Shuru
Apke Nagar Ki App…
বিদ্যুৎ বেসরকারিকরণ বিল প্রত্যাহার, স্মার্টমিটার বাতিল এবং রাজ্য বিদ্যুৎ নিগমের সীমাহীন দুর্নীতি রোধের দাবিতে ধর্মনগরে এক গণ প্রতিরোধ অবস্থান কর্মসূচির আয়োজন করেছে ধর্মনগর জেলা কংগ্রেস। এই প্রতিবাদ কর্মসূচির মাধ্যমে গ্রাহকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ মাশুল ও চার্জ বৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে। এই গণ প্রতিরোধ আন্দোলনের মঞ্চ থেকে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে সরাসরি বিদ্যুৎ মন্ত্রীর পদত্যাগের জোরালো দাবি জানিয়েছেন আশীষ কুমার সাহা।
Rahul Das
বিদ্যুৎ বেসরকারিকরণ বিল প্রত্যাহার, স্মার্টমিটার বাতিল এবং রাজ্য বিদ্যুৎ নিগমের সীমাহীন দুর্নীতি রোধের দাবিতে ধর্মনগরে এক গণ প্রতিরোধ অবস্থান কর্মসূচির আয়োজন করেছে ধর্মনগর জেলা কংগ্রেস। এই প্রতিবাদ কর্মসূচির মাধ্যমে গ্রাহকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ মাশুল ও চার্জ বৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে। এই গণ প্রতিরোধ আন্দোলনের মঞ্চ থেকে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে সরাসরি বিদ্যুৎ মন্ত্রীর পদত্যাগের জোরালো দাবি জানিয়েছেন আশীষ কুমার সাহা।
More news from ত্রিপুরা and nearby areas
- বিদ্যুৎ বেসরকারিকরণ বিল প্রত্যাহার, স্মার্টমিটার বাতিল এবং রাজ্য বিদ্যুৎ নিগমের সীমাহীন দুর্নীতি রোধের দাবিতে ধর্মনগরে এক গণ প্রতিরোধ অবস্থান কর্মসূচির আয়োজন করেছে ধর্মনগর জেলা কংগ্রেস। এই প্রতিবাদ কর্মসূচির মাধ্যমে গ্রাহকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ মাশুল ও চার্জ বৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে। এই গণ প্রতিরোধ আন্দোলনের মঞ্চ থেকে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে সরাসরি বিদ্যুৎ মন্ত্রীর পদত্যাগের জোরালো দাবি জানিয়েছেন আশীষ কুমার সাহা।1
- কোনো দুর্ঘটনার জন্য অপেক্ষা না করে প্রশাসনের অবিলম্বে নালকাটা বিএসএফ ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শন করা উচিত বলে জোরালো দাবি উঠেছে। ধলাই জেলার লংতরাই ভ্যালির অন্তর্গত এই এলাকায় যাতে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে, সেই লক্ষ্যে প্রশাসনকে দ্রুত এই অঞ্চলটি সরজমিনে খতিয়ে দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে।1
- ত্রিপুরার ঊনকোটি জেলার কুমারঘাট শহরে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। শহরের প্রাণকেন্দ্রের রাস্তাঘাট সম্পূর্ণভাবে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। বন্যার জল বাজারের দোকানপাট থেকে শুরু করে স্থানীয় মানুষের ঘরবাড়িতেও ঢুকে পড়েছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতায় বহু মানুষকে বাধ্য হয়ে শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিতে হয়েছে।1
- ত্রিপুরার ধর্মনগরে বিদ্যুৎ পরিষেবার বেসরকারিকরণ, স্মার্ট মিটার প্রকল্প বাতিল এবং বিদ্যুৎ নিগমে দুর্নীতির অভিযোগে শনিবার একটি ৩ ঘণ্টার গণ-অবস্থান ও প্রতিরোধ কর্মসূচির আয়োজন করে ধর্মনগর জেলা কংগ্রেস। ধর্মনগরের নেতাজি মূর্তির পাদদেশে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে সরাসরি নেতৃত্ব দেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা। এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি দিবাচন্দ্র রাঙ্খল, প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তরুণ সাহা ও চয়ন ভট্টাচার্য, এবং জেলা সভাপতি নিরূপম দে-সহ দলের অন্যান্য নেতারা। সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আশীষ কুমার সাহা অভিযোগ করেন যে, বিদ্যুৎ সরবরাহের নামে সাধারণ মানুষের ওপর অযৌক্তিক মাসুল চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং বিদ্যুৎ নিগমে দুর্নীতি ক্রমাগত বাড়ছে। বিদ্যুৎ দপ্তর পরিচালনায় ব্যর্থতার দায় নিয়ে বিদ্যুৎমন্ত্রী রতন লাল নাথের অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত বলে তিনি দাবি জানান। সমাবেশ থেকে স্মার্ট মিটার প্রকল্প বাতিল, বিদ্যুৎ পরিষেবার উন্নয়ন এবং দুর্নীতি বন্ধের দাবি জানানো হয়। সেই সঙ্গে দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামার তীব্র হুঁশিয়ারিও দিয়েছে কংগ্রেস।4
- উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্ককে ঘিরে ফের গুরুতর গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। ধর্মনগরের স্থানীয় বাসিন্দা রাজ চৌধুরী তাঁর মুমূর্ষু মায়ের জন্য জরুরি ভিত্তিতে 'এ পজিটিভ' (A Positive) রক্ত সংগ্রহ করতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হন। বেসরকারি চিকিৎসা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন গুরুতর অসুস্থ মায়ের জন্য ব্লাড ব্যাঙ্কের কর্মীর দুর্ব্যবহার ও অসহযোগিতা সত্ত্বেও বহু অনুরোধের পর তিনি রক্ত সংগ্রহ করেন। কিন্তু বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে রক্তের গ্রুপ 'এ পজিটিভ'-এর জায়গায় 'বি পজিটিভ' (B Positive) লেখা দেখে তিনি স্তম্ভিত হয়ে যান। এই ভুল নজরে আসতেই রাজ চৌধুরী দ্রুত পুনরায় ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে ফিরে যান। কিন্তু সেখানে কাউন্টার বন্ধ থাকায় দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর তিনি ফোনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ওই কর্মী তাঁকে অন্য একটি স্থানে ডাকেন এবং বিষয়টি বিস্তারিত জানানো হলে অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে বলেন, "নিজেরাই ঠিক করে নিন, A Positive-এর জায়গায় B Positive লিখে নিন।" মুমূর্ষু রোগীর জীবন নিয়ে এমন চরম অসাবধানতা ও মন্তব্যকে অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে অভিযোগ তুলেছেন ক্ষুব্ধ রাজ চৌধুরী। এই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে দীর্ঘদিন ধরেই সময়মতো রক্ত না পাওয়া, অব্যবস্থা এবং কর্মীদের দুর্ব্যবহারের মতো নানা অনিয়ম চলছে। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে রাজ্য সরকারের দ্রুত হস্তক্ষেপের জোর দাবি জানিয়েছেন।1
- ত্রিপুরায় আয়োজিত একটি বিজনেস কনক্লেভে বিদেশি অতিথিদের কাছে ভিক্ষা চাওয়া নিয়ে চরম বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই সম্পূর্ণ ঘটনায় সরকারকে বদনাম করার একটি বড় ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে।1
- উত্তর ত্রিপুরার বাগবাসা বিধানসভার অন্তর্গত কালাছড়া আর ডি ব্লকের বিডিও সুমিত দাসের নিকট ডেপুটেশন প্রদান করেছে কংগ্রেস দল। এই ডেপুটেশন প্রদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির অন্যতম নেতৃত্ব হীরালাল নাথ ও কেবল কান্তি নন্দী। এছাড়াও এই কর্মসূচিতে কালাছড়া ব্লক কংগ্রেস কমিটির সভাপতি প্রদীপ কুমার সিংহ সহ দলের অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।1
- ত্রিপুরার অমরপুরে ত্রিপুরা স্টেট কো-অপারেটিভ ব্যাংকের অমরপুর শাখায় ঋণ পরিশোধ করার পরও গ্রাহকের বন্ধক রাখা বাড়ির মূল দলিল খুঁজে না পাওয়ার এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের এই চরম অব্যবস্থাপনা এবং দায়িত্বজ্ঞানহীনতা গ্রাহকের নিরাপত্তা ও ব্যাংকের জবাবদিহিতাকে এক বড়সড় প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২১ সালের ২৪ জুলাই অমরপুরের রাঙ্গামাটি এলাকার বাসিন্দা অরুণ পাল তাঁর বাড়ির জমির মূল দলিল বন্ধক রেখে ত্রিপুরা স্টেট কো-অপারেটিভ ব্যাংকের অমরপুর শাখা থেকে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা ঋণ গ্রহণ করেন। পাঁচ বছরের ব্যবধানে সুদ ও আসল মিলিয়ে ঋণের মোট পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২ লক্ষ ২ হাজার ৮০৪ টাকা। এরপর গত ৬ জুলাই ২০২৬ সালে ওটিএস (One Time Settlement)-এর মাধ্যমে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জমা দিয়ে তিনি তাঁর সম্পূর্ণ ঋণ পরিশোধ করেন। কিন্তু ঋণ পরিশোধের পরই সামনে আসে চরম বিপত্তি। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ অরুণ পালের জমা রাখা সেই বাড়ির মূল দলিলটি আর খুঁজে পাচ্ছে না। ব্যাংকের একাধিক ফাইল তন্নতন্ন করে খোঁজার পরও দলিলের কোনো হদিস মেলেনি। এই বিষয়ে অমরপুর শাখার বর্তমান ম্যানেজার চাকমা বাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং আশা করা হচ্ছে যে কোনো না কোনো ফাইল থেকে দলিলটি উদ্ধার করা সম্ভব হবে। তবে সংবাদ সূত্রে জানা গেছে, এই ত্রিপুরা স্টেট কো-অপারেটিভ ব্যাংকে বন্ধক রেখে ঋণ নেওয়া আরও একাধিক গ্রাহকের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রও ফাইল থেকে নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২১ সালে যখন অরুণ পালের ঋণ অনুমোদিত হয়েছিল, তখন এই শাখার ব্যবস্থাপক ছিলেন উদয়পুরের বাসিন্দা প্রসেনজিৎ দাস। তাঁর সময়ে অনুমোদিত বিভিন্ন ঋণ সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগও এখন ধীরে ধীরে সামনে আসছে, যদিও এই বিষয়ে প্রসেনজিৎ দাসের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঋণ সম্পূর্ণ পরিশোধ করার পরও নিজের বাড়ির মূল দলিল ফেরত না পাওয়ায় চরম উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন অরুণ পাল। ক্ষুব্ধ গ্রাহক জানিয়েছেন, নিজের সম্পত্তি ফিরে পেতে প্রয়োজনে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হবেন। মানুষের কাছে যেখানে ব্যাংক মানেই নিরাপত্তা এবং আস্থার জায়গা, সেখানে এই ধরনের ঘটনা ব্যাংকের বিশ্বাসযোগ্যতাকেই বড়সড় ধাক্কা দিয়েছে।1