ঘাটালে পরিযায়ী শ্রমিকদের ‘পরিবর্তনের ডাক’, মুখ খুললেন পরিযায়ী শ্রমিক সংগঠনের নেতা এস এস আলম অভিজিৎ সাহা, ঘাটাল, পশ্চিম মেদিনীপুর: ঘাটাল মহকুমায় বিপুল সংখ্যক মানুষ আজও জীবিকার তাগিদে ভিন রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন। সোনার কাজ থেকে শুরু করে নির্মাণ ও অন্যান্য শ্রমনির্ভর পেশায় যুক্ত এই শ্রমিকদের একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যের বাইরে কর্মরত। এই প্রেক্ষাপটে পরিযায়ী শ্রমিকদের সংগঠিত করতে এবং তাঁদের স্বার্থরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন ঘাটালের পরিযায়ী শ্রমিক এস এস আলম। তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রায় এক কোটি ৫০ লক্ষ শ্রমিক ভিন রাজ্যে কাজ করতে যান। এই বিশাল শ্রমিক গোষ্ঠীর নেতৃত্বে থেকে আলম সম্প্রতি রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সরব হয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, গত প্রায় ৫০ বছরে রাজ্যে প্রত্যাশিত উন্নয়ন না হওয়ায় কর্মসংস্থানের অভাব তৈরি হয়েছে, যার ফলে পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। এস এস আলম বলেন, “আমরা পরিবর্তনের জন্যই ভোট দিতে এসেছি। রাজ্যের মানুষের মধ্যে দীর্ঘদিনের অসন্তোষ জমে রয়েছে। নানা ধরনের বাধা, হেনস্থা সত্ত্বেও এবারের ভোটে পরিযায়ী শ্রমিকরা একজোট হয়ে পরিবর্তনের লক্ষ্যে এগোচ্ছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, রাজ্যে এমন পরিবেশ তৈরি হওয়া উচিত যাতে শ্রমিকদের আর ভিন রাজ্যে যেতে না হয়। “আমরা চাই, মানুষ নিজের মাটিতে কাজ পাক, পরিবারের সঙ্গে থাকতে পারুক,”—এই বার্তাই দেন তিনি। এস এস আলম, বাংলার প্রতিটি মুসলমানকে পরিবর্তনের লক্ষ্যে সামিল হতে বলেন । রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পরিযায়ী শ্রমিকদের এই সংগঠিত অবস্থান এবং ভোটে সক্রিয় অংশগ্রহণ আসন্ন নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষত গ্রামীণ অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান ইস্যু এবার ভোটের কেন্দ্রে উঠে আসছে।
ঘাটালে পরিযায়ী শ্রমিকদের ‘পরিবর্তনের ডাক’, মুখ খুললেন পরিযায়ী শ্রমিক সংগঠনের নেতা এস এস আলম অভিজিৎ সাহা, ঘাটাল, পশ্চিম মেদিনীপুর: ঘাটাল মহকুমায় বিপুল সংখ্যক মানুষ আজও জীবিকার তাগিদে ভিন রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন। সোনার কাজ থেকে শুরু করে নির্মাণ ও অন্যান্য শ্রমনির্ভর পেশায় যুক্ত এই শ্রমিকদের একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যের বাইরে কর্মরত। এই প্রেক্ষাপটে পরিযায়ী শ্রমিকদের সংগঠিত করতে এবং তাঁদের স্বার্থরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন ঘাটালের পরিযায়ী শ্রমিক এস এস আলম। তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রায় এক কোটি ৫০ লক্ষ শ্রমিক ভিন রাজ্যে কাজ করতে যান। এই বিশাল শ্রমিক গোষ্ঠীর নেতৃত্বে থেকে আলম সম্প্রতি রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সরব হয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, গত প্রায় ৫০ বছরে রাজ্যে প্রত্যাশিত উন্নয়ন না হওয়ায় কর্মসংস্থানের অভাব তৈরি হয়েছে, যার ফলে পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। এস এস আলম বলেন, “আমরা পরিবর্তনের জন্যই ভোট দিতে এসেছি। রাজ্যের মানুষের মধ্যে দীর্ঘদিনের অসন্তোষ জমে রয়েছে। নানা ধরনের বাধা, হেনস্থা