বিজেপির প্রার্থীদের মনোনয়ন পর্বে হাজির হলেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব। বাঁকুড়া জেলাশাসকের করনে বিজেপির বাঁকুড়া, বড়জোড়া, শালতোড়া, ছাতনা ও ওন্দা এই পাঁচ প্রার্থীকে নিয়ে মনোনয়ন পর্বে সামিল হন মোহন যাদব। বাঁকুড়ার তামলিবাঁধে বিজেপির পথসভায় বক্তব্য রাখেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব, এদিন বক্তব্যের শুরুতেই বিজেপি কর্মীদের উৎসাহ দেখে বলেন দেখে মনে হচ্ছে কে বেশী ভোটে জিতবে। সব বিজেপি জিতবে অন্যকোন দল আর আসবেই না। এরপরেই একের এক এক দুর্নীতি ইস্যু তুলে ধরে রাজ্যের মমতা সরকার কে আক্রমন করেন মোহন যাদব। তৃণমূল দলে শুধু দুর্নীতি আর দুর্নীতি। হিন্দুদের অপমান করছে এই মমতার সরকার। বাংলাকে শেষ করেছে প্রথমে কমিউনিস্ট তারপর মমতা। এবার সময় এসেছে হিসেব নেওয়ার এই সরকার কে সরানোর এক এক ভোট দিয়ে বাংলায় বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠা হবে। এদিন সভার পরে তামলিবাঁধ থেকে জেলাশাসকের করন পর্য্যন্ত বিজেপি প্রার্থীদের নিয়ে পায়ে হেঁটে জেলাশাসকের করনে মনোনয়ন পর্বে সামিল হন তিনি।
বিজেপির প্রার্থীদের মনোনয়ন পর্বে হাজির হলেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব। বাঁকুড়া জেলাশাসকের করনে বিজেপির বাঁকুড়া, বড়জোড়া, শালতোড়া, ছাতনা ও ওন্দা এই পাঁচ প্রার্থীকে নিয়ে মনোনয়ন পর্বে সামিল হন মোহন যাদব। বাঁকুড়ার তামলিবাঁধে বিজেপির পথসভায় বক্তব্য রাখেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব, এদিন বক্তব্যের শুরুতেই বিজেপি কর্মীদের উৎসাহ দেখে বলেন দেখে মনে হচ্ছে কে বেশী ভোটে জিতবে। সব বিজেপি জিতবে অন্যকোন দল আর আসবেই না। এরপরেই একের এক এক দুর্নীতি ইস্যু
তুলে ধরে রাজ্যের মমতা সরকার কে আক্রমন করেন মোহন যাদব। তৃণমূল দলে শুধু দুর্নীতি আর দুর্নীতি। হিন্দুদের অপমান করছে এই মমতার সরকার। বাংলাকে শেষ করেছে প্রথমে কমিউনিস্ট তারপর মমতা। এবার সময় এসেছে হিসেব নেওয়ার এই সরকার কে সরানোর এক এক ভোট দিয়ে বাংলায় বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠা হবে। এদিন সভার পরে তামলিবাঁধ থেকে জেলাশাসকের করন পর্য্যন্ত বিজেপি প্রার্থীদের নিয়ে পায়ে হেঁটে জেলাশাসকের করনে মনোনয়ন পর্বে সামিল হন তিনি।
- রিপোর্টারAbhijit Santraকোতুলপুর, বাঁকুড়া, পশ্চিমবঙ্গ🙏46 min ago
- বাঁকুড়া জেলাশাসকের করনে বিজেপির বাঁকুড়া, বড়জোড়া, শালতোড়া, ছাতনা ও ওন্দা এই পাঁচ প্রার্থীকে নিয়ে মনোনয়ন পর্বে সামিল হন মোহন যাদব। বাঁকুড়ার তামলিবাঁধে বিজেপির পথসভায় বক্তব্য রাখেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব, এদিন বক্তব্যের শুরুতেই বিজেপি কর্মীদের উৎসাহ দেখে বলেন দেখে মনে হচ্ছে কে বেশী ভোটে জিতবে। সব বিজেপি জিতবে অন্যকোন দল আর আসবেই না। এরপরেই একের এক এক দুর্নীতি ইস্যু তুলে ধরে রাজ্যের মমতা সরকার কে আক্রমন করেন মোহন যাদব। তৃণমূল দলে শুধু দুর্নীতি আর দুর্নীতি। হিন্দুদের অপমান করছে এই মমতার সরকার। বাংলাকে শেষ করেছে প্রথমে কমিউনিস্ট তারপর মমতা। এবার সময় এসেছে হিসেব নেওয়ার এই সরকার কে সরানোর এক এক ভোট দিয়ে বাংলায় বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠা হবে। এদিন সভার পরে তামলিবাঁধ থেকে জেলাশাসকের করন পর্য্যন্ত বিজেপি প্রার্থীদের নিয়ে পায়ে হেঁটে জেলাশাসকের করনে মনোনয়ন পর্বে সামিল হন তিনি।2
