Shuru
Apke Nagar Ki App…
পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার কাঞ্চনমালা বাজার সংলগ্ন কৃষি বীজাগার অফিসে সরকারি কর্মচারীদের দ্বারা সরকারি নির্দেশিকার প্রতি চরম অবহেলার ঘটনা সামনে এসেছে। নতুন সরকারি নির্দেশ অনুসারে, সমস্ত সরকারি অফিস সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত খোলা রাখার নিয়ম। তবে, একাংশ সরকারি কর্মচারীরা এই সরকারি নির্দেশিকার তোয়াক্কা না করে, নিজেদের মনগড়া মত হেলে-দুলে অফিসে আসছেন। এই চিত্রটি পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার কাঞ্চনমালা বাজার সংলগ্ন কৃষি বীজাগার অফিস থেকে উঠে এসেছে, যা সরকারি আদেশের সুস্পষ্ট আদ্বশ্রাদ্ধ।
PRABIR CRIME
পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার কাঞ্চনমালা বাজার সংলগ্ন কৃষি বীজাগার অফিসে সরকারি কর্মচারীদের দ্বারা সরকারি নির্দেশিকার প্রতি চরম অবহেলার ঘটনা সামনে এসেছে। নতুন সরকারি নির্দেশ অনুসারে, সমস্ত সরকারি অফিস সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত খোলা রাখার নিয়ম। তবে, একাংশ সরকারি কর্মচারীরা এই সরকারি নির্দেশিকার তোয়াক্কা না করে, নিজেদের মনগড়া মত হেলে-দুলে অফিসে আসছেন। এই চিত্রটি পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার কাঞ্চনমালা বাজার সংলগ্ন কৃষি বীজাগার অফিস থেকে উঠে এসেছে, যা সরকারি আদেশের সুস্পষ্ট আদ্বশ্রাদ্ধ।
More news from ত্রিপুরা and nearby areas
- পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার কাঞ্চনমালা বাজার সংলগ্ন কৃষি বীজাগার অফিসে সরকারি কর্মচারীদের দ্বারা সরকারি নির্দেশিকার প্রতি চরম অবহেলার ঘটনা সামনে এসেছে। নতুন সরকারি নির্দেশ অনুসারে, সমস্ত সরকারি অফিস সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত খোলা রাখার নিয়ম। তবে, একাংশ সরকারি কর্মচারীরা এই সরকারি নির্দেশিকার তোয়াক্কা না করে, নিজেদের মনগড়া মত হেলে-দুলে অফিসে আসছেন। এই চিত্রটি পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার কাঞ্চনমালা বাজার সংলগ্ন কৃষি বীজাগার অফিস থেকে উঠে এসেছে, যা সরকারি আদেশের সুস্পষ্ট আদ্বশ্রাদ্ধ।1
- পশ্চিম ত্রিপুরার রঞ্জিত নগরের কাটাখাল সংলগ্ন এলাকা থেকে এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত যুবকের নাম শুভজিৎ পাল, যিনি পেশায় একজন টাইলস মিস্ত্রি ছিলেন। তাঁর বাবার নাম বিশ্বজিৎ পাল এবং বাড়ি চান্দিনামোড়া এলাকায়। পরিবার সূত্রে জানা যায়, গতকাল ভোর প্রায় পাঁচটার দিকে শুভজিৎ বাড়ি থেকে বের হন এবং সারাদিন আর বাড়িতে ফেরেননি। আজ সকালে রঞ্জিত নগরের কাটাখাল সংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে শুভজিৎকে পরিকল্পিতভাবে খুন করে কাটাখালের পাশে ফেলে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে পশ্চিম থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। একইসাথে ফরেনসিক টিমও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নমুনা সংগ্রহ করেছে।1
- রবিবার রাজধানী আগরতলার রঞ্জিতনগর এলাকায় কাটাখালের পাশ থেকে শুভজিৎ পাল (২৮) নামে এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মৃত শুভজিৎ পাল আগরতলার চান্দিনামুড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন এবং পেশায় একজন টাইলস মিস্ত্রি হিসেবে পরিচিত। তাঁর পিতার নাম বিশ্বজিৎ পাল। এই ঘটনায় পরিবার মৃত যুবককে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে।1
- সোনামুড়া থানার পুলিশ মাদক বিরোধী অভিযানে আবারও একটি বড়সড় সাফল্য অর্জন করেছে।1
