ডুকলি ব্লকের পশ্চিম আনন্দনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে ৪০০ জন আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা মৎস্যজীবী পরিবারের হাতে সরকারি আবাসন প্রকল্পের অনুমোদনপত্র ও সুযোগ-সুবিধা তুলে দেওয়া হয়েছে। সোমবার আয়োজিত এই বিশেষ জনকল্যাণমূলক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক রামপ্রসাদ পাল। এছাড়াও ডুকলি ব্লকের চেয়ারম্যান ভুলন সাহা, গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, পঞ্চায়েত সদস্য ও বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রামপ্রসাদ পাল জানান, রাজ্য সরকার প্রান্তিক ও শ্রমজীবী মানুষের জীবনমান উন্নয়নে এবং মৎস্যজীবী পরিবারগুলির নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। একটি স্থায়ী বাসস্থান পরিবারের নিরাপত্তা ও মর্যাদার ভিত্তি হিসেবে কাজ করে বলে তিনি মন্তব্য করেন। একইসঙ্গে ভুলন সাহা জানান, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা যেন স্বচ্ছতার সঙ্গে প্রকৃত উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছায়, সে বিষয়ে প্রশাসন সর্বদা সচেষ্ট এবং ভবিষ্যতেও এই ধরনের উন্নয়নমূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত পাকা ঘরের অনুমোদনপত্র হাতে পেয়ে মৎস্যজীবী পরিবারগুলির মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আনন্দ লক্ষ্য করা গেছে। উপভোক্তারা জানান, এই সরকারি উদ্যোগ তাঁদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের পাশাপাশি সন্তানদের জন্য একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করবে। এলাকাবাসী সরকারের এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং মনে করছেন এই কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারের উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।
ডুকলি ব্লকের পশ্চিম আনন্দনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে ৪০০ জন আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা মৎস্যজীবী পরিবারের হাতে সরকারি আবাসন প্রকল্পের অনুমোদনপত্র ও সুযোগ-সুবিধা তুলে দেওয়া হয়েছে। সোমবার আয়োজিত এই বিশেষ জনকল্যাণমূলক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক রামপ্রসাদ পাল। এছাড়াও ডুকলি ব্লকের চেয়ারম্যান ভুলন সাহা, গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, পঞ্চায়েত সদস্য ও বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রামপ্রসাদ পাল জানান, রাজ্য সরকার প্রান্তিক ও শ্রমজীবী মানুষের জীবনমান উন্নয়নে এবং মৎস্যজীবী পরিবারগুলির নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। একটি স্থায়ী বাসস্থান পরিবারের নিরাপত্তা ও মর্যাদার ভিত্তি হিসেবে কাজ করে বলে তিনি মন্তব্য করেন। একইসঙ্গে ভুলন সাহা জানান, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা যেন স্বচ্ছতার সঙ্গে প্রকৃত উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছায়, সে বিষয়ে প্রশাসন সর্বদা সচেষ্ট এবং ভবিষ্যতেও এই ধরনের উন্নয়নমূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত পাকা ঘরের অনুমোদনপত্র হাতে পেয়ে মৎস্যজীবী পরিবারগুলির মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আনন্দ লক্ষ্য করা গেছে। উপভোক্তারা জানান, এই সরকারি উদ্যোগ তাঁদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের পাশাপাশি সন্তানদের জন্য একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করবে। এলাকাবাসী সরকারের এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং মনে করছেন এই কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারের উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।
- পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার বামুটিয়া বিধানসভা এলাকার কালিবাজারে কোর্ট ম্যারেজের নামে প্রতারণা করে একটি অসহায় পরিবারের পৈতৃক বাড়ি ও জমি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিজেদের পৈতৃক সম্পত্তি ফিরে পেতে ভুক্তভোগী পরিবারটি মুখ্যমন্ত্রী, জেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছে। প্রতারণার শিকার হয়ে পৈতৃক সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার আশায় অসহায় পরিবারটি মুখ্যমন্ত্রী ও প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছে।1
- আগরতলা রাধানগর মোটর স্ট্যান্ড এবং মোহনপুর সড়কে কমান্ডার জিপ ও টমটম তথা ই-রিকশা চালকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও মারপিটের জেরে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। জিপ চালকরা সড়কে গাড়ি নামানো বন্ধ রাখার পাশাপাশি বাস চালকরাও তাদের সাথে একমত পোষণ করে স্টিয়ারিং না ঘোরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই পরিস্থিতির কারণে পথ চলতি যাত্রীরা চরম বিপাকে পড়েছেন। খোয়াই, কমলপুর, সিমনা ও মোহনপুরের মতো বিভিন্ন রুটের নিয়মিত যাত্রীরা বিভিন্ন জায়গায় আটকে পড়ে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।1
