Shuru
Apke Nagar Ki App…
ত্রিপুরার ঊনকোটি জেলার কুমারঘাট শহরে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। শহরের প্রাণকেন্দ্রের রাস্তাঘাট সম্পূর্ণভাবে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। বন্যার জল বাজারের দোকানপাট থেকে শুরু করে স্থানীয় মানুষের ঘরবাড়িতেও ঢুকে পড়েছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতায় বহু মানুষকে বাধ্য হয়ে শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিতে হয়েছে।
JOHNNY BHATTACHARJEE
ত্রিপুরার ঊনকোটি জেলার কুমারঘাট শহরে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। শহরের প্রাণকেন্দ্রের রাস্তাঘাট সম্পূর্ণভাবে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। বন্যার জল বাজারের দোকানপাট থেকে শুরু করে স্থানীয় মানুষের ঘরবাড়িতেও ঢুকে পড়েছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতায় বহু মানুষকে বাধ্য হয়ে শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিতে হয়েছে।
More news from ত্রিপুরা and nearby areas
- ত্রিপুরার ঊনকোটি জেলার কুমারঘাট শহরে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। শহরের প্রাণকেন্দ্রের রাস্তাঘাট সম্পূর্ণভাবে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। বন্যার জল বাজারের দোকানপাট থেকে শুরু করে স্থানীয় মানুষের ঘরবাড়িতেও ঢুকে পড়েছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতায় বহু মানুষকে বাধ্য হয়ে শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিতে হয়েছে।1
- আসন্ন এডিসি ভিলেজ কাউন্সিল নির্বাচনকে সামনে রেখে ঊনকোটির তৈলেন বাড়িতে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে একটি দলীয় সভার আয়োজন করা হয়েছে।1
- ত্রিপুরার ধর্মনগরে বিদ্যুৎ পরিষেবার বেসরকারিকরণ, স্মার্ট মিটার প্রকল্প বাতিল এবং বিদ্যুৎ নিগমে দুর্নীতির অভিযোগে শনিবার একটি ৩ ঘণ্টার গণ-অবস্থান ও প্রতিরোধ কর্মসূচির আয়োজন করে ধর্মনগর জেলা কংগ্রেস। ধর্মনগরের নেতাজি মূর্তির পাদদেশে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে সরাসরি নেতৃত্ব দেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা। এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি দিবাচন্দ্র রাঙ্খল, প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তরুণ সাহা ও চয়ন ভট্টাচার্য, এবং জেলা সভাপতি নিরূপম দে-সহ দলের অন্যান্য নেতারা। সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আশীষ কুমার সাহা অভিযোগ করেন যে, বিদ্যুৎ সরবরাহের নামে সাধারণ মানুষের ওপর অযৌক্তিক মাসুল চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং বিদ্যুৎ নিগমে দুর্নীতি ক্রমাগত বাড়ছে। বিদ্যুৎ দপ্তর পরিচালনায় ব্যর্থতার দায় নিয়ে বিদ্যুৎমন্ত্রী রতন লাল নাথের অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত বলে তিনি দাবি জানান। সমাবেশ থেকে স্মার্ট মিটার প্রকল্প বাতিল, বিদ্যুৎ পরিষেবার উন্নয়ন এবং দুর্নীতি বন্ধের দাবি জানানো হয়। সেই সঙ্গে দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামার তীব্র হুঁশিয়ারিও দিয়েছে কংগ্রেস।4
- উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্ককে ঘিরে ফের গুরুতর গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। ধর্মনগরের স্থানীয় বাসিন্দা রাজ চৌধুরী তাঁর মুমূর্ষু মায়ের জন্য জরুরি ভিত্তিতে 'এ পজিটিভ' (A Positive) রক্ত সংগ্রহ করতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হন। বেসরকারি চিকিৎসা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন গুরুতর অসুস্থ মায়ের জন্য ব্লাড ব্যাঙ্কের কর্মীর দুর্ব্যবহার ও অসহযোগিতা সত্ত্বেও বহু অনুরোধের পর তিনি রক্ত সংগ্রহ করেন। কিন্তু বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে রক্তের গ্রুপ 'এ পজিটিভ'-এর জায়গায় 'বি পজিটিভ' (B Positive) লেখা দেখে তিনি স্তম্ভিত হয়ে যান। এই ভুল নজরে আসতেই রাজ চৌধুরী দ্রুত পুনরায় ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে ফিরে যান। কিন্তু সেখানে কাউন্টার বন্ধ থাকায় দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর তিনি ফোনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ওই কর্মী তাঁকে অন্য একটি স্থানে ডাকেন এবং বিষয়টি বিস্তারিত জানানো হলে অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে বলেন, "নিজেরাই ঠিক করে নিন, A Positive-এর জায়গায় B Positive লিখে নিন।" মুমূর্ষু রোগীর জীবন নিয়ে এমন চরম অসাবধানতা ও মন্তব্যকে অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে অভিযোগ তুলেছেন ক্ষুব্ধ রাজ চৌধুরী। এই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে দীর্ঘদিন ধরেই সময়মতো রক্ত না পাওয়া, অব্যবস্থা এবং কর্মীদের দুর্ব্যবহারের মতো নানা অনিয়ম চলছে। