নির্বাচনী জোয়ারে ভাসছে সালার, সুমনের সমর্থনে জনতার ঢল, বহরমপুরের সাংসদ ইউসুফ পাঠানের ঝোড়ো প্রচার। নির্বাচনী জোয়ারে ভাসছে সালার, সুমনের সমর্থনে জনতার ঢল, বহরমপুরের সাংসদ ইউসুফ পাঠানের ঝোড়ো প্রচার। নির্বাচনী দামামা বাজতেই ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের আনাচে-কানাচে এখন উৎসবের মেজাজ। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমনের সমর্থনে বৃহস্পতিবার ভরতপুর-২ নম্বর ব্লকের দক্ষিণখণ্ড গ্রামে এক অভূতপূর্ব জনজোয়ার দেখা গেল। মা-বোনেদের শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনির মাধ্যমে প্রার্থীকে যে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়, তা প্রচারের শেষ লগ্নে এক অনন্য মাত্রা যোগ করেছে। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সুমন আত্মবিশ্বাসের সাথে জানান, এই স্বতঃস্ফূর্ত জনসমর্থন আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চতুর্থবারের জন্য বাংলার মসনদে আসীন করারই আগাম সঙ্কেত। এদিন বিরোধীদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করে তিনি বলেন, ময়দানে তৃণমূলের সাথে কারোর কোনো লড়াই নেই। লড়াই মূলত বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে। বিশেষত কংগ্রেস প্রার্থীকে দলবদলু আখ্যা দিয়ে তিনি মনে করিয়ে দেন, অতীতে ওই ব্যক্তি গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করেছিলেন, যার যোগ্য জবাব এবার মানুষ ব্যালট বক্সে দেবেন। প্রচারের এই উত্তাপ আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেন বহরমপুরের সাংসদ তথা বিশ্বজয়ী ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠান। এদিন ভরতপুর-২ নম্বর ব্লকের কুলুড়ি ও একটি পার্শ্ববর্তী গ্রামে এক বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল মিছিলের সাথে হুডখোলা গাড়িতে করে প্রার্থীর সমর্থনে প্রচার সারেন তিনি। কোথাও কচিকাঁচাদের কোলে নিয়ে আদর, আবার কোথাও মহিলাদের সাথে সৌজন্য বিনিময়ে মেতে উঠে জনসংযোগের এক নতুন নজির গড়েন ইউসুফ। এরপর প্রার্থী সুমন চুনশহর ও উঁজুনিয়া গ্রামে প্রচার চালিয়ে যান এবং প্রতিশ্রুতি দেন যে, জয়ের পর তাঁর প্রধান লক্ষ্যই হবে মানুষের দুয়ারে পৌঁছে কৃতজ্ঞতা জানানো ও উন্নয়নের বাকি কাজগুলি দ্রুত সম্পন্ন করা। সব মিলিয়ে উন্নয়নের নিরিখে সাধারণ মানুষের জোড়াফুল চিহ্নে অগাধ আস্থা ভরতপুরের নির্বাচনী সমীকরণকে এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।
নির্বাচনী জোয়ারে ভাসছে সালার, সুমনের সমর্থনে জনতার ঢল, বহরমপুরের সাংসদ ইউসুফ পাঠানের ঝোড়ো প্রচার। নির্বাচনী জোয়ারে ভাসছে সালার, সুমনের সমর্থনে জনতার ঢল, বহরমপুরের সাংসদ ইউসুফ পাঠানের ঝোড়ো প্রচার। নির্বাচনী দামামা বাজতেই ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের আনাচে-কানাচে এখন উৎসবের মেজাজ। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমনের সমর্থনে বৃহস্পতিবার ভরতপুর-২ নম্বর ব্লকের দক্ষিণখণ্ড গ্রামে এক অভূতপূর্ব জনজোয়ার দেখা গেল। মা-বোনেদের শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনির মাধ্যমে প্রার্থীকে যে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়, তা প্রচারের শেষ লগ্নে এক অনন্য মাত্রা যোগ করেছে। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সুমন আত্মবিশ্বাসের সাথে জানান, এই স্বতঃস্ফূর্ত জনসমর্থন আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চতুর্থবারের জন্য বাংলার মসনদে আসীন করারই আগাম সঙ্কেত। এদিন বিরোধীদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করে তিনি বলেন, ময়দানে তৃণমূলের সাথে কারোর কোনো লড়াই নেই। লড়াই মূলত বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে। বিশেষত কংগ্রেস প্রার্থীকে দলবদলু আখ্যা দিয়ে তিনি মনে করিয়ে দেন, অতীতে ওই ব্যক্তি গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করেছিলেন, যার যোগ্য জবাব এবার মানুষ ব্যালট বক্সে দেবেন। প্রচারের এই উত্তাপ আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেন বহরমপুরের সাংসদ তথা বিশ্বজয়ী ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠান। এদিন ভরতপুর-২ নম্বর ব্লকের কুলুড়ি ও একটি পার্শ্ববর্তী গ্রামে এক বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল মিছিলের সাথে হুডখোলা গাড়িতে করে প্রার্থীর সমর্থনে প্রচার সারেন তিনি। কোথাও কচিকাঁচাদের কোলে নিয়ে আদর, আবার কোথাও মহিলাদের সাথে সৌজন্য বিনিময়ে মেতে উঠে জনসংযোগের এক নতুন নজির গড়েন ইউসুফ। এরপর প্রার্থী সুমন চুনশহর ও উঁজুনিয়া গ্রামে প্রচার চালিয়ে যান এবং প্রতিশ্রুতি দেন যে, জয়ের পর তাঁর প্রধান লক্ষ্যই হবে মানুষের দুয়ারে পৌঁছে কৃতজ্ঞতা জানানো ও উন্নয়নের বাকি কাজগুলি দ্রুত সম্পন্ন করা। সব মিলিয়ে উন্নয়নের নিরিখে সাধারণ মানুষের জোড়াফুল চিহ্নে অগাধ আস্থা ভরতপুরের নির্বাচনী সমীকরণকে এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।
- আগামী ২৩শে এপ্রিল সকাল সকাল তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী কে জোড়া ফুল চিহ্নে বিপুল ভোটে জয়ী করুন1
- Post by Samirul sk1
- সিপিআইএম থেকে ৬০টি পরিবার নিয়ামত শেখের হাত ধরে তৃণমূলে যোগদান। আবারো হরিহরপাড়ায় তৃণমূলের শক্তি বৃদ্ধি, মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় ভোটের আগে রাজনৈতিক সমীকরণে বড়সড় পরিবর্তন। সিপিআইএম ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন ৬০টি পরিবার। সোমবার সন্ধ্যায়, হরিহরপাড়া ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি জসীমউদ্দীন সেখ ও চোয়া অঞ্চল তৃণমূলের নেতৃত্বে এদিন হরিহরপাড়া বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী নিয়ামত শেখের হাত ধরে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলে যোগ দেন তারা। জানা গেছে, চোয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের চোয়া পাঠানপাড়া এলাকার দীর্ঘদিনের সিপিআইএম এর কর্মী হজরুদ্দিন খান সহ ৬০টি সিপিআইএম এর পরিবার তৃণমূল শিবিরে নাম লেখান। যোগদানকারীদের দাবি, তৃণমূলের উন্নয়নমূলক কাজ দেখে তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ বিষয়ে তৃণমূল প্রার্থী নিয়ামত শেখ বলেন, “প্রতিদিনই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে কর্মী-সমর্থকরা তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন। এতে দলের সংগঠন আরও শক্তিশালী হচ্ছে এবং আসন্ন নির্বাচনে এর