দুর্গাপুরে ভোটের আবহে আবারও রাজনৈতিক উত্তেজনা,এক নম্বর ওয়ার্ডের রঘুনাথপুর এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের দেওয়াল লিখনে কাদা লাগানো ও পোস্টারে রং লাগানোর অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ালো দুর্গাপুরে ভোটের আবহে আবারও রাজনৈতিক উত্তেজনা। এক নম্বর ওয়ার্ডের রঘুনাথপুর এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের দেওয়াল লিখনে কাদা লাগানো ও পোস্টারে রং লাগানোর অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার দুপুর একটায় তৃণমূলের দাবি, পরিকল্পিতভাবেই তাদের প্রচার নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। অভিযোগ, রাতে অন্ধকারে বেছে বেছে দলীয় দেওয়াল লিখন মুছে দেওয়া হচ্ছে, কাদা লেপে দেওয়া হচ্ছে, এমনকি পতাকা ও ব্যানারও ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। এক নম্বর ব্লক তৃণমূলের সভাপতি রাজিব ঘোষ বলেন, দিনের বেলায় এই ধরনের কাজ করার সাহস বিরোধীদের নেই, তাই রাতের অন্ধকারে “কাপুরুষের মতো” এসব করা হচ্ছে। তবে তিনি দাবি করেন, এতে কোনও লাভ হবে না, কারণ মানুষ এখনও তৃণমূলের পাশেই রয়েছে। অন্যদিকে, অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে বিজেপি। দুর্গাপুর পূর্ব কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় পাল্টা দাবি করেন, তৃণমূলই নিজেদের সহানুভূতি আদায়ের জন্য এই ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে। তার কথায়, বিজেপি এই ধরনের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বিশ্বাস করে না এবং সাধারণ মানুষ তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যান করছে বলেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
দুর্গাপুরে ভোটের আবহে আবারও রাজনৈতিক উত্তেজনা,এক নম্বর ওয়ার্ডের রঘুনাথপুর এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের দেওয়াল লিখনে কাদা লাগানো ও পোস্টারে রং লাগানোর অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ালো দুর্গাপুরে ভোটের আবহে আবারও রাজনৈতিক উত্তেজনা। এক নম্বর ওয়ার্ডের রঘুনাথপুর এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের দেওয়াল লিখনে কাদা লাগানো ও পোস্টারে রং লাগানোর অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার দুপুর একটায় তৃণমূলের দাবি, পরিকল্পিতভাবেই তাদের প্রচার নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। অভিযোগ, রাতে অন্ধকারে বেছে বেছে দলীয় দেওয়াল লিখন মুছে দেওয়া হচ্ছে, কাদা লেপে দেওয়া হচ্ছে, এমনকি পতাকা ও ব্যানারও ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। এক নম্বর ব্লক তৃণমূলের সভাপতি রাজিব ঘোষ বলেন, দিনের বেলায় এই ধরনের কাজ করার সাহস বিরোধীদের নেই, তাই রাতের অন্ধকারে “কাপুরুষের মতো” এসব করা হচ্ছে। তবে তিনি দাবি করেন, এতে কোনও লাভ হবে না, কারণ মানুষ এখনও তৃণমূলের পাশেই রয়েছে। অন্যদিকে, অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে বিজেপি। দুর্গাপুর পূর্ব কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় পাল্টা দাবি করেন, তৃণমূলই নিজেদের সহানুভূতি আদায়ের জন্য এই ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে। তার কথায়, বিজেপি এই ধরনের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বিশ্বাস করে না এবং সাধারণ মানুষ তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যান করছে বলেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
