Shuru
Apke Nagar Ki App…
বিজনেস কনক্লেভে প্রোটোকল ভেঙে এক ভবঘুরে ব্যক্তি সরাসরি হলঘরে ঢুকে পড়ায় বড়সড় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। যে সময় এই ঘটনা ঘটে, তখন সেখানে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপতিরা উপস্থিত ছিলেন। ত্রিপুরায় আয়োজিত এই কর্মসূচিতে এমন ঘটনা ঘটায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন চিহ্ন তৈরি হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিক জাকির হোসেন প্রশ্ন তুললেও শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের আধিকারিক কিরণ গিত্তে কোনও সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি।
পরিবর্তন
বিজনেস কনক্লেভে প্রোটোকল ভেঙে এক ভবঘুরে ব্যক্তি সরাসরি হলঘরে ঢুকে পড়ায় বড়সড় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। যে সময় এই ঘটনা ঘটে, তখন সেখানে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপতিরা উপস্থিত ছিলেন। ত্রিপুরায় আয়োজিত এই কর্মসূচিতে এমন ঘটনা ঘটায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন চিহ্ন তৈরি হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিক জাকির হোসেন প্রশ্ন তুললেও শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের আধিকারিক কিরণ গিত্তে কোনও সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি।
More news from Dhalai and nearby areas
- বিজনেস কনক্লেভে প্রোটোকল ভেঙে এক ভবঘুরে ব্যক্তি সরাসরি হলঘরে ঢুকে পড়ায় বড়সড় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। যে সময় এই ঘটনা ঘটে, তখন সেখানে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপতিরা উপস্থিত ছিলেন। ত্রিপুরায় আয়োজিত এই কর্মসূচিতে এমন ঘটনা ঘটায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন চিহ্ন তৈরি হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিক জাকির হোসেন প্রশ্ন তুললেও শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের আধিকারিক কিরণ গিত্তে কোনও সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি।1
- ত্রিপুরায় আয়োজিত একটি বিজনেস কনক্লেভে বিদেশি অতিথিদের কাছে ভিক্ষা চাওয়া নিয়ে চরম বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই সম্পূর্ণ ঘটনায় সরকারকে বদনাম করার একটি বড় ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে।1
- কোনো দুর্ঘটনার জন্য অপেক্ষা না করে প্রশাসনের অবিলম্বে নালকাটা বিএসএফ ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শন করা উচিত বলে জোরালো দাবি উঠেছে। ধলাই জেলার লংতরাই ভ্যালির অন্তর্গত এই এলাকায় যাতে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে, সেই লক্ষ্যে প্রশাসনকে দ্রুত এই অঞ্চলটি সরজমিনে খতিয়ে দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে।1
- শিক্ষাক্ষেত্রের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের দাবিতে খোয়াইয়ের সুভাষ পার্কে একটি গণঅবস্থান কর্মসূচির আয়োজন করে ভারতের ছাত্র ফেডারেশন (এসএফআই)। শনিবার আয়োজিত এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীরা এসে উপস্থিত হন। এই গণঅবস্থান কর্মসূচি থেকে এসএফআই-এর পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। তাদের এই দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে স্কুলে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ করা, শিক্ষার বেসরকারিকরণ বন্ধ করা এবং ক্যাম্পাসে ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।4
- বিদ্যুৎ বেসরকারিকরণ বিল প্রত্যাহার, স্মার্টমিটার বাতিল এবং রাজ্য বিদ্যুৎ নিগমের সীমাহীন দুর্নীতি রোধের দাবিতে ধর্মনগরে এক গণ প্রতিরোধ অবস্থান কর্মসূচির আয়োজন করেছে ধর্মনগর জেলা কংগ্রেস। এই প্রতিবাদ কর্মসূচির মাধ্যমে গ্রাহকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ মাশুল ও চার্জ বৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে। এই গণ প্রতিরোধ আন্দোলনের মঞ্চ থেকে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে সরাসরি বিদ্যুৎ মন্ত্রীর পদত্যাগের জোরালো দাবি জানিয়েছেন আশীষ কুমার সাহা।1
