Shuru
Apke Nagar Ki App…
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে জঙ্গলমহল শালবনিতেই ১০০ দিনের কাজের সূচনা করা হয়েছে। শঙ্করবাঁধ এলাকায় একটি নতুন পুকুর খনন প্রকল্পের মাধ্যমে এই কাজের সূত্রপাত হয়েছে। কাজ পেয়ে সেখানকার শ্রমিকরা অত্যন্ত খুশি।
ঝাড়গ্রাম আপডেট
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে জঙ্গলমহল শালবনিতেই ১০০ দিনের কাজের সূচনা করা হয়েছে। শঙ্করবাঁধ এলাকায় একটি নতুন পুকুর খনন প্রকল্পের মাধ্যমে এই কাজের সূত্রপাত হয়েছে। কাজ পেয়ে সেখানকার শ্রমিকরা অত্যন্ত খুশি।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- ঝাড়গ্রাম জেলার বিনপুর ২ নম্বর ব্লকে অবৈধ চোলাই মদের ঠেকগুলির বিরুদ্ধে আবগারী দফতর এবং পুলিশের একটি যৌথ অভিযান চালানো হয়েছে। এই অভিযানে একাধিক চোলাই মদের ঠেক নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।1
- অর্জুন সুভাষ সরোবরে প্রাতঃভ্রমণ করতে এসেছিলেন। এই প্রাতঃভ্রমণের পরেই তিনি দিলীপ ঘোষের সাথে চা পান করেন।1
- যশোড়া ও খুকুড়দহ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি অস্থায়ী ব্রিজ তৈরির কাজ জোরকদমে চলছে। নির্মাণ প্রক্রিয়া পুরোদমে এগিয়ে চলেছে।1
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর দু'নম্বর ব্লকের জোৎঘণেশামের বাসিন্দা আর্যাহী সামন্ত সম্প্রতি 'যোগাতে' দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে তার ব্লকের মুখ উজ্জ্বল করেছেন।1
- ভারী বৃষ্টির জেরে এসএসকেএম হাসপাতালের স্ত্রীরোগ বিভাগ সম্পূর্ণভাবে জলের তলায় চলে গেছে।1
- দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে জঙ্গলমহল শালবনিতেই ১০০ দিনের কাজের সূচনা করা হয়েছে। শঙ্করবাঁধ এলাকায় একটি নতুন পুকুর খনন প্রকল্পের মাধ্যমে এই কাজের সূত্রপাত হয়েছে। কাজ পেয়ে সেখানকার শ্রমিকরা অত্যন্ত খুশি।1
- সাড়ে তিন বছরের এক শিশুকন্যাকে ধ*/র্ষ*/ণ করার অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।1
- দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার পর পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি ব্লকে মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মনিশ্চয়তা প্রকল্পের (১০০ দিনের কাজ) কাজ পুনরায় শুরু হয়েছে, যা বর্তমানে রাজ্য সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী ১২৫ দিনের কাজ হিসাবে গণ্য হবে। বৃহস্পতিবার শালবনির সাতপাটি অঞ্চলের শঙ্কর বাঁধ এলাকায় একটি নতুন পুকুর নির্মাণের মাধ্যমে এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। দীর্ঘদিন পর কাজ শুরু হওয়ায় গ্রামীণ শ্রমিকদের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের আবহ দেখা গেছে। শঙ্কর বাঁধে নতুন পুকুর নির্মাণের এই প্রকল্পের আনুমানিক ব্যয় প্রায় ১৯ লক্ষ ৬১ হাজার ৪৭ টাকা ধরা হয়েছে। এই প্রকল্পে যুক্ত প্রতিটি শ্রমিকের দৈনিক মজুরি ২৬০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে এবং এর মাধ্যমে মোট ৭১৭৩টি শ্রমদিবস তৈরি হবে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, যা এলাকার বহু গ্রামীণ শ্রমিকের জন্য কাজ ও আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করবে। এদিন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের অতিরিক্ত জেলা শাসক সুকান্ত সাহা শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কাজের সূচনা করেন। এসময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক আধিকারিক এবং এলাকার বহু বাসিন্দা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা এই প্রকল্পকে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন, যা কৃষিনির্ভর ও শ্রমনির্ভর পরিবারগুলির কাছে নতুন আশা নিয়ে এসেছে। উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ১০০ দিনের কাজ বন্ধ থাকায় বহু শ্রমিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলেন। রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে টানাপোড়েন, বরাদ্দ সংক্রান্ত জটিলতা এবং প্রশাসনিক বাধার কারণে প্রকল্পের কাজ কার্যত থমকে ছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। এর ফলে গ্রামীণ এলাকার অনেক পরিবার নিয়মিত আয়ের উৎস হারিয়ে বিপাকে পড়েছিল। সেই পরিস্থিতিতে পুনরায় এই প্রকল্প চালু হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই শ্রমিক মহলে খুশির হাওয়া বইছে। স্থানীয় শ্রমিকদের বক্তব্য অনুযায়ী, কাজ না থাকায় তাঁদের পরিবার চালাতে সমস্যা হচ্ছিল এবং অনেকেই অন্য কোথাও কাজের সন্ধানে যেতে বা ধারদেনা করে দিন কাটাতে বাধ্য হয়েছিলেন। এখন কাজ ফের শুরু হওয়ায় তাঁরা অনেকটাই স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন এবং আশা করছেন যে এই প্রকল্পের মাধ্যমে শুধু অস্থায়ী কর্মসংস্থানই নয়, গ্রামে জলসংরক্ষণ ও পরিবেশগত উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে যে, কর্মসংস্থানের এই সুযোগ এবার শুধু ১০০ দিনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না; ডবল ইঞ্জিন সরকারের আমলে শ্রমিকরা ১২৫ দিনের কাজ পাবেন। এই ঘোষণায় শালবনি ব্লকের শ্রমিকরা আরও বেশি কর্মদিবস এবং আয়ের সম্ভাবনায় আশাবাদী হয়ে উঠেছেন। শালবনির সাতপাটি অঞ্চলে শঙ্কর বাঁধে নতুন পুকুর নির্মাণ প্রকল্প শুরু হওয়ায় একদিকে যেমন বহু মানুষের হাতে কাজ ফিরে আসছে, তেমনই অন্যদিকে এটি গ্রামীণ পরিকাঠামো উন্নয়ন, জলধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় সম্পদ সৃষ্টির দিক থেকেও একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে। সব মিলিয়ে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থার পর ১০০ দিনের কাজ ফের শুরু হওয়ায় শালবনির গ্রামীণ জীবনে নতুন উদ্দীপনা ফিরে এসেছে।1
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পিংলা থানার অন্তর্গত গঙ্গাদাসচক এলাকায় বৃহস্পতিবার ভোরে এক চাঞ্চল্যকর পথ দুর্ঘটনায় বোলেরো গাড়ি প্রায় ১০০ মিটার দূর থেকে ছিটকে ক্যানেলে পড়ে যায়। এই ঘটনায় গাড়িচালক-সহ গাড়িতে থাকা কয়েকজন যাত্রী অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন, যা প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে সিনেমার দৃশ্যকেও হার মানায়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোর প্রায় ৫টা ৪৫ মিনিট নাগাদ তেমাথান দিক থেকে জামনার দিকে যাচ্ছিল ওই বোলেরো গাড়িটি। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এটি রাস্তার ধারে একটি দোকানে সজোরে ধাক্কা মারে এবং তারপর প্রায় ১০০ মিটার দূরে ছিটকে পাশের ক্যানেলে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার সময় চালক ছাড়াও আরও দু’ থেকে তিনজন যাত্রী গাড়িতে ছিলেন। তবে এই ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি এবং সকলেই অক্ষত আছেন বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের দাবি, গাড়িটি অতিরিক্ত গতিতে চলছিল এবং চালকের ঘুম চলে আসার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখতে পিংলা থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ক্রেনের সাহায্যে দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। গাড়ির ভেতর থেকে প্রায় ৫০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলেও পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে। গাড়ির মালিকপক্ষের দাবি, এই টাকা গাড়ি মেরামতির কাজে ব্যবহারের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল এবং তারা উদ্ধার হওয়া অর্থ বুঝে পেয়েছেন। এই ঘটনার জেরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং পুলিশ সমগ্র ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।1