শীতলকুচি এলাকায় বিজেপির প্রাক্তন ৫ নম্বর মণ্ডল সভাপতির গাড়িতে আগুন লাগানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে এই ঘটনায় বিজেপিরই একাংশ কর্মী-সমর্থক জড়িত। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল গভীর রাতে প্রায় ১২টা নাগাদ দলীয় বিষয়কে কেন্দ্র করে বিজেপি কর্মীদের মধ্যে প্রথমে বচসা এবং পরে হাতাহাতি হয়। এর পরই প্রাক্তন মণ্ডল সভাপতির চারচাকা গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়, যার ফলে মুহূর্তের মধ্যে গাড়িটি পুড়ে ছাই হয়ে যায় এবং ঘটনাস্থলে গাড়ির কিছু অংশ পড়ে থাকে। এই ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। একাংশের মতানুসারে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর দলীয়ভাবে 'আদি' এবং 'নব্য' নেতৃত্বের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে আসছে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। স্থানীয় সূত্র আরও দাবি করেছে যে, বর্তমান মণ্ডল সভাপতি পবিত্র অধিকারী এবং প্রাক্তন মণ্ডল সভাপতি পবিত্র বর্মনের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে মতবিরোধ চলছিল। যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ওই দুই নেতার কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ঘটনার খবর পেয়ে শীতলকুচি থানার পুলিশ দ্রুত এলাকায় পৌঁছায় এবং কয়েকজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পাশাপাশি, পুড়ে যাওয়া গাড়িটিও উদ্ধার করা হয়েছে। শীতলকুচি থানায় বিধানসভার কনভেনার কনক চন্দ্র বর্মন জানান যে, এটি দলের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে, কোথাও কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই এবং পুলিশ তদন্ত করছে। একই সুরে শীতলকুচি বিধানসভার নবনির্বাচিত বিধায়ক সাবিত্রী বর্মন বলেন যে, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত নন, তবে ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং কেউ দোষী প্রমাণিত হলে পুলিশ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। সব মিলিয়ে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শীতলকুচিতে বিজেপির অভ্যন্তরে গোষ্ঠী কোন্দল নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।
শীতলকুচি এলাকায় বিজেপির প্রাক্তন ৫ নম্বর মণ্ডল সভাপতির গাড়িতে আগুন লাগানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে এই ঘটনায় বিজেপিরই একাংশ কর্মী-সমর্থক জড়িত। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল গভীর রাতে প্রায় ১২টা নাগাদ দলীয় বিষয়কে কেন্দ্র করে বিজেপি কর্মীদের মধ্যে প্রথমে বচসা এবং পরে হাতাহাতি হয়। এর পরই প্রাক্তন মণ্ডল সভাপতির চারচাকা গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়, যার ফলে মুহূর্তের মধ্যে গাড়িটি পুড়ে ছাই হয়ে যায় এবং ঘটনাস্থলে গাড়ির কিছু অংশ পড়ে থাকে। এই ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। একাংশের মতানুসারে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর দলীয়ভাবে 'আদি' এবং 'নব্য' নেতৃত্বের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে আসছে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। স্থানীয় সূত্র আরও দাবি করেছে যে, বর্তমান মণ্ডল সভাপতি পবিত্র অধিকারী এবং প্রাক্তন মণ্ডল সভাপতি পবিত্র বর্মনের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে মতবিরোধ চলছিল। যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ওই দুই নেতার কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ঘটনার খবর পেয়ে শীতলকুচি থানার পুলিশ দ্রুত এলাকায় পৌঁছায় এবং কয়েকজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পাশাপাশি, পুড়ে যাওয়া গাড়িটিও উদ্ধার করা হয়েছে। শীতলকুচি থানায় বিধানসভার কনভেনার কনক চন্দ্র বর্মন জানান যে, এটি দলের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে, কোথাও কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই এবং পুলিশ তদন্ত করছে। একই সুরে শীতলকুচি বিধানসভার নবনির্বাচিত বিধায়ক সাবিত্রী বর্মন বলেন যে, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত নন, তবে ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং কেউ দোষী প্রমাণিত হলে পুলিশ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। সব মিলিয়ে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শীতলকুচিতে বিজেপির অভ্যন্তরে গোষ্ঠী কোন্দল নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।
