বর্ধমান জেলার কালনায় দলের প্রার্থীদের সমর্থনে সভা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রী নির্মলা সীতারমন কে অনর্থ মন্ত্রী বলে কটাক্ষ মমতার রাজ কুমার ঘোষ। কালনা:- আগামী ২৩ তারিখ বাংলায় প্রথম দফা নির্বাচন। সেই নির্বাচনের শেষ রবিবাসরীয় প্রচারে বেরিয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনায় দলের প্রার্থীদের সমর্থনে সভা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন কালনার বৈদ্যপুর মিরাট কোলের মাঠে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনসভা করেন।সভায় উপস্থিত ছিলেন কালনা বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী দেবপ্রসাদ বাগ,এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পূর্বস্থলী দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী বিদায়ী মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ কাটোয়া বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, কালনা ২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি প্রণব রায়, তৃণমূল নেতা দেবু টুডু, সাংসদ শর্মিলা সরকার সহ জেলা নেতৃত্ব। মঞ্চে বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, বর্ধমান জেলা হল শস্য ভান্ডারের জায়গা। বর্ধমানের মাটিতেই সোনা ফলে।বর্ধমান জেলার কৃষকরা যে ধান উৎপন্ন করে। সেই ধান থেকে তৈরি চালের ভাত খেয়েই মানুষ বেঁচে থাকে। পাশাপাশি বর্ধমান জেলার কালনা এলাকার তাঁত শিল্প জগত বিখ্যাত। তিনি তাঁত সাথী প্রকল্প চালু করেছিলেন। ধাত্রীগ্রামে এখনো পর্যন্ত তাঁত সাথী প্রকল্পের জায়গা রয়েছে। সেই প্রকল্পে তাঁত শিল্পীদের যন্ত্রপাতি ও মেশিন দেওয়া হয়েছিল বিনা পয়সায়। তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে কালনায় এসে অর্থমন্ত্রী কার্ড বিতরণ করে গেছেন। যেটা পুরোপুরি বেআইনি। এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানানো হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। যারা অর্থমন্ত্রীর কাছ থেকে কার্ড সংগ্রহ করেছেন তাদের সাবধান করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন গোটাটাই বিজেপির ভাঁওতাবাজি ছাড়া আর কিছুই না। এই সুযোগে আপনাদের নাম ঠিকানা আপনাদের পরিবারের তথ্য, ব্যাংক একাউন্ট সব কিছুই নিয়ে নিয়েছে। যে সমস্ত মহিলারা লক্ষীর ভান্ডার পান তাদেরও নাম কেটে বাদ দিয়ে সব লুটে নেবে। এরপর ৩০০০ টাকার লোভ দেখিয়ে ফর্ম ফিলাপ করানো করাবে। তাই সকলকে এই বিষয়ে সাবধান করেন তিনি। তিনি বলেন বিজেপি বলেছিল বছরে দু কোটি করে চাকরি দেবে। সবার একাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা করে দেবে। কিন্তু কেউ কিছুই পায়নি। মানুষ তাদের ভাঁওতাগিরি বুঝে গিয়েছে। উল্টে বিজেপি সরকার চল্লিশ শতাংশ বেকার সংখ্যা বাড়িয়ে দিয়েছে। আগে প্লাটফর্মের টিকিটের দাম, গ্যাসের দাম, ট্রেনের টিকিটের দাম কত ছিল আর এখন কত হয়েছে। বিজেপিকে বিদায় না দিলে মানুষ আর কিছুই পাবে না। নির্বাচনের সময় আসলেই বিজেপি বসন্তের কোকিলের মত উড়ে আসে এবং কাকের বাসায় ডিম পেড়ে চলে যায়। এরপর বাংলায় যখন ঝড়-বৃষ্টি বন্যা হয় তখন আর তাদের দেখা পাওয়া যায় না।। তিনি বলেন কৃষক মৃত্যুর ঘটনায় ভারতবর্ষ প্রথম সারিতে কিন্তু বাংলায় কৃষক মৃত্যুর ঘটনা কমে গিয়েছে। বাংলার