেষে পূর্ণ করলেন শীতলখুঁচির সুভাষ বর্মন। রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর রবিবার নিজে ভাত খেলেন এবং গোটা গ্রামবাসীকে ভাত খাওয়ানোর আয়োজন করলেন তিনি। সুভাষ বর্মনের দাবি, প্রায় এক দশক আগে বিজেপি করার 'অপরাধে' তাঁকে রান্না করা ভাত খেতে দেওয়া হয়নি। সেই অপমানের জবাবেই তিনি প্রতিজ্ঞা করেন, যতদিন না পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার আসবে, ততদিন তিনি ভাত মুখে তুলবেন না। গত ১০ বছর তিনি রুটি, মুড়ি, চিঁড়ে খেয়েই দিন কাটিয়েছেন। রাজ্যে সরকার বদলের খবর আসতেই রবিবার নিজের বাড়িতে ভাত রান্নার আয়োজন করেন সুভাষ। পুজো-পাঠ সেরে প্রথমে নিজে ভাত মুখে তোলেন। এরপর গ্রামের প্রায় এক হাজার মানুষকে নিমন্ত্রণ করে পাত পেড়ে ভাত, ডাল, তরকারি খাওয়ান। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি ৪ নং মণ্ডল সভাপতি নবীন বর্মন, জেলা কমিটির সদস্য যোগেশ বর্মন, প্রাক্তন মন্ডল সভাপতি মহেন্দ্র বর্মন, , বুথ সভাপতি সুভাষ বর্মন এবং প্রতিনিধিরা ও মহিলা নেত্রী শ্রাবণী রায় সহ অন্যান্য কার্যকর্তারা। তাঁরা সুভাষ বর্মনকে মিষ্টিমুখ করান। ভাত মুখে দেওয়ার পর আবেগাপ্লুত সুভাষ বর্মন বলেন, "সেদিন খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। মা-ঠাকুমা বলতেন, ভাতের অপমান সহ্য হয় না। তাই প্রতিজ্ঞা করেছিলাম। আজ ১০ বছর পর ভাত খেলাম। মনে হচ্ছে নতুন জীবন পেলাম। ডাবল ইঞ্জিন সরকার এলে আর কাউকে যেন এই দিন দেখতে না হয়।" ৪ নং মণ্ডল সভাপতি নবীন বর্মন বলেন, "সুভাষদার মতো কর্মীর ত্যাগেই আজ এই দিন এসেছে। ওনার এই জেদ, এই নিষ্ঠা আমাদের অনুপ্রেরণা। আমরা চাই, রাজনীতির জন্য কারও পেটের ভাত যেন কেড়ে নেওয়া না হয়।" সুভাষের বাড়িতে এই আয়োজনকে ঘিরে এলাকায় উৎসবের মেজাজ। গ্রামবাসীরা বলেন, "কাকার জেদ দেখে আমরা অবাক হতাম। আজ ওনার মুখে হাসি দেখে ভালো লাগছে।" উল্লেখ্য, ভোটের ফল ঘোষণার পর শীতলখুঁচি ব্লকে একের পর এক এমন অভিনব উদযাপনের খবর আসছে।
    1
    *১০ বছরের 'ভাত-প্রতিজ্ঞা' ভাঙলেন সুভাষ বর্মন, গ্রামবাসীকে খাওয়ালেন ভাত*

*শীতলখুঁচি, ১০ মে:* "বিজেপি সরকার না আসা পর্যন্ত ভাত মুখে তুলব না"— প্রায় ১০ বছর আগে নেওয়া সেই প্রতিজ্ঞা অবশেষে পূর্ণ করলেন শীতলখুঁচির সুভাষ বর্মন। রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর রবিবার নিজে ভাত খেলেন এবং গোটা গ্রামবাসীকে ভাত খাওয়ানোর আয়োজন করলেন তিনি।

সুভাষ বর্মনের দাবি, প্রায় এক দশক আগে বিজেপি করার 'অপরাধে' তাঁকে রান্না করা ভাত খেতে দেওয়া হয়নি। সেই অপমানের জবাবেই তিনি প্রতিজ্ঞা করেন, যতদিন না পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার আসবে, ততদিন তিনি ভাত মুখে তুলবেন না। গত ১০ বছর তিনি রুটি, মুড়ি, চিঁড়ে খেয়েই দিন কাটিয়েছেন।
রাজ্যে সরকার বদলের খবর আসতেই রবিবার নিজের বাড়িতে ভাত রান্নার আয়োজন করেন সুভাষ। পুজো-পাঠ সেরে প্রথমে নিজে ভাত মুখে তোলেন। এরপর গ্রামের প্রায় এক হাজার মানুষকে নিমন্ত্রণ করে পাত পেড়ে ভাত, ডাল, তরকারি খাওয়ান।
এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি ৪ নং মণ্ডল সভাপতি নবীন বর্মন, জেলা কমিটির সদস্য যোগেশ বর্মন, প্রাক্তন মন্ডল সভাপতি মহেন্দ্র বর্মন, , বুথ সভাপতি সুভাষ বর্মন  এবং প্রতিনিধিরা ও মহিলা নেত্রী শ্রাবণী রায় সহ অন্যান্য কার্যকর্তারা। তাঁরা সুভাষ বর্মনকে মিষ্টিমুখ করান।
