গাছ কেটে লাইন টান, ক্ষতিপূরণ নেই, উল্টে বাড়ছে মৃত্যুঝুঁকি। বিদ্যুৎ দপ্তরের গাফিলতি। সাব্রুম মহকুমার আন্তর্জাতিক সীমান্তবর্তী গ্রাম পোয়াংবাড়ি আরডি ব্লকের রাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় নতুন করে টানা বিদ্যুৎ লাইনের কারণে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিলোনিয়া থেকে শ্রীনগর পর্যন্ত সম্প্রসারিত এই এসটি বিদ্যুৎ লাইনের কাজ সম্পন্ন হলেও, শুরু থেকেই প্রকল্পটি ঘিরে উঠেছে গুরুতর অভিযোগ—যথাযথ সার্ভে ছাড়াই কাজ করায় এখন জীবনহানির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বহু জায়গায় বিদ্যুৎবাহী তার এতটাই নিচু দিয়ে টানা হয়েছে যে তা সরাসরি মানুষের হাতের নাগালে চলে এসেছে। বিশেষ করে রাবার বাগান এবং অন্যান্য কৃষিজমির মধ্য দিয়ে যাওয়া এই তারগুলো চাষিদের জন্য মারাত্মক বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিনের কাজ করতে গিয়েই যেকোনো সময় ঘটতে পারে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। রাজনগরের এক রাবার বাগান মালিক জানান, “বিদ্যুৎ লাইন বসানোর সময় আমরা বারবার বলেছিলাম তারের উচ্চতা বাড়াতে। কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্ত এজেন্সি আমাদের কথা শোনেনি। উল্টে বাগানের অনেক গাছ কেটে ফেলা হয়েছে, তাতেও কোনো ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়নি।” এলাকাবাসীর আশঙ্কা, এখনও নতুন লাইনে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু হয়নি—কিন্তু একবার চালু হলে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠবে। শিশু, বৃদ্ধ কিংবা সাধারণ শ্রমিক—সবার জন্যই এই ঝুঁকি সমান। গ্রামবাসীরা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। তাদের দাবি, অবিলম্বে এই বিদ্যুৎ লাইনের উচ্চতা ঠিক করে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে, পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত বাগান মালিকদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। প্রশাসন ও বিদ্যুৎ দপ্তর যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেয়, তবে এই অবহেলার মাশুল যে বড় ধরনের দুর্ঘটনা হয়ে ফিরে আসতে পারে—তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
গাছ কেটে লাইন টান, ক্ষতিপূরণ নেই, উল্টে বাড়ছে মৃত্যুঝুঁকি। বিদ্যুৎ দপ্তরের গাফিলতি। সাব্রুম মহকুমার আন্তর্জাতিক সীমান্তবর্তী গ্রাম পোয়াংবাড়ি আরডি ব্লকের রাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় নতুন করে টানা বিদ্যুৎ লাইনের কারণে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিলোনিয়া থেকে শ্রীনগর পর্যন্ত সম্প্রসারিত এই এসটি বিদ্যুৎ লাইনের কাজ সম্পন্ন হলেও, শুরু থেকেই প্রকল্পটি ঘিরে উঠেছে গুরুতর অভিযোগ—যথাযথ সার্ভে ছাড়াই কাজ করায় এখন জীবনহানির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বহু জায়গায় বিদ্যুৎবাহী তার এতটাই নিচু দিয়ে টানা হয়েছে যে তা সরাসরি মানুষের হাতের নাগালে চলে এসেছে। বিশেষ করে রাবার বাগান এবং অন্যান্য কৃষিজমির মধ্য দিয়ে যাওয়া এই তারগুলো চাষিদের জন্য মারাত্মক বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিনের কাজ করতে গিয়েই যেকোনো সময় ঘটতে পারে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। রাজনগরের এক রাবার বাগান মালিক জানান, “বিদ্যুৎ লাইন বসানোর সময় আমরা বারবার বলেছিলাম তারের উচ্চতা বাড়াতে। কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্ত এজেন্সি আমাদের কথা শোনেনি। উল্টে বাগানের অনেক গাছ কেটে ফেলা হয়েছে, তাতেও কোনো ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়নি।” এলাকাবাসীর আশঙ্কা, এখনও নতুন লাইনে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু হয়নি—কিন্তু একবার চালু হলে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠবে। শিশু, বৃদ্ধ কিংবা সাধারণ শ্রমিক—সবার জন্যই এই ঝুঁকি সমান। গ্রামবাসীরা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। তাদের দাবি, অবিলম্বে এই বিদ্যুৎ লাইনের উচ্চতা ঠিক করে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে, পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত বাগান মালিকদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। প্রশাসন ও বিদ্যুৎ দপ্তর যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেয়, তবে এই অবহেলার মাশুল যে বড় ধরনের দুর্ঘটনা হয়ে ফিরে আসতে পারে—তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