কৃষকরা এখন সুখে শান্তিতে রয়েছে। একমাত্র বাংলায় রাজ্য সরকারের কর্মচারীরা চাকরির শেষে পেনশন পান। ২৫ শতাংশ ডি এ দিয়ে দেওয়া হয়েছে বাকি ৪ শতাংশ ডি এ দিয়ে দেওয়া হবে। দূরদর্শন সরকারি প্রচারকেন্দ্র। সেখান থেকে এখন প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক প্রচার করছেন। তার বিরুদ্ধেও অভিযোগ জানানো উচিত। এই বিষয়ে তারা দ্রুত অভিযোগ জানাবেন। বাংলার বাইরে গিয়ে বাংলার মানুষরা যখন বাংলায় কথা বলে। তখন বিজেপি তাদের ওপর অত্যাচার চালায় বিজেপি। বাংলাকে টার্গেট করলে আমরা দিল্লি কেও টার্গেট করি। কথায় কথায় বিজেপি শুধু ইডি-সিবিআই পাঠিয়ে দিচ্ছে। প্রার্থী থেকে শুরু করে দলীয় কার্যালয় কোনো কিছুই বাদ দিচ্ছে না তারা। ভয় দেখিয়ে বলছে বাংলা ছেড়ে চলে যেতে। তারা বলছেন ভালোভাবে বাংলা ছেড়ে চলে যাক, নাড়ু দেবো এক বোতল করে। আগামী দিন বিজেপি থাকবেনা। আমরাও সবার নাম ঠিকানা সবকিছুই রেকর্ড করে রাখছি। সময় হলে আইনি ব্যবস্থা তারা নেবেন। তৃণমূলের সরকার থাকলে লক্ষীর ভান্ডার আজীবন চলবে এটা তারা জোর গলায় বলে যাচ্ছেন। কারণ তারা ভোটের সময় কাগজে সই করিয়ে প্রতিশ্রুতি দেন না। আবাস যোজনার টাকা বিজেপি দিক বা না দিক বাংলার সরকার বাংলার মানুষের কাঁচা বাড়ি পাকা করে দেবে। এতদিন বাংলার মানুষ দুয়ারে সরকারের সুবিধা লাভ করেছে। এবার দুয়ারে স্বাস্থ্য শিবির হবে।। সেখানে গ্রামের মানুষেরা উন্নতমানের চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন। বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন তার তার নিরাপত্তা রক্ষীদের ইডি দেখিয়ে তাকে খুন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কোথায় তাকে খুন করা হবে সেটা বিজেপি বলে দিক। তিনি একা সেই স্থানে গিয়ে হাজির থাকবেন। বন্ধক উঁচিয়ে তার বুকে গুলি করা হোক, তিনি মেনে নেবেন। কিন্তু মাথা নত করবেন না। সুপ্রিম কোর্টে টাইট দিয়ে ৩২লক্ষ নাম উঠানো হয়েছে। বাকিদেরও ভোটের পরে তোলা হবে। বাংলায় কোনো বিজেপি, সিপিএম, বা কংগ্রেসের নেতার বাড়িতে ইডি সিবিআই পাঠিয়ে রেড করা হয়নি। কিন্তু তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে ঘনঘন ইডি সিবিআই পাঠানো হচ্ছে। আগামী দিন বিচুতি পাতার নাড়ু করে খাওয়ানো হবে। বাংলা কখনো মাথা নত করেনি আর কোনো দিনও করবেও না।।
বর্ধমান জেলার কালনায় দলের প্রার্থীদের সমর্থনে সভা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রী নির্মলা সীতারমন কে অনর্থ মন্ত্রী বলে কটাক্ষ মমতার রাজ কুমার ঘোষ। কালনা:- আগামী ২৩ তারিখ বাংলায় প্রথম দফা নির্বাচন। সেই নির্বাচনের শেষ রবিবাসরীয় প্রচারে বেরিয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনায় দলের প্রার্থীদের সমর্থনে সভা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন কালনার বৈদ্যপুর মিরাট কোলের মাঠে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনসভা করেন।সভায় উপস্থিত ছিলেন কালনা বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী দেবপ্রসাদ বাগ,এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পূর্বস্থলী দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী বিদায়ী মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ কাটোয়া বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, কালনা ২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি প্রণব রায়, তৃণমূল নেতা দেবু টুডু, সাংসদ শর্মিলা সরকার সহ জেলা নেতৃত্ব। মঞ্চে বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, বর্ধমান জেলা হল শস্য ভান্ডারের জায়গা। বর্ধমানের মাটিতেই সোনা ফলে।