Shuru
Apke Nagar Ki App…
বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে দুর্গাপুরের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের সগর ভাঙ্গা এলাকায় দুর্গাপুর পশ্চিমের প্রার্থী কবিতত্ত্ব ভোট প্রচার করলেন বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেও থামেনি মানুষের ঢল। দুর্গাপুরের ২৯ নম্বর ওয়ার্ড সাগরভাঙ্গা এলাকায় সোমবার সন্ধ্যা ৬ টায় দেখা গেল এক নজিরবিহীন জনসমাগম। এদিন টোটোতে চেপে দুর্গাপুর পশ্চিম কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সাগরভাঙ্গা অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। বৃষ্টির মধ্যেই ছাতা মাথায় রাস্তায় নেমে পড়েন ৮ থেকে ৮০ সব বয়সের মানুষ। এলাকার রাস্তাঘাট কার্যত মানুষের ভিড়ে ভরে ওঠে। উচ্ছ্বাস আর অংশগ্রহণে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। স্থানীয়দের এই স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি যেন একটাই বার্তা দেয়। মানুষের সঙ্গে নিবিড় সংযোগই সবচেয়ে বড় শক্তি।
Prashanta Mal
বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে দুর্গাপুরের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের সগর ভাঙ্গা এলাকায় দুর্গাপুর পশ্চিমের প্রার্থী কবিতত্ত্ব ভোট প্রচার করলেন বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেও থামেনি মানুষের ঢল। দুর্গাপুরের ২৯ নম্বর ওয়ার্ড সাগরভাঙ্গা এলাকায় সোমবার সন্ধ্যা ৬ টায় দেখা গেল এক নজিরবিহীন জনসমাগম। এদিন টোটোতে চেপে দুর্গাপুর পশ্চিম কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সাগরভাঙ্গা অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। বৃষ্টির মধ্যেই ছাতা মাথায় রাস্তায় নেমে পড়েন ৮ থেকে ৮০ সব বয়সের মানুষ। এলাকার রাস্তাঘাট কার্যত মানুষের ভিড়ে ভরে ওঠে। উচ্ছ্বাস আর অংশগ্রহণে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। স্থানীয়দের এই স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি যেন একটাই বার্তা দেয়। মানুষের সঙ্গে নিবিড় সংযোগই সবচেয়ে বড় শক্তি।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- রাজ্যে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘন্ট ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক দলগুলির মনোনয়ন পর্ব জোরকদমে চলছে। আজ, ৬ এপ্রিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে দুর্গাপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রেও দেখা গেল সেই ব্যস্ততার চিত্র। সোমবার দুপুর দুটোয় নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিতে দুর্গাপুর মহকুমা শাসকের দপ্তরে উপস্থিত হন দুর্গাপুর ভূমি রক্ষা কমিটির সভাপতি ধ্রুবজ্যোতি মুখার্জি। তিনি জানান, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনেই সীমিত সংখ্যক সমর্থক নিয়ে তিনি মনোনয়ন জমা দিতে এসেছেন। তিনি আরও বলেন, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বা বড় মাপের প্রচার তাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ নয়। তার মতে, এই ধরনের প্রচারের সংস্কৃতি মূলত তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যেই বেশি দেখা যায়। তাদের লড়াই মূলত পিছিয়ে পড়া মানুষদের অধিকার, শ্রমিক আন্দোলন এবং ভূমি রক্ষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে।1
- पश्चिम बंगाल विधानसभा चुनाव,कौरव पांडवों की राजनीति वोट लूट से पैर तोड़ कर एंबुलेंस तक नरेंद्रनाथ चक्रवर्ती बनाम जितेंद्र तिवारी पांडेश्वर। EXCLUSIVE PUNJABI POST*1
- পশ্চিমবাংলা মালদা জেলার পাকুয়া তে আজকে ভয়ংকর বৃষ্টি হয়েছে এই বৃষ্টিতে অনেক জন আকাম হয়েছে এটা আকাশ থেকে বরফ পড়ছে বৃষ্টিতে তোমরা ভিডিওতে দেখতে পাচ্ছ1
