অক্ষয় তৃতীয়ায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ—নবদ্বীপে ‘জয়পুর জেমস’-এর সবুজ বার্তা, সম্মানিত নির্মল বন্ধুরা। অক্ষয় তৃতীয়ায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ—নবদ্বীপে ‘জয়পুর জেমস’-এর সবুজ বার্তা, সম্মানিত নির্মল বন্ধুরা। গঙ্গা পরিষ্কার থেকে চারা বিতরণ—পুজো-হালখাতা ছাড়িয়ে সামাজিক দায়বদ্ধতার নজির। অক্ষয় তৃতীয়ার প্রেক্ষিতে প্রচলিত পুজো ও হালখাতার গণ্ডি পেরিয়ে এক অনন্য সামাজিক উদ্যোগের সাক্ষী থাকল নবদ্বীপ। শহরের বিশিষ্ট গ্রহরত্ন প্রতিষ্ঠান ‘জয়পুর জেমস’ এই শুভদিনকে কেন্দ্র করে নির্মল বন্ধুদের সম্মাননা, গাছের চারা বিতরণ এবং গঙ্গা দূষণমুক্ত রাখার বার্তা দিয়ে নজির গড়ল। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “গঙ্গা আমাদের মা—তাকে দূষণমুক্ত রাখা প্রত্যেকের দায়িত্ব।” এই বার্তাকে সামনে রেখেই অক্ষয় তৃতীয়ার দু’দিন আগে থেকেই শুরু হয় সচেতনতামূলক কর্মসূচি। নবদ্বীপের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ গঙ্গার ঘাটে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দেন উদ্যোক্তারা। এই উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে পাশে দাঁড়ায় শহরের সুপরিচিত যোগ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ‘যোগায়ন’ ও তাদের সহযোদ্ধারা। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গঙ্গার ঘাটগুলিকে পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষার গুরুত্বও তুলে ধরা হয়। অক্ষয় তৃতীয়ার দিন আয়োজিত মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শহরের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা। এই অনুষ্ঠানে নবদ্বীপের অসংখ্য নির্মল বন্ধুদের সম্মাননা জানানো হয়—যারা প্রতিদিন শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পাশাপাশি বিতরণ করা হয় গাছের চারা, যাতে শহরজুড়ে সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে পড়ে। একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের এহেন ব্যতিক্রমী সামাজিক উদ্যোগে খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা। অনেকেই মনে করছেন, এই ধরনের উদ্যোগ অন্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সামাজিক দায়বদ্ধতার পথে এগিয়ে আসতে অনুপ্রাণিত করবে।
অক্ষয় তৃতীয়ায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ—নবদ্বীপে ‘জয়পুর জেমস’-এর সবুজ বার্তা, সম্মানিত নির্মল বন্ধুরা। অক্ষয় তৃতীয়ায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ—নবদ্বীপে ‘জয়পুর জেমস’-এর সবুজ বার্তা, সম্মানিত নির্মল বন্ধুরা। গঙ্গা পরিষ্কার থেকে চারা বিতরণ—পুজো-হালখাতা ছাড়িয়ে সামাজিক দায়বদ্ধতার নজির। অক্ষয় তৃতীয়ার প্রেক্ষিতে প্রচলিত পুজো ও হালখাতার গণ্ডি পেরিয়ে এক অনন্য সামাজিক উদ্যোগের সাক্ষী থাকল নবদ্বীপ। শহরের বিশিষ্ট গ্রহরত্ন প্রতিষ্ঠান ‘জয়পুর জেমস’ এই শুভদিনকে কেন্দ্র করে নির্মল বন্ধুদের সম্মাননা, গাছের চারা বিতরণ এবং গঙ্গা দূষণমুক্ত রাখার বার্তা দিয়ে নজির গড়ল। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “গঙ্গা আমাদের মা—তাকে দূষণমুক্ত রাখা প্রত্যেকের দায়িত্ব।” এই বার্তাকে সামনে রেখেই অক্ষয় তৃতীয়ার দু’দিন আগে থেকেই শুরু হয় সচেতনতামূলক কর্মসূচি। নবদ্বীপের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ গঙ্গার ঘাটে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দেন উদ্যোক্তারা। এই উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে পাশে দাঁড়ায় শহরের সুপরিচিত যোগ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ‘যোগায়ন’ ও তাদের সহযোদ্ধারা। