আসাম-ত্রিপুরা সীমান্তের চুরাইবাড়ি চেক গেটে পুলিশ নেশা মাফিয়াদের জিন্স প্যান্টের পকেটে করে নেশা পাচারের একটি নতুন কৌশল বানচাল করেছে। সোমবার দুপুর ১টা নাগাদ গুয়াহাটি থেকে আগরতলাগামী AS-01-UC-4314 নম্বরের 'সেইফ এক্সপ্রেস ট্রান্সপোর্ট'-এর একটি কন্টেনার লরি আসাম পুলিশের নাকা গেটে পৌঁছালে গেট ইনচার্জ নিরঞ্জন দাস রুটিন তল্লাশি চালান। তল্লাশিতে লরির ভেতরে বিভিন্ন অনলাইন সামগ্রী এবং কাপড়ের বস্তার সাথে প্রতিটি জিন্স প্যান্টের পকেটে লুকিয়ে রাখা নিষিদ্ধ এসকফ সিরাপ দেখতে পান পুলিশ। মোট বারোশো বোতল এসকফ সিরাপ জব্দ করা হয়েছে, যার আনুমানিক কালোবাজারি মূল্য প্রায় ছয় লক্ষ টাকা হবে বলে পুলিশ অনুমান করছে। এই সিরাপগুলো গুয়াহাটি থেকে ত্রিপুরায় পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে লরির চালক চিরঞ্জীব রাভা (৩২) এবং সহ-চালক বিকাশ রাভা (২৮)-কে আটক করেছে পুলিশ। তারা উভয়ই আসামের কামরূপ জেলার দক্ষিণ পুকুরিপাড়ার বাসিন্দা। বর্তমানে, ইনচার্জ নিরঞ্জন দাস এনডিপিএস আইনে একটি মামলা হাতে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছেন।
আসাম-ত্রিপুরা সীমান্তের চুরাইবাড়ি চেক গেটে পুলিশ নেশা মাফিয়াদের জিন্স প্যান্টের পকেটে করে নেশা পাচারের একটি নতুন কৌশল বানচাল করেছে। সোমবার দুপুর ১টা নাগাদ গুয়াহাটি থেকে আগরতলাগামী AS-01-UC-4314 নম্বরের 'সেইফ এক্সপ্রেস ট্রান্সপোর্ট'-এর একটি কন্টেনার লরি আসাম পুলিশের নাকা গেটে পৌঁছালে গেট ইনচার্জ নিরঞ্জন দাস রুটিন তল্লাশি চালান। তল্লাশিতে লরির ভেতরে বিভিন্ন অনলাইন সামগ্রী এবং কাপড়ের বস্তার সাথে প্রতিটি জিন্স প্যান্টের পকেটে লুকিয়ে রাখা নিষিদ্ধ এসকফ সিরাপ দেখতে পান পুলিশ। মোট বারোশো বোতল এসকফ সিরাপ জব্দ করা হয়েছে, যার আনুমানিক কালোবাজারি মূল্য প্রায় ছয় লক্ষ টাকা হবে বলে পুলিশ অনুমান করছে। এই সিরাপগুলো গুয়াহাটি থেকে ত্রিপুরায় পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে লরির চালক চিরঞ্জীব রাভা (৩২) এবং সহ-চালক বিকাশ রাভা (২৮)-কে আটক করেছে পুলিশ। তারা উভয়ই আসামের কামরূপ জেলার দক্ষিণ পুকুরিপাড়ার বাসিন্দা। বর্তমানে, ইনচার্জ নিরঞ্জন দাস এনডিপিএস আইনে একটি মামলা হাতে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছেন।
- আসাম-ত্রিপুরা সীমান্তের চুরাইবাড়ি চেক গেটে পুলিশ নেশা মাফিয়াদের জিন্স প্যান্টের পকেটে করে নেশা পাচারের একটি নতুন কৌশল বানচাল করেছে। সোমবার দুপুর ১টা নাগাদ গুয়াহাটি থেকে আগরতলাগামী AS-01-UC-4314 নম্বরের 'সেইফ এক্সপ্রেস ট্রান্সপোর্ট'-এর একটি কন্টেনার লরি আসাম পুলিশের নাকা গেটে পৌঁছালে গেট ইনচার্জ নিরঞ্জন দাস রুটিন তল্লাশি চালান। তল্লাশিতে লরির ভেতরে বিভিন্ন অনলাইন সামগ্রী এবং কাপড়ের বস্তার সাথে প্রতিটি জিন্স প্যান্টের পকেটে লুকিয়ে রাখা নিষিদ্ধ এসকফ সিরাপ দেখতে পান পুলিশ। মোট বারোশো বোতল এসকফ সিরাপ জব্দ করা হয়েছে, যার আনুমানিক কালোবাজারি মূল্য প্রায় ছয় লক্ষ টাকা হবে বলে পুলিশ অনুমান করছে। এই সিরাপগুলো গুয়াহাটি থেকে ত্রিপুরায় পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে লরির চালক চিরঞ্জীব রাভা (৩২) এবং সহ-চালক বিকাশ রাভা (২৮)-কে আটক করেছে পুলিশ। তারা উভয়ই আসামের কামরূপ জেলার দক্ষিণ পুকুরিপাড়ার বাসিন্দা। বর্তমানে, ইনচার্জ নিরঞ্জন দাস এনডিপিএস আইনে একটি মামলা হাতে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছেন।1
- লংথারাইভ্যালির শিববাড়ি বাজারে ত্রিপ্রা মথার প্রতি জনসমর্থনের এক প্রবল জোয়ার দেখা গেছে। এই অঞ্চলে দলটির পক্ষে জনতার ব্যাপক সমর্থন পরিলক্ষিত হচ্ছে।1
- বিধায়ক শৈলেন্দ্র চন্দ্রনাথ কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।2
- ত্রিপুরার শিক্ষা ব্যবস্থাকে 'সংকটাপন্ন' উল্লেখ করে এসএফআই রাজ্যজুড়ে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে। ছাত্র সংগঠনটি শিক্ষক নিয়োগের অভাব এবং শিক্ষার বেসরকারিকরণের বিরুদ্ধে এই আন্দোলনের আয়োজন করবে, একইসাথে শিক্ষাঙ্গনে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনারও দাবি জানিয়েছে।1