- 'পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার' স্লোগানকে সামনে রেখে যখন বঙ্গ বিজয়ের স্বপ্ন দেখছে গেরুয়া শিবির, ঠিক তখনই একের পর এক 'বিক্ষুব্ধ' দলীয় কার্যকর্তার 'নির্দল' হিসেবে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দিতার আসরে নেমে পড়ার খবরে চরম অস্বস্তিতে তাঁরা। দীর্ঘদিনের বিজেপি কার্যকর্তা হিসেবে পরিচিত কোতুলপুরের সমীর চালক এবার ওই কেন্দ্র থেকে নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর গোগড়া কালী মন্দিরে পূজো দিয়ে প্রচার শুরু করে দিলেন। সমীর চালক নামে ওই নির্দল প্রার্থীর দাবি, এবার কোতুলপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি যাকে প্রার্থী করেছে তিনি '২১ এর নির্বাচনে 'নির্দল' হিসেবে প্রতিদ্বন্দিতা করার পাশাপাশি বিজেপি ষষ্ঠী পূজো করেছিল। এমনকি বিজেপির প্রতীকে হরকালী প্রতিহার বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর দলবদল করে তৃণমূলে যোগ দেন। এবার সেই ঘটনার পূনরাবৃত্তি যাতে না হয় তাই তিনি নির্দল প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। একই সঙ্গে তাঁর সমর্থণে বিজেপির ৬০ শতাংশ কার্যকর্তা রয়েছেন বলেও তিনি দাবি করেন। এবিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে কোতুলপুরের বিজেপি প্রার্থী লক্ষীকান্ত মজুমদার বলেন, সমীর চালক আমার ছোটো ভাইয়ের মতো, প্রত্যাশা সবার থাকতে পারে, তবে দল আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে। একই সঙ্গে '২১ এর নির্বাচনে তিনি নির্দল হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিলেও পরে তা প্রত্যাহার করেন বলে দাবি করেন। অন্যদিকে, ওই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী হরকালী প্রতিহারের দাবি, আমরা আমাদের প্রচার নিয়ে ব্যস্ত, রাজনীতি সবার ব্যক্তিগত ব্যাপার। এমনকি ওই বিষয়ে তাকে কোন প্রশ্ন না করার অনুরোধ জানান তিনি।2
- Election 2026 : মোদী মুখ্যমন্ত্রী ও মমতা প্রধানমন্ত্রী, আপনি কোন স্কুলে পড়াশোনা করেছেন?... #callrecording #viral1
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- Post by রিপোর্টারAbhijit Santra2
- দুর্গাপুরে ভোটের আবহে আবারও রাজনৈতিক উত্তেজনা। এক নম্বর ওয়ার্ডের রঘুনাথপুর এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের দেওয়াল লিখনে কাদা লাগানো ও পোস্টারে রং লাগানোর অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার দুপুর একটায় তৃণমূলের দাবি, পরিকল্পিতভাবেই তাদের প্রচার নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। অভিযোগ, রাতে অন্ধকারে বেছে বেছে দলীয় দেওয়াল লিখন মুছে দেওয়া হচ্ছে, কাদা লেপে দেওয়া হচ্ছে, এমনকি পতাকা ও ব্যানারও ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। এক নম্বর ব্লক তৃণমূলের সভাপতি রাজিব ঘোষ বলেন, দিনের বেলায় এই ধরনের কাজ করার সাহস বিরোধীদের নেই, তাই রাতের অন্ধকারে “কাপুরুষের মতো” এসব করা হচ্ছে। তবে তিনি দাবি করেন, এতে কোনও লাভ হবে না, কারণ মানুষ এখনও তৃণমূলের পাশেই রয়েছে। অন্যদিকে, অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে বিজেপি। দুর্গাপুর পূর্ব কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় পাল্টা দাবি করেন, তৃণমূলই নিজেদের সহানুভূতি আদায়ের জন্য এই ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে। তার কথায়, বিজেপি এই ধরনের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বিশ্বাস করে না এবং সাধারণ মানুষ তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যান করছে বলেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।1