নয়াদিল্লি। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে একটি বড় রাজনৈতিক ঘটনা সামনে এসেছে। তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)-এর বিদ্রোহী সাংসদদের একটি দল লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার সাথে দেখা করে একটি স্বতন্ত্র পরিচয় ও বসার ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছে। এই বৈঠকের পর, বিদ্রোহী সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার দাবি করেন যে প্রায় ২০ জন সাংসদ TMC থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নেশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি (NCPI)-তে যোগ দেবেন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন NDA-কে সমর্থন করবেন। অন্যদিকে, TMC নেতৃত্ব এই পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করেছে। দলের প্রবীণ নেতারা লোকসভার অধ্যক্ষকে চিঠি দিয়ে বলেছেন যে তৃণমূল কংগ্রেস একটি অবিভাজ্য দল এবং কোনও পৃথক গোষ্ঠীকে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত নয়। দলটি বিদ্রোহী সাংসদদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা এবং দলত্যাগ বিরোধী আইনের অধীনে পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে যদি বিদ্রোহী সাংসদদের দাবি সত্যি প্রমাণিত হয়, তবে এটি কেবল বাংলার রাজনীতিতেই নয়, জাতীয় রাজনীতিতেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন TMC-এর সামনে এটিকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। 'আপনারা জং'-এর মতামত হলো, যে জনতা একটি নির্দিষ্ট দল এবং প্রতীক দেখে নেতাদের নির্বাচিত করেছে, তাদের দলবদলের খবর গণতন্ত্রের প্রতি বিশ্বাসকে দুর্বল করে। এখন সবার নজর লোকসভার অধ্যক্ষের সিদ্ধান্ত এবং আসন্ন রাজনৈতিক ঘটনাবলীর দিকে। এটি কি কেবল বিদ্রোহ, নাকি বাংলার রাজনীতিতে একটি বড় পরিবর্তনের সূচনা, সময়ই এর উত্তর দেবে।
নয়াদিল্লি। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে একটি বড় রাজনৈতিক ঘটনা সামনে এসেছে। তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)-এর বিদ্রোহী সাংসদদের একটি দল লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার সাথে দেখা করে একটি স্বতন্ত্র পরিচয় ও বসার ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছে। এই বৈঠকের পর, বিদ্রোহী সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার দাবি করেন যে প্রায় ২০ জন সাংসদ TMC থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নেশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি (NCPI)-তে যোগ দেবেন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন NDA-কে সমর্থন করবেন। অন্যদিকে, TMC নেতৃত্ব এই পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করেছে। দলের প্রবীণ নেতারা লোকসভার অধ্যক্ষকে চিঠি দিয়ে বলেছেন যে তৃণমূল কংগ্রেস একটি অবিভাজ্য দল এবং কোনও পৃথক গোষ্ঠীকে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত নয়। দলটি বিদ্রোহী সাংসদদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা এবং দলত্যাগ বিরোধী আইনের অধীনে পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে যদি বিদ্রোহী সাংসদদের দাবি সত্যি প্রমাণিত হয়, তবে এটি কেবল বাংলার রাজনীতিতেই নয়, জাতীয় রাজনীতিতেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন TMC-এর সামনে এটিকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। 'আপনারা জং'-এর মতামত হলো, যে জনতা একটি নির্দিষ্ট দল এবং প্রতীক দেখে নেতাদের নির্বাচিত করেছে, তাদের দলবদলের খবর গণতন্ত্রের প্রতি বিশ্বাসকে দুর্বল করে। এখন সবার নজর লোকসভার অধ্যক্ষের সিদ্ধান্ত এবং আসন্ন রাজনৈতিক ঘটনাবলীর দিকে। এটি কি কেবল বিদ্রোহ, নাকি বাংলার রাজনীতিতে একটি বড় পরিবর্তনের সূচনা, সময়ই এর উত্তর দেবে।
- সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও মানুষকে ভাবিয়ে তুলেছে। এই ভিডিওতে একজন ব্যক্তিকে হাতে তিরঙ্গা এবং একটি বড় পোস্টার নিয়ে রাস্তায় হাঁটতে দেখা যাচ্ছে। পোস্টারে একজন ব্যক্তিকে "REAL HERO" হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে এবং তাঁর মানবতাবাদী কাজের ছবি লাগানো রয়েছে। ভিডিওটির সবচেয়ে আবেগপ্রবণ দিক হলো এই যে, যখন ধর্ম, জাতি ও রাজনীতির নামে বিশ্ব বিভক্ত বলে মনে হয়, তখন একজন ব্যক্তি কারও মানবতাকে সম্মান জানাতে রাস্তায় নেমেছেন। এই দৃশ্যটি কেবল একজন ব্যক্তির প্রতি শ্রদ্ধা নয়, বরং মানবতার সেই মূল্যবোধের প্রতি সম্মান যা আজ সমাজ থেকে ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। অনেক সময় খবর আসে হত্যা, ঘৃণা ও হিংসার, কিন্তু এই ভিডিওটি এক ভিন্ন গল্প বলে—এমন এক গল্প যেখানে সাহায্যকারী হাতগুলোকে স্মরণ করা হয়েছে, কারও ভালো কাজকে সমাজের সামনে আনা হয়েছে এবং এই বার্তা দেওয়া হয়েছে যে সত্যিকারের হিরো वही जो इंसान के काम आए। 'আপনার জং' এর পক্ষ থেকে আবেদন জানানো হয়েছে যে, সমাজে যদি ঘৃণা ছড়ানোদের নিয়ে আলোচনা হতে পারে, তবে মানবতা বাঁচানোদেরও সম্মান করা উচিত। কারণ ইতিহাসে তাঁদের নামই টিকে থাকে যাঁরা মানুষের মন জয় করেছেন। "ধর্মের আগে মানবতা, রাজনীতির আগে মানবিকতা এবং পরিচিতির আগে সৎ কাজ—এটাই একটি উন্নত সমাজের ভিত্তি," এই বার্তা দিয়ে বিশেষ প্রতিবেদনটি শেষ করা হয়েছে।1
