আজ ১১ই জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে ত্রিপুরার খোয়াইয়ের জাম্বুরার রঞ্জন রায় স্মৃতি ভবনে এক বিশেষ সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আজ সকাল ১১টায় এই অনুষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের মধ্যে এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হয়। মূলত বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের তাৎপর্য এবং জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব নিয়ে অনুষ্ঠানে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। জাম্বুরা হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক শিব চরণ দেববর্মার আমন্ত্রণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোয়াই জিলা পরিষদের মাননীয় সদস্য শ্রী অনুকূল দাস। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাম্বুয়ারা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শ্রীমতী নীলিমা দেবনাথ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাম্বুরা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান শ্রী সুশান্ত দেবনাথ। এছাড়াও 'গেস্ট অফ অনার' বা সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোয়াই জেলা শিক্ষা অফিসের ওএসডি শ্রী মাতিলাল দেববর্মা ও এসসিইআরটি (SCERT)-র পপুলেশন এডুকেশন সেলের ইন-চার্জ শ্রী সুবোধ কুমার মিশ্র সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। সমগ্র অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন জাম্বুরা হাই স্কুলের এসএমসি (SMC) চেয়ারম্যান শ্রী অসিত দেবনাথ।
আজ ১১ই জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে ত্রিপুরার খোয়াইয়ের জাম্বুরার রঞ্জন রায় স্মৃতি ভবনে এক বিশেষ সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আজ সকাল ১১টায় এই অনুষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের মধ্যে এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক
উৎসাহ ও উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হয়। মূলত বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের তাৎপর্য এবং জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব নিয়ে অনুষ্ঠানে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। জাম্বুরা হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক শিব চরণ দেববর্মার আমন্ত্রণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোয়াই জিলা পরিষদের
মাননীয় সদস্য শ্রী অনুকূল দাস। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাম্বুয়ারা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শ্রীমতী নীলিমা দেবনাথ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাম্বুরা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান শ্রী সুশান্ত দেবনাথ। এছাড়াও 'গেস্ট অফ অনার' বা সম্মানিত অতিথি হিসেবে
উপস্থিত ছিলেন খোয়াই জেলা শিক্ষা অফিসের ওএসডি শ্রী মাতিলাল দেববর্মা ও এসসিইআরটি (SCERT)-র পপুলেশন এডুকেশন সেলের ইন-চার্জ শ্রী সুবোধ কুমার মিশ্র সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। সমগ্র অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন জাম্বুরা হাই স্কুলের এসএমসি (SMC) চেয়ারম্যান শ্রী অসিত দেবনাথ।
- আজ ১১ই জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে ত্রিপুরার খোয়াইয়ের জাম্বুরার রঞ্জন রায় স্মৃতি ভবনে এক বিশেষ সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আজ সকাল ১১টায় এই অনুষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের মধ্যে এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হয়। মূলত বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের তাৎপর্য এবং জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব নিয়ে অনুষ্ঠানে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। জাম্বুরা হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক শিব চরণ দেববর্মার আমন্ত্রণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোয়াই জিলা পরিষদের মাননীয় সদস্য শ্রী অনুকূল দাস। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাম্বুয়ারা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শ্রীমতী নীলিমা দেবনাথ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাম্বুরা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান শ্রী সুশান্ত দেবনাথ। এছাড়াও 'গেস্ট অফ অনার' বা সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোয়াই জেলা শিক্ষা অফিসের ওএসডি শ্রী মাতিলাল দেববর্মা ও এসসিইআরটি (SCERT)-র পপুলেশন এডুকেশন সেলের ইন-চার্জ শ্রী সুবোধ কুমার মিশ্র সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। সমগ্র অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন জাম্বুরা হাই স্কুলের এসএমসি (SMC) চেয়ারম্যান শ্রী অসিত দেবনাথ।4
- রাজ্যের আর্থিক পরিস্থিতি, ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব এবং শিল্পোন্নয়নের বাস্তব চিত্র নিয়ে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনায় সরব হয়েছে ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেস। শনিবার আগরতলার প্রদেশ কংগ্রেস ভবনে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে দলের নেতারা সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। কংগ্রেস নেতাদের অভিযোগ, বিজেপি সরকার উন্নয়ন ও বিনিয়োগের নামে শুধুমাত্র প্রচারমুখী রাজনীতি করছে। বিজনেস কনক্লেভ নিয়েও সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র তোপ দাগেন নেতারা। তাদের দাবি, বাস্তবে রাজ্যে কর্মসংস্থান ও শিল্পায়নের ক্ষেত্রে কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতিই হয়নি।1
- ত্রিপুরায় আয়োজিত একটি বিজনেস কনক্লেভে বিদেশি অতিথিদের কাছে ভিক্ষা চাওয়া নিয়ে চরম বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই সম্পূর্ণ ঘটনায় সরকারকে বদনাম করার একটি বড় ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে।1
- আগরতলা রাধানগর মোটর স্ট্যান্ড এবং মোহনপুর সড়কে কমান্ডার জিপ ও টমটম তথা ই-রিকশা চালকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও মারপিটের জেরে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। জিপ চালকরা সড়কে গাড়ি নামানো বন্ধ রাখার পাশাপাশি বাস চালকরাও তাদের সাথে একমত পোষণ করে স্টিয়ারিং না ঘোরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই পরিস্থিতির কারণে পথ চলতি যাত্রীরা চরম বিপাকে পড়েছেন। খোয়াই, কমলপুর, সিমনা ও মোহনপুরের মতো বিভিন্ন রুটের নিয়মিত যাত্রীরা বিভিন্ন জায়গায় আটকে পড়ে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।1
- কোনো দুর্ঘটনার জন্য অপেক্ষা না করে প্রশাসনের অবিলম্বে নালকাটা বিএসএফ ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শন করা উচিত বলে জোরালো দাবি উঠেছে। ধলাই জেলার লংতরাই ভ্যালির অন্তর্গত এই এলাকায় যাতে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে, সেই লক্ষ্যে প্রশাসনকে দ্রুত এই অঞ্চলটি সরজমিনে খতিয়ে দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে।1
- ত্রিপুরার ঊনকোটি জেলার কুমারঘাট শহরে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। শহরের প্রাণকেন্দ্রের রাস্তাঘাট সম্পূর্ণভাবে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। বন্যার জল বাজারের দোকানপাট থেকে শুরু করে স্থানীয় মানুষের ঘরবাড়িতেও ঢুকে পড়েছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতায় বহু মানুষকে বাধ্য হয়ে শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিতে হয়েছে।1
