Shuru
Apke Nagar Ki App…
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী সিভিক ভলান্টিয়ারদের ভাতা বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, আপাতত তাঁদের ২ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে, তবে ভবিষ্যতে একটি 'ঝাড়াই-বাছাই' প্রক্রিয়া চলবে এবং এর জন্য এখন থেকেই মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের মাধ্যমে বাড়তি ভাতার পাশাপাশি কর্মক্ষমতা মূল্যায়নের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
RKN UPDATE
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী সিভিক ভলান্টিয়ারদের ভাতা বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, আপাতত তাঁদের ২ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে, তবে ভবিষ্যতে একটি 'ঝাড়াই-বাছাই' প্রক্রিয়া চলবে এবং এর জন্য এখন থেকেই মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের মাধ্যমে বাড়তি ভাতার পাশাপাশি কর্মক্ষমতা মূল্যায়নের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
More news from Coochbehar and nearby areas
- পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী সিভিক ভলান্টিয়ারদের ভাতা বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, আপাতত তাঁদের ২ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে, তবে ভবিষ্যতে একটি 'ঝাড়াই-বাছাই' প্রক্রিয়া চলবে এবং এর জন্য এখন থেকেই মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের মাধ্যমে বাড়তি ভাতার পাশাপাশি কর্মক্ষমতা মূল্যায়নের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।1
- শীতলকুচি ব্লকের বড় কৈমারী অঞ্চলের ১৭০ নম্বর বুথের পঞ্চায়েত সদস্য শরৎ বর্মনকে অবশেষে কাটমানির টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হতে হয়েছে। এই ঘটনাটি ঘটেছে সেখানকার বিক্ষোভের জেরে।1
- মাথাভাঙ্গা পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কাকলি ঘোষ তাঁর কাউন্সিলর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।1
- ডোমকলে দুইজন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগ রয়েছে।1
- কোচবিহারের দিনহাটা ২ ব্লকের চৌধুরীহাট গ্রামপঞ্চায়েতের খাটামারি এলাকার ৭/১৯১ নং বুথে এক আজব কাণ্ড ঘটেছে, যেখানে জীবিত এক ব্যক্তিকে ভোটার তালিকায় মৃত দেখানো হয়েছে। ভাঙাচুরা সামগ্রীর ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম নামের ওই ব্যক্তি গত প্রায় পাঁচ বছর ধরে এই সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং সোমবার দিনহাটা মহকুমা শাসকের দপ্তরে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি জানান যে, তাঁর বাবা মারা যাওয়ার পর বাবার নাম ভোটার তালিকা থেকে কাটাতে গিয়ে বিএলও ভুলবশত তাঁর নিজের নামই কেটে দিয়েছেন। এই ঘটনার পর থেকে তিনি প্রবল দুশ্চিন্তায় রয়েছেন, এমনকি আত্মহত্যার চিন্তাও তাঁর মনে আসছে। শহিদুল ইসলামের অভিযোগ, প্রশাসন এই বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না এবং তিনি মহকুমা শাসক (এসডিও) স্যারের দেখাও পাননি। অন্যদিকে, ৭/১৯১ নং বুথের বিএলও মহম্মদ মাসুদ আখতার রিজা জানিয়েছেন যে, তাঁদের বুথে শহিদুল ইসলাম সহ মোট চারজনের নাম ভোটার তালিকা থেকে ডিলিট হয়েছে। তাদের সকলকে এইআরও-এর একটি শংসাপত্র আনতে বলা হয়েছে, যার ভিত্তিতে ছয় নম্বর ফর্ম পূরণ করতে হবে। তবে, বিএলও-এর দাবি অনুযায়ী, শহিদুল ইসলাম এখনও সেই প্রয়োজনীয় শংসাপত্র জমা দেননি, যে কারণে তাঁর নাম এখনো ভোটার তালিকায় যুক্ত হয়নি।1