- সিপাহীজলা জেলার বিশালগড় বাইপাস এলাকায় শনি মন্দিরের পুজোকে কেন্দ্র করে চাঁদা আদায় এবং সাধারণ মানুষকে হেনস্তা করার অভিযোগে নতুন করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, জামিনে মুক্তি পাওয়া একটি ছিনতাই মামলার অভিযুক্তরা এই ঘটনার সাথে জড়িত। তারা পুজোর নামে জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করছে এবং চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে মহিলা ও মেয়েদের ভয়ভীতি দেখিয়ে এলাকায় নানা ঝামেলা সৃষ্টি করছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় এখন চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।1
- শিক্ষাক্ষেত্রের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের দাবিতে খোয়াইয়ের সুভাষ পার্কে একটি গণঅবস্থান কর্মসূচির আয়োজন করে ভারতের ছাত্র ফেডারেশন (এসএফআই)। শনিবার আয়োজিত এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীরা এসে উপস্থিত হন। এই গণঅবস্থান কর্মসূচি থেকে এসএফআই-এর পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। তাদের এই দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে স্কুলে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ করা, শিক্ষার বেসরকারিকরণ বন্ধ করা এবং ক্যাম্পাসে ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।4
- সিপাহিজলার চড়িলাম ব্লকের অন্তর্গত চেছুড়িমাই গ্রাম পঞ্চায়েতের বালুয়াছড়ি রাস্তার বেহাল দশা নিয়ে শনিবার সকালে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিলেন স্থানীয় এলাকাবাসী। বিশেষ করে এলাকার মহিলারা এই দীর্ঘকালীন সমস্যা নিয়ে চরম ক্ষুব্ধ। বাসিন্দাদের অভিযোগ, বিগত ২০ বছর ধরে এই রাস্তাটি সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে রয়েছে এবং এর কোনো সুরাহা করা হয়নি। রাস্তার করুণ অবস্থার কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বর্ষার দিনে রাস্তাটি এতটাই যাতায়াতের অযোগ্য হয়ে পড়ে যে জুতো হাতে নিয়ে পথ চলতে হয় এবং ওই অবস্থায় বাজারে যেতে হয়। চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে তারা জানান, রাস্তার এই বেহাল দশার কারণে কোনো আত্মীয়-স্বজনকে নিমন্ত্রণ করলেও তারা এই গ্রামে আসতে চান না। এই পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে অতি দ্রুত রাস্তাটি সারাইয়ের জোরালো দাবি জানিয়েছেন এলাকার ক্ষুব্ধ মহিলারা ও বাসিন্দারা।1
- আজ ১১ই জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে ত্রিপুরার খোয়াইয়ের জাম্বুরার রঞ্জন রায় স্মৃতি ভবনে এক বিশেষ সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আজ সকাল ১১টায় এই অনুষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের মধ্যে এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হয়। মূলত বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের তাৎপর্য এবং জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব নিয়ে অনুষ্ঠানে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। জাম্বুরা হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক শিব চরণ দেববর্মার আমন্ত্রণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোয়াই জিলা পরিষদের মাননীয় সদস্য শ্রী অনুকূল দাস। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাম্বুয়ারা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শ্রীমতী নীলিমা দেবনাথ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাম্বুরা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান শ্রী সুশান্ত দেবনাথ। এছাড়াও 'গেস্ট অফ অনার' বা সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোয়াই জেলা শিক্ষা অফিসের ওএসডি শ্রী মাতিলাল দেববর্মা ও এসসিইআরটি (SCERT)-র পপুলেশন এডুকেশন সেলের ইন-চার্জ শ্রী সুবোধ কুমার মিশ্র সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। সমগ্র অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন জাম্বুরা হাই স্কুলের এসএমসি (SMC) চেয়ারম্যান শ্রী অসিত দেবনাথ।4
- মান্দাইয়ের ভদ্রাই সেনাপতি পাড়া জে.বি স্কুলের চরম অব্যবস্থার চিত্র সামনে এসেছে। এই বিদ্যালয়ে ইএমআইএস থাকলেও মাথার ওপর কোনো ছাদ নেই। সামান্য বৃষ্টি হলেই পুরো স্কুলটি বৃষ্টির জলে ভেসে যাচ্ছে।1
- ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে স্কুলে এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (ইএমআইএস) চালু করা হলেও, বাস্তব চিত্রে শিক্ষার্থীদের মাথার ওপর একটি নিরাপদ ছাদের ন্যূনতম ব্যবস্থাটুকুও নেই। এমনই এক চরম বৈপরীত্যের চিত্র ধরা পড়েছে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জিরানীয়া মহকুমার বরখা সার্কেলের অধীন টিটিএএএডিসি-র ইন্সপেক্টর অব স্কুল (আইএস) মান্দাই এলাকার ভদ্রাই সেনাপতি পাড়া জেবি স্কুলে। বর্তমানে মান্দাইয়ের এই ভদ্রাই সেনাপতি পাড়া জেবি স্কুলটি অত্যন্ত বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বিদ্যালয়টির পরিকাঠামো এতটাই বিপর্যস্ত যে, বর্ষার মরসুমে বাধ্য হয়ে শিক্ষকদের স্টাফ রুমের ভেতরেই শিক্ষার্থীদের পঠনপাঠনের কাজ চালাতে হচ্ছে।1