ভাত মুখে দেওয়ার পর আবেগাপ্লুত সুভাষ বর্মন বলেন, "সেদিন খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। মা-ঠাকুমা বলতেন, ভাতের অপমান সহ্য হয় না। তাই প্রতিজ্ঞা করেছিলাম। আজ ১০ বছর পর ভাত খেলাম। মনে হচ্ছে নতুন জীবন পেলাম। ডাবল ইঞ্জিন সরকার এলে আর কাউকে যেন এই দিন দেখতে না হয়।"
৪ নং মণ্ডল সভাপতি নবীন বর্মন বলেন, "সুভাষদার মতো কর্মীর ত্যাগেই আজ এই দিন এসেছে। ওনার এই জেদ, এই নিষ্ঠা আমাদের অনুপ্রেরণা। আমরা চাই, রাজনীতির জন্য কারও পেটের ভাত যেন কেড়ে নেওয়া না হয়।"
সুভাষের বাড়িতে এই আয়োজনকে ঘিরে এলাকায় উৎসবের মেজাজ। গ্রামবাসীরা বলেন, "কাকার জেদ দেখে আমরা অবাক হতাম। আজ ওনার মুখে হাসি দেখে ভালো লাগছে।"

উল্লেখ্য, ভোটের ফল ঘোষণার পর শীতলখুঁচি ব্লকে একের পর এক এমন অভিনব উদযাপনের খবর আসছে।
*১০ বছরের 'ভাত-প্রতিজ্ঞা' ভাঙলেন সুভাষ বর্মন, গ্রামবাসীকে খাওয়ালেন ভাত*
*শীতলখুঁচি, ১০ মে:* "বিজেপি সরকার না আসা পর্যন্ত ভাত মুখে তুলব না"— প্রায় ১০ বছর আগে নেওয়া সেই প্রতিজ্ঞা অবশেষে পূর্ণ করলেন শীতলখুঁচির সুভাষ বর্মন। রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর রবিবার নিজে ভাত খেলেন এবং গোটা গ্রামবাসীকে ভাত খাওয়ানোর আয়োজন করলেন তিনি।
সুভাষ বর্মনের দাবি, প্রায় এক দশক আগে বিজেপি করার 'অপরাধে' তাঁকে রান্না করা ভাত খেতে দেওয়া হয়নি। সেই অপমানের জবাবেই তিনি প্রতিজ্ঞা করেন, যতদিন না পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার আসবে, ততদিন তিনি ভাত মুখে তুলবেন না। গত ১০ বছর তিনি রুটি, মুড়ি, চিঁড়ে খেয়েই দিন কাটিয়েছেন।
রাজ্যে সরকার বদলের খবর আসতেই রবিবার নিজের বাড়িতে ভাত রান্নার আয়োজন করেন সুভাষ। পুজো-পাঠ সেরে প্রথমে নিজে ভাত মুখে তোলেন। এরপর গ্রামের প্রায় এক হাজার মানুষকে নিমন্ত্রণ করে পাত পেড়ে ভাত, ডাল, তরকারি খাওয়ান।
এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি ৪ নং মণ্ডল সভাপতি নবীন বর্মন, জেলা কমিটির সদস্য যোগেশ বর্মন, প্রাক্তন মন্ডল সভাপতি মহেন্দ্র বর্মন, , বুথ সভাপতি সুভাষ বর্মন  এবং প্রতিনিধিরা ও মহিলা নেত্রী শ্রাবণী রায় সহ অন্যান্য কার্যকর্তারা। তাঁরা সুভাষ বর্মনকে মিষ্টিমুখ করান।
ভাত মুখে দেওয়ার পর আবেগাপ্লুত সুভাষ বর্মন বলেন, "সেদিন খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। মা-ঠাকুমা বলতেন, ভাতের অপমান সহ্য হয় না। তাই প্রতিজ্ঞা করেছিলাম। আজ ১০ বছর পর ভাত খেলাম। মনে হচ্ছে নতুন জীবন পেলাম। ডাবল ইঞ্জিন সরকার এলে আর কাউকে যেন এই দিন দেখতে না হয়।"
৪ নং মণ্ডল সভাপতি নবীন বর্মন বলেন, "সুভাষদার মতো কর্মীর ত্যাগেই আজ এই দিন এসেছে। ওনার এই জেদ, এই নিষ্ঠা আমাদের অনুপ্রেরণা। আমরা চাই, রাজনীতির জন্য কারও পেটের ভাত যেন কেড়ে নেওয়া না হয়।"
সুভাষের বাড়িতে এই আয়োজনকে ঘিরে এলাকায় উৎসবের মেজাজ। গ্রামবাসীরা বলেন, "কাকার জেদ দেখে আমরা অবাক হতাম। আজ ওনার মুখে হাসি দেখে ভালো লাগছে।"
উল্লেখ্য, ভোটের ফল ঘোষণার পর শীতলখুঁচি ব্লকে একের পর এক এমন অভিনব উদযাপনের খবর আসছে।
    user_শীতলখুঁচি হেডলাইন
    শীতলখুঁচি হেডলাইন
    সিতাইকুচি, কোচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ•
    4 hrs ago