- দিনহাটা সারাভারত কৃষক সভা দিনহাটা ২ নং ব্লক অফিসে অল ইন্ডিয়া কিসান সভা (AIKS)-এর ১৫ দফা দাবিতে একটি ডেপুটেশন জমা দিয়েছে।1
- মাথাভাঙা ১ ব্লকের কেদারহাট কাঁচাখাওয়া এলাকায় তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে আবাস যোজনার নামে কাটমানি নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে একটি বৈঠক করেন এবং সেখান থেকে নেওয়া কাটমানি দ্রুত ফেরত দেওয়ার জোরালো দাবি তোলেন। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, তৃণমূল নেতারা আবাস প্রাপকদের কাছ থেকে আবাস যোজনার নামে কাটমানি সংগ্রহ করেছিলেন। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে প্রদীপ বর্মন জানান, আবাস প্রকল্পের টাকা পাওয়ার পর এলাকার তৃণমূল নেতারা দফায় দফায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে কারোর কাছ থেকে ৫০০০ টাকা এবং কারোর কাছ থেকে ৭০০০ টাকা করে নিয়েছেন। এছাড়া, আরেক বিক্ষোভকারী অভিযোগ করেছেন যে আবাস যোজনার তালিকায় নাম না থাকা সত্ত্বেও ঘর পাইয়ে দেওয়ার নাম করে তার কাছ থেকে ৫০০০ টাকা নেওয়া হয়েছিল। স্থানীয়দের দাবি, গত রবিবার টাকা ফেরতের আশ্বাস দেওয়া হলেও সেই টাকা এখনও ফেরত দেওয়া হয়নি। এই পরিস্থিতিতে, স্থানীয়রা কাঁচাখাওয়া এলাকায় তৃণমূল নেতাদের নিয়ে বৈঠক করে কাঠমানি ফেরত দেওয়ার দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। গ্রামবাসীরা স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, যদি দ্রুত এই টাকা ফেরত দেওয়া না হয়, তাহলে তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন তাঁরা।1
- কোচবিহারের দিনহাটা ২ ব্লকের চৌধুরীহাট গ্রামপঞ্চায়েতের খাটামারি এলাকার ৭/১৯১ নং বুথে একটি আজব কাণ্ড প্রকাশ্যে এসেছে, যেখানে বাবা মারা গেলেও তাঁর জীবন্ত ছেলেকে ভোটার তালিকায় 'মৃত' হিসেবে দেখানো হয়েছে। এই গুরুতর ভুলের কারণে ভাঙাচুরা সামগ্রীর ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম গত প্রায় পাঁচ বছর ধরে চরম ভোগান্তির শিকার। নিজের সমস্যার কথা জানাতে গিয়ে সোমবার তিনি দিনহাটা মহকুমা শাসকের দপ্তরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। কান্নায় ভেঙে পড়ে শহিদুল ইসলাম জানান যে, তার বাবা প্রয়াত হওয়ার পর ভোটার তালিকা থেকে বাবার নাম কাটানোর সময় বিএলও ভুল করে তার নিজের নামও কেটে দিয়েছেন। এরপর থেকেই তিনি গভীর উদ্বেগে রয়েছেন এবং বর্তমান পরিস্থিতি এতটাই হতাশাজনক যে তার মনে আত্ম/হ/ত্যার চিন্তা আসছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, প্রশাসন এই বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না এবং তিনি মহকুমা শাসকের সঙ্গে দেখা করতেও পারেননি। অন্যদিকে, ওই বুথের বিএলও মহম্মদ মাসুদ আখতার রিজা জানান যে, তাদের বুথে শহিদুলের মতো আরও চারজনের নাম ভোটার তালিকা থেকে ডিলিট করা হয়েছে। তিনি বলেন, এই ব্যক্তিদের ইএআরও-এর একটি শংসাপত্র আনতে বলা হয়েছে, যার ভিত্তিতে ছয় নম্বর ফর্ম পূরণ করতে হবে। তবে, বিএলও-এর তথ্য অনুযায়ী, শহিদুল ইসলাম এখনো সেই শংসাপত্র জমা করেননি, যে কারণে তার নাম ভোটার তালিকায় পুনর্স্থাপন করা হয়নি।1