উনিশ শতকের শেষলগ্নে ভারতের উত্তরপ্রদেশের মাটি থেকে উঠে আসা সেই তেজস্বী পুরুষ হুসাইন আহমদ মাদানি রাহিমাহুল্লাহ! তিনি ছিলেন একাধারে উনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীর ক্রান্তিকালের এক মহান দার্শনিক, সুফি সাধক এবং অবিভক্ত ভারতের স্বাধীনতার স্বপ্নে বিভোর এক অনন্য জাতীয়তাবাদী রাজনীতিবিদ। . ১৮৭৯ সালের ৬ অক্টোবরের এক শুভক্ষণে যার জীবনের সূত্রপাত, সেই শিশুটিই পরবর্তীকালে তার পাণ্ডিত্য ও প্রজ্ঞার জাদুতে হয়ে উঠেছিলেন দারুল উলুম দেওবন্দের সদরুল মুদাররিস এবং আক্ষরিক অর্থেই শায়খুল ইসলাম, যার শিক্ষাদান ও আধ্যাত্মিক দর্শনের প্রভাব ভারতের সীমানা ছাড়িয়ে দূর আফ্রিকার তপ্ত বালুকাময় প্রান্তরেও শিক্ষার মশাল জ্বালিয়ে দিয়েছিল। . ১৯২০-এর দশকে যখন ভারতের আকাশে পরাধীনতার মেঘ ঘনীভূত, তখন এই বীর সিপাহসালার খিলাফত আন্দোলন ও ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের মধ্যে এক অভূতপূর্ব সেতুবন্ধন তৈরি করেছিলেন, যা মূলত তার ক্ষুরধার লিখনী আর বজ্রকণ্ঠের বক্তৃতার মাধ্যমেই ভারতীয় উলামা ও সাধারণ জনগণের যৌথ সংগ্রামের পথকে প্রশস্ত করে তুলেছিল। . ধর্ম ও ভূখণ্ডের ভিত্তিতে রাষ্ট্র গঠনের বিতর্কিত দ্বিজাতি তত্ত্বের কঠিন বিরোধী হিসেবে তিনি বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন এবং এক অখণ্ড ও সম্মিলিত জাতীয়তাবাদের স্বপ্ন ফেরি করে বেড়িয়েছিলেন সর্বত্র, কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন ধর্মের দেয়াল দিয়ে মানুষের আত্মিক ও ভৌগোলিক ঐক্যকে কখনোই খণ্ডিত করা যায় না। . দেশভাগের দহন আর পাকিস্তান আন্দোলনের তীব্র স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়েও যিনি সত্যের পথে অবিচল ছিলেন, তার এই বিশাল কর্মযজ্ঞ আর অসামান্য ত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে দেশটির তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা 'পদ্মভূষণ-এ ভূষিত করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল। . ১৯৫৭ সালের ডিসেম্বরে ১২ জমাদিউল আউয়াল তারিখে যখন এই জ্ঞানতাপস ধরাধাম ত্যাগ করেন, তখন ভারত হারিয়েছিল তার এক পরম বন্ধুকে, যার স্মৃতিকে অম্লান রাখতে পরবর্তীকালে ২০১২ সালে ভারতীয় ডাক বিভাগ সম্মানসূচক স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করে প্রজন্মের পর প্রজন্মকে তার আদর্শের কথা মনে করিয়ে দেওয়ার এক সামান্য প্রয়াস চালিয়েছে। আল্লাহ তায়ালা উনাকে জান্নাতুল ফেরদাউসের উচ্চ মাক্বাম দান করুক। আমিন। ভাবনাগুলো ফেরদাউসের #olamahind #hindustan #deobandmadrasa #Madani #Qawmi #husainahmadmadani উনিশ শতকের শেষলগ্নে ভারতের উত্তরপ্রদেশের মাটি থেকে উঠে আসা সেই তেজস্বী পুরুষ হুসাইন আহমদ মাদানি রাহিমাহুল্লাহ! তিনি ছিলেন একাধারে উনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীর ক্রান্তিকালের