  • দিনহাটায় এবিভিপি-র ছাত্রসভা, বেহাল শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে সরব ছাত্রনেতৃত্ব দিনহাটা তথা রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি বেহাল হয়ে পড়েছে। বেহাল শিক্ষা ব্যবস্থার হাল ফেরানোর লক্ষ্যে দিনহাটায় অনুষ্ঠিত হলো অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ তথা এবিভিপি-র ডাকে সভা। রবিবার দিনহাটা নৃপেন্দ্র নারায়ণ স্মৃতি পাঠাগারে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এদিনের এই সভায় উপস্থিত ছিলেন এবিভিপি-র কোচবিহার জেলা প্রমুখ অলোক দাস, সংগঠনের কোচবিহার জেলা সম্পাদক প্রীতম সূত্রধর, এবিভিপি-র উত্তরবঙ্গ প্রদেশ সহ-সম্পাদক শুভজিৎ শীল প্রমূখ নেতৃবৃন্দ। এদিনের এই সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, গত পনের বছরে এরাজ্যে একটা অরাজকতার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। সারা রাজ্যের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই বেহাল পরিস্থিতি। দিনের পর দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলিতে বহিরাগতরা ঢুকে শান্তির পরিবেশকে অশান্ত করে তুলেছে। শিক্ষা ব্যবস্থার এই দুরবস্থা এবং রাজ্যজুড়ে নানা দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাজ্যের সাধারণ মানুষ রুখে দাঁড়িয়েছে। ফলে ২৬- এর বিধানসভা ভোটে তৃণমূল কংগ্রেস বিদায় নিয়েছে। প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার। কাজেই এই পরিস্থিতিতে বেহাল শিক্ষা ব্যবস্থার হাল ফেরাতে সকল ছাত্র-ছাত্রীদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তারা বলেন, প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতে সুষ্ঠু পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হয়, তার জন্য প্রয়াস চালাতে হবে। ছাত্র শক্তিকে রাষ্ট্রশক্তিতে পরিণত করতে হবে। কলেজে কলেজে এতদিন পর্যন্ত যে সকল ছাত্র সংগঠনগুলি অরাজকতা সৃষ্টি করেছিল সেই অরাজকতা দূর করতে হবে। এদিনের এই সভায় দিনহাটা মহকুমার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করেন। সভাকে কেন্দ্র করে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বেশ উৎসাহের সৃষ্টি হয়েছে।
    1
    দিনহাটায় এবিভিপি-র ছাত্রসভা, বেহাল শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে সরব ছাত্রনেতৃত্ব
দিনহাটা তথা রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি বেহাল হয়ে পড়েছে। বেহাল শিক্ষা ব্যবস্থার হাল ফেরানোর লক্ষ্যে দিনহাটায় অনুষ্ঠিত হলো অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ তথা এবিভিপি-র ডাকে সভা। রবিবার দিনহাটা নৃপেন্দ্র নারায়ণ স্মৃতি পাঠাগারে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এদিনের এই সভায় উপস্থিত ছিলেন এবিভিপি-র কোচবিহার জেলা প্রমুখ অলোক দাস, সংগঠনের কোচবিহার জেলা সম্পাদক প্রীতম সূত্রধর, এবিভিপি-র উত্তরবঙ্গ প্রদেশ সহ-সম্পাদক শুভজিৎ শীল প্রমূখ নেতৃবৃন্দ। 