বর্ধমান জেলার কৃষকরা যে ধান উৎপন্ন করে। সেই ধান থেকে তৈরি চালের ভাত খেয়েই মানুষ বেঁচে থাকে। পাশাপাশি বর্ধমান জেলার কালনা এলাকার তাঁত শিল্প জগত বিখ্যাত। তিনি তাঁত সাথী প্রকল্প চালু করেছিলেন। ধাত্রীগ্রামে এখনো পর্যন্ত তাঁত সাথী প্রকল্পের জায়গা রয়েছে। সেই প্রকল্পে তাঁত শিল্পীদের যন্ত্রপাতি ও মেশিন দেওয়া হয়েছিল বিনা পয়সায়। তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে কালনায় এসে অর্থমন্ত্রী কার্ড বিতরণ করে গেছেন। যেটা পুরোপুরি বেআইনি। এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানানো হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। যারা অর্থমন্ত্রীর কাছ থেকে কার্ড সংগ্রহ করেছেন তাদের সাবধান করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন গোটাটাই বিজেপির ভাঁওতাবাজি ছাড়া আর কিছুই না। এই সুযোগে আপনাদের নাম ঠিকানা আপনাদের পরিবারের তথ্য, ব্যাংক একাউন্ট সব কিছুই নিয়ে নিয়েছে। যে সমস্ত মহিলারা লক্ষীর ভান্ডার পান তাদেরও নাম কেটে বাদ দিয়ে সব লুটে নেবে। এরপর ৩০০০ টাকার লোভ দেখিয়ে ফর্ম ফিলাপ করানো করাবে। তাই সকলকে এই বিষয়ে সাবধান করেন তিনি। তিনি বলেন বিজেপি বলেছিল বছরে দু কোটি করে চাকরি দেবে। সবার একাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা করে দেবে। কিন্তু কেউ কিছুই পায়নি। মানুষ তাদের ভাঁওতাগিরি বুঝে গিয়েছে। উল্টে বিজেপি সরকার চল্লিশ শতাংশ বেকার সংখ্যা বাড়িয়ে দিয়েছে। আগে প্লাটফর্মের টিকিটের দাম, গ্যাসের দাম, ট্রেনের টিকিটের দাম কত ছিল আর এখন কত হয়েছে। বিজেপিকে বিদায় না দিলে মানুষ আর কিছুই পাবে না। নির্বাচনের সময় আসলেই বিজেপি বসন্তের কোকিলের মত উড়ে আসে এবং কাকের বাসায় ডিম পেড়ে চলে যায়। এরপর বাংলায় যখন ঝড়-বৃষ্টি বন্যা হয় তখন আর তাদের দেখা পাওয়া যায় না।। তিনি বলেন কৃষক মৃত্যুর ঘটনায় ভারতবর্ষ প্রথম সারিতে কিন্তু বাংলায় কৃষক মৃত্যুর ঘটনা কমে গিয়েছে। বাংলার কৃষকরা এখন সুখে শান্তিতে রয়েছে। একমাত্র বাংলায় রাজ্য সরকারের কর্মচারীরা চাকরির শেষে পেনশন পান। ২৫ শতাংশ ডি এ দিয়ে দেওয়া হয়েছে বাকি ৪ শতাংশ ডি এ দিয়ে দেওয়া হবে। দূরদর্শন সরকারি প্রচারকেন্দ্র। সেখান থেকে এখন প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক প্রচার করছেন। তার বিরুদ্ধেও অভিযোগ জানানো উচিত। এই বিষয়ে তারা দ্রুত অভিযোগ জানাবেন। বাংলার বাইরে গিয়ে বাংলার মানুষরা যখন বাংলায় কথা বলে। তখন বিজেপি তাদের ওপর অত্যাচার চালায় বিজেপি। বাংলাকে টার্গেট করলে আমরা দিল্লি কেও টার্গেট করি। কথায় কথায় বিজেপি শুধু ইডি-সিবিআই পাঠিয়ে দিচ্ছে। প্রার্থী থেকে শুরু করে দলীয় কার্যালয় কোনো কিছুই বাদ দিচ্ছে না তারা। ভয় দেখিয়ে বলছে বাংলা ছেড়ে চলে যেতে। তারা বলছেন ভালোভাবে বাংলা ছেড়ে চলে যাক, নাড়ু দেবো এক বোতল করে। আগামী দিন বিজেপি থাকবেনা। আমরাও সবার নাম ঠিকানা সবকিছুই রেকর্ড করে রাখছি। সময় হলে আইনি ব্যবস্থা