গতকাল কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত রেল টার্মিনাস শিয়ালদহ স্টেশন এক আকস্মিক ও বিধ্বংসী ঝড়ের ভয়াবহ পরিস্থিতির সাক্ষী হয়েছে। ঝড়ের তীব্রতা এবং ভারী বৃষ্টির কারণে স্টেশনের ভেতরের ও বাইরের পরিকাঠামো কার্যত ভেঙে পড়েছে, যার ফলে শিয়ালদহ মেইন, উত্তর ও দক্ষিণ—এই তিনটি শাখাতেই ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে। ঝড়ের গতিবেগ এতটাই বেশি ছিল যে স্টেশনের বেশ কয়েকটি প্ল্যাটফর্মের ওপরের টিনের শেড উড়ে যায়, যার ফলে প্ল্যাটফর্মের ভেতরেই হুহু করে বৃষ্টি প্রবেশ করে। শিয়ালদহ স্টেশনে ঢোকার মুখে এবং সংলগ্ন রেললাইনে গাছ ও ডালপালা ভেঙে পড়ায় ওভারহেড তার ছিঁড়ে গেছে, যার ফলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে সিগন্যালিং ব্যবস্থা সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়েছে। এছাড়াও, কয়েক ঘণ্টার মুষলধারে বৃষ্টিতে শিয়ালদহের কারশেড ও সংলগ্ন রেললাইন জলের তলায় চলে যাওয়ায় দূরপাল্লার ও লোকাল ট্রেন উভয়ই থমকে দাঁড়িয়েছে। কালবৈশাখীর এই ভয়াবহ তাণ্ডবের ফলে শিয়ালদহ স্টেশন লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে, ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়েছে এবং এর জেরে যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
গতকাল কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত রেল টার্মিনাস শিয়ালদহ স্টেশন এক আকস্মিক ও বিধ্বংসী ঝড়ের ভয়াবহ পরিস্থিতির সাক্ষী হয়েছে। ঝড়ের তীব্রতা এবং ভারী বৃষ্টির কারণে স্টেশনের ভেতরের ও বাইরের পরিকাঠামো কার্যত ভেঙে পড়েছে, যার ফলে শিয়ালদহ মেইন, উত্তর ও দক্ষিণ—এই তিনটি শাখাতেই ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে। ঝড়ের গতিবেগ এতটাই বেশি ছিল যে স্টেশনের বেশ কয়েকটি প্ল্যাটফর্মের ওপরের টিনের শেড উড়ে যায়, যার ফলে প্ল্যাটফর্মের ভেতরেই হুহু করে বৃষ্টি প্রবেশ করে। শিয়ালদহ স্টেশনে ঢোকার মুখে এবং সংলগ্ন রেললাইনে গাছ ও ডালপালা ভেঙে পড়ায় ওভারহেড তার ছিঁড়ে গেছে, যার ফলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে সিগন্যালিং ব্যবস্থা সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়েছে। এছাড়াও, কয়েক ঘণ্টার মুষলধারে বৃষ্টিতে শিয়ালদহের কারশেড ও সংলগ্ন রেললাইন জলের তলায় চলে যাওয়ায় দূরপাল্লার ও লোকাল ট্রেন উভয়ই থমকে দাঁড়িয়েছে। কালবৈশাখীর এই ভয়াবহ তাণ্ডবের ফলে শিয়ালদহ স্টেশন লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে, ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়েছে এবং এর জেরে যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
- গতকাল কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত রেল টার্মিনাস শিয়ালদহ স্টেশন এক আকস্মিক ও বিধ্বংসী ঝড়ের ভয়াবহ পরিস্থিতির সাক্ষী হয়েছে। ঝড়ের তীব্রতা এবং ভারী বৃষ্টির কারণে স্টেশনের ভেতরের ও বাইরের পরিকাঠামো কার্যত ভেঙে পড়েছে, যার ফলে শিয়ালদহ মেইন, উত্তর ও দক্ষিণ—এই তিনটি শাখাতেই ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে। ঝড়ের গতিবেগ এতটাই বেশি ছিল যে স্টেশনের বেশ কয়েকটি প্ল্যাটফর্মের ওপরের টিনের শেড উড়ে যায়, যার ফলে প্ল্যাটফর্মের ভেতরেই হুহু করে বৃষ্টি প্রবেশ করে। শিয়ালদহ স্টেশনে ঢোকার মুখে এবং সংলগ্ন রেললাইনে গাছ ও ডালপালা ভেঙে পড়ায় ওভারহেড তার ছিঁড়ে গেছে, যার ফলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে সিগন্যালিং ব্যবস্থা সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়েছে। এছাড়াও, কয়েক ঘণ্টার মুষলধারে বৃষ্টিতে শিয়ালদহের কারশেড ও সংলগ্ন রেললাইন জলের তলায় চলে যাওয়ায় দূরপাল্লার ও লোকাল ট্রেন উভয়ই থমকে দাঁড়িয়েছে। কালবৈশাখীর এই ভয়াবহ তাণ্ডবের ফলে শিয়ালদহ স্টেশন লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে, ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়েছে এবং এর জেরে যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।1
- ইশা ঊষা ইন্টিরিয়র রথযাত্রা উপলক্ষে তাদের দোকানে কিচেন সংক্রান্ত পণ্যগুলিতে ১০% ছাড়ের ঘোষণা করেছে। এই বিশেষ ছাড়টি রথযাত্রার সময় গ্রাহকদের জন্য উপলব্ধ থাকবে।1
- Post by JBP NEWS BANGLA1
- মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল সরাসরি নির্দেশ দিয়েছেন যে গাছের পাতাগুলো পরিষ্কার করা হোক।1
- পশ্চিমবঙ্গে বেশ কয়েক বছর বন্ধ থাকার পর অবশেষে আবার চালু হয়েছে জব কার্ডের কাজ। রাজ্যে 2026 সালে সরকার বদলের পর এই কাজটি পুনরায় শুরু করা হয়েছে। আজ গোঘাট থানার অন্তর্গত শ্যামবাজার গ্রাম পঞ্চায়েতে জব কার্ডের এই কাজ শুরু হয়েছে। বহু বছর পর কাজ শুরু হওয়ায় এলাকার বাসিন্দারা অত্যন্ত খুশি ও আনন্দিত।1
- তারাতলার ব্রেস ব্রিজের কাছে একটি নির্মাণাধীন গুদাম ঘর ভেঙে পড়ার ঘটনায় গভীর মর্মাহত ও ব্যথিত হওয়ার কথা জানানো হয়েছে, যেখানে ধ্বংসস্তূপের নিচে বেশ কয়েকজন শ্রমিক আটকে পড়েছিলেন। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় এ পর্যন্ত ২১ জনকে কাঠামোটি থেকে বের করে আনা সম্ভব হয়েছে, যার মধ্যে ১৮ জন আহত এবং ৩ জন শ্রমিক প্রাণ হারিয়েছেন। এই অকল্পনীয় শোকের মুহূর্তে যে মূল্যবান প্রাণগুলো হারিয়ে গেছে, তার জন্য দুঃখ প্রকাশের কোনো ভাষা নেই এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে। রাজ্য সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছে এবং তাদের সব ধরনের সম্ভাব্য সহায়তা প্রদানে অঙ্গীকারবদ্ধ। বর্তমানে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধার ও ত্রাণ কাজ চালানো হচ্ছে। সেনাবাহিনী, এনডিআরএফ (NDRF), এসডিআরএফ (SDRF), কলকাতা পুলিশ এবং কেএমসি (KMC) যৌথভাবে এই উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে, যাতে আটকে পড়া প্রত্যেক শ্রমিককে যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদে বের করে আনা যায়। যারা আহত হয়েছেন, তাদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করা হয়েছে। ইউডিএমএ (UDMA) দফতরকে পুরো অপারেশনটি নিবিড়ভাবে সমন্বয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং রাষ্ট্রমন্ত্রী (MoS) ডক্টর ইন্দ্রনীল খাঁ ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে উদ্ধারকাজ ব্যক্তিগতভাবে তদারকি করছেন। জমিনের বাস্তব পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে খুব দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর কথা জানানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এবং উদ্ধারকর্মীদের জন্য সকলের প্রার্থনা কামনা করা হয়েছে।1
- কাঁকসায় একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় একজন প্রাক্তন বায়ু সেনা কর্মীর প্রাণহানি ঘটেছে। এই দুর্ঘটনার শিউড়ে ওঠা সিসিটিভি ক্যামেরার ছবি প্রকাশ্যে এসেছে।1