লদা ৫০-এ ঝড়! পুজো দিয়ে প্রচারে নামতেই বিস্ফোরক দাবি গোপাল সাহার – ‘১০০% বিজেপির সরকার!’” আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে জোরদার প্রচারে নেমেছে রাজনৈতিক দলগুলি। তারই মধ্যে মালদা জেলার ৫০ নম্বর বিধানসভা কেন্দ্রে নজর কেড়েছেন ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী গোপাল চন্দ্র সাহা। আজ তিনি বানপুরের ঝাপরিতলা কালীমন্দিরে ধুমধাম সহকারে পুজো দেন এবং এলাকার মানুষের শান্তি ও উন্নতির কামনা করেন। পুজো দেওয়ার পরই প্রচারের ময়দানে নেমে পড়েন তিনি। বানপুর এলাকায় বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে শুরু করেন বাড়ি বাড়ি প্রচার। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন, তাদের সমস্যার কথা শোনেন এবং উন্নয়নের আশ্বাস দেন। এই প্রচারে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যায়। প্রচারের মাঝেই আত্মবিশ্বাসী সুরে গোপাল চন্দ্র সাহা বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে এবার বিজেপি সরকার গঠন করবে, এটা ১০০ শতাংশ নিশ্চিত। আমি কোনো প্রতিনিধির উপর নির্ভর করি না, আমি নিজেই মানুষের পাশে থেকে কাজ করি, এবং আমি জিতবই।” এছাড়াও, দিনভর কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে গ্রামে গ্রামে রেলি করেন তিনি। রেলিতে অংশ নেয় বিপুল সংখ্যক মানুষ, যা প্রার্থীর প্রতি জনসমর্থনের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।
লদা ৫০-এ ঝড়! পুজো দিয়ে প্রচারে নামতেই বিস্ফোরক দাবি গোপাল সাহার – ‘১০০% বিজেপির সরকার!’” আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে জোরদার প্রচারে নেমেছে রাজনৈতিক দলগুলি। তারই মধ্যে মালদা জেলার ৫০ নম্বর বিধানসভা কেন্দ্রে নজর কেড়েছেন ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী গোপাল চন্দ্র সাহা। আজ তিনি বানপুরের ঝাপরিতলা কালীমন্দিরে ধুমধাম সহকারে পুজো দেন এবং এলাকার মানুষের শান্তি ও উন্নতির কামনা করেন। পুজো দেওয়ার পরই প্রচারের ময়দানে নেমে পড়েন তিনি। বানপুর এলাকায় বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে শুরু করেন বাড়ি বাড়ি প্রচার। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন, তাদের সমস্যার কথা শোনেন এবং উন্নয়নের আশ্বাস দেন। এই প্রচারে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যায়। প্রচারের মাঝেই আত্মবিশ্বাসী সুরে গোপাল চন্দ্র সাহা বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে এবার বিজেপি সরকার গঠন করবে, এটা ১০০ শতাংশ নিশ্চিত। আমি কোনো প্রতিনিধির উপর নির্ভর করি না, আমি নিজেই মানুষের পাশে থেকে কাজ করি, এবং আমি জিতবই।” এছাড়াও, দিনভর কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে গ্রামে গ্রামে রেলি করেন তিনি। রেলিতে অংশ নেয় বিপুল সংখ্যক মানুষ, যা প্রার্থীর প্রতি জনসমর্থনের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।
- মালদার গাজোলের চাকনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বৈরডাঙ্গি টাঙন নদীর ঘাটে স্নান করতে গিয়ে তলিয়ে যাওয়ার প্রায় ৪৩ ঘণ্টা পর ভেসে উঠল দুই কিশোরীর দেহ। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ৭ টা বেজে ৩০ মিনিট নাগাদ একটি ছাত্রীর দেহ ২ কিলো মিটার আর একটি ছাত্রীর দেহ ৪ কিলোমিটার দূরে ভেসে উঠে। এলাকায় ব্যাপক শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মঙ্গলবার দুপুরে বিল পাড়া এলাকা থেকে তিন কিশোরী নদীর ঘাটে স্নান করতে আসে । আর সেখানেই তিন জনেই তলিয়ে যায় এবং একজন কোনমত উঠে আসে। তলিয়ে যাওয়া দুই জনকে পাওয়া যায়নি। দীর্ঘ সময় ধরে এলাকার মানুষ ও ডুবুরি খুঁজতে ব্যর্থ হয়। বুধবার অনেক রাত পর্যন্ত কেউ খুঁজে পায়নি। এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায়। এদিন বৃহস্পতিবার সকালে নদীতে দেহগুলি ভেসে উঠে। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।1
- সুব্রত শেঠ মালদাঃ পুরাতন মালদার আদিনা রেলস্টেশন সংলগ্ন গোট পাড়ায় মানবিক উদ্যোগে এগিয়ে এল দুই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। বৃহস্পতিবার আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে সৃষ্টি মৎস্যজীবী কল্যাণ সমিতি এবং শান্তি মহিলা সমিতি-র যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত হলো বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান। এই উদ্যোগে এলাকার প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন গরিব ও দুঃস্থ মানুষের হাতে নতুন বস্ত্র তুলে দেওয়া হয়। সংগঠনের সদস্যরা জানান, উৎসবের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার লক্ষ্যেই এই আয়োজন করা হয়েছে, যাতে আর্থিকভাবে অসচ্ছল মানুষরাও ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দুই সংগঠনের সদস্য ও স্থানীয় মহিলারা। তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণে সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয় এই সামাজিক উদ্যোগ। এলাকাবাসীর পক্ষ থেকেও এই মানবিক প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানানো হয়েছে।1