- Post by রিপোর্টারAbhijit Santra1
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- “টাইগার আছে, জয় নিশ্চিত! খণ্ডঘোষে নবীন বাগকে ঘিরে সায়নী ঘোষের আত্মবিশ্বাস”1
- পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলে বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে বামফ্রন্টের জোরদার শক্তিপ্রদর্শন দেখা গেল মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিন। আসানসোল শহরে বামেদের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে অংশ নেন সিপিআই(এম) সহ বামফ্রন্টের কর্মী-সমর্থকরা এবং জোটসঙ্গী দলগুলির নেতারাও। এই মিছিলের মাধ্যমে পাঁচজন প্রার্থী একসঙ্গে গিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন। গোটা শহর জুড়ে লাল পতাকা, স্লোগান এবং কর্মীদের উপস্থিতিতে নির্বাচনী আবহ আরও চাঙা হয়ে ওঠে। প্রার্থীদের বার্তা মিছিল থেকে বাম প্রার্থীরা মূলত— বেকারত্ব, শিল্পাঞ্চলের সমস্যা শ্রমিকদের অধিকার মূল্যবৃদ্ধি —এইসব ইস্যুকে সামনে রেখে ভোটের প্রচার শুরু করেন। ২০২৬ সালের West Bengal Legislative Assembly Election 2026-কে সামনে রেখে রাজ্যে তৃণমূল, বিজেপি ও বাম—তিন পক্ষের মধ্যে ত্রিমুখী লড়াই জমে উঠেছে। আসানসোলে এই যৌথ মিছিল ও একসঙ্গে মনোনয়ন জমা দেওয়া বামেদের সংগঠনিক শক্তি ও ঐক্যের বার্তা তুলে ধরার একটি বড় পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।1
- Bankura, Bishnupur: মমতার সভায় জনতার1
- Post by Spreading News Bangla (MEMARI)1
- প্রার্থী নিয়ে ক্ষোভ এবার কংগ্রেসের অন্দরেও, প্রার্থী করার ব্যাপারে পরিবারতন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ কংগ্রেসের একাংশের, অস্বস্তিতে প্রার্থী ও দলের জেলা নেতৃত্ব :-প্রার্থী নিয়ে কোতুলপুরে কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ এবার চরমে। দলের তরফে ওই কেন্দ্রে সুমিত্রা মল্লিক সাঁতরাকে প্রার্থী করা হলেও স্থানীয় কংগ্রেস নেতৃত্বির একাংশ তা মানতে নারাজ। প্রবীণ কংগ্রেস নেতা দিব্যেন্দু মণ্ডলের দাবি, সর্বসম্মতভাবে কোতুলপুর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হিসেবে জেলা যুব কংগ্রেসের সভাপতি মৌমিতা লোহারের নাম ঠিক করা হয়েছিল। বিষয়টি জেলা ও প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বকেও জানানো হয়। তারপরেও কোন রাজনীতি সম্পর্কে ধারণা না থাকা সত্বেও এক নেতার স্ত্রী হওয়ার সুবাদে সুমিত্রা মল্লিক সাঁতরাকে প্রার্থী করে দল। এই বিষয়টি সিংহভাগ কংগ্রেস কর্মী নেতা মানতে পারছেননা। অবিলম্বে এবিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে তাঁরা বসে যাবেন বলে জানান। যদিও জেলা কংগ্রেসের নেতা দেবু চ্যাটার্জীর দাবি, দরের গঠণতন্ত্র মেনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। প্রয়োজনে বিক্ষুব্ধদের সঙ্গে আলোচনায় বসা হবে। কংগ্রেস প্রার্থী সুমিত্রা মল্লিক সাঁতরা বলেন, দল আমাকে যোগ্য মনে করেছে। এবার কারও আপত্তি থাকলে মিডিয়াকে না জানিয়ে দলকে জানানো উচিৎ। কোতুরপুর ব্লক তৃণমূলের কনভেনর তুষার কান্তি রায়ের দাবি, এই এলাকায় অস্তিত্বহিন কংগ্রেস। এসব বিরোধিদের নিয়ে আমরা ভাবিত নই। বিজেপির স্থানীয় মণ্ডল সভাপতি কেশবি নাগার দাবি, কংগ্রেস পরিবারতান্ত্রিক দল। যা হয়েছে তা স্বাভাবিক। তবে বিক্ষুদ্ধ কংগ্রেসীরা তাদের দলে এলে যোগ্য সম্মান পাবেন বলে তিনি জানান।3