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গঙ্গার ঘাটগুলিকে পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষার গুরুত্বও তুলে ধরা হয়। অক্ষয় তৃতীয়ার দিন আয়োজিত মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শহরের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা। এই অনুষ্ঠানে নবদ্বীপের অসংখ্য নির্মল বন্ধুদের সম্মাননা জানানো হয়—যারা প্রতিদিন শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পাশাপাশি বিতরণ করা হয় গাছের চারা, যাতে শহরজুড়ে সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে পড়ে। একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের এহেন ব্যতিক্রমী সামাজিক উদ্যোগে খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা। অনেকেই মনে করছেন, এই ধরনের উদ্যোগ অন্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সামাজিক দায়বদ্ধতার পথে এগিয়ে আসতে অনুপ্রাণিত করবে।
- অক্ষয় তৃতীয়ায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ—নবদ্বীপে ‘জয়পুর জেমস’-এর সবুজ বার্তা, সম্মানিত নির্মল বন্ধুরা। গঙ্গা পরিষ্কার থেকে চারা বিতরণ—পুজো-হালখাতা ছাড়িয়ে সামাজিক দায়বদ্ধতার নজির। অক্ষয় তৃতীয়ার প্রেক্ষিতে প্রচলিত পুজো ও হালখাতার গণ্ডি পেরিয়ে এক অনন্য সামাজিক উদ্যোগের সাক্ষী থাকল নবদ্বীপ। শহরের বিশিষ্ট গ্রহরত্ন প্রতিষ্ঠান ‘জয়পুর জেমস’ এই শুভদিনকে কেন্দ্র করে নির্মল বন্ধুদের সম্মাননা, গাছের চারা বিতরণ এবং গঙ্গা দূষণমুক্ত রাখার বার্তা দিয়ে নজির গড়ল। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “গঙ্গা আমাদের মা—তাকে দূষণমুক্ত রাখা প্রত্যেকের দায়িত্ব।” এই বার্তাকে সামনে রেখেই অক্ষয় তৃতীয়ার দু’দিন আগে থেকেই শুরু হয় সচেতনতামূলক কর্মসূচি। নবদ্বীপের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ গঙ্গার ঘাটে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দেন উদ্যোক্তারা। এই উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে পাশে দাঁড়ায় শহরের সুপরিচিত যোগ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ‘যোগায়ন’ ও তাদের সহযোদ্ধারা। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গঙ্গার ঘাটগুলিকে পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষার গুরুত্বও তুলে ধরা হয়। অক্ষয় তৃতীয়ার দিন আয়োজিত মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শহরের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা। এই অনুষ্ঠানে নবদ্বীপের অসংখ্য নির্মল বন্ধুদের সম্মাননা জানানো হয়—যারা প্রতিদিন শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পাশাপাশি বিতরণ করা হয় গাছের চারা, যাতে শহরজুড়ে সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে পড়ে। একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের এহেন ব্যতিক্রমী সামাজিক উদ্যোগে খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা। অনেকেই মনে করছেন, এই ধরনের উদ্যোগ অন্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সামাজিক দায়বদ্ধতার পথে এগিয়ে আসতে অনুপ্রাণিত করবে।1
- Post by Sohel bhai1
