প্রথম পর্বের ভোট মিটতেই কোচবিহার ছাড়তে শুরু করছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা *এখানে থেকে খাব কি? ভোট শেষ তাই চলে যাচ্ছি কাজের উদ্দেশ্যে" বামনহাট রেল স্টেশনে পরিযায়ী শ্রমিকদের ভিড়* রাজ্যের প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচন শেষ হতেই কোচবিহারের বামনহাটে দেখা গেলো এক ভিন্ন চিত্র।। ভোটের উত্তাপ কাটতে না কাটতেই কাজের সন্ধানে ভিন রাজ্যে পাড়ি দিতে বামনহাট রেল স্টেশনে ভিড় জমালেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত, এমনকি দূরদূরান্তের গ্রাম থেকেও শ্রমিকরা স্টেশনে এসে জড়ো হতে শুরু করেন।। স্টেশন চত্বরে দেখা যায় ব্যাগ-বোঝাই মানুষজন প্ল্যাটফর্মে বসে ট্রেনের অপেক্ষায় রয়েছেন।। কারও হাতে ছোট ট্রলি ব্যাগ, কারও কাঁধে ঝোলা—সব মিলিয়ে যেন এক অস্থায়ী জনজোয়ার।। অনেকেই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেষ মুহূর্তের কথা সেরে নিচ্ছেন। তবে অধিকাংশের মুখেই অনিশ্চয়তার ছাপ—“এখানে থেকে খাব কি?”—এই প্রশ্নই যেন ঘুরে বেড়াচ্ছে তাদের কথায়। জানা গেছে, এদের বেশিরভাগই নির্মাণ শ্রমিক, ইটভাটা কর্মী কিংবা বিভিন্ন অস্থায়ী কাজে যুক্ত। তারা মূলত দিল্লি, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র, গুজরাটের মতো রাজ্যে কাজ করতে যান।। ভোট দিতে বাড়িতে ফিরলেও কাজের টানে আবারও ছুটে চলা—এটাই যেন তাদের জীবনের নিয়মিত চিত্র। সুকারুরকুঠি থেকে আসা এক শ্রমিক জানান, “বছরে প্রায় দশ মাসই ভিন রাজ্যে থাকি। এবারে ভোট দেওয়ার জন্য বাড়িতে এসেছিলাম। ভোট শেষ, তাই আর দেরি না করে আবার কাজে ফিরে যাচ্ছি।” একই সুর শোনা গেল অন্যদের মুখেও। স্থানীয়দের মতে, প্রতি নির্বাচনেই এই চিত্র দেখা যায়।। ভোটের সময় বাড়ি ফেরা আর ভোট মিটলেই আবার কাজের উদ্দেশ্যে বাইরে চলে যাওয়া—পরিযায়ী শ্রমিকদের জীবনের এই চক্র যেন থেমে থাকার নয়।। শুনুন কি জানালেন শ্রমিকরা......
প্রথম পর্বের ভোট মিটতেই কোচবিহার ছাড়তে শুরু করছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা *এখানে থেকে খাব কি? ভোট শেষ তাই চলে যাচ্ছি কাজের উদ্দেশ্যে" বামনহাট রেল স্টেশনে পরিযায়ী শ্রমিকদের ভিড়* রাজ্যের প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচন শেষ হতেই কোচবিহারের বামনহাটে দেখা গেলো এক ভিন্ন চিত্র।। ভোটের উত্তাপ কাটতে না কাটতেই কাজের সন্ধানে ভিন রাজ্যে পাড়ি দিতে বামনহাট রেল স্টেশনে ভিড় জমালেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত, এমনকি দূরদূরান্তের গ্রাম থেকেও শ্রমিকরা স্টেশনে এসে জড়ো হতে শুরু করেন।। স্টেশন চত্বরে দেখা যায় ব্যাগ-বোঝাই মানুষজন প্ল্যাটফর্মে বসে ট্রেনের অপেক্ষায় রয়েছেন।। কারও হাতে ছোট ট্রলি ব্যাগ, কারও কাঁধে ঝোলা—সব মিলিয়ে যেন এক অস্থায়ী জনজোয়ার।। অনেকেই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেষ মুহূর্তের কথা সেরে নিচ্ছেন। তবে অধিকাংশের মুখেই অনিশ্চয়তার ছাপ—“এখানে থেকে খাব কি?”—এই প্রশ্নই যেন ঘুরে বেড়াচ্ছে তাদের কথায়। জানা গেছে, এদের বেশিরভাগই নির্মাণ শ্রমিক, ইটভাটা কর্মী কিংবা বিভিন্ন অস্থায়ী কাজে যুক্ত। তারা মূলত দিল্লি, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র, গুজরাটের মতো রাজ্যে কাজ করতে যান।। ভোট দিতে বাড়িতে ফিরলেও কাজের টানে আবারও ছুটে চলা—এটাই যেন তাদের জীবনের নিয়মিত চিত্র। সুকারুরকুঠি থেকে আসা এক শ্রমিক জানান, “বছরে প্রায় দশ মাসই ভিন রাজ্যে থাকি। এবারে ভোট দেওয়ার জন্য বাড়িতে এসেছিলাম। ভোট শেষ, তাই আর দেরি না করে আবার কাজে ফিরে যাচ্ছি।” একই সুর শোনা গেল অন্যদের মুখেও। স্থানীয়দের মতে, প্রতি নির্বাচনেই এই চিত্র দেখা যায়।। ভোটের সময় বাড়ি ফেরা আর ভোট মিটলেই আবার কাজের উদ্দেশ্যে বাইরে চলে যাওয়া—পরিযায়ী শ্রমিকদের জীবনের এই চক্র যেন থেমে থাকার নয়।। শুনুন কি জানালেন শ্রমিকরা......
