৪৪০ ভোল্টের তারের নিচে মৃত্যুফাঁদ! জরাজীর্ণ বাড়ি ঘিরে আতঙ্কে বলরামপুরের পাল পরিবার পুরুলিয়ার বলরামপুরে স্টেট ব্যাংক এলাকায় একটি জরাজীর্ণ বাড়ির উপর দিয়ে যাওয়া ৪৪০ ভোল্টের হাই-ভোল্টেজ বিদ্যুৎ লাইনকে কেন্দ্র করে চরম আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা মহাদেব পাল ও তাঁর পরিবারের অভিযোগ, যেকোনো মুহূর্তে বাড়ির ভগ্নপ্রায় দেওয়াল বা বেলকনি ভেঙে বিদ্যুতের তারের উপর পড়ে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এতে শুধু পরিবারের সদস্যরাই নন, জনবহুল রাজ্য সড়ক দিয়ে চলাচলকারী সাধারণ পথচারীরাও প্রাণহানির ঝুঁকিতে রয়েছেন। পরিবারের সদস্য প্রদীপ পাল ও রিঙ্কু পালের দাবি, বাড়িটির সামনের অংশ অত্যন্ত বেহাল অবস্থায় রয়েছে। প্রয়োজনীয় মেরামতির কাজ করতে হলে প্রথমে বিদ্যুতের সংযোগ নিরাপদভাবে সরানো জরুরি। কিন্তু বাড়ির সামনে থাকা হাই-ভোল্টেজ মেইন লাইনের কারণে তারা কোনো কাজ শুরু করতে পারছেন না। তাঁদের অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে গত ২১ মে ২০২৬ তারিখে বলরামপুর কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি স্থানীয় থানাকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। প্রদীপ পাল বলেন, “বিদ্যুৎ দপ্তর থেকে আমাদের নিজেদের খরচে মিস্ত্রি এনে তার সরানোর কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু সরকারি মেইন লাইনের তার কোনো বেসরকারি মিস্ত্রি কীভাবে কাটবে, সেটাই আমাদের প্রশ্ন। বিষয়টি সম্পূর্ণ বিদ্যুৎ দপ্তরের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।” অন্যদিকে, বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলতে চাননি বলরামপুর বিদ্যুৎ দপ্তরের স্টেশন ম্যানেজার। তবে দপ্তরের পক্ষ থেকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে যে, বিষয়টি তাদের নজরে রয়েছে। হাই-ভোল্টেজ লাইনের তারকে নিরাপদভাবে স্থানান্তর করে রাস্তার ধারের খুঁটির মধ্যে স্থাপন করতে হবে এবং সেই কাজের খরচ সংশ্লিষ্ট পরিবারকেই বহন করতে হবে। এদিকে, জনবহুল এলাকার এমন ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ছে। বাসিন্দাদের দাবি, বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই বিদ্যুৎ দপ্তর ও প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। এখন দেখার, সংশ্লিষ্ট দপ্তর কত দ্রুত এই সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হয়।
৪৪০ ভোল্টের তারের নিচে মৃত্যুফাঁদ! জরাজীর্ণ বাড়ি ঘিরে আতঙ্কে বলরামপুরের পাল পরিবার পুরুলিয়ার বলরামপুরে স্টেট ব্যাংক এলাকায় একটি জরাজীর্ণ বাড়ির উপর দিয়ে যাওয়া ৪৪০ ভোল্টের হাই-ভোল্টেজ বিদ্যুৎ লাইনকে কেন্দ্র করে চরম আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা মহাদেব পাল ও তাঁর পরিবারের অভিযোগ, যেকোনো মুহূর্তে বাড়ির ভগ্নপ্রায় দেওয়াল বা বেলকনি ভেঙে বিদ্যুতের তারের উপর পড়ে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এতে শুধু পরিবারের সদস্যরাই নন, জনবহুল রাজ্য সড়ক দিয়ে চলাচলকারী সাধারণ পথচারীরাও প্রাণহানির ঝুঁকিতে রয়েছেন। পরিবারের সদস্য প্রদীপ পাল ও রিঙ্কু পালের দাবি, বাড়িটির সামনের অংশ অত্যন্ত বেহাল অবস্থায় রয়েছে। প্রয়োজনীয় মেরামতির কাজ করতে হলে প্রথমে বিদ্যুতের সংযোগ নিরাপদভাবে সরানো জরুরি। কিন্তু বাড়ির সামনে থাকা হাই-ভোল্টেজ মেইন লাইনের কারণে তারা কোনো কাজ শুরু করতে পারছেন না। তাঁদের অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে গত ২১ মে ২০২৬ তারিখে বলরামপুর কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি স্থানীয় থানাকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। প্রদীপ পাল বলেন, “বিদ্যুৎ দপ্তর থেকে আমাদের নিজেদের খরচে মিস্ত্রি এনে তার সরানোর কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু সরকারি মেইন লাইনের তার কোনো বেসরকারি মিস্ত্রি কীভাবে কাটবে, সেটাই আমাদের প্রশ্ন। বিষয়টি সম্পূর্ণ বিদ্যুৎ দপ্তরের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।” অন্যদিকে, বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলতে চাননি বলরামপুর বিদ্যুৎ দপ্তরের স্টেশন ম্যানেজার। তবে দপ্তরের পক্ষ থেকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে যে, বিষয়টি তাদের নজরে রয়েছে। হাই-ভোল্টেজ লাইনের তারকে নিরাপদভাবে স্থানান্তর করে রাস্তার ধারের খুঁটির মধ্যে স্থাপন করতে হবে এবং সেই কাজের খরচ সংশ্লিষ্ট পরিবারকেই বহন করতে হবে। এদিকে, জনবহুল এলাকার এমন ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ছে। বাসিন্দাদের দাবি, বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই বিদ্যুৎ দপ্তর ও প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। এখন দেখার, সংশ্লিষ্ট দপ্তর কত দ্রুত এই সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হয়।
- ৪৪০ ভোল্টের তারের নিচে মৃত্যুফাঁদ! জরাজীর্ণ বাড়ি ঘিরে আতঙ্কে বলরামপুরের পাল পরিবার পুরুলিয়ার বলরামপুরে স্টেট ব্যাংক এলাকায় একটি জরাজীর্ণ বাড়ির উপর দিয়ে যাওয়া ৪৪০ ভোল্টের হাই-ভোল্টেজ বিদ্যুৎ লাইনকে কেন্দ্র করে চরম আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা মহাদেব পাল ও তাঁর পরিবারের অভিযোগ, যেকোনো মুহূর্তে বাড়ির ভগ্নপ্রায় দেওয়াল বা বেলকনি ভেঙে বিদ্যুতের তারের উপর পড়ে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এতে শুধু পরিবারের সদস্যরাই নন, জনবহুল রাজ্য সড়ক দিয়ে চলাচলকারী সাধারণ পথচারীরাও প্রাণহানির ঝুঁকিতে রয়েছেন। পরিবারের সদস্য প্রদীপ পাল ও রিঙ্কু পালের দাবি, বাড়িটির সামনের অংশ অত্যন্ত বেহাল অবস্থায় রয়েছে। প্রয়োজনীয় মেরামতির কাজ করতে হলে প্রথমে বিদ্যুতের সংযোগ নিরাপদভাবে সরানো জরুরি। কিন্তু বাড়ির সামনে থাকা হাই-ভোল্টেজ মেইন লাইনের কারণে তারা কোনো কাজ শুরু করতে পারছেন না। তাঁদের অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে গত ২১ মে ২০২৬ তারিখে বলরামপুর কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি স্থানীয় থানাকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। প্রদীপ পাল বলেন, “বিদ্যুৎ দপ্তর থেকে আমাদের নিজেদের খরচে মিস্ত্রি এনে তার সরানোর কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু সরকারি মেইন লাইনের তার কোনো বেসরকারি মিস্ত্রি কীভাবে কাটবে, সেটাই আমাদের প্রশ্ন। বিষয়টি সম্পূর্ণ বিদ্যুৎ দপ্তরের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।” অন্যদিকে, বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলতে চাননি বলরামপুর বিদ্যুৎ দপ্তরের স্টেশন ম্যানেজার। তবে দপ্তরের পক্ষ থেকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে যে, বিষয়টি তাদের নজরে রয়েছে। হাই-ভোল্টেজ লাইনের তারকে নিরাপদভাবে স্থানান্তর করে রাস্তার ধারের খুঁটির মধ্যে স্থাপন করতে হবে এবং সেই কাজের খরচ সংশ্লিষ্ট পরিবারকেই বহন করতে হবে। এদিকে, জনবহুল এলাকার এমন ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ছে। বাসিন্দাদের দাবি, বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই বিদ্যুৎ দপ্তর ও প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। এখন দেখার, সংশ্লিষ্ট দপ্তর কত দ্রুত এই সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হয়।1
