পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কোলাঘাট থানার অন্তর্গত কাঁউরচন্ডী গ্রামে আজ ভোর চারটে নাগাদ এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। ৬৫ বছর বয়সী ভারতী চক্রবর্তী নামে এক মাকে তার ছেলে বাসুদেব চক্রবর্তী কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে খুন করেছে। এই নৃশংস ঘটনায় দেহ থেকে মাথা আলাদা করে দেওয়া হয়েছে, যা এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। খুন করার পর বাসুদেব চক্রবর্তী তার মায়ের কাটা মাথা একটি বস্তায় ভরে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে ফেলে দেয়। ঘটনার খবর পেয়ে কোলাঘাট থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং ঘাতক ছেলেকে গ্রেফতার করে। পুলিশ পুকুর থেকে কাটা মুন্ডুটি উদ্ধার করেছে। ছেলে বাসুদেব চক্রবর্তী পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে যে সে তার মাকে কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে খুন করেছে। বাসুদেব চক্রবর্তীর পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর দাবি, ছেলেটি মানসিক ভারসাম্যহীন। কোলাঘাট থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গেছে এবং যে রুম থেকে মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে, তদন্তের স্বার্থে সেই রুমটি সিল করে দিয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, খুনি ছেলেকে ফাঁসির সাজা দেওয়া হোক।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কোলাঘাট থানার অন্তর্গত কাঁউরচন্ডী গ্রামে আজ ভোর চারটে নাগাদ এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। ৬৫ বছর বয়সী ভারতী চক্রবর্তী নামে এক মাকে তার ছেলে বাসুদেব চক্রবর্তী কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে খুন করেছে। এই নৃশংস ঘটনায় দেহ থেকে মাথা আলাদা করে দেওয়া হয়েছে, যা এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। খুন করার পর বাসুদেব চক্রবর্তী তার মায়ের কাটা মাথা একটি বস্তায় ভরে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে ফেলে দেয়। ঘটনার খবর পেয়ে কোলাঘাট থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং ঘাতক ছেলেকে গ্রেফতার করে। পুলিশ পুকুর থেকে কাটা মুন্ডুটি উদ্ধার করেছে। ছেলে বাসুদেব চক্রবর্তী পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে যে সে তার মাকে কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে খুন করেছে। বাসুদেব চক্রবর্তীর পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর দাবি, ছেলেটি মানসিক ভারসাম্যহীন। কোলাঘাট থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গেছে এবং যে রুম থেকে মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে, তদন্তের স্বার্থে সেই রুমটি সিল করে দিয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, খুনি ছেলেকে ফাঁসির সাজা দেওয়া হোক।
- পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কোলাঘাট থানার অন্তর্গত কাঁউরচন্ডী গ্রামে আজ ভোর চারটে নাগাদ এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। ৬৫ বছর বয়সী ভারতী চক্রবর্তী নামে এক মাকে তার ছেলে বাসুদেব চক্রবর্তী কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে খুন করেছে। এই নৃশংস ঘটনায় দেহ থেকে মাথা আলাদা করে দেওয়া হয়েছে, যা এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। খুন করার পর বাসুদেব চক্রবর্তী তার মায়ের কাটা মাথা একটি বস্তায় ভরে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে ফেলে দেয়। ঘটনার খবর পেয়ে কোলাঘাট থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং ঘাতক ছেলেকে গ্রেফতার করে। পুলিশ পুকুর থেকে কাটা মুন্ডুটি উদ্ধার করেছে। ছেলে বাসুদেব চক্রবর্তী পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে যে সে তার মাকে কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে খুন করেছে। বাসুদেব চক্রবর্তীর পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর দাবি, ছেলেটি মানসিক ভারসাম্যহীন। কোলাঘাট থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গেছে এবং যে রুম থেকে মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে, তদন্তের স্বার্থে সেই রুমটি সিল করে দিয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, খুনি ছেলেকে ফাঁসির সাজা দেওয়া হোক।1
- পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকারের আগমনে মাধবপুর গ্রামের সকল বাসিন্দা আজ আনন্দিত। মাধবপুর এক নম্বর বুথের সমগ্র গ্রাম উৎসবে মুখরিত হয়ে উঠেছে, যেখানে ছোট থেকে বড় সকলেই আনন্দের সাথে বিজয় মিছিলে অংশ নিয়েছে। গ্রামবাসীরা একসঙ্গে নতুন সরকারের আগমনকে উদযাপন করছেন।1
- দক্ষিণ পূর্ব রেলের তরফে বাগনান রেল স্টেশন চত্বরে হকার উচ্ছেদের নোটিশ জারির প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকালে সিআইটিইউ বাগনান লোকাল সমন্বয় কমিটি একটি বিক্ষোভ ও ডেপুটেশন কর্মসূচি পালন করেছে। বিক্ষোভকারী হকাররা অভিযোগ করেছেন যে, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ কোনো সুনির্দিষ্ট পুনর্বাসনের ব্যবস্থা ছাড়াই তাঁদের উচ্ছেদের নোটিশ দিয়েছে। হকারদের আশঙ্কা, এই সিদ্ধান্তের ফলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং তাঁদের পরিবারের জীবিকা মারাত্মক সংকটের মুখে পড়বে। সিআইটিইউ সংগঠনের পক্ষ থেকে অবিলম্বে হকারদের পুনর্বাসন নিশ্চিত করা, তাঁদের পরিচয়পত্র প্রদান এবং আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবি জানানো হয়েছে। এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সিপিআইএম-এর প্রাক্তন বিধায়ক আক্কেল আলি এবং ভাস্কর রায় উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা স্টেশন ম্যানেজারকে একটি ডেপুটেশনও জমা দেন। সিআইটিইউ নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, হকারদের স্বার্থ রক্ষায় তাঁদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। প্রয়োজনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলেও তাঁরা সতর্ক করেছেন।1