তারা নেবেন। তৃণমূলের সরকার থাকলে লক্ষীর ভান্ডার আজীবন চলবে এটা তারা জোর গলায় বলে যাচ্ছেন। কারণ তারা ভোটের সময় কাগজে সই করিয়ে প্রতিশ্রুতি দেন না। আবাস যোজনার টাকা বিজেপি দিক বা না দিক বাংলার সরকার বাংলার মানুষের কাঁচা বাড়ি পাকা করে দেবে। এতদিন বাংলার মানুষ দুয়ারে সরকারের সুবিধা লাভ করেছে। এবার দুয়ারে স্বাস্থ্য শিবির হবে।। সেখানে গ্রামের মানুষেরা উন্নতমানের চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন। বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন তার তার নিরাপত্তা রক্ষীদের ইডি দেখিয়ে তাকে খুন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কোথায় তাকে খুন করা হবে সেটা বিজেপি বলে দিক। তিনি একা সেই স্থানে গিয়ে হাজির থাকবেন। বন্ধক উঁচিয়ে তার বুকে গুলি করা হোক, তিনি মেনে নেবেন। কিন্তু মাথা নত করবেন না। সুপ্রিম কোর্টে টাইট দিয়ে ৩২লক্ষ নাম উঠানো হয়েছে। বাকিদেরও ভোটের পরে তোলা হবে। বাংলায় কোনো বিজেপি, সিপিএম, বা কংগ্রেসের নেতার বাড়িতে ইডি সিবিআই পাঠিয়ে রেড করা হয়নি। কিন্তু তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে ঘনঘন ইডি সিবিআই পাঠানো হচ্ছে। আগামী দিন বিচুতি পাতার নাড়ু করে খাওয়ানো হবে। বাংলা কখনো মাথা নত করেনি আর কোনো দিনও করবেও না।।
- কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রী নির্মলা সীতারমন কে অনর্থ মন্ত্রী বলে কটাক্ষ মমতার রাজ কুমার ঘোষ। কালনা:- আগামী ২৩ তারিখ বাংলায় প্রথম দফা নির্বাচন। সেই নির্বাচনের শেষ রবিবাসরীয় প্রচারে বেরিয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনায় দলের প্রার্থীদের সমর্থনে সভা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন কালনার বৈদ্যপুর মিরাট কোলের মাঠে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনসভা করেন।সভায় উপস্থিত ছিলেন কালনা বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী দেবপ্রসাদ বাগ,এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পূর্বস্থলী দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী বিদায়ী মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ কাটোয়া বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, কালনা ২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি প্রণব রায়, তৃণমূল নেতা দেবু টুডু, সাংসদ শর্মিলা সরকার সহ জেলা নেতৃত্ব। মঞ্চে বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, বর্ধমান জেলা হল শস্য ভান্ডারের জায়গা। বর্ধমানের মাটিতেই সোনা ফলে।বর্ধমান জেলার কৃষকরা যে ধান উৎপন্ন করে। সেই ধান থেকে তৈরি চালের ভাত খেয়েই মানুষ বেঁচে থাকে। পাশাপাশি বর্ধমান জেলার কালনা এলাকার তাঁত শিল্প জগত বিখ্যাত। তিনি তাঁত সাথী প্রকল্প চালু করেছিলেন। ধাত্রীগ্রামে এখনো পর্যন্ত তাঁত সাথী প্রকল্পের জায়গা রয়েছে। সেই প্রকল্পে তাঁত শিল্পীদের যন্ত্রপাতি ও মেশিন দেওয়া হয়েছিল বিনা পয়সায়। তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে কালনায় এসে অর্থমন্ত্রী কার্ড বিতরণ করে গেছেন। যেটা পুরোপুরি বেআইনি। এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানানো হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। যারা অর্থমন্ত্রীর কাছ থেকে