- বিজেপির হয়ে বর্তমানে, বিধানসভা ভোটের প্রচারে, শ্রী মিঠুন চক্রবর্তী ; বিভিন্ন জনসভায় দিচ্ছেন ফ্লিমের ডায়লগ! ভোট প্রচারে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন, অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী মহাশয়। কোথাও করছেন জনসভা, কোথাও করছেন "রোড শো"! এরকমই এক "রোড শো" চলাকালীন, বহরমপুরে কয়েকদিন আগে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি! শারীরিক অস্বস্তির জন্য, মাঝপথে তাকে প্রচার ছেড়ে চলে যেতে হয়। জনসভায় থাকছে- তার বিখ্যাত ডায়লগ গুলি। কোথাও তিনি নিজে থেকেই বলছেন ; কোথাও দর্শকের অনুরোধে! তাকে ঘিরে দর্শকদের উন্মাদনা, ভালোই লক্ষ্য করা গেছে! সঙ্গে রইল উত্তরবঙ্গের একটি সভায়, তার বলা কয়েকটি ফ্লিমের ডায়লগ। ভিডিওটি সংগৃহীত। লেখনী ও ভিডিও এডিটিং: অনুপম সরকার চক্রবর্তী।1
- কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থীর সমর্থনে সভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র। সভা হবে স্থানীয় সরকারি কলেজের মাঠে। সভার দিন ধার্য হয়েছে আগামী ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার। সময় সকাল সাড়ে দশটা।1
- জয় শ্রীরাম। জয় হিন্দু🚩 जय श्री राम। जय हिंदू।🚩 Jai Shri Ram. Jai Hindu.🚩 #reelsvideo #videoreels #PeopleVoice #novotetomamata #democracy #reels #maa #videoreels #fam #hilight #womenpower #reelsvideo #reels #videoreels #police #ভারত #পশ্চিমবঙ্গ1
- নদীয়া জেলাতে নির্বাচনে প্রচার ে শান্তিপুরে রাত্রি বাস করে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার আগে সাধারণ কর্মীদের উদ্দেশ্য ে বিশেষ বার্তা দিয়ে গেলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভিডিও।1
- কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রী নির্মলা সীতারমন কে অনর্থ মন্ত্রী বলে কটাক্ষ মমতার রাজ কুমার ঘোষ। কালনা:- আগামী ২৩ তারিখ বাংলায় প্রথম দফা নির্বাচন। সেই নির্বাচনের শেষ রবিবাসরীয় প্রচারে বেরিয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনায় দলের প্রার্থীদের সমর্থনে সভা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন কালনার বৈদ্যপুর মিরাট কোলের মাঠে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনসভা করেন।সভায় উপস্থিত ছিলেন কালনা বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী দেবপ্রসাদ বাগ,এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পূর্বস্থলী দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী বিদায়ী মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ কাটোয়া বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, কালনা ২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি প্রণব রায়, তৃণমূল নেতা দেবু টুডু, সাংসদ শর্মিলা সরকার সহ জেলা নেতৃত্ব। মঞ্চে বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, বর্ধমান জেলা হল শস্য ভান্ডারের জায়গা। বর্ধমানের মাটিতেই সোনা ফলে।বর্ধমান জেলার কৃষকরা যে ধান উৎপন্ন করে। সেই ধান থেকে তৈরি চালের ভাত খেয়েই মানুষ বেঁচে থাকে। পাশাপাশি বর্ধমান জেলার কালনা এলাকার তাঁত শিল্প জগত বিখ্যাত। তিনি তাঁত সাথী প্রকল্প চালু করেছিলেন। ধাত্রীগ্রামে এখনো পর্যন্ত তাঁত সাথী প্রকল্পের জায়গা রয়েছে। সেই প্রকল্পে তাঁত শিল্পীদের যন্ত্রপাতি ও মেশিন দেওয়া হয়েছিল বিনা পয়সায়। তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে কালনায় এসে অর্থমন্ত্রী কার্ড বিতরণ করে গেছেন। যেটা পুরোপুরি বেআইনি। এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানানো হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। যারা অর্থমন্ত্রীর কাছ থেকে কার্ড সংগ্রহ করেছেন