Shuru
Apke Nagar Ki App…
বিধানসভায় একটি সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলনেতা শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়।
Loca news(কৌশিক কাপড়ি )
বিধানসভায় একটি সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলনেতা শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- হুমায়ুন কবির অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে একটি বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন।1
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার রাতুলিয়ায় গরিব মানুষের একাধিক দোকান ঘর বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও এই দোকানগুলি সরকারি জায়গায় অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল, তবুও এই উচ্ছেদ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।1
- রাজ্যে পালা বদলের পর এবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটার (পিপি) রাজকুমার দাস এবং গভর্নমেন্ট প্লিডার (জিপি) সুকুমার পইড়া পদত্যাগ করেছেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, তাঁরা জেলাশাসকের দপ্তরের মাধ্যমে রাজ্যের লিগ্যাল রিমেম্বারেন্সার (এলআর) দপ্তরে তাঁদের পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন। এই গুরুত্বপূর্ণ পদত্যাগের ফলে আদালতের দৈনন্দিন কার্যক্রমে সংকট তৈরি হতে পারে বলে একাংশ আইনজীবী আশঙ্কা করছেন। যদিও এলআর দপ্তর থেকে তাঁদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এই নির্দেশের পর রাজকুমার দাস পিপি দপ্তরে যাওয়া শুরু করলেও এজলাসে সরকারের হয়ে মামলা লড়ছেন না; সেই দায়িত্ব সামলাচ্ছেন অ্যাসিস্ট্যান্ট পাবলিক প্রসিকিউটার শক্তিপদ দাস অধিকারী। অন্যদিকে, সুকুমার পইড়া জিপি দপ্তরে যাওয়া পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছেন এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট গভর্মেন্ট প্লিডার তুষার দত্ত বর্তমানে জিপির দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। উল্লেখ্য, পিপি মূলত ফৌজদারি মামলায় এবং জিপি দেওয়ানি মামলায় সরকারের পক্ষে সওয়াল করেন এবং উভয় পদই সরকার নিযুক্ত আইনজীবীদের দ্বারা পরিচালিত হয়। ২০১১ সালে রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর রাজকুমার দাস পিপি পদে এবং সুকুমার পইড়া জিপি পদে নিযুক্ত হয়েছিলেন এবং তৃণমূলের শাসনকালে এই পদগুলিতে কোনো পরিবর্তন হয়নি। রাজকুমার এবং সুকুমার তাদের পদত্যাগের কথা স্বীকার করলেও ক্যামেরার সামনে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। মেদিনীপুর আদালতের আইনজীবীরা এই দুটি পদকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আখ্যা দিয়ে জানিয়েছেন যে, অনেক বিচারপ্রার্থী বিচার না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। তাঁরা রাজ্য সরকারের কাছে অবিলম্বে এই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে একটি স্থায়ী ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন। জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক ও বিজেপি সেলের আইনজীবী শুভজিৎ রায় বলেছেন যে, তাঁরা স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলেও নিয়ম অনুযায়ী নতুন নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যেতে পারতেন। তিনি আরও জানান যে, বর্তমানে এপিপি ও এজিপি-রা কাজ সামলাচ্ছেন এবং এটি সম্পূর্ণ সরকারি বিষয়, যার দেখভাল করছেন জেলাশাসক ও জেলা জজ, যাতে বিচারপ্রার্থীরা কোনো অসুবিধায় না পড়েন। এখন মেদিনীপুর জেলা আদালত কবে এই সংকট থেকে মুক্তি পাবে, সেটাই দেখার বিষয়।4
