Shuru
Apke Nagar Ki App…
বহরমপুরে একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে সিকিউরিটি গার্ড পদে ছেলে ও মেয়ে উভয়ই নিয়োগ করা হচ্ছে। প্রার্থীদের শারীরিকভাবে সুস্থ, দায়িত্বশীল এবং সতর্ক হতে হবে। বহরমপুরে একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে সিকিউরিটি গার্ড পদে ছেলে ও মেয়ে উভয়ই নিয়োগ করা হচ্ছে। প্রার্থীদের শারীরিকভাবে সুস্থ, দায়িত্বশীল এবং সতর্ক হতে হবে। অভিজ্ঞ প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, তবে ফ্রেশাররাও আবেদন করতে পারবেন। ডিউটি শিফট অনুযায়ী কাজ করতে হবে এবং ভালো বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের দ্রুত যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। সীমিত সংখ্যক পদ থাকায় আগে এলে আগে সুযোগ পাওয়া যাবে। এখনই আবেদন করুন এবং নিজের ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ নিন।
Urban Equal Security Pvt Ltd
বহরমপুরে একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে সিকিউরিটি গার্ড পদে ছেলে ও মেয়ে উভয়ই নিয়োগ করা হচ্ছে। প্রার্থীদের শারীরিকভাবে সুস্থ, দায়িত্বশীল এবং সতর্ক হতে হবে। বহরমপুরে একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে সিকিউরিটি গার্ড পদে ছেলে ও মেয়ে উভয়ই নিয়োগ করা হচ্ছে। প্রার্থীদের শারীরিকভাবে সুস্থ, দায়িত্বশীল এবং সতর্ক হতে হবে। অভিজ্ঞ প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, তবে ফ্রেশাররাও আবেদন করতে পারবেন। ডিউটি শিফট অনুযায়ী কাজ করতে হবে এবং ভালো বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের দ্রুত যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। সীমিত সংখ্যক পদ থাকায় আগে এলে আগে সুযোগ পাওয়া যাবে। এখনই আবেদন করুন এবং নিজের ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ নিন।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- নদিয়ার নবদ্বীপের বড়ালঘাটে একটি ক্লাবঘর থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি ত্রাণসামগ্রী উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা সহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার গভীর রাত থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত জনবিক্ষোভ, পুলিশি তৎপরতা এবং রাজনৈতিক তরজায় নবদ্বীপ সরগরম ছিল। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টা নাগাদ নবদ্বীপ থানার পুলিশ বড়ালঘাট স্পোর্টিং ক্লাবে অভিযান চালায়। অভিযোগের ভিত্তিতে ক্লাবের প্রায় দশটি ঘরে তল্লাশি চালিয়ে সরকারি ত্রাণের ত্রিপল, শীতবস্ত্র হিসেবে বিতরণের কম্বল এবং তন্তুজের বিভিন্ন প্রকল্পের শাড়ি সহ বিপুল পরিমাণ সরকারি সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া শাড়িগুলির মধ্যে ২০২৩-২৪, ২০২৪-২৫ এবং ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের সরকারি প্রকল্পের শাড়িও ছিল বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এছাড়াও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত মানুষের মধ্যে বিতরণের জন্য সংরক্ষিত একাধিক সামগ্রী সেখানে মজুত অবস্থায় পাওয়া যায়। ঘটনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এই ক্লাবঘরটি নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহার পাড়াতেই অবস্থিত। স্থানীয়দের অভিযোগ, চেয়ারম্যানের আবাসনের পাশের ওই ক্লাব দীর্ঘদিন ধরেই সরকারি সামগ্রী মজুত রাখার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। ত্রাণসামগ্রী উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, সাধারণ মানুষ ও বিজেপির নেতা-কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভ দেখান। রাত বাড়ার সাথে সাথে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয় এবং অতিরিক্ত পুলিশ ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়। অবশেষে শনিবার ভোররাত আনুমানিক ৩টা ৪০ মিনিট নাগাদ পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিশাল দল চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহার বাসভবনে পৌঁছে তাঁকে আটক করে। একইসঙ্গে