তাদের সাবধান করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন গোটাটাই বিজেপির ভাঁওতাবাজি ছাড়া আর কিছুই না। এই সুযোগে আপনাদের নাম ঠিকানা আপনাদের পরিবারের তথ্য, ব্যাংক একাউন্ট সব কিছুই নিয়ে নিয়েছে। যে সমস্ত মহিলারা লক্ষীর ভান্ডার পান তাদেরও নাম কেটে বাদ দিয়ে সব লুটে নেবে। এরপর ৩০০০ টাকার লোভ দেখিয়ে ফর্ম ফিলাপ করানো করাবে। তাই সকলকে এই বিষয়ে সাবধান করেন তিনি। তিনি বলেন বিজেপি বলেছিল বছরে দু কোটি করে চাকরি দেবে। সবার একাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা করে দেবে। কিন্তু কেউ কিছুই পায়নি। মানুষ তাদের ভাঁওতাগিরি বুঝে গিয়েছে। উল্টে বিজেপি সরকার চল্লিশ শতাংশ বেকার সংখ্যা বাড়িয়ে দিয়েছে। আগে প্লাটফর্মের টিকিটের দাম, গ্যাসের দাম, ট্রেনের টিকিটের দাম কত ছিল আর এখন কত হয়েছে। বিজেপিকে বিদায় না দিলে মানুষ আর কিছুই পাবে না। নির্বাচনের সময় আসলেই বিজেপি বসন্তের কোকিলের মত উড়ে আসে এবং কাকের বাসায় ডিম পেড়ে চলে যায়। এরপর বাংলায় যখন ঝড়-বৃষ্টি বন্যা হয় তখন আর তাদের দেখা পাওয়া যায় না।। তিনি বলেন কৃষক মৃত্যুর ঘটনায় ভারতবর্ষ প্রথম সারিতে কিন্তু বাংলায় কৃষক মৃত্যুর ঘটনা কমে গিয়েছে। বাংলার কৃষকরা এখন সুখে শান্তিতে রয়েছে। একমাত্র বাংলায় রাজ্য সরকারের কর্মচারীরা চাকরির শেষে পেনশন পান। ২৫ শতাংশ ডি এ দিয়ে দেওয়া হয়েছে বাকি ৪ শতাংশ ডি এ দিয়ে দেওয়া হবে। দূরদর্শন সরকারি প্রচারকেন্দ্র। সেখান থেকে এখন প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক প্রচার করছেন। তার বিরুদ্ধেও অভিযোগ জানানো উচিত। এই বিষয়ে তারা দ্রুত অভিযোগ জানাবেন। বাংলার বাইরে গিয়ে বাংলার মানুষরা যখন বাংলায় কথা বলে। তখন বিজেপি তাদের ওপর অত্যাচার চালায় বিজেপি। বাংলাকে টার্গেট করলে আমরা দিল্লি কেও টার্গেট করি। কথায় কথায় বিজেপি শুধু ইডি-সিবিআই পাঠিয়ে দিচ্ছে। প্রার্থী থেকে শুরু করে দলীয় কার্যালয় কোনো কিছুই বাদ দিচ্ছে না তারা। ভয় দেখিয়ে বলছে বাংলা ছেড়ে চলে যেতে। তারা বলছেন ভালোভাবে বাংলা ছেড়ে চলে যাক, নাড়ু দেবো এক বোতল করে। আগামী দিন বিজেপি থাকবেনা। আমরাও সবার নাম ঠিকানা সবকিছুই রেকর্ড করে রাখছি। সময় হলে আইনি ব্যবস্থা তারা নেবেন। তৃণমূলের সরকার থাকলে লক্ষীর ভান্ডার আজীবন চলবে এটা তারা জোর গলায় বলে যাচ্ছেন। কারণ তারা ভোটের সময় কাগজে সই করিয়ে প্রতিশ্রুতি দেন না। আবাস যোজনার টাকা বিজেপি দিক বা না দিক বাংলার সরকার বাংলার মানুষের কাঁচা বাড়ি পাকা করে দেবে। এতদিন বাংলার মানুষ দুয়ারে সরকারের সুবিধা লাভ করেছে। এবার দুয়ারে স্বাস্থ্য শিবির হবে।। সেখানে গ্রামের মানুষেরা উন্নতমানের চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন। বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন তার তার নিরাপত্তা রক্ষীদের ইডি দেখিয়ে তাকে খুন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কোথায় তাকে খুন করা হবে সেটা বিজেপি বলে দিক। তিনি একা সেই স্থানে গিয়ে হাজির থাকবেন। বন্ধক উঁচিয়ে তার বুকে গুলি করা হোক, তিনি মেনে নেবেন। কিন্তু মাথা নত করবেন না। সুপ্রিম কোর্টে টাইট দিয়ে ৩২লক্ষ নাম উঠানো হয়েছে। বাকিদেরও ভোটের পরে তোলা হবে। বাংলায় কোনো বিজেপি, সিপিএম, বা কংগ্রেসের নেতার বাড়িতে ইডি সিবিআই পাঠিয়ে রেড করা হয়নি। কিন্তু তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে ঘনঘন ইডি সিবিআই পাঠানো হচ্ছে। আগামী দিন বিচুতি পাতার নাড়ু করে খাওয়ানো হবে। বাংলা কখনো মাথা নত করেনি আর কোনো দিনও করবেও না।।1
- Post by Sohel bhai1