ডোমকলে জমি দখলের অভিযোগ প্রাক্তন তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এবার ডোমকলে জমি দখলের অভিযোগ প্রাক্তন তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। ৬ শতক জমি দখল করে ক্যাফে করার অভিযোগ ডোমকলের প্রাক্তন তৃণমূল টাউন সভাপতি কামরুজ্জামান মন্ডলের বিরুদ্ধে। গত শনিবার ডোমকল থানায় অভিযোগ করেন জমির মালিক স্বপন কুমার মিস্ত্রী। জানাগেছে, দীর্ঘদিন আগে ডোমকলের কুঠির মোড় এলাকায় একটি জাইগায় প্রায় ৬ শতক জমি কেনেন ডোমকলের ব্রীজ মোড় এলাকার বাসিন্দা স্বপন কুমার মিস্ত্রী। তারপরেই ক্যাফে করার সময় স্বপনের জমির গাছ কেটে বড় করে ক্যাফে বানান ঐ তৃণমূল নেতা। সেসময় হাত পা ধরেও কোনো সুরাহা হয়নি। এমনকি এই ঘটনা ডোমকল থানায় জানিয়েও কাজ হয়েছিলো না। কারন সেসময় তৃণমূল ছিলো ক্ষমতায়। অবশেষে সরকার বদল হতেই পুনঃরায় ডোমকল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন স্বপন কুমার মিস্ত্রী। এই সরকারের উপর ভরসা করেই অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।
ডোমকলে জমি দখলের অভিযোগ প্রাক্তন তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এবার ডোমকলে জমি দখলের অভিযোগ প্রাক্তন তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। ৬ শতক জমি দখল করে ক্যাফে করার অভিযোগ ডোমকলের প্রাক্তন তৃণমূল টাউন সভাপতি কামরুজ্জামান মন্ডলের বিরুদ্ধে। গত শনিবার ডোমকল থানায় অভিযোগ করেন জমির মালিক স্বপন কুমার মিস্ত্রী। জানাগেছে, দীর্ঘদিন আগে ডোমকলের কুঠির মোড় এলাকায় একটি জাইগায় প্রায় ৬ শতক জমি কেনেন ডোমকলের ব্রীজ মোড় এলাকার বাসিন্দা স্বপন কুমার মিস্ত্রী। তারপরেই ক্যাফে করার সময় স্বপনের জমির গাছ কেটে বড় করে ক্যাফে বানান ঐ তৃণমূল নেতা। সেসময় হাত পা ধরেও কোনো সুরাহা হয়নি। এমনকি এই ঘটনা ডোমকল থানায় জানিয়েও কাজ হয়েছিলো না। কারন সেসময় তৃণমূল ছিলো ক্ষমতায়। অবশেষে সরকার বদল হতেই পুনঃরায় ডোমকল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন স্বপন কুমার মিস্ত্রী। এই সরকারের উপর ভরসা করেই অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।
- ডোমকলে জমি দখলের অভিযোগ প্রাক্তন তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এবার ডোমকলে জমি দখলের অভিযোগ প্রাক্তন তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। ৬ শতক জমি দখল করে ক্যাফে করার অভিযোগ ডোমকলের প্রাক্তন তৃণমূল টাউন সভাপতি কামরুজ্জামান মন্ডলের বিরুদ্ধে। গত শনিবার ডোমকল থানায় অভিযোগ করেন জমির মালিক স্বপন কুমার মিস্ত্রী। জানাগেছে, দীর্ঘদিন আগে ডোমকলের কুঠির মোড় এলাকায় একটি জাইগায় প্রায় ৬ শতক জমি কেনেন ডোমকলের ব্রীজ মোড় এলাকার বাসিন্দা স্বপন কুমার মিস্ত্রী। তারপরেই ক্যাফে করার সময় স্বপনের জমির গাছ কেটে বড় করে ক্যাফে বানান ঐ তৃণমূল নেতা। সেসময় হাত পা ধরেও কোনো সুরাহা হয়নি। এমনকি এই ঘটনা ডোমকল থানায় জানিয়েও কাজ হয়েছিলো না। কারন সেসময় তৃণমূল ছিলো ক্ষমতায়। অবশেষে সরকার বদল হতেই পুনঃরায় ডোমকল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন স্বপন কুমার মিস্ত্রী। এই সরকারের উপর ভরসা করেই অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।1