- इस बार पांडेश्वर की जनता क्या जितेंद्र तिवारी के समर्थन में ? क्या है मूड पांडेश्वर का देखे ASANSOL POST में आसनसोल का खारीलाल के साथ ग्राउंड रिपोर्ट।*1
- আর কয়েকদিন পর প্রথম দফার নির্বাচন।তার আগেই উত্তপ্ত হলো বাঁকুড়া জেলার ইন্দাস বিধানসভা। প্রসঙ্গত ইন্দাস ব্লকের মঙ্গলপুর অঞ্চলের বিহার গ্রামে প্রচারে যান ইন্দাস বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী নির্মল ধাড়া।অভিযোগ প্রচারে বেরিয়ে প্রথমে তিনি বেশ কয়েকজন মহিলা তৃণমূল কর্মীর উদ্দেশ্যে কটুক্তি করেন।পরে প্রত্যুত্তরে মহিলা তৃণমূল কর্মীরা প্রতিবাদ জানাতে গেলে এলাকা রীতিমতো রণক্ষেত্রের আকার ধারণ করে।অভিযোগ ইঁট ছোড়া হয় বিজেপি শিবিরের পক্ষ থেকে যাতে বেশ কয়েকজন মহিলা আহত হয় এবং একজন শিশুর মাথা ফেটে যায়। কি কারনে এই ঘটনার সূত্রপাত? তা স্পষ্ট না হলেও। তৃণমূল মহিলা কর্মীদের অভিযোগ তারা তৃণমূল করে বলেই ওই বিদায়ী বিধায়ক তথা বিজেপি প্রার্থী নির্মল ধাড়ার গাত্র জ্বালা।অবিলম্বে তার কঠোরতম শাস্তি দাবি তুলেছেন তারা। ঘটনার পর ইন্দাস ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ওই আহত শিশুসহ মহিলাদের সাথে করে নিয়ে গিয়ে ইন্দাস থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় বিজেপি প্রার্থীসহ ঘটনায় জড়িত বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে। ইন্দাস ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শেখ হামিদ জানান,পূর্ব পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনা ঘটিয়েছে বিজেপি,প্রশাসনের কাছে তিনি অভিযুক্তদের দ্রুত শাস্তির আর্জি জানিয়েন। যদিও বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি। নির্মল বাবু জানান,শিশু আহত হওয়া দুঃখজনক ব্যাপার। কিন্তু এরকম কোনো ঘটনা তারা ঘটাননি।এটাকে একটা ইস্যু বানিয়ে ঘৃন্য রাজনীতি করছে তৃণমূল।3
- পশ্চিমবঙ্গ, কোচবিহার: ভোটের আগে বাংলায় মোদীর মাস্টারস্ট্রোক, কোচবিহার থেকে কড়া হুঁশিয়ারি1
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- ইন্দাস বিধানসভা এর বিজেপি প্রার্থী নির্মল কুমার ধারা ও তার দলবল প্রচার এ গিয়ে কেন্দ্র বাহিনী সামনে মহিলা দের উপর আক্রমণ করেন এবং একটি 6 বছর এর বাচ্ছার মেরে মাথা ফাটিয়ে দেন। ছিঃ ছিঃ ছিঃ বি জে পি1
- Post by রিপোর্টারAbhijit Santra1
- বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেও থামেনি মানুষের ঢল। দুর্গাপুরের ২৯ নম্বর ওয়ার্ড সাগরভাঙ্গা এলাকায় সোমবার সন্ধ্যা ৬ টায় দেখা গেল এক নজিরবিহীন জনসমাগম। এদিন টোটোতে চেপে দুর্গাপুর পশ্চিম কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সাগরভাঙ্গা অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। বৃষ্টির মধ্যেই ছাতা মাথায় রাস্তায় নেমে পড়েন ৮ থেকে ৮০ সব বয়সের মানুষ। এলাকার রাস্তাঘাট কার্যত মানুষের ভিড়ে ভরে ওঠে। উচ্ছ্বাস আর অংশগ্রহণে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। স্থানীয়দের এই স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি যেন একটাই বার্তা দেয়। মানুষের সঙ্গে নিবিড় সংযোগই সবচেয়ে বড় শক্তি।1
- पश्चिम बंगाल विधानसभा चुनाव 2026 क्या कहते है पांडेश्वर विधानसभा के लोग देखे ASANSOL POST में आसनसोल का खबरीलाल में1
- Post by মুখার্জী নিউজ1