- শিলিগুড়িতে স্বল্প খরচে উন্নতমানের GNM নার্সিং শিক্ষা এবং ভবিষ্যতে একটি উজ্জ্বল ক্যারিয়ার গড়ার সুবর্ণ সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহী ছাত্রছাত্রীরা তিন বছরের GNM নার্সিং ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। এই কোর্সের মূল সুবিধাগুলির মধ্যে রয়েছে অভিজ্ঞ শিক্ষকের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ, হাসপাতালভিত্তিক ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ এবং নার্সিং সেক্টরে চাকরির সুযোগ। উচ্চ মাধ্যমিক (10+2) পাশ ছাত্রছাত্রীরা প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী এই কোর্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন। যেহেতু আসন সংখ্যা সীমিত, তাই দ্রুত যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। নার্স হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করার সঠিক সময় এখনই। বিস্তারিত তথ্যের জন্য 7872069472 নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। আজকের সঠিক সিদ্ধান্তই আগামী দিনের সফল নার্সিং ক্যারিয়ারের ভিত্তি স্থাপন করবে।1
- খড়িবাড়ি সমষ্টি উন্নয়ন অধিকারিক জানিয়েছেন যে, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের অনলাইন ফর্ম জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের আর ক্যাম্পে আসার কোনো দরকার নেই। এই ঘোষণার মাধ্যমে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, যারা অনলাইনে ফর্ম জমা দিয়েছেন, তাদের সশরীরে ক্যাম্পে উপস্থিত হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।1
- মহানন্দা নদীতে বালু মাফিয়ারা বেআইনিভাবে বালু উত্তোলন করছে। একইসঙ্গে, মাটি কাটার অবৈধ কারবারও চলছে। এই গুরুতর অবৈধ কার্যকলাপ সত্ত্বেও, প্রশ্ন উঠেছে যে কেন এই বিষয়ে কেউ কোনো কথা বলছে না বা কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।1
- আজ, সোমবার শিলিগুড়ি পুরনিগমের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের জ্যোতির্ময় কলোনির রেল লাইন সংলগ্ন এলাকায় একটি পচা দুর্গন্ধে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এই গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়েই এলাকাবাসীর চক্ষু চড়কগাছ হয়, কারণ সেখানে কোনো মৃত গবাদি পশু নয়, বরং এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির পচা দুর্গন্ধযুক্ত মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। শুরুতে এলাকাবাসীরা অনুমান করেছিলেন যে, কেউ হয়তো কোনো মৃত গবাদি পশুকে রেল লাইনের পাশে জঙ্গলে ফেলে গেছেন, যার পচা গন্ধ সময়ের সাথে সাথে বাড়ছিল। তবে, মৃতদেহটি খুঁজে পাওয়ার পর পরিস্থিতি পাল্টে যায় এবং ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে বহু মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। এলাকাবাসীদের প্রাথমিক অনুমান, অসাবধানতাবশত ট্রেন থেকে পড়ে গিয়েই ওই অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার খবর নিউ জলপাইগুড়ি থানায় দেওয়া হলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায়। নিউ জলপাইগুড়ি থানার পুলিশ আধিকারিকরা দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছেন এবং পুরো ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শুরু করেছেন।1
- ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির কারণে গাছ ভেঙে পড়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে কিছু দোকানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।1
- 20=40=60 agdimte Islampur4
- নয়াদিল্লি। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে একটি বড় রাজনৈতিক ঘটনা সামনে এসেছে। তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)-এর বিদ্রোহী সাংসদদের একটি দল লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার সাথে দেখা করে একটি স্বতন্ত্র পরিচয় ও বসার ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছে। এই বৈঠকের পর, বিদ্রোহী সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার দাবি করেন যে প্রায় ২০ জন সাংসদ TMC থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নেশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি (NCPI)-তে যোগ দেবেন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন NDA-কে সমর্থন করবেন। অন্যদিকে, TMC নেতৃত্ব এই পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করেছে। দলের প্রবীণ নেতারা লোকসভার অধ্যক্ষকে চিঠি দিয়ে বলেছেন যে তৃণমূল কংগ্রেস একটি অবিভাজ্য দল এবং কোনও পৃথক গোষ্ঠীকে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত নয়। দলটি বিদ্রোহী সাংসদদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা এবং দলত্যাগ বিরোধী আইনের অধীনে পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে যদি বিদ্রোহী সাংসদদের দাবি সত্যি প্রমাণিত হয়, তবে এটি কেবল বাংলার রাজনীতিতেই নয়, জাতীয় রাজনীতিতেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন TMC-এর সামনে এটিকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। 'আপনারা জং'-এর মতামত হলো, যে জনতা একটি নির্দিষ্ট দল এবং প্রতীক দেখে নেতাদের নির্বাচিত করেছে, তাদের দলবদলের খবর গণতন্ত্রের প্রতি বিশ্বাসকে দুর্বল করে। এখন সবার নজর লোকসভার অধ্যক্ষের সিদ্ধান্ত এবং আসন্ন রাজনৈতিক ঘটনাবলীর দিকে। এটি কি কেবল বিদ্রোহ, নাকি বাংলার রাজনীতিতে একটি বড় পরিবর্তনের সূচনা, সময়ই এর উত্তর দেবে।1