দুর্গাপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিতে দুর্গাপুর মহকুমা শাসকের দপ্তরে উপস্থিত হন দুর্গাপুর ভূমি রক্ষা কমিটির সভাপতি ধ্রুবজ্যোতি মুখার্জি রাজ্যে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘন্ট ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক দলগুলির মনোনয়ন পর্ব জোরকদমে চলছে। আজ, ৬ এপ্রিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে দুর্গাপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রেও দেখা গেল সেই ব্যস্ততার চিত্র। সোমবার দুপুর দুটোয় নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিতে দুর্গাপুর মহকুমা শাসকের দপ্তরে উপস্থিত হন দুর্গাপুর ভূমি রক্ষা কমিটির সভাপতি ধ্রুবজ্যোতি মুখার্জি। তিনি জানান, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনেই সীমিত সংখ্যক সমর্থক নিয়ে তিনি মনোনয়ন জমা দিতে এসেছেন। তিনি আরও বলেন, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বা বড় মাপের প্রচার তাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ নয়। তার মতে, এই ধরনের প্রচারের সংস্কৃতি মূলত তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যেই বেশি দেখা যায়। তাদের লড়াই মূলত পিছিয়ে পড়া মানুষদের অধিকার, শ্রমিক আন্দোলন এবং ভূমি রক্ষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে।
দুর্গাপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিতে দুর্গাপুর মহকুমা শাসকের দপ্তরে উপস্থিত হন দুর্গাপুর ভূমি রক্ষা কমিটির সভাপতি ধ্রুবজ্যোতি মুখার্জি রাজ্যে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘন্ট ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক দলগুলির মনোনয়ন পর্ব জোরকদমে চলছে। আজ, ৬ এপ্রিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে দুর্গাপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রেও দেখা গেল সেই ব্যস্ততার চিত্র। সোমবার দুপুর দুটোয় নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিতে দুর্গাপুর মহকুমা শাসকের দপ্তরে উপস্থিত হন দুর্গাপুর ভূমি রক্ষা কমিটির সভাপতি ধ্রুবজ্যোতি মুখার্জি। তিনি জানান, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনেই সীমিত সংখ্যক সমর্থক নিয়ে তিনি মনোনয়ন জমা দিতে এসেছেন। তিনি আরও বলেন, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বা বড় মাপের প্রচার তাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ নয়। তার মতে, এই ধরনের প্রচারের সংস্কৃতি মূলত তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যেই বেশি দেখা যায়। তাদের লড়াই মূলত পিছিয়ে পড়া মানুষদের অধিকার, শ্রমিক আন্দোলন এবং ভূমি রক্ষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে।
- রাজ্যে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘন্ট ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক দলগুলির মনোনয়ন পর্ব জোরকদমে চলছে। আজ, ৬ এপ্রিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে দুর্গাপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রেও দেখা গেল সেই ব্যস্ততার চিত্র। সোমবার দুপুর দুটোয় নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিতে দুর্গাপুর মহকুমা শাসকের দপ্তরে উপস্থিত হন দুর্গাপুর ভূমি রক্ষা কমিটির সভাপতি ধ্রুবজ্যোতি মুখার্জি। তিনি জানান, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনেই সীমিত সংখ্যক সমর্থক নিয়ে তিনি মনোনয়ন জমা দিতে এসেছেন। তিনি আরও বলেন, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বা বড় মাপের প্রচার তাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ নয়। তার মতে, এই ধরনের প্রচারের সংস্কৃতি মূলত তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যেই বেশি দেখা যায়। তাদের লড়াই মূলত পিছিয়ে পড়া মানুষদের অধিকার, শ্রমিক আন্দোলন এবং ভূমি রক্ষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে।1
- पश्चिम बंगाल विधानसभा चुनाव,कौरव पांडवों की राजनीति वोट लूट से पैर तोड़ कर एंबुलेंस तक नरेंद्रनाथ चक्रवर्ती बनाम जितेंद्र तिवारी पांडेश्वर। EXCLUSIVE PUNJABI POST*1