এক মহান দার্শনিক, সুফি সাধক এবং অবিভক্ত ভারতের স্বাধীনতার স্বপ্নে বিভোর এক অনন্য জাতীয়তাবাদী রাজনীতিবিদ। . ১৮৭৯ সালের ৬ অক্টোবরের এক শুভক্ষণে যার জীবনের সূত্রপাত, সেই শিশুটিই পরবর্তীকালে তার পাণ্ডিত্য ও প্রজ্ঞার জাদুতে হয়ে উঠেছিলেন দারুল উলুম দেওবন্দের সদরুল মুদাররিস এবং আক্ষরিক অর্থেই শায়খুল ইসলাম, যার শিক্ষাদান ও আধ্যাত্মিক দর্শনের প্রভাব ভারতের সীমানা ছাড়িয়ে দূর আফ্রিকার তপ্ত বালুকাময় প্রান্তরেও শিক্ষার মশাল জ্বালিয়ে দিয়েছিল। . ১৯২০-এর দশকে যখন ভারতের আকাশে পরাধীনতার মেঘ ঘনীভূত, তখন এই বীর সিপাহসালার খিলাফত আন্দোলন ও ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের মধ্যে এক অভূতপূর্ব সেতুবন্ধন তৈরি করেছিলেন, যা মূলত তার ক্ষুরধার লিখনী আর বজ্রকণ্ঠের বক্তৃতার মাধ্যমেই ভারতীয় উলামা ও সাধারণ জনগণের যৌথ সংগ্রামের পথকে প্রশস্ত করে তুলেছিল। . ধর্ম ও ভূখণ্ডের ভিত্তিতে রাষ্ট্র গঠনের বিতর্কিত দ্বিজাতি তত্ত্বের কঠিন বিরোধী হিসেবে তিনি বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন এবং এক অখণ্ড ও সম্মিলিত জাতীয়তাবাদের স্বপ্ন ফেরি করে বেড়িয়েছিলেন সর্বত্র, কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন ধর্মের দেয়াল দিয়ে মানুষের আত্মিক ও ভৌগোলিক ঐক্যকে কখনোই খণ্ডিত করা যায় না। . দেশভাগের দহন আর পাকিস্তান আন্দোলনের তীব্র স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়েও যিনি সত্যের পথে অবিচল ছিলেন, তার এই বিশাল কর্মযজ্ঞ আর অসামান্য ত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে দেশটির তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা 'পদ্মভূষণ-এ ভূষিত করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল। . ১৯৫৭ সালের ডিসেম্বরে ১২ জমাদিউল আউয়াল তারিখে যখন এই জ্ঞানতাপস ধরাধাম ত্যাগ করেন, তখন ভারত হারিয়েছিল তার এক পরম বন্ধুকে, যার স্মৃতিকে অম্লান রাখতে পরবর্তীকালে ২০১২ সালে ভারতীয় ডাক বিভাগ সম্মানসূচক স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করে প্রজন্মের পর প্রজন্মকে তার আদর্শের কথা মনে করিয়ে দেওয়ার এক সামান্য প্রয়াস চালিয়েছে। আল্লাহ তায়ালা উনাকে জান্নাতুল ফেরদাউসের উচ্চ মাক্বাম দান করুক। আমিন। ভাবনাগুলো ফেরদাউসের #olamahind #hindustan #deobandmadrasa #Madani #Qawmi #husainahmadmadani
উনিশ শতকের শেষলগ্নে ভারতের উত্তরপ্রদেশের মাটি থেকে উঠে আসা সেই তেজস্বী পুরুষ হুসাইন আহমদ মাদানি রাহিমাহুল্লাহ! তিনি ছিলেন একাধারে উনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীর ক্রান্তিকালের এক মহান দার্শনিক, সুফি সাধক এবং অবিভক্ত ভারতের স্বাধীনতার স্বপ্নে বিভোর এক অনন্য জাতীয়তাবাদী রাজনীতিবিদ। . ১৮৭৯ সালের ৬ অক্টোবরের এক শুভক্ষণে যার জীবনের সূত্রপাত, সেই শিশুটিই পরবর্তীকালে তার পাণ্ডিত্য