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে রাজ্য সরকারের দ্রুত হস্তক্ষেপের জোর দাবি জানিয়েছেন।1
- বিদ্যুৎ বেসরকারিকরণ বিল প্রত্যাহার, স্মার্টমিটার বাতিল এবং রাজ্য বিদ্যুৎ নিগমের সীমাহীন দুর্নীতি রোধের দাবিতে ধর্মনগরে এক গণ প্রতিরোধ অবস্থান কর্মসূচির আয়োজন করেছে ধর্মনগর জেলা কংগ্রেস। এই প্রতিবাদ কর্মসূচির মাধ্যমে গ্রাহকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ মাশুল ও চার্জ বৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে। এই গণ প্রতিরোধ আন্দোলনের মঞ্চ থেকে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে সরাসরি বিদ্যুৎ মন্ত্রীর পদত্যাগের জোরালো দাবি জানিয়েছেন আশীষ কুমার সাহা।1
- বিজনেস কনক্লেভে প্রোটোকল ভেঙে এক ভবঘুরে ব্যক্তি সরাসরি হলঘরে ঢুকে পড়ায় বড়সড় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। যে সময় এই ঘটনা ঘটে, তখন সেখানে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপতিরা উপস্থিত ছিলেন। ত্রিপুরায় আয়োজিত এই কর্মসূচিতে এমন ঘটনা ঘটায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন চিহ্ন তৈরি হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিক জাকির হোসেন প্রশ্ন তুললেও শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের আধিকারিক কিরণ গিত্তে কোনও সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি।1
- ত্রিপুরার ঊনকোটি জেলার ফটিকরায়ে একটানা বৃষ্টির জেরে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। বন্যার তাণ্ডবে ওই অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে এবং একাধিক রাস্তা জলের নিচে তলিয়ে গেছে। পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটজনক হওয়ায় ফটিকরায়ের বেশ কিছু পরিবার তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। প্রবল বর্ষণের ফলে সৃষ্ট এই জলবন্দি অবস্থায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।1
- কৈলাসহর মহকুমার হীরাছড়া এডিসি ভিলেজ এলাকার একটি চা বাগানের ঘন জঙ্গল থেকে শনিবার সকালে এক তরুণীর অস্বাভাবিক মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ইরানি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ওই তরুণীকে গতদিন একই এলাকার এক যুবক বড়খলা হাই স্কুল থেকে নিয়ে যায়। তরুণী নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের পক্ষ থেকে ইরানি থানায় একটি ডায়েরিও করা হয়েছিল। কিন্তু সকালে হীরাছড়া চা বাগিচার জঙ্গল থেকে তাঁর নিথর দেহ উদ্ধার হতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এলাকাবাসী এই ঘটনাকে আত্মহত্যা নয়, বরং পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে অভিযোগ তুলেছেন। তাঁদের প্রশ্ন, রাতের অন্ধকারে এক তরুণীর পক্ষে এমন গভীর জঙ্গলে নিজে থেকে যাওয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়। ঘটনার খবর পেয়ে ইরানি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঊনকোটি জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। যে যুবকের বিরুদ্ধে তরুণীকে স্কুল থেকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে, সে এখনও নিখোঁজ থাকায় রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে। এছাড়া, ঘটনাস্থলটি হীরাছড়া এসপিও ক্যাম্পের ঢিলছোড়া দূরত্বে হওয়ায় স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে এসপিও জোয়ানদের চরম গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন। এলাকাবাসী এই ঘটনার দ্রুত, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের চিহ্নিত করে প্রকৃত সত্য প্রকাশের দাবিতে সরব হয়েছেন।4