প্রভাব পড়বে।” ভোটের আগে এই যোগদানকে ঘিরে হরিহরপাড়ার রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। এদিন উপস্থিত ছিলেন হরিহরপাড়া বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী নিয়ামত শেখ, হরিহরপাড়া ব্লক তৃণমূল সভাপতি জসিমউদ্দিন শেখ, মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতি মোশারফ হোসেন, চোয়া অঞ্চল তৃণমূল নেতৃত্বরা সহ আরো অনেকে। হরিহরপাড়া থেকে রাকিবুল ইসলামের রিপোর্ট এইচপি নিউজ বাংলা1
- বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখার্জির সমর্থনে টলিউড অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জী বহরমপুরে করলেন রোড শো, ভাকুড়ি এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত একাধিক এলাকায় গোল্ডেন অভিনেত্রী। তৃণমূল প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখার্জির সমর্থনে প্রায় ২০০র বেশি বাইক মিছিল করে ভাকুড়ির একাধিক এলাকা পরিক্রমা করে। সাধারণ মানুষের উৎসাহ উদ্দীপনা ছিল আর চোখে পড়ার মতন।1
- বাংলার ভোটার তালিকা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক শুরু হয়েছে। মামলা দেশের শীর্ষ আদালতে গড়িয়েছে। ট্রাইব্যুনাল গঠন হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে কয়েক লক্ষ ভোটার তাদের ভোটাধিকার ফেরত পেল।1
- অক্ষয় তৃতীয়ায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ—নবদ্বীপে ‘জয়পুর জেমস’-এর সবুজ বার্তা, সম্মানিত নির্মল বন্ধুরা। গঙ্গা পরিষ্কার থেকে চারা বিতরণ—পুজো-হালখাতা ছাড়িয়ে সামাজিক দায়বদ্ধতার নজির। অক্ষয় তৃতীয়ার প্রেক্ষিতে প্রচলিত পুজো ও হালখাতার গণ্ডি পেরিয়ে এক অনন্য সামাজিক উদ্যোগের সাক্ষী থাকল নবদ্বীপ। শহরের বিশিষ্ট গ্রহরত্ন প্রতিষ্ঠান ‘জয়পুর জেমস’ এই শুভদিনকে কেন্দ্র করে নির্মল বন্ধুদের সম্মাননা, গাছের চারা বিতরণ এবং গঙ্গা দূষণমুক্ত রাখার বার্তা দিয়ে নজির গড়ল। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “গঙ্গা আমাদের মা—তাকে দূষণমুক্ত রাখা প্রত্যেকের দায়িত্ব।” এই বার্তাকে সামনে রেখেই অক্ষয় তৃতীয়ার দু’দিন আগে থেকেই শুরু হয় সচেতনতামূলক কর্মসূচি। নবদ্বীপের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ গঙ্গার ঘাটে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দেন উদ্যোক্তারা। এই উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে পাশে দাঁড়ায় শহরের সুপরিচিত যোগ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ‘যোগায়ন’ ও তাদের সহযোদ্ধারা। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গঙ্গার ঘাটগুলিকে পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষার গুরুত্বও তুলে ধরা হয়। অক্ষয় তৃতীয়ার দিন আয়োজিত মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শহরের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা। এই অনুষ্ঠানে নবদ্বীপের অসংখ্য নির্মল বন্ধুদের সম্মাননা জানানো হয়—যারা প্রতিদিন শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পাশাপাশি বিতরণ করা হয় গাছের চারা, যাতে শহরজুড়ে সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে পড়ে। একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের এহেন ব্যতিক্রমী সামাজিক উদ্যোগে খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা। অনেকেই মনে করছেন, এই ধরনের উদ্যোগ অন্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সামাজিক দায়বদ্ধতার পথে এগিয়ে আসতে অনুপ্রাণিত করবে।1