এদিনের এই সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, গত পনের বছরে এরাজ্যে একটা অরাজকতার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। সারা রাজ্যের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই বেহাল পরিস্থিতি। দিনের পর দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলিতে বহিরাগতরা ঢুকে শান্তির পরিবেশকে অশান্ত করে তুলেছে। শিক্ষা ব্যবস্থার এই দুরবস্থা এবং রাজ্যজুড়ে নানা দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাজ্যের সাধারণ মানুষ রুখে দাঁড়িয়েছে। ফলে ২৬- এর বিধানসভা ভোটে তৃণমূল কংগ্রেস বিদায় নিয়েছে। প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার। কাজেই এই পরিস্থিতিতে বেহাল শিক্ষা ব্যবস্থার হাল ফেরাতে সকল ছাত্র-ছাত্রীদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তারা বলেন, প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতে সুষ্ঠু পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হয়, তার জন্য প্রয়াস চালাতে হবে। ছাত্র শক্তিকে রাষ্ট্রশক্তিতে পরিণত করতে হবে। কলেজে কলেজে এতদিন পর্যন্ত যে সকল ছাত্র সংগঠনগুলি অরাজকতা সৃষ্টি করেছিল সেই অরাজকতা দূর করতে হবে। 
এদিনের এই সভায় দিনহাটা মহকুমার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করেন। সভাকে কেন্দ্র করে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বেশ উৎসাহের সৃষ্টি হয়েছে।
    user_Rahen Khandokar
    Rahen Khandokar
    Dinhata - I, Coochbehar•
    3 hrs ago
  • এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ডাঙ্গারহাটে ডাঙ্গারহাটে এক গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতার নাম লিপিকা রায়। তাঁর বাপের বাড়ি কুচলিবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। বিয়ে হয়েছিল বাগডোকরা ফুলকাডাবরির বারুনি মেলার মাঠ সংলগ্ন এলাকায়। পরে সন্তানের পড়াশোনার সুবিধার জন্য স্বামী ও চার বছরের সন্তানকে নিয়ে ডাঙ্গারহাটের একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস শুরু করেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাঁর স্বামী বেশ কয়েক মাস ধরে কর্মসূত্রে কেরলে রয়েছেন। রবিবার সকালে বাড়ির ভিতর থেকে লিপিকা রায়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে কুচলিবাড়ি থানার পুলিশ। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। চার বছরের শিশুকে রেখে মায়ের এমন পরিণতিতে প্রতিবেশীরাও মর্মাহত। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। পাশাপাশি এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনও ঘটনা, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
    1
    এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ডাঙ্গারহাটে
ডাঙ্গারহাটে এক গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতার নাম লিপিকা রায়। তাঁর বাপের বাড়ি কুচলিবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। বিয়ে হয়েছিল বাগডোকরা ফুলকাডাবরির বারুনি মেলার মাঠ সংলগ্ন এলাকায়। পরে সন্তানের পড়াশোনার সুবিধার জন্য স্বামী ও চার বছরের সন্তানকে নিয়ে ডাঙ্গারহাটের একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস শুরু করেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাঁর স্বামী বেশ কয়েক মাস ধরে কর্মসূত্রে কেরলে রয়েছেন। রবিবার সকালে বাড়ির ভিতর থেকে লিপিকা রায়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে কুচলিবাড়ি থানার পুলিশ। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। চার বছরের শিশুকে রেখে মায়ের এমন পরিণতিতে প্রতিবেশীরাও মর্মাহত। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। পাশাপাশি এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনও ঘটনা, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