- তৃণমূলের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। আদালতের নির্দেশে তিনি আপাতত বড় স্বস্তি পেয়েছেন। তবে, এই পরিস্থিতিতে আজ তিনি খোয়াইতে আসছেন কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।1
- খোয়াই থানাধীন পশ্চিম সোনাতলা এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে একটি বাড়ির পুকুরে বিষ ঢেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, যার ফলে একটি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ঘটনায় আনুমানিক ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে এবং এর ফলে দশটি হাঁস মারা গেছে। এই ঘটনায় সমগ্র এলাকায় একটি চাঞ্চল্যকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।4
- ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে রাজ্যের বিভিন্ন ডিগ্রি কলেজে ভর্তি প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। সোমবার সকাল থেকেই আগরতলার মহারাজা বীর বিক্রম কলেজ (এমবিবি কলেজ) এবং উইমেন্স কলেজে ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। ভর্তি প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে কলেজ চত্বরে একটি উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। নতুন শিক্ষাবর্ষে উচ্চশিক্ষার যাত্রা শুরু করতে আগ্রহী শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে কলেজে উপস্থিত হয়েছেন। এ প্রসঙ্গে এমবিবি কলেজের অধ্যক্ষ ড. অর্জুন গোপ জানিয়েছেন যে, কলেজ কর্তৃপক্ষ সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য সমস্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। তিনি শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সকল প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ করার আহ্বান জানিয়েছেন।1
- থলি বাড়ি এডিসি ভিলেজের বাঙ্গালপাড়ায় মিলন পালের দুটি বসতঘর গত ২১শে জুন রবিবার রাত প্রায় তিনটের সময় সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ফলে বাড়ির মালিক ও তার পরিবার নতুন করে ঘর নির্মাণ না করা পর্যন্ত খোলা আকাশের নিচে অথবা অন্যের বাড়িতে রাত্রিযাপন করতে বাধ্য হবে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এই মুহূর্তে সুনির্দিষ্টভাবে বলা সম্ভব না হলেও, পরিবারের সবকিছুই শেষ হয়ে গেছে বলে জানানো হয়েছে। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, আগুনের সূত্রপাতের সময় বাড়ির মালিক এবং তার পরিবার গভীর ঘুমে মগ্ন ছিলেন। গ্রামবাসীরাও নিশ্চিতভাবে বলতে পারছেন না কিভাবে হঠাৎ এই আগুন লাগলো, কারণ সেই সময় গ্রামে কোনো বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল না। আশ্চর্যজনকভাবে, হঠাৎ করেই উভয় বসতঘরের চারদিক থেকে দাউ দাউ করে আগুনের লেলিহান শিখা জ্বলে ওঠে। আগুনের তীব্রতা দেখে আশেপাশের লোকজন দ্রুত ছুটে আসে এবং বসতঘরের ভেতরে থাকা মানুষজন বহু কষ্টে নিজেদের রক্ষা করে বাইরে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়। সম্পূর্ণ জিনিসপত্র পুড়ে যখন আগুনের তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসে, তখন স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা শুরু করে। অনেকক্ষণ পর যাত্রাপুর থানার পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান, তবে ততক্ষণে যা ক্ষতি হওয়ার তা হয়েই গিয়েছিল। এই ঘটনায় মূল প্রশ্ন এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে যে, বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় কিভাবে এই ভয়াবহ আগুন লাগলো।1