- এক সময়ের 'পুস্পারাজ' শাসনকালের অবসান ঘটেছে এবং দেশে আইনের শাসন ফিরে এসেছে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। পোস্টটিতে প্রচলিত প্রবাদ 'পাপ বাপকেও ছাড়ে না' উল্লেখ করে বলা হয়েছে যে, যারা ক্ষমতায় থাকাকালীন মানুষকে মানুষ বলে গণ্য করতো না, তাদেরই এমন পরিণতি হয়েছে। জানানো হয়েছে যে প্রশাসন তাদের সঠিক শিক্ষা দিচ্ছে।1
- দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলার মোল্লারগেট এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মঙ্গলবার তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। এক অটোযাত্রীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সন্তোষপুর-মোল্লারগেট রুটের অটোচালকরা তাঁদের পরিষেবা বন্ধ রেখে হাসপাতালের বাইরে ও ভিতরে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান। ঘটনার সূত্রপাত হয় সোমবার, যখন সন্তোষপুর স্টেশন থেকে মোল্লারগেটের দিকে আসা একটি যাত্রীবাহী অটো খালপোল এলাকার কাছে রাস্তার ধারের একটি দেওয়ালের লোহার রডে ধাক্কা খায়। এতে একজন যাত্রী গুরুতর জখম হন। অটোচালকরাই তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে মোল্লারগেটের বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু তাদের অভিযোগ, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর গুরুতর আহত ওই যাত্রীকে কোনো চিকিৎসা না দিয়েই অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। অটোচালকরা বারবার চিকিৎসা শুরু করার অনুরোধ জানালেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাতে সাড়া দেয়নি বলে অভিযোগ। পরে আহত ব্যক্তিকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। মৃত যাত্রীর নাম অমূল্য রায়, তাঁর বয়স ৮০ বছর। এই ঘটনায় অটোচালকরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। মঙ্গলবার সন্তোষপুর ও মোল্লারগেট রুটের সমস্ত অটোচালক পরিষেবা বন্ধ রেখে বিক্ষোভে সামিল হন। তাঁদের দাবি, আহত যাত্রী তাঁদের পরিচিত না হলেও মানবিকতার খাতিরেই তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, কিন্তু সময়মতো প্রাথমিক চিকিৎসা না মেলায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। দীর্ঘক্ষণ ধরে হাসপাতালের বাইরে ও ভিতরে বিক্ষোভ চলার পর মহেশতলা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের শান্ত করার চেষ্টা করে। অটোচালকদের অভিযোগের ভিত্তিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এই ঘটনায় তাঁরা থানায় অভিযোগ দায়ের করবেন বলেও জানিয়েছেন।1
- দক্ষিণ পূর্ব রেলের হাওড়া খড়গপুর শাখার মৌরিগ্রাম রেল স্টেশনে মঙ্গলবার দুপুরে এক ভয়ংকর ঘটনা ঘটে, যেখানে প্রকাশ্যে এক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তিকে ছুরি মেরে খুন করে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে মৌরি স্টেশন চত্বরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। দিনে দুপুরে রেল স্টেশনে এমন এক হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশি তৎপরতায় অপরাধকারীকে অর্থসহ আটক করা হয়েছে।1
- দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতার ফতেপুর ফুটবল মাঠে আয়োজিত এক জনকল্যাণ শিবির ও জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন। একইসাথে, তিনি সাম্প্রতিক অশান্তির প্রেক্ষিতে কড়া বার্তা দিয়ে বলেন যে, ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রকে রাজ্যের একটি আদর্শ বিধানসভা হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য। মুখ্যমন্ত্রী এদিন জানান যে, ফলতা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে ১০০ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত করা হবে। এর পাশাপাশি, একটি মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়, একটি দমকল কেন্দ্র এবং ফলতা থানায় একটি মহিলা হেল্প ডেস্ক চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই জনকল্যাণ শিবিরে ৫৪টি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা এক ছাতার তলায় সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী সাম্প্রতিক অশান্তির প্রসঙ্গ তুলে কড়া বার্তা দিয়ে বলেন, “আইন কেউ নিজের হাতে তুলে নেবেন না।” তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন যে, ফলতায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং গুন্ডামি, তোলাবাজি, জমি লুট বা ভোট লুট কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। একইসাথে, তিনি পুলিশকে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন।1
- পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসন ফিরে এসেছে বলে জানানো হয়েছে। মমতা জমানার পুরনো দাপট এবং পেশিশক্তির অভ্যাসের কারণে 'পুষ্পা দ্য ফ্লাওয়ার'-এর ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা, এমনকি তাঁর স্ত্রীও পুলিশকে চাপে রাখতেন। তবে, যারা এতদিন ক্ষমতার ছত্রছায়ায় নিজেদের সরকার মনে করতেন, তাদেরও এখন বুঝতে হচ্ছে যে পশ্চিমবঙ্গে আইনই শেষ কথা। এর মাধ্যমে 'পুষ্পারাজ' শেষ হয়েছে এবং আইনের শাসন শুরু হয়েছে।1