জেলাশাসকের সামনেই স্ট্রংরুমের কর্মীদের সাথে তর্কে জড়িয়ে পড়লেন কোচবিহার উত্তরের তৃণমূল প্রার্থী পার্থ প্রতিম রায়। কোচবিহারে নির্বাচনী উত্তেজনার আবহে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল এক ঘটনাকে কেন্দ্র করে। জেলাশাসকের উপস্থিতিতেই স্ট্রংরুমের কর্মীদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়লেন কোচবিহার উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী পার্থ প্রতিম রায় । স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হওয়ার পর স্ট্রংরুমে ইভিএম সংরক্ষণ এবং নিরাপত্তা নিয়ে কিছু প্রশ্ন তোলেন প্রার্থী। সেই সময় স্ট্রংরুমে উপস্থিত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি শুরু হয়। পরিস্থিতি কিছু সময়ের জন্য উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং সেখানে উপস্থিত প্রশাসনিক আধিকারিকদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রার্থী নিরাপত্তা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে ব্যাখ্যা চান। অন্যদিকে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীরা নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে বলেই জানান। এই নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। ঘটনার সময় জেলাশাসক উপস্থিত থাকায় বিষয়টি দ্রুত গুরুত্ব পায় এবং প্রশাসনের তরফে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করা হয়। পরবর্তীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় বলে জানা গেছে। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে স্ট্রংরুম ঘিরে এ ধরনের উত্তেজনা নতুন নয়, তবে প্রশাসনের উপস্থিতিতে এমন ঘটনা ঘটা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
জেলাশাসকের সামনেই স্ট্রংরুমের কর্মীদের সাথে তর্কে জড়িয়ে পড়লেন কোচবিহার উত্তরের তৃণমূল প্রার্থী পার্থ প্রতিম রায়। কোচবিহারে নির্বাচনী উত্তেজনার আবহে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল এক ঘটনাকে কেন্দ্র করে। জেলাশাসকের উপস্থিতিতেই স্ট্রংরুমের কর্মীদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়লেন কোচবিহার উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী পার্থ প্রতিম রায় । স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হওয়ার পর স্ট্রংরুমে ইভিএম সংরক্ষণ এবং নিরাপত্তা নিয়ে কিছু প্রশ্ন তোলেন প্রার্থী। সেই সময় স্ট্রংরুমে উপস্থিত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি শুরু হয়। পরিস্থিতি কিছু সময়ের জন্য উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং সেখানে উপস্থিত প্রশাসনিক আধিকারিকদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রার্থী নিরাপত্তা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে ব্যাখ্যা চান। অন্যদিকে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীরা নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে বলেই জানান। এই নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। ঘটনার সময় জেলাশাসক উপস্থিত থাকায় বিষয়টি দ্রুত গুরুত্ব পায় এবং প্রশাসনের তরফে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করা হয়। পরবর্তীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় বলে জানা গেছে। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে স্ট্রংরুম ঘিরে এ ধরনের উত্তেজনা নতুন নয়, তবে প্রশাসনের উপস্থিতিতে এমন ঘটনা ঘটা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- *এখানে থেকে খাব কি? ভোট শেষ তাই চলে যাচ্ছি কাজের উদ্দেশ্যে" বামনহাট রেল স্টেশনে পরিযায়ী শ্রমিকদের ভিড়* রাজ্যের প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচন শেষ হতেই কোচবিহারের বামনহাটে দেখা গেলো এক ভিন্ন চিত্র।। ভোটের উত্তাপ কাটতে না কাটতেই কাজের সন্ধানে ভিন রাজ্যে পাড়ি দিতে বামনহাট রেল স্টেশনে ভিড় জমালেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত, এমনকি দূরদূরান্তের গ্রাম থেকেও শ্রমিকরা স্টেশনে এসে জড়ো হতে শুরু করেন।। স্টেশন চত্বরে দেখা যায় ব্যাগ-বোঝাই মানুষজন প্ল্যাটফর্মে বসে ট্রেনের অপেক্ষায় রয়েছেন।। কারও হাতে ছোট ট্রলি ব্যাগ, কারও কাঁধে ঝোলা—সব মিলিয়ে যেন এক অস্থায়ী জনজোয়ার।। অনেকেই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেষ মুহূর্তের কথা সেরে নিচ্ছেন। তবে অধিকাংশের মুখেই অনিশ্চয়তার ছাপ—“এখানে থেকে খাব কি?”