সত্ত্বেও এবারের ভোটে পরিযায়ী শ্রমিকরা একজোট হয়ে পরিবর্তনের লক্ষ্যে এগোচ্ছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, রাজ্যে এমন পরিবেশ তৈরি হওয়া উচিত যাতে শ্রমিকদের আর ভিন রাজ্যে যেতে না হয়। “আমরা চাই, মানুষ নিজের মাটিতে কাজ পাক, পরিবারের সঙ্গে থাকতে পারুক,”—এই বার্তাই দেন তিনি। এস এস আলম, বাংলার প্রতিটি মুসলমানকে পরিবর্তনের লক্ষ্যে সামিল হতে বলেন । রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পরিযায়ী শ্রমিকদের এই সংগঠিত অবস্থান এবং ভোটে সক্রিয় অংশগ্রহণ আসন্ন নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষত গ্রামীণ অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান ইস্যু এবার ভোটের কেন্দ্রে উঠে আসছে।
- Post by Avijit Saha District Reporter1
- Post by Subhankar maji1
- #pradipsarkarvote : वोटिंग के बीच बवाल: बूथ पर BJP का झंडा देख भड़के प्रदीप सरकार| #asseemblyelection2026 #pradipsarkartmc #kharagpurnews91
- বিধানসভা নির্বাচনে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ । বুধবার খড়্গপুরের সেরোসা স্টেডিয়ামের ২৬৩ নম্বর বুথে গিয়ে ভোট দেন তিনি।1
- ঘাটালে বিস্ফোরক অভিযোগ MLA পদ প্রার্থী শীতল কপাটের1
- Post by ঝাড়গ্রাম আপডেট1
- নির্বাচনের আগে টাকা লেনদেন। ভাইরাল ভিডিও ঘিরে চাঞ্চল্য ২৩২ চন্দ্রকোনা বিধানসভায়। কে দিচ্ছেন?.......1
- অভিজিৎ সাহা, ঘাটাল, পশ্চিম মেদিনীপুর: ঘাটাল মহকুমায় বিপুল সংখ্যক মানুষ আজও জীবিকার তাগিদে ভিন রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন। সোনার কাজ থেকে শুরু করে নির্মাণ ও অন্যান্য শ্রমনির্ভর পেশায় যুক্ত এই শ্রমিকদের একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যের বাইরে কর্মরত। এই প্রেক্ষাপটে পরিযায়ী শ্রমিকদের সংগঠিত করতে এবং তাঁদের স্বার্থরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন ঘাটালের পরিযায়ী শ্রমিক এস এস আলম। তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রায় এক কোটি ৫০ লক্ষ শ্রমিক ভিন রাজ্যে কাজ করতে যান। এই বিশাল শ্রমিক গোষ্ঠীর নেতৃত্বে থেকে আলম সম্প্রতি রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সরব হয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, গত প্রায় ৫০ বছরে রাজ্যে প্রত্যাশিত উন্নয়ন না হওয়ায় কর্মসংস্থানের অভাব তৈরি হয়েছে, যার ফলে পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। এস এস আলম বলেন, “আমরা পরিবর্তনের জন্যই ভোট দিতে এসেছি। রাজ্যের মানুষের মধ্যে দীর্ঘদিনের অসন্তোষ জমে রয়েছে। নানা ধরনের বাধা, হেনস্থা সত্ত্বেও এবারের ভোটে পরিযায়ী শ্রমিকরা একজোট হয়ে পরিবর্তনের লক্ষ্যে এগোচ্ছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, রাজ্যে এমন পরিবেশ তৈরি হওয়া উচিত যাতে শ্রমিকদের আর ভিন রাজ্যে যেতে না হয়। “আমরা চাই, মানুষ নিজের মাটিতে কাজ পাক, পরিবারের সঙ্গে থাকতে পারুক,”—এই বার্তাই দেন তিনি। এস এস আলম, বাংলার প্রতিটি মুসলমানকে পরিবর্তনের লক্ষ্যে সামিল হতে বলেন । রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পরিযায়ী শ্রমিকদের এই সংগঠিত অবস্থান এবং ভোটে সক্রিয় অংশগ্রহণ আসন্ন নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষত গ্রামীণ অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান ইস্যু এবার ভোটের কেন্দ্রে উঠে আসছে।1