ও প্রজ্ঞার জাদুতে হয়ে উঠেছিলেন দারুল উলুম দেওবন্দের সদরুল মুদাররিস এবং আক্ষরিক অর্থেই শায়খুল ইসলাম, যার শিক্ষাদান ও আধ্যাত্মিক দর্শনের প্রভাব ভারতের সীমানা ছাড়িয়ে দূর আফ্রিকার তপ্ত বালুকাময় প্রান্তরেও শিক্ষার মশাল জ্বালিয়ে দিয়েছিল। . ১৯২০-এর দশকে যখন ভারতের আকাশে পরাধীনতার মেঘ ঘনীভূত, তখন এই বীর সিপাহসালার খিলাফত আন্দোলন ও ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের মধ্যে এক অভূতপূর্ব সেতুবন্ধন তৈরি করেছিলেন, যা মূলত তার ক্ষুরধার লিখনী আর বজ্রকণ্ঠের বক্তৃতার মাধ্যমেই ভারতীয় উলামা ও সাধারণ জনগণের যৌথ সংগ্রামের পথকে প্রশস্ত করে তুলেছিল। . ধর্ম ও ভূখণ্ডের ভিত্তিতে রাষ্ট্র গঠনের বিতর্কিত দ্বিজাতি তত্ত্বের কঠিন বিরোধী হিসেবে তিনি বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন এবং এক অখণ্ড ও সম্মিলিত জাতীয়তাবাদের স্বপ্ন ফেরি করে বেড়িয়েছিলেন সর্বত্র, কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন ধর্মের দেয়াল দিয়ে মানুষের আত্মিক ও ভৌগোলিক ঐক্যকে কখনোই খণ্ডিত করা যায় না। . দেশভাগের দহন আর পাকিস্তান আন্দোলনের তীব্র স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়েও যিনি সত্যের পথে অবিচল ছিলেন, তার এই বিশাল কর্মযজ্ঞ আর অসামান্য ত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে দেশটির তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা 'পদ্মভূষণ-এ ভূষিত করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল। . ১৯৫৭ সালের ডিসেম্বরে ১২ জমাদিউল আউয়াল তারিখে যখন এই জ্ঞানতাপস ধরাধাম ত্যাগ করেন, তখন ভারত হারিয়েছিল তার এক পরম বন্ধুকে, যার স্মৃতিকে অম্লান রাখতে পরবর্তীকালে ২০১২ সালে ভারতীয় ডাক বিভাগ সম্মানসূচক স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করে প্রজন্মের পর প্রজন্মকে তার আদর্শের কথা মনে করিয়ে দেওয়ার এক সামান্য প্রয়াস চালিয়েছে। আল্লাহ তায়ালা উনাকে জান্নাতুল ফেরদাউসের উচ্চ মাক্বাম দান করুক। আমিন। ভাবনাগুলো ফেরদাউসের #olamahind #hindustan #deobandmadrasa #Madani #Qawmi #husainahmadmadani উনিশ শতকের শেষলগ্নে ভারতের উত্তরপ্রদেশের মাটি থেকে উঠে আসা সেই তেজস্বী পুরুষ হুসাইন আহমদ মাদানি রাহিমাহুল্লাহ! তিনি ছিলেন একাধারে উনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীর ক্রান্তিকালের এক মহান দার্শনিক, সুফি সাধক এবং অবিভক্ত ভারতের স্বাধীনতার স্বপ্নে বিভোর এক অনন্য জাতীয়তাবাদী রাজনীতিবিদ। . ১৮৭৯ সালের ৬ অক্টোবরের এক শুভক্ষণে যার জীবনের সূত্রপাত, সেই শিশুটিই পরবর্তীকালে তার পাণ্ডিত্য ও প্রজ্ঞার জাদুতে হয়ে উঠেছিলেন দারুল উলুম দেওবন্দের সদরুল মুদাররিস এবং আক্ষরিক অর্থেই শায়খুল ইসলাম, যার শিক্ষাদান ও আধ্যাত্মিক দর্শনের প্রভাব ভারতের সীমানা ছাড়িয়ে দূর আফ্রিকার তপ্ত বালুকাময় প্রান্তরেও