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটার (পিপি) রাজকুমার দাস এবং গভর্নমেন্ট প্লিডার (জিপি) সুকুমার পইড়া পদত্যাগ করেছেন, যা আদালতে কাজকর্ম সংকটের পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে বলে একাংশ আইনজীবীরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, তাঁরা জেলাশাসকের দপ্তরের মাধ্যমে রাজ্যের লিগেল রিমেম্বারেন্সার (এলআর) দপ্তরে তাঁদের পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন। এলআর দপ্তর থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাঁদের কাজ চালিয়ে যেতে বলা হলেও, এই নির্দেশের পর রাজকুমার দাস পিপি দপ্তরে গেলেও এজলাসে সরকারের হয়ে মামলা সাওয়াল করছেন না, অন্যদিকে সুকুমার পইড়া জিপি দপ্তরে আর যাচ্ছেন না। বর্তমানে পিপি'র দায়িত্ব সামলাচ্ছেন অ্যাসিস্ট্যান্ট পাবলিক প্রসিকিউটার শক্তিপদ দাস অধিকারী এবং জিপি'র দায়িত্বে রয়েছেন অ্যাসিস্ট্যান্ট গভর্মেন্ট প্লিডার তুষার দত্ত। পিপি এবং জিপি উভয় পদই সরকার নিযুক্ত আইনজীবীদের জন্য, যেখানে পিপি ফৌজদারি (ক্রিমিনাল) মামলায় এবং জিপি দেওয়ানী (সিভিল) মামলায় সরকারের পক্ষে আদালতে সওয়াল করেন। ২০১১ সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর রাজকুমার দাস পিপি পদে এবং সুকুমার পইড়া জিপি পদে নিযুক্ত হন এবং তৃণমূলের সময়ে এই দুটি পদে আর কোনো পরিবর্তন হয়নি। যদিও রাজকুমার এবং সুকুমার দুজনেই তাঁদের পদত্যাগের কথা স্বীকার করেছেন, তবে ক্যামেরার সামনে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। মেদিনীপুর আদালতের আইনজীবীরা এই দুটি পদকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বলছেন যে, এর ফলে অনেক বিচারপ্রার্থী বিচার না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। তাঁরা রাজ্য সরকারের অবিলম্বে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে এর একটি স্থায়ী ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন। বিজেপি সেলের আইনজীবী এবং জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক শুভজিৎ রায় বলেছেন যে, যদিও তাঁরা স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন, নিয়ম অনুযায়ী নতুন নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা কাজ চালিয়ে যেতে পারতেন। তিনি আরও জানান যে, জেলাশাসক ও জেলা জজ পুরো বিষয়টি দেখছেন এবং তাঁরা নিশ্চিত করবেন যাতে বিচারপ্রার্থীদের কোনো অসুবিধা না হয়। এখন দেখার বিষয়, মেদিনীপুর জেলা আদালত কবে এই সংকট থেকে মুক্তি পায়।1
- খড়্গপুর বাস স্ট্যান্ডে হকার উচ্ছেদের জল্পনার মধ্যেই সাধারণ মানুষের কাছে 'ভীম দা' নামে পরিচিত অনিল দাস আজ হকারদের সঙ্গে কথা বলেছেন। এই আলোচনার পর তিনি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন যে, বাস স্ট্যান্ডের উন্নয়নের পরিকল্পনা এমনভাবে করতে হবে যাতে জীবিকার সঙ্গে যুক্ত মানুষের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকে। শুধুমাত্র উচ্ছেদ নয়, খড়্গপুরের জন্য একটি আধুনিক, সুপরিকল্পিত এবং যানজটমুক্ত বাস স্ট্যান্ড গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন তিনি। ভীম দার দাবি, নতুন বাস স্ট্যান্ডে পুরুষ ও মহিলাদের জন্য পৃথক আধুনিক শৌচালয়, পর্যাপ্ত ওয়েটিং রুম, নিরাপদ যাত্রী পরিষেবা এবং সুশৃঙ্খল পার্কিং ব্যবস্থার পাশাপাশি উন্নত অবকাঠামো থাকা আবশ্যক। এর সঙ্গে তিনি হকারদের পুনর্বাসনের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করারও আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, খড়্গপুরের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ শহরের জন্য একটি আধুনিক বাস টার্মিনাস সময়ের দাবি। এটি কেবল যাত্রীদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগই কমাবে না, বরং শহরের যানজট সমস্যার স্থায়ী সমাধানও করতে পারে।1
- খড়গপুর রেলওয়ে ওয়ার্কশপের উপর বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে, যা বর্তমানে বেকার যুবকদের জন্য এক বিরাট আশার আলো জাগিয়েছে। এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো ওয়ার্কশপের আধুনিকীকরণ ও উন্নয়ন ঘটানো, যার মাধ্যমে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে। সুভেন্দু অধিকারী এবং রেল মন্ত্রীর মতো ব্যক্তিত্বদের সমর্থন ও মনোযোগ এই প্রকল্পের গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে, যা যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে একটি বড় সম্ভাবনা দেখাচ্ছে।1
- এক সময়ের প্রভাবশালী নেতা পুষ্পাকে আজ পুলিশ হাফপ্যান্ট পরিয়ে এবং কোমরের দড়ি দিয়ে বেঁধে গোটা এলাকায় ঘুরিয়েছে।1
- দাসপুরের কৃতী সন্তান দীপাঞ্জন জানা যোগবিভাগে বিশ্বের দরবারে সেরা সেরা শিরোপা জয় করেছেন। তাঁর এই উল্লেখযোগ্য সাফল্যের জন্য DYFI-এর পক্ষ থেকে তাঁকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে।1