কার্ড সংগ্রহ করেছেন তাদের সাবধান করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন গোটাটাই বিজেপির ভাঁওতাবাজি ছাড়া আর কিছুই না। এই সুযোগে আপনাদের নাম ঠিকানা আপনাদের পরিবারের তথ্য, ব্যাংক একাউন্ট সব কিছুই নিয়ে নিয়েছে। যে সমস্ত মহিলারা লক্ষীর ভান্ডার পান তাদেরও নাম কেটে বাদ দিয়ে সব লুটে নেবে। এরপর ৩০০০ টাকার লোভ দেখিয়ে ফর্ম ফিলাপ করানো করাবে। তাই সকলকে এই বিষয়ে সাবধান করেন তিনি। তিনি বলেন বিজেপি বলেছিল বছরে দু কোটি করে চাকরি দেবে। সবার একাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা করে দেবে। কিন্তু কেউ কিছুই পায়নি। মানুষ তাদের ভাঁওতাগিরি বুঝে গিয়েছে। উল্টে বিজেপি সরকার চল্লিশ শতাংশ বেকার সংখ্যা বাড়িয়ে দিয়েছে। আগে প্লাটফর্মের টিকিটের দাম, গ্যাসের দাম, ট্রেনের টিকিটের দাম কত ছিল আর এখন কত হয়েছে। বিজেপিকে বিদায় না দিলে মানুষ আর কিছুই পাবে না। নির্বাচনের সময় আসলেই বিজেপি বসন্তের কোকিলের মত উড়ে আসে এবং কাকের বাসায় ডিম পেড়ে চলে যায়। এরপর বাংলায় যখন ঝড়-বৃষ্টি বন্যা হয় তখন আর তাদের দেখা পাওয়া যায় না।। তিনি বলেন কৃষক মৃত্যুর ঘটনায় ভারতবর্ষ প্রথম সারিতে কিন্তু বাংলায় কৃষক মৃত্যুর ঘটনা কমে গিয়েছে। বাংলার কৃষকরা এখন সুখে শান্তিতে রয়েছে। একমাত্র বাংলায় রাজ্য সরকারের কর্মচারীরা চাকরির শেষে পেনশন পান। ২৫ শতাংশ ডি এ দিয়ে দেওয়া হয়েছে বাকি ৪ শতাংশ ডি এ দিয়ে দেওয়া হবে। দূরদর্শন সরকারি প্রচারকেন্দ্র। সেখান থেকে এখন প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক প্রচার করছেন। তার বিরুদ্ধেও অভিযোগ জানানো উচিত। এই বিষয়ে তারা দ্রুত অভিযোগ জানাবেন। বাংলার বাইরে গিয়ে বাংলার মানুষরা যখন বাংলায় কথা বলে। তখন বিজেপি তাদের ওপর অত্যাচার চালায় বিজেপি। বাংলাকে টার্গেট করলে আমরা দিল্লি কেও টার্গেট করি। কথায় কথায় বিজেপি শুধু ইডি-সিবিআই পাঠিয়ে দিচ্ছে। প্রার্থী থেকে শুরু করে দলীয় কার্যালয় কোনো কিছুই বাদ দিচ্ছে না তারা। ভয় দেখিয়ে বলছে বাংলা ছেড়ে চলে যেতে। তারা বলছেন ভালোভাবে বাংলা ছেড়ে চলে যাক, নাড়ু দেবো এক বোতল করে। আগামী দিন বিজেপি থাকবেনা। আমরাও সবার নাম ঠিকানা সবকিছুই রেকর্ড করে রাখছি। সময় হলে আইনি ব্যবস্থা তারা নেবেন। তৃণমূলের সরকার থাকলে লক্ষীর ভান্ডার আজীবন চলবে এটা তারা জোর গলায় বলে যাচ্ছেন। কারণ তারা ভোটের সময় কাগজে সই করিয়ে প্রতিশ্রুতি দেন না। আবাস যোজনার টাকা বিজেপি দিক বা না দিক বাংলার সরকার বাংলার মানুষের কাঁচা বাড়ি পাকা করে দেবে। এতদিন বাংলার মানুষ দুয়ারে সরকারের সুবিধা লাভ করেছে। এবার দুয়ারে স্বাস্থ্য শিবির হবে।। সেখানে গ্রামের মানুষেরা উন্নতমানের চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন। বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন তার তার নিরাপত্তা রক্ষীদের ইডি দেখিয়ে তাকে খুন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কোথায় তাকে খুন করা হবে সেটা বিজেপি বলে দিক। তিনি একা সেই স্থানে গিয়ে হাজির থাকবেন। বন্ধক উঁচিয়ে তার বুকে গুলি করা হোক, তিনি মেনে নেবেন। কিন্তু মাথা নত করবেন না। সুপ্রিম কোর্টে টাইট দিয়ে ৩২লক্ষ নাম উঠানো হয়েছে। বাকিদেরও ভোটের পরে তোলা হবে। বাংলায় কোনো বিজেপি, সিপিএম, বা কংগ্রেসের নেতার বাড়িতে ইডি সিবিআই পাঠিয়ে রেড করা হয়নি। কিন্তু তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে ঘনঘন ইডি সিবিআই পাঠানো হচ্ছে। আগামী দিন বিচুতি পাতার নাড়ু করে খাওয়ানো হবে। বাংলা কখনো মাথা নত করেনি আর কোনো দিনও করবেও না।।1