- ছক্কা হাকালো গেরুয়া শিবির!সেইমত সোমবার ঝটিকা সফরে হেভি ওয়েট নেতা জেপি নাড্ডা এসে পৌঁছান মুর্শিদাবাদের মাটিতে। তিনি জেলার বড়ঞায় বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে হাজির হন।ফিরে হওয়ার পথে তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে টার্গেট করে বিস্ফোরক হয়ে ওঠেন একাধিক ইস্যুতে। ' রাজ্যজুড়ে 'আতঙ্কের পরিবেশ নিয়ে সরব হন তিনি । আগামী ৪ মেয়ের পর পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ সমাপ্ত হতে চলেছে বলেও জানান উনি।1
- জলঙ্গিতে শক্তির প্রদর্শন! ইয়ানুস আলী সরকারের সমর্থনে মেগা বাইক র্যালি কাঁপালো গোটা এলাকা 🔥 জলঙ্গি বিধানসভা জুড়ে শক্তি প্রদর্শনে নজির গড়ল সিপিআইএম! প্রার্থী ইয়ানুস আলী সরকার-এর সমর্থনে হাজার হাজার বাইক ও চারচাকা গাড়ি নিয়ে বিশাল মেগা র্যালি—চোখে পড়ার মতো জনজোয়ার 🚩 এই ঐতিহাসিক র্যালিতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের সিপিআইএম সম্পাদক মোঃ সেলিম, অভিনেতা বাদশা মৈত্র এবং আফরিন বেগম সহ একাধিক নেতৃত্ব। হরেকৃষ্ণপুর বাজার থেকে শুরু হয়ে ভাদুড়িয়া পাড়া, জলঙ্গী জোরতলা, ঘোষপাড়া, নরসিংহপুর, সাগরপাড়া, নটিয়াল, ধনিরামপুর ঘুরে শেষ হয় শেখপাড়ায়—পুরো পথজুড়ে জনসমর্থনের ঢল! 🚩 কর্মী-সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো 🚩 লাল পতাকায় রাঙা রাস্তা 🚩 একটাই স্লোগান— “জয় নিশ্চিত!” 💥 ভোটের আগে জলঙ্গিতে শক্তি দেখাল সিপিআইএম—এবার কি বদলের ইঙ্গিত?1
- রেজাল্টের আগেই যেন বিজয়ের ইঙ্গিত! 🚩🔥 ৭৬ নং জলঙ্গী বিধানসভায় CPI(M) প্রার্থী ইয়ানুস আলী সরকারের সমর্থনে আজ নজিরবিহীন বিশাল বাইক মিছিল ঘিরে তৈরি হলো তুমুল উচ্ছ্বাসের আবহ। চারদিক জুড়ে লাল পতাকার ঢেউ, স্লোগানে মুখরিত রাস্তাঘাট—সমর্থকদের আত্মবিশ্বাস যেন স্পষ্ট করে দিল পরিবর্তনের জোরালো বার্তা। এই শক্তি প্রদর্শনের মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বালিগঞ্জ বিধানসভার প্রার্থী কমঃ আফরিন বেগম শিল্পী সহ জেলার একাধিক নেতৃত্ব ও অসংখ্য কর্মী-সমর্থক। তাদের উপস্থিতি ও অংশগ্রহণে মিছিল যেন মুহূর্তের মধ্যেই পরিণত হলো এক প্রাক্-বিজয় উৎসবে। গ্রাম থেকে শহর—যেদিকেই গেছে বাইকের সারি, সেখানেই মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া, হাত নেড়ে সমর্থন, আর একটাই বার্তা—“এইবার পরিবর্তনের পালা!” স্থানীয়দের মতে, এই জনজোয়ারই ইঙ্গিত দিচ্ছে ফল ঘোষণার আগেই শক্ত ভিত তৈরি করে ফেলেছে লাল শিবির। জলঙ্গীর মাটিতে আজকের এই ঐতিহাসিক বাইক মিছিল যেন স্পষ্ট করে দিল—লড়াই এবার জমে উঠেছে, আর মানুষের আস্থা ক্রমশ একজোট হচ্ছে CPI(M)-এর পক্ষেই। 🚩 জলঙ্গীর প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে এমন বাস্তব ও এক্সক্লুসিভ খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক 👍, শেয়ার 🔁 এবং চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেন না! 🔔 আলোকিত বাংলা সত্যের সাথে মানুষের পাশে1