- উত্তর ত্রিপুরা জেলার পানিসাগর মহকুমার রেগা ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনিক্যাল বিভাগকে ঘিরে কর্মীদের অনিয়মিত উপস্থিতি, অফিস চলাকালীন নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসনের নীরব ভূমিকা নিয়ে সাধারণ মানুষ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। দপ্তরে এক অভিনব চিত্র দেখা গেছে, যেখানে অভিযোগ করা হচ্ছে যে বেশ কয়েকজন কর্মচারী নিয়মিতভাবে অফিসে উপস্থিত থাকেন না এবং নির্ধারিত সময়ে তাদের দেখা মেলে না, যার ফলে দপ্তরের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। অভিযোগ আরও গুরুতর যে, অফিসের কক্ষের মধ্যেই কিছু কর্মচারী নেশাজাতীয় দ্রব্য গ্রহণ করেন। স্থানীয়দের দাবি, সরকারি দপ্তরের শৃঙ্খলা ও কর্মপরিবেশকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে যেন পুরো অফিসটি একটি ক্লাবঘরে পরিণত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে; তাদের মতে, এমন অনিয়ম চলতে থাকলে পরিষেবা পেতে সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হবে। কর্মচারীদের উপস্থিতি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা প্রশাসনের অন্যতম দায়িত্ব হলেও, পানিসাগরের এই দপ্তরকে ঘিরে অভিযোগ ওঠার পরও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এর ফলে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এমনকি, এই দফতরের কর্মচারীরা রাজনৈতিক নেতৃত্বদেরও বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে নিজেদের মনমতো কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে খবর। এখন দেখার বিষয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগগুলির তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে কিনা।4
- রাজা সাহা একটি বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন, যেখানে তিনি পুলিশকে 'টিউবলাইটের মতো!' বলে উল্লেখ করেছেন। তার এই মন্তব্যের জেরে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।1
- গাঁজা সংক্রান্ত একটি মামলায় চক্রান্তের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সুদীপ প্রসেনজিৎের বাড়িতে গিয়েছিলেন। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত একটি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জোরালোভাবে উত্থাপিত হয়েছে।1
- গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সোনামুড়ার কামালনগর ও ঘাটিগড় এলাকায় অবৈধ গাঁজার কারবারের একটি বড়সড় চক্রের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। রবিবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলা এই দীর্ঘ অভিযানে বিশাল পরিমাণ গাঁজার চারা এবং শুকনা গাঁজা জব্দ ও ধ্বংস করা হয়েছে, যা এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এবং অবৈধ নেশা কারবারিদের মধ্যে আতঙ্কের জন্ম দিয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোনামুড়া থানার পুলিশ কামালনগর ও ঘাটিগড় এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালায়। এই অভিযানে এলাকার বিভিন্ন জায়গায় ১০টি গাঁজার বীজতলা চিহ্নিত করা হয়। পুলিশ আনুমানিক ১ লক্ষ গাঁজার চারা উপড়ে ফেলে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া মেনে ঘটনাস্থলেই তা ধ্বংস করে। এছাড়াও তল্লাশির সময় একটি প্লাস্টিকের বস্তাভর্তি প্রায় ৩০ কেজি গাঁজার বীজ উদ্ধার করা হয়, যা পরবর্তীতে নিয়ম মেনে ধ্বংস করা হয়েছে। অভিযানের সময় ঘাটিগড় এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় আরও ২৯ কেজি ৫০০ গ্রাম শুকনা গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া এই গাঁজা BNSS-2023 আইনের ১০৬ ধারায় জব্দ করা হয়েছে এবং এর আনুমানিক বাজারমূল্য ৬ লক্ষ টাকা বলে পুলিশ জানিয়েছে। এই বিশাল পরিমাণ গাঁজা ও বীজতলার মালিক কে বা কারা, তা খুঁজে বের করতে সোনামুড়া থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।1