- আকুই এক নম্বর অঞ্চলের ত্রিসালন শিব মন্দিরে পুজো দিয়ে নির্বাচনী প্রচারের শুভ সূচনা করলেন ইন্দাস বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শ্যামলী রায় বাগদী। সকাল থেকেই মন্দির চত্বরে ভিড় জমাতে শুরু করেন দলীয় কর্মী-সমর্থকরা। শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনির মধ্য দিয়ে ধর্মীয় আচার পালনের পর মন্দিরে বিশেষ পুজো দেন প্রার্থী। পুজো শেষে এলাকার মানুষের আশীর্বাদ নিয়ে তিনি প্রচারে নামেন। এই দিন শ্যামলী রায় বাগদীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দলের স্থানীয় নেতৃত্ব ও কর্মী-সমর্থকেরা। মন্দির প্রাঙ্গণ থেকেই শুরু হয় রঙিন শোভাযাত্রা, যা আকুই ও সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় পরিক্রমা করে। শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারী কর্মীদের মধ্যে ছিল প্রবল উৎসাহ ও উদ্দীপনা। দলীয় পতাকা, ব্যানার ও স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। প্রচারের সূচনালগ্নেই আত্মবিশ্বাসী সুর শোনা যায় তৃণমূল প্রার্থীর কণ্ঠে। তিনি বলেন, রাজ্য সরকারের উন্নয়নের ধারাকে সামনে রেখেই মানুষের কাছে যাচ্ছেন তিনি। বিগত দিনে ইন্দাস বিধানসভা এলাকায় যে উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে, তা আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই তাঁর মূল লক্ষ্য। গ্রামবাংলার রাস্তা, পানীয় জল, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে জোর দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেও তাদের সমস্যা ও চাহিদার কথা শোনেন শ্যামলী রায় বাগদী। তিনি আশ্বাস দেন, নির্বাচিত হলে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তাদের সমস্যার দ্রুত সমাধান করার চেষ্টা করবেন। এদিনের এই কর্মসূচিকে ঘিরে এলাকায় উৎসবের আবহ তৈরি হয়। ধর্মীয় আচার পালনের মাধ্যমে প্রচার শুরু করায় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে যেমন বাড়তি উদ্দীপনা দেখা গেছে, তেমনই সাধারণ মানুষের মধ্যেও ইতিবাচক সাড়া মিলেছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, প্রচারের শুরুতেই এইভাবে মানুষের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারা নির্বাচনের লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।3
- Election 2026 : মোদী মুখ্যমন্ত্রী ও মমতা প্রধানমন্ত্রী, আপনি কোন স্কুলে পড়াশোনা করেছেন?... #callrecording #viral1
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- Post by রিপোর্টারAbhijit Santra2
- রুদ্রনীল ঘোষ কে দেখে স্লোগান1
- দুর্গাপুরে ভোটের আবহে আবারও রাজনৈতিক উত্তেজনা। এক নম্বর ওয়ার্ডের রঘুনাথপুর এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের দেওয়াল লিখনে কাদা লাগানো ও পোস্টারে রং লাগানোর অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার দুপুর একটায় তৃণমূলের দাবি, পরিকল্পিতভাবেই তাদের প্রচার নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। অভিযোগ, রাতে অন্ধকারে বেছে বেছে দলীয় দেওয়াল লিখন মুছে দেওয়া হচ্ছে, কাদা লেপে দেওয়া হচ্ছে, এমনকি পতাকা ও ব্যানারও ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। এক নম্বর ব্লক তৃণমূলের সভাপতি রাজিব ঘোষ বলেন, দিনের বেলায় এই ধরনের কাজ করার সাহস বিরোধীদের নেই, তাই রাতের অন্ধকারে “কাপুরুষের মতো” এসব করা হচ্ছে। তবে তিনি দাবি করেন, এতে কোনও লাভ হবে না, কারণ মানুষ এখনও তৃণমূলের পাশেই রয়েছে। অন্যদিকে, অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে বিজেপি। দুর্গাপুর পূর্ব কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় পাল্টা দাবি করেন, তৃণমূলই নিজেদের সহানুভূতি আদায়ের জন্য এই ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে। তার কথায়, বিজেপি এই ধরনের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বিশ্বাস করে না এবং সাধারণ মানুষ তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যান করছে বলেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।1