- রাজ্য বাজেটে পুরুলিয়ায় একটি বিমানবন্দর তৈরির ঘোষণার পর থেকেই জেলাজুড়ে আনন্দের ও খুশির আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে, যা পরিবহণ ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে পুরুলিয়া এবার আকাশপথে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হতে চলেছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, পুরুলিয়া শহর থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে ছররাতে এই বিমানবন্দর তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।1
- আড়ষা, ঝালদা, কোটশিলা, টামনা, সিরকাবাদ, জয়পুর এবং বেগুনকুদর সহ পুরুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি থেকে রক্ত নমুনা সংগ্রহ করে নির্ভুল রিপোর্ট প্রদানের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এই পরিষেবাটি সুলভ মূল্যে গ্রাহকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে, যেখানে দ্রুত এবং নির্ভুল রিপোর্ট প্রদানের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। অভিজ্ঞ ল্যাব টেকনিশিয়ান দ্বারা এই নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এই সুবিধা পেতে বা আরও তথ্যের জন্য, ৮৯৪২৮৫৪৭১৩ নম্বরে ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ করা যেতে পারে।1
- আন্তঃরাজ্য ভলিবল প্রতিযোগিতা ছড়রা হাই স্কুল প্রাঙ্গণে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই প্রতিযোগিতায় ঝাড়খণ্ড, বিহার এবং ওড়িশার নামিদামি ভলিবল দল অংশগ্রহণ করে। এই ইভেন্টে ভারতীয় জাতীয় দলের বেশ কিছু নিয়মিত খেলোয়াড়ও শামিল ছিলেন, যা প্রতিযোগিতার মানকে আরও উন্নত করেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এই ভলিবল প্রতিযোগিতাটি সম্পন্ন করা নিয়ে আয়োজক কমিটির উদ্যোক্তারা স্বভাবতই উদ্বিগ্ন ছিলেন। তবে, মেঘের ঘাটতি হওয়ায় বা আবহাওয়ার উন্নতি হওয়ায়, প্রতিযোগিতাটি আবার শুরু করা সম্ভব হয় এবং শেষ পর্যন্ত তা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।2
- পুরুলিয়া মফস্বল থানার টাটাড়ি গ্রামের মানুষেরা মিড ডে মিলে নিম্নমানের খাবার পরিবেশনের প্রতিবাদে সরব হয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, স্কুলের মিড ডে মিলের ভাত পোকা চাল দিয়ে রান্না করা হচ্ছে এবং সব্জিতে কানা বেগুন ব্যবহার করা হচ্ছে। এই গুরুতর অভিযোগ তুলে গ্রামবাসীরা প্রধান শিক্ষককে আটক করেন এবং রান্নার জন্য ব্যবহৃত এই নিম্নমানের খাবার প্রদর্শন করে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেন।1
- পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলার কোটশিলা মহাবিদ্যালয়ে ২০২৬ সালের যোগ দিবস উদযাপন করা হয়েছে। এই উদযাপন প্রসঙ্গে শিক্ষক সঞ্জীতার নাম উল্লেখ করা হয়েছে।1
- পুরুলিয়ায় মিড ডে মিলে দুর্নীতি এবং নিম্নমানের খাবার পরিবেশনের অভিযোগে এক প্রধান শিক্ষককে ঘেরাও করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।1
- পুরুলিয়া জেলার বলরামপুর থানার উদ্যোগে ঘাটবেড়া কেরুয়া অঞ্চলের লুকুচাটানি, হেডেলবেড়া ও সালনি গ্রামের বাসিন্দাদের নিয়ে একটি জনসংযোগ আলোচনা সভা আয়োজিত হয়। এই সভায় বলরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক আই সি অর্ণব গুহ এবং অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বিপুল সংখ্যক স্থানীয় বাসিন্দা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় বাসিন্দাদের বিভিন্ন সমস্যা, এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পুলিশ আধিকারিকরা গ্রামবাসীদের মতামত ও অভিযোগ মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং সেগুলি দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। এই সভার মূল লক্ষ্য ছিল পুলিশ-জনতা সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করা এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় শান্তি, নিরাপত্তা ও সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখা।1