শিক্ষার মশাল জ্বালিয়ে দিয়েছিল। . ১৯২০-এর দশকে যখন ভারতের আকাশে পরাধীনতার মেঘ ঘনীভূত, তখন এই বীর সিপাহসালার খিলাফত আন্দোলন ও ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের মধ্যে এক অভূতপূর্ব সেতুবন্ধন তৈরি করেছিলেন, যা মূলত তার ক্ষুরধার লিখনী আর বজ্রকণ্ঠের বক্তৃতার মাধ্যমেই ভারতীয় উলামা ও সাধারণ জনগণের যৌথ সংগ্রামের পথকে প্রশস্ত করে তুলেছিল। . ধর্ম ও ভূখণ্ডের ভিত্তিতে রাষ্ট্র গঠনের বিতর্কিত দ্বিজাতি তত্ত্বের কঠিন বিরোধী হিসেবে তিনি বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন এবং এক অখণ্ড ও সম্মিলিত জাতীয়তাবাদের স্বপ্ন ফেরি করে বেড়িয়েছিলেন সর্বত্র, কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন ধর্মের দেয়াল দিয়ে মানুষের আত্মিক ও ভৌগোলিক ঐক্যকে কখনোই খণ্ডিত করা যায় না। . দেশভাগের দহন আর পাকিস্তান আন্দোলনের তীব্র স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়েও যিনি সত্যের পথে অবিচল ছিলেন, তার এই বিশাল কর্মযজ্ঞ আর অসামান্য ত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে দেশটির তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা 'পদ্মভূষণ-এ ভূষিত করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল। . ১৯৫৭ সালের ডিসেম্বরে ১২ জমাদিউল আউয়াল তারিখে যখন এই জ্ঞানতাপস ধরাধাম ত্যাগ করেন, তখন ভারত হারিয়েছিল তার এক পরম বন্ধুকে, যার স্মৃতিকে অম্লান রাখতে পরবর্তীকালে ২০১২ সালে ভারতীয় ডাক বিভাগ সম্মানসূচক স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করে প্রজন্মের পর প্রজন্মকে তার আদর্শের কথা মনে করিয়ে দেওয়ার এক সামান্য প্রয়াস চালিয়েছে। আল্লাহ তায়ালা উনাকে জান্নাতুল ফেরদাউসের উচ্চ মাক্বাম দান করুক। আমিন। ভাবনাগুলো ফেরদাউসের #olamahind #hindustan #deobandmadrasa #Madani #Qawmi #husainahmadmadani
- দক্ষিণ কামৰূপৰ ছয়গাঁৱৰ পাঁচগুমী আঞ্চলিক ৰঙালী বিহুত অঘটন ৷নিশা অহা এজাক প্ৰচণ্ড ধুমুহাত বিহুতলীৰ এডাল প্ৰকাণ্ড গছ উভালি এজন যুৱকৰ মৃত্যু ৷নিহত যুৱকজন বকো থানাৰ অন্তৰ্গত জামবাৰীৰ ভাস্কৰ কলিতা বুলি জানিব পৰা গৈছে ৷ যুৱক গৰাকীৰ মৃত্যুত সমগ্ৰ অঞ্চলটোতে শোকৰ ছাঁ পৰে।1
- বকোৰ বৰালীমাৰাত মুকলি কৰা হল এটি অত্যাধুনিক শৰীৰ চৰ্চা কেন্দ্ৰ,,, " দ্বি ড্ৰীম ফীটনেচ " নামেৰে মুকলি কৰা হ'ল অত্যাধুনিক সা-সুবিধাযুক্ত শৰীৰ চৰ্চা কেন্দ্ৰটো,,, বকোৰ ছমৰীয়াৰ সমীপৱৰ্তী বৰালীমাৰাত দেওঁবাৰে সন্ধিয়া মুকলি কৰা হল এটি অত্যাধুনিক শৰীৰ চৰ্চা কেন্দ্ৰ । ছমৰীয়া সত্ৰৰ উদ্যমী যুৱক দ্বীপজ্যোতি মেধিৰ একক প্ৰচেষ্টাত মুুকলি কৰা হল অত্যাধুনিক সা-সুবিধাযুক্ত " দ্বি ড্ৰীম ফীটনেচ " নামেৰে শৰীৰ চৰ্চা কেন্দ্ৰটো । অত্যাধুনিক সা-সুবিধাযুক্ত শৰীৰ চৰ্চা কেন্দ্ৰটো মুকলি কৰে ৰাষ্ট্ৰীয় বিচাৰক তথা কামৰূপ বডিবিল্ডিং এচোচিয়েচনৰ সাধাৰণ সম্পাদক