- ঊনকোটি জেলার কৈলাসহর মহকুমার হীরাছড়া এডিসি ভিলেজ এলাকার হীরাছড়া চা-বাগানের ভেতরের একটি ঘন জঙ্গল থেকে এক তরুণীর অস্বাভাবিক মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার সকালে এই মৃতদেহ উদ্ধারের পর থেকেই এলাকা জুড়ে থমথমে পরিবেশ তৈরি হয়েছে এবং স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে সরব হয়ে উঠেছেন। স্থানীয় সূত্রের দাবি, ইরানি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ওই তরুণীকে গত শুক্রবার একই এলাকার এক যুবক বড়খলা উচ্চ বিদ্যালয় এলাকা থেকে নিয়ে গিয়েছিলেন। তরুণী সময়মতো বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের পক্ষ থেকে ইরানি থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে শনিবার সকালে চা-বাগানের গভীর জঙ্গল থেকে তাঁর দেহ উদ্ধারের খবর ছড়াতেই এলাকায় শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, এত গভীর জঙ্গলে রাতের অন্ধকারে একজন অল্পবয়সী তরুণীর একা পৌঁছে যাওয়া নিয়ে একাধিক প্রশ্ন রয়েছে, তাই এটি সাধারণ আত্মহত্যা নয় বরং এর পেছনে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থাকতে পারে। এদিকে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত যুবকের অবস্থান সম্পর্কে কোনো নিশ্চিত তথ্য মেলেনি, যা রহস্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। খবর পেয়ে ইরানি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঊনকোটি জেলা হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনাস্থলটি হীরাছড়া এসপিও ক্যাম্পের অদূরে হওয়া সত্ত্বেও কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে নিরাপত্তা ও নজরদারিতে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। বর্তমানে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এলাকাবাসীর একমাত্র দাবি, দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করা হোক এবং তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।1
- ত্রিপুরার অমরপুরে ত্রিপুরা স্টেট কো-অপারেটিভ ব্যাংকের অমরপুর শাখায় ঋণ পরিশোধ করার পরও গ্রাহকের বন্ধক রাখা বাড়ির মূল দলিল খুঁজে না পাওয়ার এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের এই চরম অব্যবস্থাপনা এবং দায়িত্বজ্ঞানহীনতা গ্রাহকের নিরাপত্তা ও ব্যাংকের জবাবদিহিতাকে এক বড়সড় প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২১ সালের ২৪ জুলাই অমরপুরের রাঙ্গামাটি এলাকার বাসিন্দা অরুণ পাল তাঁর বাড়ির জমির মূল দলিল বন্ধক রেখে ত্রিপুরা স্টেট কো-অপারেটিভ ব্যাংকের অমরপুর শাখা থেকে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা ঋণ গ্রহণ করেন। পাঁচ বছরের ব্যবধানে সুদ ও আসল মিলিয়ে ঋণের মোট পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২ লক্ষ ২ হাজার ৮০৪ টাকা। এরপর গত ৬ জুলাই ২০২৬ সালে ওটিএস (One Time Settlement)-এর মাধ্যমে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জমা দিয়ে তিনি তাঁর সম্পূর্ণ ঋণ পরিশোধ করেন। কিন্তু ঋণ পরিশোধের পরই সামনে আসে চরম বিপত্তি। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ অরুণ পালের জমা রাখা সেই বাড়ির মূল দলিলটি আর খুঁজে পাচ্ছে না। ব্যাংকের একাধিক ফাইল তন্নতন্ন করে খোঁজার পরও দলিলের কোনো হদিস মেলেনি। এই বিষয়ে অমরপুর শাখার বর্তমান ম্যানেজার চাকমা বাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং আশা করা হচ্ছে যে কোনো না কোনো ফাইল থেকে দলিলটি উদ্ধার করা সম্ভব হবে। তবে সংবাদ সূত্রে জানা গেছে, এই ত্রিপুরা স্টেট কো-অপারেটিভ ব্যাংকে বন্ধক রেখে ঋণ নেওয়া আরও একাধিক গ্রাহকের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রও ফাইল থেকে নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২১ সালে যখন অরুণ পালের ঋণ অনুমোদিত হয়েছিল, তখন এই শাখার ব্যবস্থাপক ছিলেন উদয়পুরের বাসিন্দা প্রসেনজিৎ দাস। তাঁর সময়ে অনুমোদিত বিভিন্ন ঋণ সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগও এখন ধীরে ধীরে সামনে আসছে, যদিও এই বিষয়ে প্রসেনজিৎ দাসের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঋণ সম্পূর্ণ পরিশোধ করার পরও নিজের বাড়ির মূল দলিল ফেরত না পাওয়ায় চরম উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন অরুণ পাল। ক্ষুব্ধ গ্রাহক জানিয়েছেন, নিজের সম্পত্তি ফিরে পেতে প্রয়োজনে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হবেন। মানুষের কাছে যেখানে ব্যাংক মানেই নিরাপত্তা এবং আস্থার জায়গা, সেখানে এই ধরনের ঘটনা ব্যাংকের বিশ্বাসযোগ্যতাকেই বড়সড় ধাক্কা দিয়েছে।1