Shuru
Apke Nagar Ki App…
গিতালদহ টু গ্রাম পঞ্চায়েতে যুব তৃণমূলের খেলা কর্মসূচি, উপচে পড়া ভিড় গিতালদহ টু গ্রাম পঞ্চায়েতের খারিজা গিতালদহ স্কুলের মাঠে যুব তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো খেলা কর্মসূচি। উপস্থিত ছিলেন আরিফ হোসেন, আনারুল হক বাবু ও ব্লক যুব সভাপতি সোহেল রানা মিটু সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।
Rahen Khandokar
গিতালদহ টু গ্রাম পঞ্চায়েতে যুব তৃণমূলের খেলা কর্মসূচি, উপচে পড়া ভিড় গিতালদহ টু গ্রাম পঞ্চায়েতের খারিজা গিতালদহ স্কুলের মাঠে যুব তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো খেলা কর্মসূচি। উপস্থিত ছিলেন আরিফ হোসেন, আনারুল হক বাবু ও ব্লক যুব সভাপতি সোহেল রানা মিটু সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- আলিপুরদুয়ার জেলায় রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ল। প্রকাশ চিক বড়াইক–এর বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠালেন মনোজ কুমার ওঁরাও। এই ঘটনাকে ঘিরে জেলায় নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। সোমবার আলিপুরদুয়ার আদালত চত্বরে দাঁড়িয়ে বিজেপি বিধায়ক মনোজ কুমার ওঁরাও জানান, তাকে প্রকাশ্যে অসম্মানজনক মন্তব্য করা হয়েছে এবং তাতে তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সম্মানহানি হয়েছে। সেই কারণেই তিনি আইনি পথে এগোনোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ইতিমধ্যেই রাজ্যসভার সাংসদ প্রকাশ চিক বড়াইকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি প্রয়োজনে সরাসরি চিঠি দিয়েও বিষয়টি জানানো হবে বলেও মন্তব্য করেন বিজেপি বিধায়ক। এদিন তিনি আরও একটি গুরুতর অভিযোগ তোলেন। তার দাবি, রায়ডাক ও সংকোশ নদী থেকে অবাধে বালু ও পাথর তোলা হচ্ছে এবং তা বিভিন্ন এলাকায় পাচার হচ্ছে। বিশেষ করে বারোবিশা ও কামাখ্যাগুড়ি হয়ে প্রতিদিন অসংখ্য ওভারলোড ডাম্পার চলাচল করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এতে একদিকে যেমন নদীর পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে রাস্তারও ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে বলে দাবি তার। মনোজ কুমার ওঁরাও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত প্রশাসন ব্যবস্থা না নিলে তিনি নিজেই আন্দোলনে নামবেন। প্রয়োজনে রাস্তায় নেমে ওভারলোডিং ডাম্পার চলাচল বন্ধ করে দেবেন বলেও জানান তিনি। তার অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এই অবৈধ কাজ চললেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনও পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলিপুরদুয়ার জেলার রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। যদিও এই অভিযোগ ও আইনি নোটিশ প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিষয়টি আগামী দিনে আরও বড় বিতর্কের আকার নিতে পারে।1
- মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনুপ্রেরণায় এবং গ্রাম উন্নয়ন দপ্তরের উদ্যোগে কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের একটা বাড়ি অঞ্চলের বাজারে রাস্তার কাজের শিলান্যাস করলেন অভিজিৎ দে ভৌমিক। সোমবার দুপুর বারোটা নাগাদ সুকটাবাড়ি অঞ্চলের বাজার পি. এম. জি. এস. ওয়াই রোড থেকে পসারী হাট পর্যন্ত ছ' কিলোমিটার রাস্তার শুভ সূচনা হলো। ১কোটি ২০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে রাস্তার কাজ হবে। জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক জানিয়েছেন সেখানকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই রাস্তা সংস্কার করার নির্বাচনের আগেই এই রাস্তা সংস্কার হবে এমনটাই আশা দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি এলাকার বাসিন্দারা ভীষণভাবে খুশির রাস্তা শুরু হওয়াতে1
- Post by Anjali Ghosh1
- ২০২৬বিধানসভা নির্বাচন দোড়গোড়ায়, রাজ্যের উন্নয়নের পাঁচালী নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস বুথে বুথে কর্মী সম্মেলন করে কর্মীদের উজ্জীবিত করেছেন। গোসাইরহাট অঞ্চলের ৫/২১১বুথে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন শীতলকুচির প্রাক্তন বিধায়ক হিতেন বর্মন।1