- আজ ১১ই জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে ত্রিপুরার খোয়াইয়ের জাম্বুরার রঞ্জন রায় স্মৃতি ভবনে এক বিশেষ সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আজ সকাল ১১টায় এই অনুষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের মধ্যে এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হয়। মূলত বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের তাৎপর্য এবং জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব নিয়ে অনুষ্ঠানে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। জাম্বুরা হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক শিব চরণ দেববর্মার আমন্ত্রণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোয়াই জিলা পরিষদের মাননীয় সদস্য শ্রী অনুকূল দাস। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাম্বুয়ারা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শ্রীমতী নীলিমা দেবনাথ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাম্বুরা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান শ্রী সুশান্ত দেবনাথ। এছাড়াও 'গেস্ট অফ অনার' বা সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোয়াই জেলা শিক্ষা অফিসের ওএসডি শ্রী মাতিলাল দেববর্মা ও এসসিইআরটি (SCERT)-র পপুলেশন এডুকেশন সেলের ইন-চার্জ শ্রী সুবোধ কুমার মিশ্র সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। সমগ্র অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন জাম্বুরা হাই স্কুলের এসএমসি (SMC) চেয়ারম্যান শ্রী অসিত দেবনাথ।4
- বেঁচে থাকতে নিজের কর্তব্য পালন করলেও, মৃত্যুর পর জুটেছে শুধুই বিস্মৃতি। ত্রিপুরার মৃত এসপিও (SPO) শুভ রিয়াংয়ের মৃত্যুর পর তাঁর পরিবার এখন চরম অবহেলার শিকার। বর্তমানে সহকর্মীদের দেওয়া চাঁদার ওপরেই সম্পূর্ণ ভরসা করে বেঁচে থাকতে হচ্ছে এই মৃত এসপিওর অসহায় পরিবারকে।1
- ত্রিপুরার অমরপুরে ত্রিপুরা স্টেট কো-অপারেটিভ ব্যাংকের অমরপুর শাখায় ঋণ পরিশোধ করার পরও গ্রাহকের বন্ধক রাখা বাড়ির মূল দলিল খুঁজে না পাওয়ার এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের এই চরম অব্যবস্থাপনা এবং দায়িত্বজ্ঞানহীনতা গ্রাহকের নিরাপত্তা ও ব্যাংকের জবাবদিহিতাকে এক বড়সড় প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২১ সালের ২৪ জুলাই অমরপুরের রাঙ্গামাটি এলাকার বাসিন্দা অরুণ পাল তাঁর বাড়ির জমির মূল দলিল বন্ধক রেখে ত্রিপুরা স্টেট কো-অপারেটিভ ব্যাংকের অমরপুর শাখা থেকে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা ঋণ গ্রহণ করেন। পাঁচ বছরের ব্যবধানে সুদ ও আসল মিলিয়ে ঋণের মোট পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২ লক্ষ ২ হাজার ৮০৪ টাকা। এরপর গত ৬ জুলাই ২০২৬ সালে ওটিএস (One Time Settlement)-এর মাধ্যমে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জমা দিয়ে তিনি তাঁর সম্পূর্ণ ঋণ পরিশোধ করেন। কিন্তু ঋণ পরিশোধের পরই সামনে আসে চরম বিপত্তি। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ অরুণ পালের জমা রাখা সেই বাড়ির মূল দলিলটি আর খুঁজে পাচ্ছে না। ব্যাংকের একাধিক ফাইল তন্নতন্ন করে খোঁজার পরও দলিলের কোনো হদিস মেলেনি। এই বিষয়ে অমরপুর শাখার বর্তমান ম্যানেজার চাকমা বাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং আশা করা হচ্ছে যে কোনো না কোনো ফাইল থেকে দলিলটি উদ্ধার করা সম্ভব হবে। তবে সংবাদ সূত্রে জানা গেছে, এই ত্রিপুরা স্টেট কো-অপারেটিভ ব্যাংকে বন্ধক রেখে ঋণ নেওয়া আরও একাধিক গ্রাহকের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রও ফাইল থেকে নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২১ সালে যখন অরুণ পালের ঋণ অনুমোদিত হয়েছিল, তখন এই শাখার ব্যবস্থাপক ছিলেন উদয়পুরের বাসিন্দা প্রসেনজিৎ দাস। তাঁর সময়ে অনুমোদিত বিভিন্ন ঋণ সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগও এখন ধীরে ধীরে সামনে আসছে, যদিও এই বিষয়ে প্রসেনজিৎ দাসের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঋণ সম্পূর্ণ পরিশোধ করার পরও নিজের বাড়ির মূল দলিল ফেরত না পাওয়ায় চরম উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন অরুণ পাল। ক্ষুব্ধ গ্রাহক জানিয়েছেন, নিজের সম্পত্তি ফিরে পেতে প্রয়োজনে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হবেন। মানুষের কাছে যেখানে ব্যাংক মানেই নিরাপত্তা এবং আস্থার জায়গা, সেখানে এই ধরনের ঘটনা ব্যাংকের বিশ্বাসযোগ্যতাকেই বড়সড় ধাক্কা দিয়েছে।1