- সাব্রুম মহকুমার আন্তর্জাতিক সীমান্তবর্তী গ্রাম পোয়াংবাড়ি আরডি ব্লকের রাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় নতুন করে টানা বিদ্যুৎ লাইনের কারণে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিলোনিয়া থেকে শ্রীনগর পর্যন্ত সম্প্রসারিত এই এসটি বিদ্যুৎ লাইনের কাজ সম্পন্ন হলেও, শুরু থেকেই প্রকল্পটি ঘিরে উঠেছে গুরুতর অভিযোগ—যথাযথ সার্ভে ছাড়াই কাজ করায় এখন জীবনহানির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বহু জায়গায় বিদ্যুৎবাহী তার এতটাই নিচু দিয়ে টানা হয়েছে যে তা সরাসরি মানুষের হাতের নাগালে চলে এসেছে। বিশেষ করে রাবার বাগান এবং অন্যান্য কৃষিজমির মধ্য দিয়ে যাওয়া এই তারগুলো চাষিদের জন্য মারাত্মক বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিনের কাজ করতে গিয়েই যেকোনো সময় ঘটতে পারে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। রাজনগরের এক রাবার বাগান মালিক জানান, “বিদ্যুৎ লাইন বসানোর সময় আমরা বারবার বলেছিলাম তারের উচ্চতা বাড়াতে। কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্ত এজেন্সি আমাদের কথা শোনেনি। উল্টে বাগানের অনেক গাছ কেটে ফেলা হয়েছে, তাতেও কোনো ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়নি।” এলাকাবাসীর আশঙ্কা, এখনও নতুন লাইনে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু হয়নি—কিন্তু একবার চালু হলে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠবে। শিশু, বৃদ্ধ কিংবা সাধারণ শ্রমিক—সবার জন্যই এই ঝুঁকি সমান। গ্রামবাসীরা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। তাদের দাবি, অবিলম্বে এই বিদ্যুৎ লাইনের উচ্চতা ঠিক করে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে, পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত বাগান মালিকদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। প্রশাসন ও বিদ্যুৎ দপ্তর যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেয়, তবে এই অবহেলার মাশুল যে বড় ধরনের দুর্ঘটনা হয়ে ফিরে আসতে পারে—তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।1
- Post by Chayan shil1
- ৭২ ঘণ্টায় ফের বড় সাফল্য! ২৫ লক্ষ টাকার নেশার সিরাপ সহ গ্রেপ্তার ২ চুরাইবাড়ি ওয়াচপোস্টে পুলিশের বড়সড় অভিযান ৩৬০০ বোতল ‘এসকাফ’ কফ সিরাপ উদ্ধার কুরিয়ার পণ্যের আড়ালে পাচারের চেষ্টা ভেস্তে দিল পুলিশ গুয়াহাটি থেকে আগরতলা পাচারের ছক ফাঁস গ্রেপ্তার ২, তদন্তে বড় চক্রের ইঙ্গিত1
- প্রাক্তন এমডিসি #অনন্ত_দেববর্মা, যিনি টিটিএএডিসি নির্বাচনের মাত্র কয়েকদিন আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন, তিনি টিপরা মথার কাছে বিশাল সংখ্যক ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল। আজ তিনি মহারাজা প্রদ্যুৎ কিশোর মাণিক্য সঙ্গে দেখা করে আবার টিপরা মোথা পার্টিতে যোগ দিতে যাচ্ছে।1
- জাতীয় সড়কে বাইক ও বিলাসবহুল গাড়ির সংঘর্ষে আহত যুবক। বিশ্রামগঞ্জস্থিত পুলিশ সুপার অফিসের সামনে দুর্ঘটনা।1
- খোয়াই ত্রিপুরা জেলা, খোয়াই: এডিসি (ADC) নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই খোয়াই মহকুমার বিভিন্ন জনজাতি অধ্যুষিত এলাকায় মারাত্মক সন্ত্রাসের অভিযোগ উঠছে। অভিযোগ অনুযায়ী, গত কয়েক দিনে দফায় দফায় রাজনৈতিক হামলার শিকার হয়েছেন বহু মানুষ। প্রাণ বাঁচাতে কয়েক শতাধিক জনজাতি পরিবারের মানুষ ঘর ছেড়ে বর্তমানে খোয়াই জেলা বিজেপি কার্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। আজ বিকেলে এই আক্রান্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে দেখা করতে এবং তাদের সমস্যার কথা শুনতে খোয়াই জেলা কার্যালয়ে উপস্থিত হন সাংসদ তথা বিজেপির প্রদেশ সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য্য।3
- 📌বগাফা এলাকায় তিপ্রামথা দলের উদ্দ্যোগে অনুষ্ঠীত করাহয় বিজয় মিছিল #sabroomexpress #BreakingNews #tipramothaparty1
- ভগৎ সিং যুব আবাসে শনিবার এক উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যখন বিভিন্ন এলাকা থেকে বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয় নেওয়া বিজেপি কর্মীরা হঠাৎ করেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন। ওই সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন দলের সভাপতি সহ একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব। ঘটনাস্থলে উপস্থিত কর্মীদের অভিযোগ, সাম্প্রতিক সহিংসতার জেরে তারা নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপত্তার খোঁজে এখানে আশ্রয় নিয়েছেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত স্থায়ী নিরাপত্তা বা পুনর্বাসনের কোনও স্পষ্ট আশ্বাস পাননি বলে দাবি তাদের। নেতৃত্বদের সামনে ক্ষুব্ধ কর্মীরা সরাসরি প্রশ্ন তোলেন—কবে তারা নিজেদের ঘরে ফিরতে পারবেন এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে কীভাবে। অনেকেই আবেগপ্রবণ হয়ে নিজেদের দুর্দশার কথা তুলে ধরেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে দলীয় নেতৃত্ব কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং আশ্বাস দেন যে প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হবে। তবে ঘটনাস্থলে কিছুক্ষণ উত্তেজনা বিরাজ করে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানা গেছে, তবে কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ এখনো পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি।1
- মৃত ব্যক্তিকে ‘জীবিত’ দেখিয়ে জাল রেজিস্ট্রি! আগরতলার নন্দননগরে জমি প্রতারণার অভিযোগে চাঞ্চল্য1