- কোচবিহারে নির্বাচনী উত্তেজনার আবহে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল এক ঘটনাকে কেন্দ্র করে। জেলাশাসকের উপস্থিতিতেই স্ট্রংরুমের কর্মীদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়লেন কোচবিহার উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী পার্থ প্রতিম রায় । স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হওয়ার পর স্ট্রংরুমে ইভিএম সংরক্ষণ এবং নিরাপত্তা নিয়ে কিছু প্রশ্ন তোলেন প্রার্থী। সেই সময় স্ট্রংরুমে উপস্থিত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি শুরু হয়। পরিস্থিতি কিছু সময়ের জন্য উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং সেখানে উপস্থিত প্রশাসনিক আধিকারিকদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রার্থী নিরাপত্তা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে ব্যাখ্যা চান। অন্যদিকে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীরা নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে বলেই জানান। এই নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। ঘটনার সময় জেলাশাসক উপস্থিত থাকায় বিষয়টি দ্রুত গুরুত্ব পায় এবং প্রশাসনের তরফে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করা হয়। পরবর্তীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় বলে জানা গেছে। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে স্ট্রংরুম ঘিরে এ ধরনের উত্তেজনা নতুন নয়, তবে প্রশাসনের উপস্থিতিতে এমন ঘটনা ঘটা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।1
- Post by Jakir Islam1
- মাথাভাঙ্গা শহরের সূটুঙ্গা নদীতে মশারি জল ফেলে মাছ শিকারের অভিযোগ।এদিন মৎস্যজীবীরা মাছ ধরার জন্য মশারি জল ফেলে মাছ শিকার করছিলো।বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে স্থানীয়রা বাধা দেন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে নদী রক্ষা সমিতির সদস্যরা। নদী রক্ষা সমিতির পক্ষ থেকে প্রশাসনের উদাসীনতার অভিযোগ তোলেন।মৎস্যজীবীরা এভাবে মাছ ধরলে নদীতে মাছের উৎপাদন কমে যাবে।এই ধরনের জালে ছোটো মাছ ও মাছের ডিম ও শিকার করছে।প্রশাসন যেনো অবৈধভাবে মাছ শিকারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করে সেই দাবী জানিয়েছেন।1
- *ডি সি আর সিতে সিসিটিভির মনিটরে ছবি না থাকায় তৃণমূল নেতা কি জানালেন সাবির সাহা চৌধুরী1
- দিনের আলোয় বাড়ির গেট থেকে ছাগল চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল দুই যুবক। এরপর ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা তাদের পরিচয় নিয়ে তাঁদের বাড়িতে জানিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন। শনিবার দুপুর প্রায় দু’টো নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ ব্লকের কুচলিবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ১২০ নম্বর জামালদহ–বালাপুকুরি এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাইকেলে করে এসে ওই দুই যুবক বাড়ির সামনে রাখা একটি পাঁঠা ছাগল তুলে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিল। বিষয়টি টের পেয়ে বাড়ির লোকজন চিৎকার শুরু করলে এলাকাবাসীরা ছুটে এসে তাদের ধরে ফেলেন। ধরা পড়ার পর যুবকরা নিজেদের প্রথমবার চুরি করতে এসেছেন বলে দাবি করে ক্ষমা চাইতে থাকেন। তবে তাতে পরিস্থিতি শান্ত হয়নি। বরং খবর ছড়িয়ে পড়তেই আরও লোক জড়ো হয় পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। গুরুতর পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার করে অভিযুক্তদের থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ছাগলের মালিক অনিতা রায় জানান, “ওরা ছাগল নিয়ে পালাচ্ছিল। আমরা চিৎকার করতেই লোকজন এসে ধরে ফেলে।” ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।1
- আপনার আদরের কন্যা সন্তানের শিক্ষা দীক্ষা এবং নিরাপত্তায় বেড়ে ওঠার নির্ভরযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বড় গদাইখোড়া (আখড়ার হাট) দারুল উলুম বানাত মাদ্রাসা। পরিযায়ী শ্রমিক ও ইটভাটা শ্রমিকদের মেয়েদের থাকা খাওয়া সমেত অল্প খরচে স্কুল শিক্ষা ও মাদ্রাসা শিক্ষায় পড়ানোর সুযোগ । বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন - 87440 46329 এই ফোন নম্বরে।1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- ভোটপর্ব শেষ হতেই নাটাবাড়ি বিধানসভা এলাকায় চরম রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল। শনিবার গভীর রাতে উত্তর ঘোগারকুঠি এলাকায় বিজেপির ৩ নম্বর মণ্ডল যুব সম্পাদক দীপক দাসের দোকানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র তরজা। অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে একদল দুষ্কৃতী হঠাৎ করে দোকানে চড়াও হয়। প্রথমে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়, এরপর আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় দোকানে। মুহূর্তে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং দোকানের বড়সড় ক্ষতি হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আতঙ্ক ছড়ায়, স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভও বাড়তে থাকে। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই হামলার সঙ্গে জড়িত এবং পরিকল্পিতভাবেই ভোটের পর এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। অন্যদিকে, সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সিদ্ধার্থ মণ্ডল। তাঁর বক্তব্য, “এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমাদের কোনো কর্মী এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নয়। বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে এলাকায় অশান্তি তৈরি করতে রাজনৈতিক নাটক করছে।” ঘটনার পর থেকেই নাটাবাড়ি জুড়ে উত্তেজনা তুঙ্গে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পুরো বিষয়টির তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে এই ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।1
- *দিনহাটা শহরের হাসপাতাল মোড় এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার লিক করে অ*গ্নিকাণ্ড, বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা।1