    user_Tapas Roy
    Tapas Roy
    Journalist মেখলিগঞ্জ, কোচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ•
    3 hrs ago
  • 📍মাথাভাঙা ২ ব্লকের ডুমনিগুড়িতে বিজেপির ঝাল মুড়ি ও মাছ ভাতের আয়োজন
    1
    📍মাথাভাঙা ২ ব্লকের ডুমনিগুড়িতে বিজেপির ঝাল মুড়ি ও মাছ ভাতের আয়োজন
    user_Mansai News
    Mansai News
    কোচবিহার ২, কোচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ•
    4 hrs ago
  • *রাজ্যের বেহাল শিক্ষা ব্যবস্থার হাল ফেরানোর দাবিতে ছাত্র-ছাত্রীদের ঐক্যবদ্ধ করতে সভা করল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)। *রাজ্যের বেহাল শিক্ষা ব্যবস্থার হাল ফেরানোর দাবিতে ছাত্র-ছাত্রীদের ঐক্যবদ্ধ করতে সভা করল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)।
    1
    *রাজ্যের বেহাল শিক্ষা ব্যবস্থার হাল ফেরানোর দাবিতে ছাত্র-ছাত্রীদের ঐক্যবদ্ধ করতে সভা করল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)।
*রাজ্যের বেহাল শিক্ষা ব্যবস্থার হাল ফেরানোর দাবিতে ছাত্র-ছাত্রীদের ঐক্যবদ্ধ করতে সভা করল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)।
    user_Eccn news 24×7
    Eccn news 24×7
    দিনহাটা ১, কোচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ•
    4 hrs ago
  • “মেখলীগঞ্জে কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান রাজবংশী ক্ষত্রিয় কল্যাণ সমিতি” আজ মেখলীগঞ্জ রাজবংশী ক্ষত্রিয় কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেখলীগঞ্জ ব্লকের কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা ও সম্মান প্রদান করা হয়। প্রথমেই রায় সাহেব ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার প্রতিকৃতিতে মাল্য দান প্রদীপ জ্বালিয়ে অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয়। মেখলীগঞ্জ ব্লকের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে পুরস্কার ও শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। এদিন সংবর্ধিতদের মধ্যে ছিলেন মেখলীগঞ্জ উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র নিলয় চাকি, প্রাপ্ত নম্বর ৬৭৪; ইন্দিরা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী সেজুতি রায়, প্রাপ্ত নম্বর ৬৭০; উচলপুকুরি কৃষক উদ্যোগ হাই স্কুলের ছাত্র অভিজিৎ সরকার, প্রাপ্ত নম্বর ৬৩২; উপনচৌকি হাই স্কুলের ছাত্রী সান্ত্বনা খাতুন, প্রাপ্ত নম্বর ৬৩১; ইন্দিরা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী বর্ষা রায়, প্রাপ্ত নম্বর ৬২৬; চ্যাংড়াবান্ধা হাইস্কুলের ছাত্রী সহেলি খাতুন, প্রাপ্ত নম্বর ৬২৩; মেখলীগঞ্জ উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র অনির্বান অধিকারী, প্রাপ্ত নম্বর ৬১৮; উপনচৌকি হাই স্কুলের ছাত্র গোবিন্দ রায়, প্রাপ্ত নম্বর ৫৭৮ এবং ভোটবাড়ি সীতানাথ হাইস্কুলের ছাত্র রাহুল রায়, প্রাপ্ত নম্বর ৫৭২। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমিতির সভাপতি বিপুল বর্মন, সম্পাদক রজত রায়, সহকারী সম্পাদক সুভাষ রায় সরকার, কোষাধ্যক্ষ স্বপন চন্দ্র রায়, মেখলীগঞ্জ কলেজের অধ্যাপক চিত্তরঞ্জন বর্মন, সমিতির বিশিষ্ট উপদেষ্টা বিনয় কুমার রায় সহ বহু অভিভাবক-অভিভাবিকা। সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ছাত্র-ছাত্রীদের এই সাফল্য আগামী দিনে আরও অনেককে অনুপ্রাণিত করবে। সকলের উপস্থিতি ও সহযোগিতায় সুন্দরভাবে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
    1
    “মেখলীগঞ্জে কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা  অনুষ্ঠান রাজবংশী ক্ষত্রিয় কল্যাণ সমিতি”
আজ মেখলীগঞ্জ রাজবংশী ক্ষত্রিয় কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেখলীগঞ্জ ব্লকের কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা ও সম্মান প্রদান করা হয়। প্রথমেই রায় সাহেব ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার প্রতিকৃতিতে মাল্য দান প্রদীপ জ্বালিয়ে অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয়। মেখলীগঞ্জ ব্লকের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে পুরস্কার ও শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
এদিন সংবর্ধিতদের মধ্যে ছিলেন মেখলীগঞ্জ উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র নিলয় চাকি, প্রাপ্ত নম্বর ৬৭৪; ইন্দিরা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী সেজুতি রায়, প্রাপ্ত নম্বর ৬৭০; উচলপুকুরি কৃষক উদ্যোগ হাই স্কুলের ছাত্র অভিজিৎ সরকার, প্রাপ্ত নম্বর ৬৩২; উপনচৌকি হাই স্কুলের ছাত্রী সান্ত্বনা খাতুন, প্রাপ্ত নম্বর ৬৩১; ইন্দিরা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী বর্ষা রায়, প্রাপ্ত নম্বর ৬২৬; চ্যাংড়াবান্ধা হাইস্কুলের ছাত্রী সহেলি খাতুন, প্রাপ্ত নম্বর ৬২৩; মেখলীগঞ্জ উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র অনির্বান অধিকারী, প্রাপ্ত নম্বর ৬১৮; উপনচৌকি হাই স্কুলের ছাত্র গোবিন্দ রায়, প্রাপ্ত নম্বর ৫৭৮ এবং ভোটবাড়ি সীতানাথ হাইস্কুলের ছাত্র রাহুল রায়, প্রাপ্ত নম্বর ৫৭২।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমিতির সভাপতি বিপুল বর্মন, সম্পাদক রজত রায়, সহকারী সম্পাদক সুভাষ রায় সরকার, কোষাধ্যক্ষ স্বপন চন্দ্র রায়, মেখলীগঞ্জ কলেজের অধ্যাপক চিত্তরঞ্জন বর্মন, সমিতির বিশিষ্ট উপদেষ্টা বিনয় কুমার রায় সহ বহু অভিভাবক-অভিভাবিকা।
সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ছাত্র-ছাত্রীদের এই সাফল্য আগামী দিনে আরও অনেককে অনুপ্রাণিত করবে। সকলের উপস্থিতি ও সহযোগিতায় সুন্দরভাবে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
    user_Raj roy
    Raj roy
    Local News Reporter মেখলিগঞ্জ, কোচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ•
    4 hrs ago