—এই প্রশ্নই যেন ঘুরে বেড়াচ্ছে তাদের কথায়। জানা গেছে, এদের বেশিরভাগই নির্মাণ শ্রমিক, ইটভাটা কর্মী কিংবা বিভিন্ন অস্থায়ী কাজে যুক্ত। তারা মূলত দিল্লি, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র, গুজরাটের মতো রাজ্যে কাজ করতে যান।। ভোট দিতে বাড়িতে ফিরলেও কাজের টানে আবারও ছুটে চলা—এটাই যেন তাদের জীবনের নিয়মিত চিত্র। সুকারুরকুঠি থেকে আসা এক শ্রমিক জানান, “বছরে প্রায় দশ মাসই ভিন রাজ্যে থাকি। এবারে ভোট দেওয়ার জন্য বাড়িতে এসেছিলাম। ভোট শেষ, তাই আর দেরি না করে আবার কাজে ফিরে যাচ্ছি।” একই সুর শোনা গেল অন্যদের মুখেও। স্থানীয়দের মতে, প্রতি নির্বাচনেই এই চিত্র দেখা যায়।। ভোটের সময় বাড়ি ফেরা আর ভোট মিটলেই আবার কাজের উদ্দেশ্যে বাইরে চলে যাওয়া—পরিযায়ী শ্রমিকদের জীবনের এই চক্র যেন থেমে থাকার নয়।। শুনুন কি জানালেন শ্রমিকরা......1
- ভুট্টাক্ষেত থেকে হঠাৎ বেরিয়ে আসা গন্ডারের হামলায় গুরুতর জখম হলেন এক ব্যক্তি। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই ব্যক্তি সাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন । সেই সময় আচমকাই ভুট্টাক্ষেতের ভিতর থেকে একটি গন্ডার বেরিয়ে এসে তাকে আক্রমণ করে। হঠাৎ আক্রমণে তিনি মাটিতে পড়ে যান এবং গুরুতরভাবে জখম হন। চিৎকার শুনে আশপাশের মানুষ ছুটে এসে কোনওক্রমে গন্ডারটিকে তাড়িয়ে আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বনদফতরকে খবর দেওয়া হয়েছে এবং গন্ডারটিকে নজরে রাখার জন্য অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।1
- মাথাভাঙ্গা এক ব্লকের জোড়পাটকি গ্রাম পঞ্চায়েতের কোদাল ধোঁয়া এলাকায় মদন কামের বাঁশ খেলায় মেতে উঠেছে1
- প্রকৃতির নিয়ম যেন মুহূর্তের জন্য উল্টে গেল! শনিবার রাতের ঝড়-বৃষ্টি কাটতেই কোচবিহারের ১ নম্বর ব্লকের বাঘরোয়া গ্রামে সামনে এল এক অবিশ্বাস্য ও বিরল দৃশ্য, যা দেখে স্তম্ভিত হয়ে পড়েন গ্রামবাসীরা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রবল ঝড় ও মুষলধারে বৃষ্টির পর গ্রামের এক এলাকায় হঠাৎই চোখে পড়ে এক অদ্ভুত ঘটনা। স্থানীয়ভাবে পরিচিত একটি বড় আকারের সোনা ব্যাঙ ধীরে ধীরে গিলে ফেলছে আরেকটি কুনো ব্যাঙকে। ঘটনাটি এতটাই অস্বাভাবিক যে উপস্থিত মানুষজন প্রথমে নিজেদের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারেননি। সাধারণত প্রকৃতির খাদ্য-শৃঙ্খলে ব্যাঙ শিকার হয় সাপ, পাখি বা বড় প্রাণীর। কিন্তু এখানে সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র—একটি ব্যাঙই আরেকটি ব্যাঙের শিকারি! এই দৃশ্য মুহূর্তের মধ্যেই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। অনেকেই মোবাইলে সেই দৃশ্য বন্দি করেন, যা পরে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। গ্রামবাসীদের দাবি, এমন ঘটনা তারা আগে কখনও দেখেননি। এলাকার এক বাসিন্দা জানান, “ঝড়-বৃষ্টির পর অনেক অদ্ভুত জিনিস দেখা যায় ঠিকই, কিন্তু এভাবে একটা ব্যাঙ আরেকটা ব্যাঙকে গিলে খাচ্ছে—এটা সত্যিই অবাক করার মতো।” বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকৃতিতে খাদ্যাভাব, পরিবেশগত পরিবর্তন বা বেঁচে থাকার তাগিদে অনেক সময় প্রাণীরা অস্বাভাবিক আচরণ করে। বড় আকারের কিছু ব্যাঙ প্রজাতি সুযোগ পেলে ছোট ব্যাঙ বা অন্য ছোট প্রাণীকেও শিকার করতে পারে। তবে এমন দৃশ্য খুবই বিরল এবং সাধারণ মানুষের চোখে পড়া আরও বিরল। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় এখনো কৌতূহল তুঙ্গে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—প্রকৃতি কি সত্যিই নতুন কোনও সংকেত দিচ্ছে? নাকি এটি শুধুই বিরল কিন্তু স্বাভাবিক এক প্রাকৃতিক ঘটনা? যাই হোক, কোচবিহারের বাঘরোয়া গ্রামের এই ঘটনায় স্পষ্ট—প্রকৃতি এখনো রহস্যে ভরা, আর তার অজানা দিকগুলি মাঝে মধ্যেই আমাদের সামনে চমকে দিয়ে যায়।1
- ঝড়ের দাপটে গাছ ভেঙে পড়ল কোচবিহার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামের সামনে1
- Post by Jakir Islam1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1