সিতাই ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নতুন ভবনের শিলান্যাস, উন্নত হবে স্বাস্থ্য পরিষেবা সিতাই ব্লকের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হল। সিতাই ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নতুন ভবন নির্মাণ কাজের শিলান্যাস করলেন কোচবিহারের সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। জানা গেছে, কোচবিহার জেলা পরিষদ-এর তহবিল থেকে মোট ৫৩ লক্ষ ৮৪ হাজার টাকা ব্যয়ে স্বাস্থ্য কেন্দ্র চত্বরে এই নতুন ভবনটি নির্মিত হবে। দীর্ঘদিন ধরেই এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে উন্নত স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর দাবি উঠছিল। সেই দাবির প্রেক্ষিতেই এই উদ্যোগ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। সিতাইয়ের ব্লক মেডিক্যাল অফিসার অব হেলথ (বি.এম.ও.এইচ) ডা. রামকৃষ্ণ ঘোষ জানান, নতুন ভবনটি মূলত ব্লক পাবলিক হেলথ ইউনিট হিসেবে ব্যবহৃত হবে। ভবনে আধুনিক মানের ল্যাবরেটরি, পৃথক অফিস কক্ষ এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগেরও পরিকল্পনা রয়েছে। স্বাস্থ্য দপ্তরের আশা, নতুন ভবন চালু হলে সিতাই ব্লকে চিকিৎসা পরিষেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে এবং সাধারণ মানুষ আরও দ্রুত ও উন্নত পরিষেবা পাবেন
সিতাই ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নতুন ভবনের শিলান্যাস, উন্নত হবে স্বাস্থ্য পরিষেবা সিতাই ব্লকের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হল। সিতাই ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নতুন ভবন নির্মাণ কাজের শিলান্যাস করলেন কোচবিহারের সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। জানা গেছে, কোচবিহার জেলা পরিষদ-এর তহবিল থেকে মোট ৫৩ লক্ষ ৮৪ হাজার টাকা ব্যয়ে স্বাস্থ্য কেন্দ্র চত্বরে এই নতুন ভবনটি নির্মিত হবে। দীর্ঘদিন ধরেই এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে উন্নত স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর দাবি উঠছিল। সেই দাবির প্রেক্ষিতেই এই উদ্যোগ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। সিতাইয়ের ব্লক মেডিক্যাল অফিসার অব হেলথ (বি.এম.ও.এইচ) ডা. রামকৃষ্ণ ঘোষ জানান, নতুন ভবনটি মূলত ব্লক পাবলিক হেলথ ইউনিট হিসেবে ব্যবহৃত হবে। ভবনে আধুনিক মানের ল্যাবরেটরি, পৃথক অফিস কক্ষ এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগেরও পরিকল্পনা রয়েছে। স্বাস্থ্য দপ্তরের আশা, নতুন ভবন চালু হলে সিতাই ব্লকে চিকিৎসা পরিষেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে এবং সাধারণ মানুষ আরও দ্রুত ও উন্নত পরিষেবা পাবেন
- সিতাই ব্লকের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হল। সিতাই ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নতুন ভবন নির্মাণ কাজের শিলান্যাস করলেন কোচবিহারের সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। জানা গেছে, কোচবিহার জেলা পরিষদ-এর তহবিল থেকে মোট ৫৩ লক্ষ ৮৪ হাজার টাকা ব্যয়ে স্বাস্থ্য কেন্দ্র চত্বরে এই নতুন ভবনটি নির্মিত হবে। দীর্ঘদিন ধরেই এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে উন্নত স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর দাবি উঠছিল। সেই দাবির প্রেক্ষিতেই এই উদ্যোগ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। সিতাইয়ের ব্লক মেডিক্যাল অফিসার অব হেলথ (বি.এম.ও.এইচ) ডা. রামকৃষ্ণ ঘোষ জানান, নতুন ভবনটি মূলত ব্লক পাবলিক হেলথ ইউনিট হিসেবে ব্যবহৃত হবে। ভবনে আধুনিক মানের ল্যাবরেটরি, পৃথক অফিস কক্ষ এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগেরও পরিকল্পনা রয়েছে। স্বাস্থ্য দপ্তরের আশা, নতুন ভবন চালু হলে সিতাই ব্লকে চিকিৎসা পরিষেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে এবং সাধারণ মানুষ আরও দ্রুত ও উন্নত পরিষেবা পাবেন1