- পাট নিয়ে কালোবাজারি বন্ধ করতে ময়দানে পুলিশ, গোডাউনে তল্লাশি পুলিশের পাটের দাম দিন দিন কমে যাওয়ায় পাটের গোডাউনে হানা দিল পুলিশ। কেন দাম কমছে এবং বর্তমান কি দাম রয়েছে পাটের, পুরোটাই খতিয়ে দেখেন পুলিশ কর্মীরা যদিও পাট ব্যবসায়ী দাবি পাট কেনা হচ্ছে ১০ থেকে সাড়ে ১০ হাজার টাকা কুইন্টালে।1
- বিষয়: সরকারি/সাধারণ রাস্তা কেটে যাতায়াতের অযোগ্য করে তোলা এবং চলাচলে বাধা সৃষ্টির বিরুদ্ধে অভিযোগ। আমাদের বাড়ির সামনের সাধারণ পথটি দিয়ে এলাকার সব মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করেন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, আমাদের প্রতিবেশী প্রসেনজিৎ মহান্ত এবং তাঁর স্ত্রী সম্পা মহান্ত দীর্ঘদিন ধরে যৌথভাবে সরকারি/সাধারণ এই রাস্তাটি খুঁড়ে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন। বর্তমানে রাস্তাটির অবস্থা এতটাই খারাপ যে, সেখান দিয়ে কোনো টোটো বা অন্যান্য যানবাহন চলাচল করা একেবারেই অসম্ভব হয়ে পড়েছে। Address - Pakuria Ghosh Para, Near Sarada Ashram. Berhampore, Murshidabad, Pin - 742165 শুধু তা-ই নয়, উনারা গায়ের জোরে কোনো বাইক বা টোটো এই রাস্তা দিয়ে যেতে দিচ্ছেন না। সাধারণ মানুষের যাতায়াতের জন্য তৈরি এই রাস্তায় উনারা অকারণে গর্ত তৈরি করে গোলযোগের সৃষ্টি করছেন এবং এলাকার মানুষকে স্বাভাবিকভাবে বসবাস করতে বাধা দিচ্ছেন। অতএব, আপনার কাছে বিনীত অনুরোধ, বিষয়টি সরজমিনে তদন্ত করে রাস্তাটি দ্রুত মেরামত করার ব্যবস্থা করুন এবং সাধারণ মানুষের চলাচলের অধিকার ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।4
- উজান আসামের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে মানবিক উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে এসেছে আজমল ফাউন্ডেশন। উজান আসামের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে মানবিক উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে এসেছে আজমল ফাউন্ডেশন। ত্রাণ, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ঘোষণা করা হয়েছে ১০০ কোটি টাকার ত্রাণ তহবিল গঠনের পরিকল্পনা। #AssamFlood #FloodRelief #BadruddinAjmal #AjmalFoundation #Humanity #ReliefWork #Assam #PGBanglaNews #BreakingNews #BanglaNews1
- घर बनाने और मरम्मत के लिए हर जरूरी सामान अब एक ही जगह। सीमेंट, सरिया, पाइप, फिटिंग्स, टूल्स और अन्य हार्डवेयर सामान उचित कीमत पर उपलब्ध। बेहतरीन गुणवत्ता और भरोसेमंद सेवा के लिए आज ही संपर्क करें।1