মনোৰঞ্জন কলিতাই । মুকলি অনুষ্ঠানত মিষ্টাৰ আছাম , মিষ্টাৰ ইণ্ডিয়া , মিষ্টাৰ আছাম ফিটনেচ প্ৰাপ্ত শৰীৰ চৰ্চাবিদৰ উপৰিও প্ৰায় দুই শতাধিক যুৱক-যুৱতী উপস্থিত থাকে । সুস্থ শৰীৰেৰে জীয়াই থাকিবলৈ হলে শৰীৰ চৰ্চাত মনোযোগ দিব লাগিব আৰু শৰীৰ সুষ্ঠ হৈ থাকিলেহে আমি এজন সুস্থ নাগৰিক হৈ থাকিম আৰু ৰাইজৰ হৈ কাম কৰিব পাৰিম বুলি মন্তব্য কৰে কামৰূপ বডিবিল্ডিং এচোচিয়েচনৰ সাধাৰণ সম্পাদক মনোৰঞ্জন কলিতাৰ ।2
- Baragaon Excel Care Hospital1
- गुवाहाटी में बार स्थिति में भयंकर हालत में कुछ मजेदार और कुछ भयंकर वीडियो सामने आए। #newsreport #NationalNews2
- স্থানীয় আনন্দৰাম বৰুৱা বিদ্যা নিকেতনত পৰিচালনা সমিতিৰ সভাপতি প্ৰফুল্ল চন্দ্ৰ শৰ্মাৰ সঞ্চালনাত অনুষ্ঠিত গাম্ভীৰ্যপূৰ্ণ অনুষ্ঠানত লেখক মুনীন্দ্ৰ কলিতাৰ শিশু উপযোগী সৰ্ব্ব ধৰ্ম বন্দনা সজ আচৰণ আৰু শিশু গীত শীৰ্ষক সপ্তম খনি গ্ৰন্থ উন্মোচন কৰা হয়। গ্ৰন্থ খন উন্মোচন কৰে পি বি কনিহা উচ্চতৰ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ৰ অৱসৰী বিষয় শিক্ষক ডিম্বেশ্বৰ বৰুৱাই । অনুষ্ঠানত আমন্ত্ৰিত অতিথি ৰূপে উপস্থিত থাকে ৰঙিয়া জিলা জাতীয় বিদ্যালয় শিক্ষা সংসদৰ সভাপতি দিগম্বৰ ডেকাৰ লগতে শিক্ষাবিদ হেমন্ত মজুমদাৰ। আনহাতে অনুষ্ঠানৰ লগত সঙ্গতি ৰাখি শিক্ষক ছায়েদুৰ ৰহমান, নীলকান্ত ডেকা,খগেন চন্দ্ৰ ডেকা,জগত কলিতা,মহেশ ডেকাৰ লগতে বড়িগোগ শতদল সাহিত্য সভাৰ সম্পাদক দীনেশ্বৰ কলিতা,সমাজ সেৱক মহেন্দ্ৰ মোহন ডেকাক সম্বৰ্দ্ধনা জনোৱা হয়। কাৰ্যসূচীত ২০ গৰাকী শিশুৰ মাজত উন্মোচিত গ্ৰন্থ বিতৰণ কৰা হয়। বিদ্যালয়খনৰ অধ্যক্ষ প্ৰমোদ কুমাৰ দত্তই শলাগৰ শৰাই আগবঢ়োৱা সভাৰ মাজতে গোবিন্দ নাথে সঙ্গীত পৰিৱেশন আৰু দীনেশ্বৰ কলিতা,পৰেশ দাসে স্বৰচিত কবিতা পাঠ কৰি সমবেত লোকসকলক আপ্লুত কৰে।1
- বাৰাংগাবাৰী গাঁওত ঠগ প্ৰৱঞ্চনাৰ ঘটনাই সৃষ্টি কৰিছে চাঞ্চল্য। গ্ৰাম্য এলেকাত পুনৰ এবাৰ ঠগ প্ৰৱঞ্চনাৰ ঘটনা পোহৰলৈ আহিছে। এইবাৰ লক্ষ্য বান্ধিলে সাধাৰণ গাঁওবাসীক। অভিযোগ অনুসৰি, দুই গৰাকী অচিনাকি মহিলাই গাঁওত সোমাই বিভিন্ন ঘৰত উপস্থিত হৈ কৌশলৰে নগদ ধন আৰু মূল্যৱান সামগ্ৰী লৈ পলায়ন কৰে। জানিব পৰা মতে, বাৰাংগাবাৰী গাঁওৰ টলু ৰাভাৰ ঘৰত এই ঘটনা সংঘটিত হয়। সেই দুই মহিলাই কৌশলেৰে ঘৰত প্ৰৱেশ কৰি প্ৰায় ২৪ হাজাৰ টকা নগদ ধন, লগতে সোণ-ৰূপৰ গহনা আদি লৈ উধাও হয়। এই ঘটনাই স্থানীয় লোকসকলৰ মাজত ভয় আৰু উদ্বেগৰ সৃষ্টি কৰিছে। গাঁওবাসীয়ে জনসাধাৰণক সাৱধান হ’বলৈ আহ্বান জনাইছে আৰু সন্দেহজনক লোক দেখা পালে তৎক্ষণাত খবৰ দিবলৈ অনুৰোধ জনাইছে। এই ক্ষেত্ৰত তথ্য থাকিলে বা উক্ত মহিলাদ্বয়ক ক’তুবা দেখা পালে, অনুগ্ৰহ কৰি ৯৩৬৫১০২৮৭১ নম্বৰত যোগাযোগ কৰিবলৈ অনুৰোধ জনোৱা হৈছে।1
- 📌বাক্সাৰ পূৱ খাগ্ৰাবাৰী গোঁসাই চুপাত ৰঙালী বিহু উদযাপন। 📌মুকলি বিহু প্ৰদৰ্শনেৰে সৃষ্টি কৰিলে এক উখল মাখল পৰিৱেশ।1
- Post by Sangku das1