- ধুপগুড়ি প্রশাসনের উদাসীনতায় মৃত্যুঘণ্টা বাজছে কুমলাই নদীর; আগুনের আতঙ্কে ধূপগুড়ি শহর। ধূপগুড়ি শহরের জীবনরেখা কুমলাই নদী আজ প্রশাসনের চরম উদাসীনতায় মৃত্যুশয্যায়। যে নদীটি জনপদের প্রাণস্পন্দন হওয়ার কথা ছিল, আজ তা ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। ধূপগুড়ি পৌরসভার অকর্মণ্যতায় নদীর বুকে স্তূপীকৃত জঞ্জাল থেকে ছড়াচ্ছে আগুনের আতঙ্ক, যা যে কোনও মুহূর্তে গ্রাস করতে পারে গোটা শহরকে।বারবার সংবাদমাধ্যমে এই সংকটের কথা তুলে ধরা হলেও টনক নড়েনি কর্তৃপক্ষের। নদীর বুকে প্রতিদিন আবর্জনা ফেলে একদিকে যেমন তার স্বাভাবিক গতিপথ রুদ্ধ করা হচ্ছে, অন্যদিকে সেই বর্জ্য স্তূপে আগুন লাগিয়ে দেওয়ায় ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌর প্রশাসনের এই চরম গাফিলতি শুধু পরিবেশের ক্ষতি করছে না, বরং শহরবাসীকে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। ধূপগুড়ির ঐতিহ্যবাহী কুমলাই নদীকে বাঁচাতে আর কতদিন অপেক্ষা করতে হবে, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন। শহরের প্রাণস্পন্দন এই কুমলাই নদীকে বাঁচানোর বদলে তাকে হত্যার যে অশুভ উৎসব চলছে, সংবাদমাধ্যম বারবার সেই ছবি তুলে ধরলেও প্রশাসনের যেন কোনো ভ্রূক্ষেপই নেই। 'পরিবর্তন' আজ যেন কেবলই এক ক্লান্তিকর ইতিহাস।1
- আলিপুরদুয়ার জেলায় রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ল। প্রকাশ চিক বড়াইক–এর বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠালেন মনোজ কুমার ওঁরাও। এই ঘটনাকে ঘিরে জেলায় নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। সোমবার আলিপুরদুয়ার আদালত চত্বরে দাঁড়িয়ে বিজেপি বিধায়ক মনোজ কুমার ওঁরাও জানান, তাকে প্রকাশ্যে অসম্মানজনক মন্তব্য করা হয়েছে এবং তাতে তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সম্মানহানি হয়েছে। সেই কারণেই তিনি আইনি পথে এগোনোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ইতিমধ্যেই রাজ্যসভার সাংসদ প্রকাশ চিক বড়াইকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি প্রয়োজনে সরাসরি চিঠি দিয়েও বিষয়টি জানানো হবে বলেও মন্তব্য করেন বিজেপি বিধায়ক। এদিন তিনি আরও একটি গুরুতর অভিযোগ তোলেন। তার দাবি, রায়ডাক ও সংকোশ নদী থেকে অবাধে বালু ও পাথর তোলা হচ্ছে এবং তা বিভিন্ন এলাকায় পাচার হচ্ছে। বিশেষ করে বারোবিশা ও কামাখ্যাগুড়ি হয়ে প্রতিদিন অসংখ্য ওভারলোড ডাম্পার চলাচল করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এতে একদিকে যেমন নদীর পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে রাস্তারও ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে বলে দাবি তার। মনোজ কুমার ওঁরাও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত প্রশাসন ব্যবস্থা না নিলে তিনি নিজেই আন্দোলনে নামবেন। প্রয়োজনে রাস্তায় নেমে ওভারলোডিং ডাম্পার চলাচল বন্ধ করে দেবেন বলেও জানান তিনি। তার অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এই অবৈধ কাজ চললেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনও পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলিপুরদুয়ার জেলার রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। যদিও এই অভিযোগ ও আইনি নোটিশ প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিষয়টি আগামী দিনে আরও বড় বিতর্কের আকার নিতে পারে।1
- সামনে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই তৃণমূল কংগ্রেসের জনসংযোগ কর্মসূচি চলছে লাগাতার। পথে নেমেছে ভারতীয় জনতা পার্টিও। বিভিন্ন এলাকায় দেওয়াল লিখন ও লিফলেট বিলি জোরকদমে চলছে। সোমবার সকালে কোচবিহার উত্তর বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক সুকুমার রায় পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে জনসংযোগে নামেন। তিনি কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন দোকানে গিয়ে লিফলেট বিলি করেন এবং ব্যবসায়ীদের কাছে পরিবর্তনের আহ্বান জানান। যদিও কোচবিহার উত্তর আসনটি বিজেপির দখলে। তবুও এবার উত্তর বিধানসভায় পদ্ম ফুটবে, না জোড়া ফুল—সেদিকেই তাকিয়ে দু’নম্বর ব্লকের বাসিন্দারা।1
- Post by TvM News1
- Post by Anjali Ghosh1
- Post by Tapas Roy1
- মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনুপ্রেরণায় এবং গ্রাম উন্নয়ন দপ্তরের উদ্যোগে কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের একটা বাড়ি অঞ্চলের বাজারে রাস্তার কাজের শিলান্যাস করলেন অভিজিৎ দে ভৌমিক। সোমবার দুপুর বারোটা নাগাদ সুকটাবাড়ি অঞ্চলের বাজার পি. এম. জি. এস. ওয়াই রোড থেকে পসারী হাট পর্যন্ত ছ' কিলোমিটার রাস্তার শুভ সূচনা হলো। ১কোটি ২০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে রাস্তার কাজ হবে। জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক জানিয়েছেন সেখানকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই রাস্তা সংস্কার করার নির্বাচনের আগেই এই রাস্তা সংস্কার হবে এমনটাই আশা দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি এলাকার বাসিন্দারা ভীষণভাবে খুশির রাস্তা শুরু হওয়াতে1