  • বিজেপি ক্ষমতায় আসায় চুল দাড়ি কাটলেন মাথাভাঙ্গার এক বিজেপি নেতা মা-কে ছুঁয়ে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন,পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত কাটবেন না চুলদাড়ি।প্রতিজ্ঞা পূরণ হওয়ায় রবিবার মাথাভাঙ্গা শিব বাড়ি মন্দির চত্বর এলাকায় এসে চুল দাড়ি কেটে প্রতিজ্ঞা পূরণ করলেন বিজেপির মাথাভাঙ্গা শহর মন্ডলের সাধারণ সম্পাদক শিব শংকর সাহা। এ বিষয়ে বিজেপির মাথাভাঙ্গা শহর মন্ডলের সাধারণ সম্পাদক শিব শংকর সাহা বলেন ২০২২ সালে আমি প্রতিজ্ঞা করেছিলাম।তৃণমূলের প্রতি মানুষের বিতৃষ্ণা,আমার প্রতি ও আমার সংসারের প্রতি সেইসাথে আমাদের কর্মীদের প্রচুর পরিমাণে অত্যাচার করেছিল তৃণমূল। ২০২২ সালে ২৫ ঘণ্টা অত্যাচার চালিয়েছিল বাড়িতে সেই সময় আমার মা মৃত্যুশয্যায় ছিল তখন আমি মাকে ছুঁয়ে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম যতক্ষণ না পর্যন্ত বিজেপি পার্টি ক্ষমতায় আসবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমি চুল দাড়ি কাটবো না চৌঠা মে ক্ষমতায় আছে বিজেপি তাই আজ চুল দাড়ি কেটে প্রতিজ্ঞা পূরণ করলাম এমনটাও বলেন তিনি।
    1
    বিজেপি ক্ষমতায় আসায় চুল দাড়ি কাটলেন মাথাভাঙ্গার এক বিজেপি নেতা
মা-কে ছুঁয়ে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন,পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত কাটবেন না চুলদাড়ি।প্রতিজ্ঞা পূরণ হওয়ায় রবিবার মাথাভাঙ্গা শিব বাড়ি মন্দির চত্বর এলাকায় এসে চুল দাড়ি কেটে প্রতিজ্ঞা পূরণ করলেন বিজেপির মাথাভাঙ্গা শহর মন্ডলের সাধারণ সম্পাদক শিব শংকর সাহা।
এ বিষয়ে বিজেপির মাথাভাঙ্গা শহর মন্ডলের সাধারণ সম্পাদক শিব শংকর সাহা বলেন ২০২২ সালে আমি প্রতিজ্ঞা করেছিলাম।তৃণমূলের প্রতি মানুষের বিতৃষ্ণা,আমার প্রতি ও আমার সংসারের প্রতি সেইসাথে আমাদের কর্মীদের প্রচুর পরিমাণে অত্যাচার করেছিল তৃণমূল। ২০২২ সালে ২৫ ঘণ্টা অত্যাচার চালিয়েছিল বাড়িতে সেই সময় আমার মা মৃত্যুশয্যায় ছিল তখন আমি মাকে ছুঁয়ে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম যতক্ষণ না পর্যন্ত বিজেপি পার্টি ক্ষমতায় আসবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমি চুল দাড়ি কাটবো না চৌঠা মে ক্ষমতায় আছে বিজেপি তাই আজ চুল দাড়ি কেটে প্রতিজ্ঞা পূরণ করলাম এমনটাও বলেন তিনি।
    user_Rajesh Das
    Rajesh Das
    Mathabhanga - I, Coochbehar•
    5 hrs ago
  • পশ্চিমবঙ্গে সরকার বদলের পর, এক বছর আগে হামলার শিকার হওয়া শীতলকুচির সেই মন্দিরে পুজো দিলেন বিজেপি নেতা কালী শঙ্কর বর্মন। গত বছর প্রসাদ নিতে গিয়ে তিনি তৃণমূল কর্মীদের হামলার শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ ছিল। এই ঘটনাকে তিনি 'গণতন্ত্রের জয়' বলে অভিহিত করেছেন, যা স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন চর্চা শুরু করেছে।
    1
    পশ্চিমবঙ্গে সরকার বদলের পর, এক বছর আগে হামলার শিকার হওয়া শীতলকুচির সেই মন্দিরে পুজো দিলেন বিজেপি নেতা কালী শঙ্কর বর্মন। গত বছর প্রসাদ নিতে গিয়ে তিনি তৃণমূল কর্মীদের হামলার শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ ছিল। এই ঘটনাকে তিনি 'গণতন্ত্রের জয়' বলে অভিহিত করেছেন, যা স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন চর্চা শুরু করেছে।
    user_শীতলখুঁচি হেডলাইন
    শীতলখুঁচি হেডলাইন
    সিতাইকুচি, কোচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ•
    13 hrs ago
View latest news on Shuru App
Download_Android
  • Terms & Conditions
  • Career
  • Privacy Policy
  • Blogs
Shuru, a product of Close App Private Limited.