- শীতলকুচি ব্লকের ৫ নং মণ্ডলে বিজেপির বর্তমান ও প্রাক্তন মণ্ডল সভাপতির মধ্যে দীর্ঘদিনের রেষারেষির জেরে গত রবিবার গভীর রাতে গোসাইরহাট অঞ্চলের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে বিক্ষিপ্ত ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার ফলে প্রাক্তন মণ্ডল সভাপতির গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একইসঙ্গে মারধরের ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রাক্তন মণ্ডল সভাপতি একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন।1
- মাথাভাঙ্গা সায়েন্স একাডেমির পক্ষ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় কৃতী শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।1
- শীতলকুচি এলাকায় বিজেপির প্রাক্তন ৫ নম্বর মণ্ডল সভাপতির গাড়িতে আগুন লাগানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে এই ঘটনায় বিজেপিরই একাংশ কর্মী-সমর্থক জড়িত। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল গভীর রাতে প্রায় ১২টা নাগাদ দলীয় বিষয়কে কেন্দ্র করে বিজেপি কর্মীদের মধ্যে প্রথমে বচসা এবং পরে হাতাহাতি হয়। এর পরই প্রাক্তন মণ্ডল সভাপতির চারচাকা গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়, যার ফলে মুহূর্তের মধ্যে গাড়িটি পুড়ে ছাই হয়ে যায় এবং ঘটনাস্থলে গাড়ির কিছু অংশ পড়ে থাকে। এই ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। একাংশের মতানুসারে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর দলীয়ভাবে 'আদি' এবং 'নব্য' নেতৃত্বের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে আসছে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। স্থানীয় সূত্র আরও দাবি করেছে যে, বর্তমান মণ্ডল সভাপতি পবিত্র অধিকারী এবং প্রাক্তন মণ্ডল সভাপতি পবিত্র বর্মনের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে মতবিরোধ চলছিল। যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ওই দুই নেতার কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ঘটনার খবর পেয়ে শীতলকুচি থানার পুলিশ দ্রুত এলাকায় পৌঁছায় এবং কয়েকজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পাশাপাশি, পুড়ে যাওয়া গাড়িটিও উদ্ধার করা হয়েছে। শীতলকুচি থানায় বিধানসভার কনভেনার কনক চন্দ্র বর্মন জানান যে, এটি দলের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে, কোথাও কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই এবং পুলিশ তদন্ত করছে। একই সুরে শীতলকুচি বিধানসভার নবনির্বাচিত বিধায়ক সাবিত্রী বর্মন বলেন যে, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত নন, তবে ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং কেউ দোষী প্রমাণিত হলে পুলিশ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। সব মিলিয়ে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শীতলকুচিতে বিজেপির অভ্যন্তরে গোষ্ঠী কোন্দল নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।1
- সিতাই ব্লকের ব্রহ্মত্তর চাত্রা অঞ্চলের জাটিগাড়া গ্রামে আবাস যোজনার টাকায় কাটমানি নেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, স্থানীয় এক পঞ্চায়েত সদস্য আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে উপভোক্তাদের কাছ থেকে অবৈধভাবে টাকা আদায় করেছেন। এই গুরুতর অভিযোগের প্রতিবাদে মঙ্গলবার স্থানীয় বাসিন্দারা ওই পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়ির সামনে একত্রিত হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। বিক্ষোভকারীদের স্পষ্ট দাবি, গরিব মানুষের জন্য সরকারের বরাদ্দ করা আবাস যোজনার টাকায় কাটমানি নেওয়া ঘোর অন্যায় এবং এই দোষীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অবিলম্বে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।1
