রাজ্যে পালা বদলের পর এবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটার (পিপি) রাজকুমার দাস এবং গভর্নমেন্ট প্লিডার (জিপি) সুকুমার পইড়া পদত্যাগ করেছেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, তাঁরা জেলাশাসকের দপ্তরের মাধ্যমে রাজ্যের লিগ্যাল রিমেম্বারেন্সার (এলআর) দপ্তরে তাঁদের পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন। এই গুরুত্বপূর্ণ পদত্যাগের ফলে আদালতের দৈনন্দিন কার্যক্রমে সংকট তৈরি হতে পারে বলে একাংশ আইনজীবী আশঙ্কা করছেন। যদিও এলআর দপ্তর থেকে তাঁদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এই নির্দেশের পর রাজকুমার দাস পিপি দপ্তরে যাওয়া শুরু করলেও এজলাসে সরকারের হয়ে মামলা লড়ছেন না; সেই দায়িত্ব সামলাচ্ছেন অ্যাসিস্ট্যান্ট পাবলিক প্রসিকিউটার শক্তিপদ দাস অধিকারী। অন্যদিকে, সুকুমার পইড়া জিপি দপ্তরে যাওয়া পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছেন এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট গভর্মেন্ট প্লিডার তুষার দত্ত বর্তমানে জিপির দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। উল্লেখ্য, পিপি মূলত ফৌজদারি মামলায় এবং জিপি দেওয়ানি মামলায় সরকারের পক্ষে সওয়াল করেন এবং উভয় পদই সরকার নিযুক্ত আইনজীবীদের দ্বারা পরিচালিত হয়। ২০১১ সালে রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর রাজকুমার দাস পিপি পদে এবং সুকুমার পইড়া জিপি পদে নিযুক্ত হয়েছিলেন এবং তৃণমূলের শাসনকালে এই পদগুলিতে কোনো পরিবর্তন হয়নি। রাজকুমার এবং সুকুমার তাদের পদত্যাগের কথা স্বীকার করলেও ক্যামেরার সামনে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। মেদিনীপুর আদালতের আইনজীবীরা এই দুটি পদকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আখ্যা দিয়ে জানিয়েছেন যে, অনেক বিচারপ্রার্থী বিচার না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। তাঁরা রাজ্য সরকারের কাছে অবিলম্বে এই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে একটি স্থায়ী ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন। জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক ও বিজেপি সেলের আইনজীবী শুভজিৎ রায় বলেছেন যে, তাঁরা স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলেও নিয়ম অনুযায়ী নতুন নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যেতে পারতেন। তিনি আরও জানান যে, বর্তমানে এপিপি ও এজিপি-রা কাজ সামলাচ্ছেন এবং এটি সম্পূর্ণ সরকারি বিষয়, যার দেখভাল করছেন জেলাশাসক ও জেলা জজ, যাতে বিচারপ্রার্থীরা কোনো অসুবিধায় না পড়েন। এখন মেদিনীপুর জেলা আদালত কবে এই সংকট থেকে মুক্তি পাবে, সেটাই দেখার বিষয়।
রাজ্যে পালা বদলের পর এবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটার (পিপি) রাজকুমার দাস এবং গভর্নমেন্ট প্লিডার (জিপি) সুকুমার পইড়া পদত্যাগ করেছেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, তাঁরা জেলাশাসকের দপ্তরের মাধ্যমে রাজ্যের লিগ্যাল রিমেম্বারেন্সার (এলআর) দপ্তরে তাঁদের পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন। এই গুরুত্বপূর্ণ পদত্যাগের ফলে আদালতের দৈনন্দিন কার্যক্রমে সংকট তৈরি হতে পারে বলে একাংশ আইনজীবী আশঙ্কা করছেন। যদিও এলআর দপ্তর থেকে তাঁদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এই নির্দেশের পর
রাজকুমার দাস পিপি দপ্তরে যাওয়া শুরু করলেও এজলাসে সরকারের হয়ে মামলা লড়ছেন না; সেই দায়িত্ব সামলাচ্ছেন অ্যাসিস্ট্যান্ট পাবলিক প্রসিকিউটার শক্তিপদ দাস অধিকারী। অন্যদিকে, সুকুমার পইড়া জিপি দপ্তরে যাওয়া পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছেন এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট গভর্মেন্ট প্লিডার তুষার দত্ত বর্তমানে জিপির দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। উল্লেখ্য, পিপি মূলত ফৌজদারি মামলায় এবং জিপি দেওয়ানি মামলায় সরকারের পক্ষে সওয়াল করেন এবং উভয় পদই সরকার নিযুক্ত আইনজীবীদের দ্বারা পরিচালিত হয়। ২০১১ সালে রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর
রাজকুমার দাস পিপি পদে এবং সুকুমার পইড়া জিপি পদে নিযুক্ত হয়েছিলেন এবং তৃণমূলের শাসনকালে এই পদগুলিতে কোনো পরিবর্তন হয়নি। রাজকুমার এবং সুকুমার তাদের পদত্যাগের কথা স্বীকার করলেও ক্যামেরার সামনে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। মেদিনীপুর আদালতের আইনজীবীরা এই দুটি পদকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আখ্যা দিয়ে জানিয়েছেন যে, অনেক বিচারপ্রার্থী বিচার না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। তাঁরা রাজ্য সরকারের কাছে অবিলম্বে এই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে একটি স্থায়ী ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।
জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক ও বিজেপি সেলের আইনজীবী শুভজিৎ রায় বলেছেন যে, তাঁরা স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলেও নিয়ম অনুযায়ী নতুন নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যেতে পারতেন। তিনি আরও জানান যে, বর্তমানে এপিপি ও এজিপি-রা কাজ সামলাচ্ছেন এবং এটি সম্পূর্ণ সরকারি বিষয়, যার দেখভাল করছেন জেলাশাসক ও জেলা জজ, যাতে বিচারপ্রার্থীরা কোনো অসুবিধায় না পড়েন। এখন মেদিনীপুর জেলা আদালত কবে এই সংকট থেকে মুক্তি পাবে, সেটাই দেখার বিষয়।
- রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী একটি জনকল্যাণ শিবির পরিদর্শন করেছেন। এই পরিদর্শনের বিস্তারিত তথ্য শীঘ্রই প্রকাশিত হবে।1
- কেন্দ্রীয় সরকারি পরিষেবার ফর্ম জমা দিতে এসে সাধারণ মানুষ অসন্তুষ্ট হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে ঘাটাল বিধানসভার এম.এল.এ. প্রতিনিধিরা এই বিষয়ে কী মন্তব্য করেছেন, তা শোনার আহ্বান জানানো হয়েছে।1
- হাওড়া জেলার জগৎবল্লভপুরে আয়োজিত জনকল্যাণ শিবিরে এর প্রথম দিনেই উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।1
- পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কোলাঘাট থানার অন্তর্গত কাঁউরচন্ডী গ্রামে আজ ভোর চারটে নাগাদ এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। ৬৫ বছর বয়সী ভারতী চক্রবর্তী নামে এক মাকে তার ছেলে বাসুদেব চক্রবর্তী কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে খুন করেছে। এই নৃশংস ঘটনায় দেহ থেকে মাথা আলাদা করে দেওয়া হয়েছে, যা এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। খুন করার পর বাসুদেব চক্রবর্তী তার মায়ের কাটা মাথা একটি বস্তায় ভরে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে ফেলে দেয়। ঘটনার খবর পেয়ে কোলাঘাট থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং ঘাতক ছেলেকে গ্রেফতার করে। পুলিশ পুকুর থেকে কাটা মুন্ডুটি উদ্ধার করেছে। ছেলে বাসুদেব চক্রবর্তী পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে যে সে তার মাকে কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে খুন করেছে। বাসুদেব চক্রবর্তীর পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর দাবি, ছেলেটি মানসিক ভারসাম্যহীন। কোলাঘাট থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গেছে এবং যে রুম থেকে মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে, তদন্তের স্বার্থে সেই রুমটি সিল করে দিয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, খুনি ছেলেকে ফাঁসির সাজা দেওয়া হোক।1
- এক সময়ের 'পুস্পারাজ' শাসনকালের অবসান ঘটেছে এবং দেশে আইনের শাসন ফিরে এসেছে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। পোস্টটিতে প্রচলিত প্রবাদ 'পাপ বাপকেও ছাড়ে না' উল্লেখ করে বলা হয়েছে যে, যারা ক্ষমতায় থাকাকালীন মানুষকে মানুষ বলে গণ্য করতো না, তাদেরই এমন পরিণতি হয়েছে। জানানো হয়েছে যে প্রশাসন তাদের সঠিক শিক্ষা দিচ্ছে।1
- বাঁকুড়া জেলার বাঁকুড়ার ধর্মশালাতে লোক জনশক্তি পার্টির একটি কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।1
- গোমতী ঘাটকে ‘মৃত্যুফাঁদ’ আখ্যা দিয়ে একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনার খবর সামনে এসেছে, যেখানে উত্তাল ঢেউয়ের কবলে পড়ে এক বৃদ্ধ ভেসে যাচ্ছিলেন। সেই বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে কয়েকজন যুবক নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাহসিকতার সাথে ওই বৃদ্ধকে উদ্ধার করেন। কিন্তু অবাক করা বিষয় হলো, তীরে নিরাপদে তুলে আনার পর পরই সেই বৃদ্ধ তাঁর উদ্ধারকারী যুবকদের উপর চড় মারেন, যা এই পুরো ঘটনাটিকে আরও বেশি বিস্ময়কর করে তুলেছে।1
- পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে দাসপুর বিধানসভা কেন্দ্রের সোনাখালীতে একটি জনকল্যাণ শিবির আয়োজন করা হয়েছে। এই জনকল্যাণ শিবির সম্পর্কিত আরও বিস্তারিত তথ্যের জন্য নজর রাখতে বলা হয়েছে।1