- এক ধাক্কায় কুইন্টাল প্রতি ১৮ হাজার থেকে ৭ হাজার! পাটের বাজারে ধস, মাথায় হাত মুর্শিদাবাদের হাজার হাজার কৃষকের মুর্শিদাবাদ: মাত্র তিন সপ্তাহের ব্যবধানে পাটের বাজারে নজিরবিহীন ধস। যে পাট কিছুদিন আগেও কুইন্টাল প্রতি প্রায় ১৮ হাজার টাকা দামে বিক্রি হচ্ছিল, সেই পাটের দাম এখন নেমে এসেছে মাত্র ৭ হাজার টাকায়। এই আকস্মিক মূল্যপতনে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন জেলার হাজার হাজার পাটচাষী। কৃষকদের দাবি, এমন পরিস্থিতির কথা তারা স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি। ভালো দামের আশায় ঋণ নিয়ে, মাথার ঘাম পায়ে ফেলে দিনরাত পরিশ্রম করে পাট চাষ করেছিলেন কৃষকরা। অনেকের আশা ছিল, অন্তত ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকা কুইন্টাল দাম পাবেন। কিন্তু বাজারের চিত্র সম্পূর্ণ বদলে গেছে। দাম কমতে কমতে এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, উৎপাদন খরচ তোলাই এখন কঠিন হয়ে পড়েছে। কৃষকদের অভিযোগ, এক বিঘা জমিতে পাট চাষ করতে প্রায় ২০ হাজার টাকা বা তারও বেশি খরচ হয়েছে। জমি প্রস্তুত করা, বীজ, সার, কীটনাশক, সেচ, পাট কাটা, জাঁক দেওয়া, পুকুর ভাড়া, পাট ছাড়ানো—প্রতিটি ধাপেই বিপুল খরচ হয়েছে। তার উপর বর্তমানে শ্রমিকের মজুরি প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, তবুও প্রয়োজনমতো শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে উৎপাদন খরচ আরও বেড়েছে। চাষীদের বক্তব্য, বর্তমান দামে পাট বিক্রি করলে লাভ তো দূরের কথা, বড় অঙ্কের লোকসান গুনতে হবে। অনেক কৃষক ব্যাংক বা মহাজনের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে পাট চাষ করেছিলেন। এখন সেই ঋণ কীভাবে শোধ করবেন, তা নিয়েই দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে। কৃষকদের আরও অভিযোগ, বাজারে পাটের চাহিদাও আগের তুলনায় অনেক কম। ব্যবসায়ীরা কম দামে পাট কিনতে চাইছেন, ফলে চাষীরা বাধ্য হয়ে লোকসানে ফসল বিক্রি করছেন। এমন পরিস্থিতিতে বহু কৃষক ভবিষ্যতে পাট চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার কথাও ভাবছেন। এই পরিস্থিতিতে কৃষকদের একটাই দাবি—সরকার অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করুক। সরকারিভাবে যদি কুইন্টাল প্রতি অন্তত ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকা নিশ্চিত করা হয়, তাহলে কৃষকরা কিছুটা হলেও ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন। অন্যথায়, মুর্শিদাবাদসহ রাজ্যের বহু পাটচাষী চরম আর্থিক সংকটে পড়বেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা। এখন প্রশ্ন একটাই—বাংলার সোনালি আঁশ কি আবার তার পুরনো মর্যাদা ফিরে পাবে, নাকি বাজারের ধাক্কায় হারিয়ে যাবে হাজার হাজার কৃষকের স্বপ্ন?1
- পাটের দাম ১৮ হাজার থেকে কমে এখন প্রতি কুইন্টাল মাত্র ৭ হাজার টাকা। এক ধাক্কায় আঠেরো হাজার থেকে সাত হাজারে নেমে গেল পাটের দাম। মাথায় হাত মুর্শিদাবাদের পাট চাষীদের। পাটের দাম এতো কমে যাবে তা ভাবতেই পারিনি কৃষকরা। আজ থেকে তিন সপ্তাহ আগে পাটের বাজার ছিল ১৮ হাজার টাকা কুইন্টাল। এখন দাম কমতে কমতে সাত হাজারে নেমে গেছে। এতেই লোকসানের আশঙ্কা পাট চাষীদের মধ্যে। ভালো লাভের আশায় মাথার ঘাম পায়ে ফেলেছিলেন হাজার হাজার কৃষক। অথচ এখন পাটের দাম নিম্নমুখী। কিভাবে লোকসান সামলাবেন তা বুঝতে পারছেন না। একবিঘা জমিতে প্রায় ২০ হাজার টাকা খরচ করেছিলেন চাষীরা। হাড়ভাঙা পরিশ্রম হয় পাট চাষে। পাট কাটা,জাঁক দেওয়া,পুকুর ভাড়া,পাট ছাড়ানো এসব করতে হাজার হাজার টাকা খরচ হয়। এখন ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা মুজুরী দিয়ে লেবার নিতে হচ্ছে। তাও লেবার পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে খরচ হচ্ছে অনেক। এই দামে পাট বিক্রি করে লোকসান হবে বলে জানিয়েছেন অধিকাংশ চাষী। অনেকেই লোন নিয়ে পাট চাষ করেছিলেন। কিন্তু দাম কমে যাওয়ায় হতাশ চাষীরা।1
- মুর্শিদাবাদ জংশনে রিজার্ভেশন টিকিট নিয়ে বি!ত!র্ক, কা!লো!বা!জা!রি!র অ!ভি!যো!গে দুই যুবককে ঘিরে উ!ত্তে!জ!না মুর্শিদাবাদ জংশন রেলস্টেশনে রিজার্ভেশন টিকিট প্রাপ্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও অনেক সাধারণ যাত্রী কাঙ্ক্ষিত রিজার্ভেশন টিকিট পান না। অভিযোগ, বিষয়টি একাধিকবার রেলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হলেও এখনও পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনও সমাধান মেলেনি। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে ভারতীয় যুব মোর্চার কয়েকজন কর্মী রবিবার রাত থেকে স্টেশনের রিজার্ভেশন কাউন্টার এলাকায় নজরদারি চালানোর উদ্যোগ নেন বলে দাবি করেছেন। তাদের বক্তব্য, নজরদারির সময় কয়েকজনকে সন্দেহজনকভাবে কাউন্টারের আশপাশে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। একই সঙ্গে কয়েকজন যাত্রী টিকিট সংগ্রহে সমস্যার কথাও জানান। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় দুই যুবককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে। সোমবার ভারতীয় যুব মোর্চার নেতা বিজয় ঘোষ, টাউন বিজেপির সভাপতি নিবিড় দাস এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের উপস্থিতিতে ওই দুই যুবকের সঙ্গে কথা বলা হয়। অভিযোগ, তাঁরা রিজার্ভেশন টিকিট কালোবাজারির সঙ্গে যুক্ত। যদিও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক মামলা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয় সূত্রে আরও অভিযোগ উঠেছে যে, এক বুকিং কর্মী এবং কয়েকজন আরপিএফ কর্মীর সঙ্গে অসাধু চক্রের যোগসাজশ থাকতে পারে। তবে এই অভিযোগের পক্ষে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি। এদিকে, রেল কর্তৃপক্ষ কিংবা আরপিএফ-এর পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি। ফলে অভিযোগগুলির সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে, ঘটনায় নাম জড়ানো পলাশীর নজরুল মল্লিক এবং দেবগ্রামের সুখচাঁদ শেখ নিজেদের বক্তব্যও সামনে এনেছেন। তাঁদের দাবি কী এবং অভিযোগের বিষয়ে তাঁরা কী ব্যাখ্যা দিয়েছেন, তা নিয়েই থাকছে প্রতিবেদনের পরবর্তী অংশ।1