- সিসি ক্যামেরা বিকল , পৌর বাস টার্মিনাস এ! সারি সারি সিসি ক্যামেরা লাগানো কিন্তু কাজ করছে না একটিও ! এমনই অভিযোগ উঠল ধুপগুড়ি পৌর বাস টার্মিনাস এর বিরুদ্ধে। অভিযোগ প্রকাশে আসে একটি সাইকেল চুরি কে কেন্দ্র করে। জানা গেছে , সোমবার ধুপগুড়ি পৌর বাস টার্মিনাস এ সাইকেল রেখে বাসে চেপে চ্যাংড়াবান্ধায় কর্ম ক্ষেত্রে যান , সন্ধ্যায় ফিরে এসে দেখেন সাইকেল নেই। ধুপগুড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়ে কি বলছেন তিনি শুনুন,1
- Post by Tapas Roy1
- ধুপগুড়ি প্রশাসনের উদাসীনতায় মৃত্যুঘণ্টা বাজছে কুমলাই নদীর; আগুনের আতঙ্কে ধূপগুড়ি শহর। ধূপগুড়ি শহরের জীবনরেখা কুমলাই নদী আজ প্রশাসনের চরম উদাসীনতায় মৃত্যুশয্যায়। যে নদীটি জনপদের প্রাণস্পন্দন হওয়ার কথা ছিল, আজ তা ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। ধূপগুড়ি পৌরসভার অকর্মণ্যতায় নদীর বুকে স্তূপীকৃত জঞ্জাল থেকে ছড়াচ্ছে আগুনের আতঙ্ক, যা যে কোনও মুহূর্তে গ্রাস করতে পারে গোটা শহরকে।বারবার সংবাদমাধ্যমে এই সংকটের কথা তুলে ধরা হলেও টনক নড়েনি কর্তৃপক্ষের। নদীর বুকে প্রতিদিন আবর্জনা ফেলে একদিকে যেমন তার স্বাভাবিক গতিপথ রুদ্ধ করা হচ্ছে, অন্যদিকে সেই বর্জ্য স্তূপে আগুন লাগিয়ে দেওয়ায় ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌর প্রশাসনের এই চরম গাফিলতি শুধু পরিবেশের ক্ষতি করছে না, বরং শহরবাসীকে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। ধূপগুড়ির ঐতিহ্যবাহী কুমলাই নদীকে বাঁচাতে আর কতদিন অপেক্ষা করতে হবে, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন। শহরের প্রাণস্পন্দন এই কুমলাই নদীকে বাঁচানোর বদলে তাকে হত্যার যে অশুভ উৎসব চলছে, সংবাদমাধ্যম বারবার সেই ছবি তুলে ধরলেও প্রশাসনের যেন কোনো ভ্রূক্ষেপই নেই। 'পরিবর্তন' আজ যেন কেবলই এক ক্লান্তিকর ইতিহাস।1
- দেওচড়াই বৈরাগী পাড়া এলাকায় বৃদ্ধাশ্রমের আড়ালে মদের ভাটিখানা তৈরির অভিযোগ ঘিরে সোমবার সকালে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ উঠতেই পথে নামে মদবিরোধী নাগরিক কমিটি ও এলাকার বাসিন্দারা। বিক্ষোভ মিছিল করে তারা অবিলম্বে নির্মাণকাজ বন্ধের দাবি জানায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, বহুদিন ধরেই ওই এলাকায় অবৈধভাবে মদের ভাটিখানা তৈরির চেষ্টা চলছিল। এলাকাবাসীর প্রতিবাদ ও আন্দোলনের জেরে কিছুদিন কাজ বন্ধ থাকলেও সম্প্রতি আবার নতুন কৌশলে কাজ শুরু হয়েছে। এবার বৃদ্ধাশ্রম তৈরির নাম করে আড়ালে ভাটিখানা তৈরির কাজ চলছে বলে অভিযোগ। বিষয়টি সামনে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন বাসিন্দারা। সোমবার সকালে খবর ছড়িয়ে পড়তেই মদবিরোধী নাগরিক কমিটির সদস্যরা এলাকায় জড়ো হন। পরে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলে অংশ নেন এলাকার বহু নারী-পুরুষ। তাদের অভিযোগ, বৃদ্ধাশ্রমের মতো একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে অবৈধ মদের কারবার চালানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়। বিক্ষোভকারীদের দাবি, এলাকায় মদের ভাটিখানা তৈরি হলে সামাজিক পরিবেশ নষ্ট হবে। বিশেষ করে যুব সমাজ বিপথে যেতে পারে এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই অবিলম্বে প্রশাসনকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। মদবিরোধী নাগরিক কমিটির সদস্যরা জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকাকে মাদকমুক্ত রাখতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যক্তি গোপনে আবার একই কাজ শুরু করার চেষ্টা করছে। বিষয়টি তারা কোনোভাবেই মেনে নেবেন না। প্রয়োজনে আরও বড় আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারিও দেন তারা। এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। বহু মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় জমান। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, প্রশাসন যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে তারা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবেন। পুরো ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হলেও পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকাবাসীর আশা, প্রশাসন দ্রুত তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।1
- Post by Anjali Ghosh1