- কোচবিহার জেলার মাথাভাঙ্গা থেকে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জেলা সভাপতি স্বপন বর্মনকে গ্রেফতার করেছে ঘোকসাডাঙ্গা থানার পুলিশ। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মাথাভাঙ্গা বিধানসভার প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক সুশীল বর্মনের গাড়িতে হামলা এবং তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলা সহ আরও বেশ কিছু অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্র অনুসারে, গতকাল রাতে স্বপন বর্মনকে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। তল্লাশির সময় তার বাড়ি থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে, ঘোকসাডাঙ্গা থানার পুলিশ স্বপন বর্মনকে মাথাভাঙ্গা মহকুমা আদালতে পেশ করে। আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি মাথা নেড়ে অভিযোগ অস্বীকার করেন। তৃণমূল জেলা যুব সভাপতির এই গ্রেফতারি প্রসঙ্গে বিজেপির কোচবিহার জেলা সাধারণ সম্পাদক মনোজ ঘোষ মন্তব্য করেছেন যে পুলিশ তদন্ত করে দেখবে এবং যদি স্বপন বর্মন দোষী সাব্যস্ত হন, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।1
- পশ্চিমবঙ্গের গিতালদহে আদি ও নব্য বিজেপির মধ্যে চলমান দ্বন্দ্ব ঘিরে রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবার একটি বিজয় মিছিলকে কেন্দ্র করে গিতালদহ ডাকবাংলো এলাকায় ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়, যাতে অন্তত ৭ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ৪ জন বর্তমানে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আহতদের অভিযোগ, বিজেপির বিজয় মিছিলটি ডাকবাংলো এলাকায় পৌঁছালে ‘নব্য বিজেপি’ পরিচয়ধারী একদল ব্যক্তি তাদের উপর আচমকা হামলা চালায়। তাদের দাবি, অভিযুক্তদের অধিকাংশই পূর্বে তৃণমূল কংগ্রেসের সাথে যুক্ত ছিলেন এবং পরবর্তীতে রাজনৈতিক পরিচয় বদলে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। আহতরা আরও অভিযোগ করেন যে, এই নতুন বিজেপি পরিচয়ধারীরাই এলাকায় অশান্তির পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে। তবে এই ঘটনা নিয়ে পাল্টা অভিযোগও উঠেছে। বিজেপির ৬ নম্বর মন্ডলের ইনচার্জ মোফাজ্জল শেখ বলেছেন যে, যারা এই সংঘর্ষে জড়িত, তারা কেউই প্রকৃত বিজেপির কর্মী নয়। তিনি দাবি করেন যে, দলের নামে বদনাম করার জন্য বিজেপির রং মেখে এই ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। মোফাজ্জল শেখ, যিনি ২০২১ সালে সিতাই ৬ নম্বর মন্ডলের সভাপতি ছিলেন এবং বর্তমানে ইনচার্জের দায়িত্বে রয়েছেন, আরও যোগ করেন যে আহত বা জড়িত কেউই সত্যিকারের বিজেপি নয়; তারা নতুন করে বিজেপি সেজে এলাকায় গন্ডগোল পাকাতে চাইছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গিতালদহে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে পৌঁছেছে। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে ‘নব্য বিজেপি’ হওয়ার অভিযোগ তুলছে, যা এই প্রশ্ন জাগাচ্ছে যে আসলে কে আদি আর কে নব্য। এই দ্বন্দ্বেই বর্তমানে এলাকার রাজনৈতিক মহল সরগরম।1
- দিনহাটা এক ব্লকের গিতালদহ এলাকায় বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় এক বুথ সভাপতি সহ মোট চারজন বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন এবং তাঁরা বর্তমানে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অভিযোগ করা হয়েছে যে, এই হামলা নতুন বিজেপি কর্মীদের দ্বারা সংঘটিত হয়েছে। জানা গেছে, ঘটনার দিন এলাকায় একটি বিজয় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল। মিছিল শেষ হওয়ার পর যখন বিজেপি কর্মীরা নিজেদের বাড়িতে ফিরছিলেন, ঠিক তখনই নব্য বিজেপি সদস্যরা তাদের উপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ।1
- শীতলকুচি বিধানসভার বিধায়ক সাবিত্রী বর্মন সম্প্রতি শীতলকুচি হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন। এদিন তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং জরুরি ও বহিরবিভাগ ঘুরে দেখেন। বিধায়ক কর্মরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং চিকিৎসাধীন রোগী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলে হাসপাতালের পরিষেবা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। পরিদর্শনের পর বিধায়ক সাবিত্রী বর্মন জানান, বর্তমানে যে পরিষেবা প্রদান করা হচ্ছে, আগামী দিনে তার থেকেও উন্নত মানের পরিষেবা হাসপাতাল থেকে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। এই পরিদর্শনের সময় প্রাক্তন বিধায়ক বরেনচন্দ্র বর্মন, কমল কান্তি রায়, অমর দেবনাথ, খোকন দাস সহ অন্যান্য বিজেপি কার্যকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, হাসপাতালের বিএমওএইচ শম্ভু অধিকারী বিধায়ককে হাসপাতালের বিভিন্ন দাবি ও সমস্যার কথা জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী দিনে এই দাবিগুলি পূরণ হলে রোগীদের আরও উন্নত পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হবে।1