Shuru
Apke Nagar Ki App…
হুগলির গোঘাটের কামারপুকুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান রাজদীপ দে তোলাবাজির অভিযোগে তারকেশ্বর থেকে গ্রেফতার হয়েছেন। তৃণমূলের দাপুটে এই নেতা প্রাক্তন বিধায়ক রামেন্দু সিংহ রায়ের ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত।
Sandip Halder
হুগলির গোঘাটের কামারপুকুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান রাজদীপ দে তোলাবাজির অভিযোগে তারকেশ্বর থেকে গ্রেফতার হয়েছেন। তৃণমূলের দাপুটে এই নেতা প্রাক্তন বিধায়ক রামেন্দু সিংহ রায়ের ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- আরামবাগের স্থানীয় তৃণমূল নেতা রাকেশ আলীকে হকার্স মার্কেটের ছাদে বিপুল পরিমাণ বোমা ও আগ্নেয়াস্ত্র মজুত করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকার পর আজ, রবিবার তাঁকে আরামবাগ মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়েছে। গত ১১ই মে, আরামবাগ বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের পাশে অবস্থিত হকার্স মার্কেটের ছাদ থেকে পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে প্রচুর তাজা বোমা ও মারাত্মক আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছিল। এই ঘটনার পরই স্থানীয় তৃণমূল নেতা রাকেশ আলীর নাম জড়িয়ে পড়ে এবং তিনি পুলিশি গ্রেপ্তার এড়াতে এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করেন। রাকেশ আলীর খোঁজে পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছিল। অবশেষে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আরামবাগ থানার পুলিশ তৎপরতার সঙ্গে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। আজ আদালতে পেশ করার পর, পুলিশ এই ঘটনার গভীরে পৌঁছাতে এবং অস্ত্র মজুতের পেছনে আর কারা জড়িত রয়েছে, তা জানতে তদন্ত প্রক্রিয়া আরও জোরদার করেছে। জনবহুল হকার্স মার্কেটের মতো এলাকায় কেন এত বিপুল পরিমাণ অস্ত্র মজুত করা হয়েছিল, আরামবাগ থানার পুলিশ তাও খতিয়ে দেখছে।1
- মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যদি বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীরা ধরা পড়ে, তাহলে কী পদক্ষেপ নিতে হবে।1
- আরামবাগের মায়াপুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ডিবাইরা গ্রামে বিজেপি বিধায়ক হেমন্ত বাগকে ঘিরে একটি জমকালো অভিনন্দন যাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই উপলক্ষে গ্রামের রাস্তা জুড়ে এক বিশাল জনসমাগম দেখা যায়। দলীয় পতাকা, ব্যানার এবং ঢাক-ঢোলের তালে তালে গোটা এলাকা জুড়েই এক উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়। বিধায়ককে এক ঝলক দেখার জন্য সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে দলীয় কর্মী-সমর্থকরা রাস্তায় ভিড় জমান। অনেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং মিষ্টিমুখ করিয়ে বিধায়ককে অভিনন্দন জানান। সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো। এদিনের এই অভিনন্দন যাত্রা ঘিরে ডিবাইরা গ্রামে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয় এবং বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে নতুন করে উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। এই আয়োজনে বিধায়ক হেমন্ত বাগের প্রতি উপচে পড়া জনসমর্থন স্পষ্টতই প্রতীয়মান হয়।1
- রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে যখন চারদিকে বিজয় মিছিলের উল্লাস চলছে, ঠিক তখনই পশ্চিম মেদিনীপুরের সুন্দিপুর ২ নম্বর পঞ্চায়েতের কালিকাপুর গ্রাম ফুঁসছে প্রতিবাদের আগুনে। আবিরের রঙের মাঝেই এলাকার মহিলাদের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ফেটে বেরিয়েছে। খোদ শাসক দলের বিজয় মিছিলের সামনেই তারা ফেটে পড়েন, সাফ জানিয়ে দেন যে, সরকার যখন বদলেছে, এবার ব্রিজ তাদের দিতেই হবে। দীর্ঘদিনের বঞ্চনার খতিয়ান নিয়ে স্থানীয় গ্রামবাসীরা, বিশেষ করে মহিলারা, বিজয় মিছিলে আসা নেতা-কর্মীদের কার্যত কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। তাদের একটাই দীর্ঘদিনের অভিযোগ এবং দাবি— একটি স্থায়ী ব্রিজ। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে একটি ব্রিজের অভাবে বর্ষায় গোটা গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, যার ফলে মুমূর্ষু রোগী হাসপাতালে যেতে পারেন না এবং স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। তাদের বক্তব্য, প্রতিবার ভোটের আগে নেতারা এসে ব্রিজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যান, কিন্তু ভোট মিটলেই সেই প্রতিশ্রুতি হিমাগারে চলে যায়। এবার তারা আর সেই চেনা গল্প শুনতে রাজি নন। এলাকার মহিলাদের এই রণচণ্ডী মূর্তি দেখে বিজয় মিছিলে আসা নেতৃত্বরা স্বাভাবিকভাবেই ব্যাকফুটে চলে যান। চোখে জল এবং গলায় তীব্র ক্ষোভ নিয়ে কালিকাপুরের মা-বোনেরা এখন সোচ্চার। তারা প্রশ্ন তুলেছেন যে, যখন রাজ্য রাজনীতিতে পরিবর্তন এসেছে, তখন কালিকাপুর গ্রামের এই ভগ্ন ভাগ্যের কি আদৌ পরিবর্তন হবে? নতুন সরকার কি এই গ্রামীণ দুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান করতে পারবে, নাকি আগের মতোই প্রতিশ্রুতির আড়ালে কালিকাপুরের এই স্বপ্নের ব্রিজ ঢাকা পড়ে থাকবে?1
- বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর পোস্ট অফিসের সামনে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের পরিষেবা পাওয়ার জন্য সাধারণ মানুষের লম্বা লাইন দেখা গেছে। মূলত, ব্যাংকের অ্যাকাউন্টের সাথে আধার নম্বর এবং মোবাইল নম্বর সংযুক্ত করার উদ্দেশ্যেই এই দীর্ঘ ভিড় তৈরি হয়েছে।1
- বেহালার ১২৭ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল নেতা তপন বিশ্বাসকে ঘিরে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। তাঁকে লক্ষ্য করে 'চোর চোর' স্লোগান দেওয়া হয়, যার ফলে এলাকায় এক ধুন্ধুমার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।1
- কলকাতা নিউজ টাইমস ম্যাগাজিনে 'গ্ল্যামার গ্যালাক্সি'র পক্ষ থেকে একটি বিশেষ চমক ঘোষণা করা হয়েছে।1
- রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে সুন্দিপুর ২ নম্বর পঞ্চায়েতের কালিকাপুর গ্রামে শাসক দলের বিজয় মিছিলকে ঘিরে তীব্র প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। যখন চারদিকে নতুন সরকারের আগমন ঘিরে উৎসব ও উল্লাস চলছে, তখনই কালিকাপুর গ্রামের মহিলারা তাদের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ নিয়ে খোদ বিজয় মিছিলের সামনে ফেটে পড়েন। আবিরের রঙের আড়ালে তাদের একটাই স্পষ্ট দাবি ছিল— "সরকার বদলেছে, এবার ব্রিজ দিতেই হবে!" গ্রামবাসীরা, বিশেষ করে এলাকার মহিলারা, দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অভিযোগ নিয়ে মিছিলে শামিল নেতা-কর্মীদের কার্যত কাঠগড়ায় দাঁড় করান। তাদের মূল দাবি একটি স্থায়ী ব্রিজের, যার অভাবে বছরের পর বছর ধরে বর্ষায় গোটা গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এতে মুমূর্ষু রোগীদের হাসপাতালে নেওয়া এবং স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতসহ দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, প্রতি ভোটের আগে নেতারা ব্রিজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেলেও, ভোট মিটলেই সেই প্রতিশ্রুতি হিমাগারে চলে যায়। এবার তারা এই চেনা গল্প শুনতে নারাজ, তাদের দাবি অবিলম্বে পূরণ করতে হবে। এলাকার মহিলাদের এই রণচণ্ডী মূর্তি দেখে বিজয় মিছিলে আসা নেতৃত্বরা স্বাভাবিকভাবেই ব্যাকফুটে চলে যান। চোখে জল আর গলায় ক্ষোভ নিয়ে কালিকাপুরের মা-বোনেরা আজ সোচ্চার। তাদের প্রশ্ন, রাজ্য রাজনীতিতে পরিবর্তন এলেও কালিকাপুর গ্রামের এই ভগ্ন ভাগ্যের আদৌ কি পরিবর্তন হবে? নতুন সরকার কি পারবে এই গ্রামীণ দুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান করতে, নাকি আগের মতোই প্রতিশ্রুতির আড়ালে ঢাকা পড়ে থাকবে কালিকাপুরের এই স্বপ্নের ব্রিজ?2