জয়পুরে শিল্প ও সংস্কৃতির এক অনন্য মিলনক্ষেত্রের সাক্ষী থাকল বাঁকুড়া জেলা। দেবারতি কলা কেন্দ্রের উদ্যোগে জয়পুর ফরেস্ট অফিস প্রাঙ্গণে একটি বৃহৎ শিল্প সংস্কৃতি মূলক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই কলা উৎসবে শিশু শিল্পী থেকে শুরু করে অভিজ্ঞ ও প্রতিষ্ঠিত চিত্রশিল্পী সহ প্রায় 200 জন শিল্পী অংশগ্রহণ করেছেন। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু বিশিষ্ট শিল্পীরাও এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন। এই অনুষ্ঠানটি শিল্প ও সংস্কৃতির এক মহান মিলন উৎসব হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন ধরনের শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে চিত্রকলা, ভাস্কর্য, নৃত্য, সংগীত এবং আরও অনেক কিছু। শিল্পীরা তাদের সৃজনশীলতা এবং প্রতিভা প্রদর্শন করেছেন, যা দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। অনুষ্ঠানটির উদ্দেশ্য ছিল শিল্প ও সংস্কৃতির প্রচার এবং প্রসার। এটি একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে যেখানে শিল্পীরা তাদের কাজ প্রদর্শন করতে পারেন এবং দর্শকরা তাদের সৃজনশীলতা উপভোগ করতে পারেন। অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং এটি আবারও প্রমাণ করেছে যে শিল্প ও সংস্কৃতি মানুষকে একত্রিত করতে পারে।
জয়পুরে শিল্প ও সংস্কৃতির এক অনন্য মিলনক্ষেত্রের সাক্ষী থাকল বাঁকুড়া জেলা। দেবারতি কলা কেন্দ্রের উদ্যোগে জয়পুর ফরেস্ট অফিস প্রাঙ্গণে একটি বৃহৎ শিল্প সংস্কৃতি মূলক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই কলা উৎসবে শিশু শিল্পী থেকে শুরু করে অভিজ্ঞ ও প্রতিষ্ঠিত চিত্রশিল্পী সহ প্রায় 200 জন শিল্পী অংশগ্রহণ করেছেন। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু বিশিষ্ট শিল্পীরাও এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন। এই অনুষ্ঠানটি শিল্প ও সংস্কৃতির এক মহান মিলন উৎসব হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন ধরনের শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে চিত্রকলা, ভাস্কর্য, নৃত্য, সংগীত এবং আরও অনেক কিছু। শিল্পীরা তাদের সৃজনশীলতা এবং প্রতিভা প্রদর্শন করেছেন, যা দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। অনুষ্ঠানটির উদ্দেশ্য ছিল শিল্প ও সংস্কৃতির প্রচার এবং প্রসার। এটি একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে যেখানে শিল্পীরা তাদের কাজ প্রদর্শন করতে পারেন এবং দর্শকরা তাদের সৃজনশীলতা উপভোগ করতে পারেন। অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং এটি আবারও প্রমাণ করেছে যে শিল্প ও সংস্কৃতি মানুষকে একত্রিত করতে পারে।
- ছন্দে ছন্দে মধুর আনন্দে গুটিগুটি পায়ে বৈতল গোপেশ্বর পাল বিদ্যাপীঠ সগৌরবে একশত বছর অতিক্রম করেলো। সেই উপলক্ষে 10 থেকে 12 জানুয়ারি২০২৬ তিন দিনব্যাপী বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন ও পুনর্মিলন উৎসবের শুভ সূচনা হয়ে গেল। ১০ই জানুয়ারি ২০২৬ সকাল ৮ টায় পতাকা উত্তোলন এবং বর্নাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়।পরে প্রদীপ প্রোজ্জ্ব্যলন অতিথি বরন এবং নৃত্য গীতে মুখরিত হয়ে ওঠে স্কুল প্রাঙ্গণ বর্তমান এবং প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা এবং বরণ ছাড়াও স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে মনোগ্রাহী ভিন্ন স্বাদের সংগীত এবং নৃত্য ও বিচিত্রা অনুষ্ঠানের আয়োজন ছিল। এছাড়াও তিন দিন ধরে রয়েছে চলচ্চিত্র এবং দূরদর্শনের শিল্পীদের দ্বারা বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।এছাড়াও কচিকাঁচাদের জন্য রয়েছে ম্যাজিক শো প্রবীণ দের জন্য রয়েছে যাত্রাপালা ও নানান অনুষ্ঠান । স্কুলের প্রধান শিক্ষক স্বরূপ কুমার ঘোষ আমাদের জানান বেলুড় মঠের মহারাজ স্বামী অচ্যুতানন্দজী প্রদীপ প্রজ্জালন এবং স্বামী বিবেকানন্দের আবক্ষ মূর্তি উন্মোচন এর মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ করেন।বিভিন্ন গুণী ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানগুলি সর্বাঙ্গ সুন্দর হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানগুলি বর্তমান এবং প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের স্মরণীয় ঘটনা হয়ে থাকবে।3
- প্রতিদিনের প্রার্থনা সভায় জাতীয় সংগীতের সঙ্গে রাজ্য গীত গেয়ে ছাত্রছাত্রীরা দেশ ও রাজ্যের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, ঐক্যবোধ এবং সাংস্কৃতিক চেতনা আরও দৃঢ় হবে বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকেরা।1
- Post by News Arambagh Town1
- চলন্ত ক্যামিকেলের ট্যাঙ্কে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড1
- চন্দ্রকোনা রোড পুলিশ বিট হাউসে বসে রইলেন ছয় ঘন্টা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা , পশ্চিম মেদিনীপুরে1
- দাসপুরে শুরু হল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের ব্যবস্থাপনায় জার্মান কাপ অনূর্ধ্ব ১৭ ফুটবল প্রতিযোগিতা2
- জেলার সব থানায় ফুটবলের জোয়ার, শুরু জেলা পুলিশের ‘জার্মান কাপ’1
- দেবারতি কলা কেন্দ্রের উদ্যোগে জয়পুর ফরেস্ট অফিস প্রাঙ্গণে একটি বৃহৎ শিল্প সংস্কৃতি মূলক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই কলা উৎসবে শিশু শিল্পী থেকে শুরু করে অভিজ্ঞ ও প্রতিষ্ঠিত চিত্রশিল্পী সহ প্রায় 200 জন শিল্পী অংশগ্রহণ করেছেন। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু বিশিষ্ট শিল্পীরাও এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন। এই অনুষ্ঠানটি শিল্প ও সংস্কৃতির এক মহান মিলন উৎসব হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন ধরনের শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে চিত্রকলা, ভাস্কর্য, নৃত্য, সংগীত এবং আরও অনেক কিছু। শিল্পীরা তাদের সৃজনশীলতা এবং প্রতিভা প্রদর্শন করেছেন, যা দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। অনুষ্ঠানটির উদ্দেশ্য ছিল শিল্প ও সংস্কৃতির প্রচার এবং প্রসার। এটি একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে যেখানে শিল্পীরা তাদের কাজ প্রদর্শন করতে পারেন এবং দর্শকরা তাদের সৃজনশীলতা উপভোগ করতে পারেন। অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং এটি আবারও প্রমাণ করেছে যে শিল্প ও সংস্কৃতি মানুষকে একত্রিত করতে পারে।1