- Post by Memari Update News1
- গাংনাপুর আঁইসমালি থেকে ৪ টি সকেড বোম ও আগ্নেয়াস্ত্র সহ এক ব্যক্তি ধৃত1
- জয় শ্রীরাম। জয় হিন্দু🚩 जय श्री राम। जय हिंदू।🚩 Jai Shri Ram. Jai Hindu.🚩 #reelsvideo #videoreels #PeopleVoice #novotetomamata #democracy #reels #maa #videoreels #fam #hilight #womenpower #reelsvideo #reels #videoreels #police #ভারত #পশ্চিমবঙ্গ1
- Post by Sohel bhai1
- নদীয়া জেলাতে নির্বাচনে প্রচার ে শান্তিপুরে রাত্রি বাস করে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার আগে সাধারণ কর্মীদের উদ্দেশ্য ে বিশেষ বার্তা দিয়ে গেলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভিডিও।1
- গঙ্গায় স্নান করতে নেমে বিপর্যয়! নবদ্বীপে নিখোঁজ দুই কিশোর, খোঁজে শুরু তল্লাশি। নিজস্ব সংবাদ দাতাঃ নদীয়াঃ নবদ্বীপে গৌরাঙ্গ সেতুর নিচে গঙ্গার জলে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। স্নান করতে নেমে তলিয়ে নিখোঁজ হয়ে গেল দুই কলেজ পড়ুয়া যুবক। রবিবার দুপুরের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়, শোকে ভেঙে পড়েছে দুই পরিবার। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিখোঁজ দুই যুবকের নাম সীমান্ত সরকার ও রাকেশ মণ্ডল। বয়স আনুমানিক ১৯ বছর। তারা নবদ্বীপ ব্লকের কানাইনগর বটতলা এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। পরিবারের দাবি, রবিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ বাড়ি থেকে বের হয় দুই বন্ধু। এরপর বেলা প্রায় ১২টা নাগাদ তারা স্কুটি করে নবদ্বীপের ঘোষপাড়া ঘাট এলাকায় আসে। সেখানেই গঙ্গায় স্নান করতে নামে তারা। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, প্রথমে তারা জলে খেলাধুলা করছিল। হঠাৎ করেই গভীর জলে চলে গিয়ে ডুবে যেতে শুরু করে। ঘাটে উপস্থিত কয়েকজন শিশু বিষয়টি লক্ষ্য করে চিৎকার শুরু করে এবং বাঁশ ফেলে তাদের বাঁচানোর চেষ্টা করে। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত নবদ্বীপ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। খবর দেওয়া হয় পরিবারের সদস্যদেরও। কিছুক্ষণের মধ্যেই বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের দল এসে পৌঁছায় এবং গঙ্গায় ডুবুরি নামিয়ে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনও দেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে। উদ্ধার হয়েছে একটি স্কুটি, যা নিখোঁজ দুই যুবকের বলেই দাবি পরিবারের। এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, ডুবুরি পৌঁছাতে দীর্ঘ সময় লেগেছে। কৃষ্ণনগর থেকে ডুবুরি আসতে প্রায় আড়াই ঘণ্টা দেরি হওয়ায় উদ্ধারকাজে বড়সড় বিলম্ব ঘটে বলে অভিযোগ। এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় স্তব্ধ নবদ্বীপ। দুই পরিবারের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, নিখোঁজদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান এখনও জারি রয়েছে।1
- Post by Memari Update News1