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে জোরদার প্রচারে নেমেছে রাজনৈতিক দলগুলি। তারই মধ্যে মালদা জেলার ৫০ নম্বর বিধানসভা কেন্দ্রে নজর কেড়েছেন ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী গোপাল চন্দ্র সাহা। আজ তিনি বানপুরের ঝাপরিতলা কালীমন্দিরে ধুমধাম সহকারে পুজো দেন এবং এলাকার মানুষের শান্তি ও উন্নতির কামনা করেন। পুজো দেওয়ার পরই প্রচারের ময়দানে নেমে পড়েন তিনি। বানপুর এলাকায় বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে শুরু করেন বাড়ি বাড়ি প্রচার। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন, তাদের সমস্যার কথা শোনেন এবং উন্নয়নের আশ্বাস দেন। এই প্রচারে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যায়। প্রচারের মাঝেই আত্মবিশ্বাসী সুরে গোপাল চন্দ্র সাহা বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে এবার বিজেপি সরকার গঠন করবে, এটা ১০০ শতাংশ নিশ্চিত। আমি কোনো প্রতিনিধির উপর নির্ভর করি না, আমি নিজেই মানুষের পাশে থেকে কাজ করি, এবং আমি জিতবই।” এছাড়াও, দিনভর কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে গ্রামে গ্রামে রেলি করেন তিনি। রেলিতে অংশ নেয় বিপুল সংখ্যক মানুষ, যা প্রার্থীর প্রতি জনসমর্থনের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।1
- হবিবপুর স্ট্যান্ড এলাকায় বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে গিয়ে সান্ধ্যকালীন প্রচার সারলেন বিজেপি প্রার্থী জুয়েল মুর্মু। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সমস্যার কথা শোনেন। পাশাপাশি আগামি নির্বাচনে বিজেপির পক্ষে সমর্থন জানানোর আবেদনও করেন। এদিন প্রার্থীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন হবিবপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুখী রানী সাহা, বিজেপির জেপি চার মন্ডলের সভাপতি জহর মুর্মু সহ অন্যান্য দলীয় কার্যকর্তারা। প্রচার চলাকালীন এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও যথেষ্ট উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়।2
- আজ যেসব দেশে ঈদুল ফিতর উদযাপন হচ্ছে | Eid Ul Fitr 2026 | Global Eid Celebration | Jugantor পবিত্র রমজান মাস মুসলিমদের জন্য আত্মসংযম, ধ্যান, দানশীলতা এবং ভ্রাতৃত্ববোধের এক মাস। এই মাসে রোজা রাখা হয়, যা কেবল শারীরিক উপবাস নয়, বরং নৈতিক ও আধ্যাত্মিক চর্চার প্রতীক। রমজানের শেষে মুসলিমরা আনন্দ, উদযাপন ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে ঈদুল ফিতর পালন করেন।1
- Post by Subha mandal1
- Post by GAZOLE DAILY NEWS1
- আসন্ন নির্বাচনের প্রাক্কালে শ্যমা ও তাঁরা মায়ের মন্দিরের পূজো করতে ভোট প্রচারে BJP প্রার্থী মালদার গাজোল বিধানসভায় আসন্ন নির্বাচনের প্রাক্কালে জোরকদমে প্রচার শুরু করলেন বিজেপি প্রার্থী চিন্ময় দেব বর্মন। বুধবার বেলা প্রায় ২ টা নাগাদ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তাঁর নির্বাচনী প্রচারের সূচনা হয়।এদিন প্রথমে গাজোলের ভিতরে বাজার এলাকায় শ্যামা মায়ের মন্দির ও দুর্গা মন্দিরে পুজো দেন তিনি। এরপর তারাতলা এলাকায় তারা মায়ের মন্দিরে গিয়ে নিয়ম-নিষ্ঠা ও গভীর ভক্তিভরে পুজো অর্চনা করেন। পুজো শেষে সেখান থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন বিজেপি প্রার্থী।এই প্রচার কর্মসূচিতে চিন্ময় দেব বর্মনের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উত্তর মালদা বিজেপি সভাপতি প্রতাপ সিং, বিজেপি নেত্রী বিনা কীর্তনীয়া, কাজলি পোদ্দার, মৃত্যুঞ্জয় গোপাল সরদার সহ দলের অন্যান্য নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা।উল্লেখ্য, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে গাজোল বাসীদের ভালোবাসা আশীর্বাদ নিয়ে গাজোল আসনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেছিলেন চিন্ময় দেব বর্মন। এবারও তিনি আত্মবিশ্বাসী। তাঁর দাবি, ২০২৬ সালের নির্বাচনে গাজোল বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেসকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করে পুনরায় জয় ছিনিয়ে আনবে বিজেপি।2