অপর অভিযুক্ত সৌরভ বাবুকেও আটক করা হয়। চেয়ারম্যানকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকার একাংশের বাসিন্দা ক্ষোভে ফেটে পড়েন, তাঁকে লক্ষ্য করে জলের বোতল ও জুতো ছোড়া হয় এবং 'চোর চোর' স্লোগান দেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মৃদু লাঠিচার্জও করতে হয় বলে অভিযোগ। তবে গ্রেপ্তারের সময় সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিমানকৃষ্ণ সাহা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন যে, তিনি রাজনৈতিক চক্রান্তের শিকার হয়েছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া ত্রাণসামগ্রী বিধায়ক তহবিলের আওতায় ছিল এবং তাঁকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে। শনিবার ধৃত চেয়ারম্যানকে কৃষ্ণনগর জেলা আদালতে পেশ করা হলে সেখানেও উত্তেজনার আবহ দেখা যায় এবং 'চোর চোর' স্লোগান দেওয়া হয়। আদালত উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা এবং অপর অভিযুক্ত সৌরভ বাবুকে ৭ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে, যদিও তদন্তকারী সংস্থা ১০ দিনের হেফাজত চেয়েছিল। তাঁদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর ৩১৪, ৩১৬ সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। বর্তমানে তদন্তকারীরা উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর উৎস, কীভাবে সেগুলি ক্লাবঘরে এলো এবং কার নির্দেশে মজুত রাখা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছেন। এছাড়াও সরকারি ত্রাণ বণ্টন ব্যবস্থায় কোনও দুর্নীতি বা অনিয়মের যোগ রয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। বড়ালঘাটের এই ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার কাণ্ড নবদ্বীপের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, যেখানে বিরোধীরা সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ তুলছে এবং চেয়ারম্যান নিজেকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার বলে দাবি করছেন। ফলে তদন্তের পরবর্তী ধাপে কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই এখন প্রশাসন, রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের নজর।1
- মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের রাজধানী ছিল কৃষ্ণনগর, যার রাজবাড়ীকে ঘিরে এক বিশাল দীঘি অবস্থিত। কৃষ্ণনগরের বাসিন্দাদের কাছে এটি রাজদীঘি নামেই পরিচিত। কথিত আছে যে এই দীঘি জলঙ্গী নদীর সাথে সংযুক্ত ছিল, এবং মহারাজা স্বয়ং এই জলপথ ব্যবহার করে রাজকার্যে এবং রাজ্য ভ্রমণে যেতেন। এই রাজদীঘি আজও মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের স্মৃতি বহন করে চলেছে, যা তাঁর শাসনামলের এক গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।1
- রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে আবেগপ্রবণ হয়ে একটি মন্তব্য করেছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন যে তিনি অভিষেককে জন্মলগ্ন থেকে দেখেছেন এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতার কাছেই বড় হয়েছেন।1
- মুর্শিদাবাদের সাগরপাড়া থানার অন্তর্গত নরসিংহপুর বাজার সংলগ্ন মাঠ এলাকায় গভীর রাতে ১০ কাঠা জমির পাট কেটে নষ্ট করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। জমির মালিক মানিক মন্ডলের অভিযোগ, কয়েকদিন আগেই তাঁকে বিপদ সরকার হুমকি দিয়েছিলেন। এরপরই রাতের অন্ধকারে তাঁর জমির পাট কেটে নষ্ট করা হয়। এই ঘটনায় তিনি বিপদ সরকার ও তাঁর ছেলের নামে সাগরপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। মানিক মন্ডলের দাবি, তিনি বিপদ সরকারের দাদার কাছ থেকে ওই জমিটি কিনেছিলেন এবং গত সাত বছর ধরে সেখানে চাষাবাদ করে আসছেন। যদিও বিপদ সরকার সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর পাল্টা দাবি, জমিটি তাঁর এবং মানিক মন্ডল বেআইনিভাবে সেটি দখল করে রেখেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে সাগরপাড়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং এই ঘটনার সঙ্গে কে বা কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে।1