কুলটিতে বিসিসিএলের ওসিপিতে ধস/ অবৈধভাবে কয়লা তুলতে গিয়ে মৃত ৩, জখম দুজন, নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান.............. কুলটি ও আসানসোল, ১৩ জানুয়ারিঃ আবারও পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল কয়লাখনি এলাকায় বেআইনি বা অবৈধভাবে কয়লা তোলার সময় ধসের ঘটনা ঘটলো। এবার আসানসোলের কুলটি থানার বড়িরায় বিসিসিএলের খোলামুখ বা ওপেন কাস্ট কয়লাখনিতে (ওসিপি) এই ঘটনাটি ঘটেছে। পরিত্যক্ত এলাকায় নির্দেশ অমান্য করে অবৈধভাবে কয়লা তোলার সময় এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে। ঐ খোলামুখ কয়লাখনি ভেতরে সুড়ঙ্গ ধসে পড়ার এই ঘটনায় অন্ততঃ ছয় জন চাপা পড়ে যায় বলে আশঙ্কা করা হয়েছিলো । তার মধ্যে তিনজনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি দুজন আহত হয়েছে। একজনের ব্যাপারে সন্ধ্যেবেলা পর্যন্ত কিছু জানা যায়নি। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনাটি ঘটে। সকাল দশটার পরে তা জানাজানি হয়। স্বাভাবিক ভাবেই এই ঘটনায় গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে এলাকায় আসেন আসানসোল পুরনিগমের ৬৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অশোক কুমার পাসোয়ান। আসেন বড়িরা গ্রামের বাসিন্দা তৃনমুল কংগ্রেসের নেতা শুভাশিষ মুখোপাধ্যায়। তারা বলেন, আমরা খবর পেয়ে এলাকায় আসি। জানতে পারি, ৫/৬ জন এই খনি এলাকায় এদিন সকালে কয়লা তোলার জন্য নেমেছিলো। তখন ধসের ঘটনা ঘটে। তাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলা হচ্ছে। আহত হয়েছেন আরো দুজন। ঘটনার কথা বিসিসিএলকে বলা হলে, তারা উদ্ধারকাজ করে। এই ঘটনার পরে ঐ খনি এলাকা থেকে যে তিনজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়, তাদের মধ্যে একজন মহিলা রয়েছেন। দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে আসানসোল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো বলে এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছিলেন। কিন্তু তাদেরকে জেলা হাসপাতালে পাওয়া যায় নি। মনে করা হচ্ছে, তারা অন্য কোন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন । ঘটনায় খনি এলাকায় ধসে ভেতরে আরো কেউ আটকে বা চাপা পড়ে আছে থাকার আশঙ্কা করা হয়েছিলো। যে কারণে তাদের উদ্ধারের জন্য পোকলেন মেশিনের সাহায্যে উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে কুলটি থানার পুলিশ বাহিনী ও সিআইএসএফের জওয়ানরা যায়। কিন্তু বিকেল পর্যন্ত আর কাউকে সেখান থেকে পাওয়া যায় নি। দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বডিরা ওপেন কাস্ট খনির আশপাশে শতাধিক মানুষের ভিড় জমে যায়। মৃত ও নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরাও খনি এলাকায় পৌঁছে যান। প্রিয়জনদের খোঁজে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তাঁরা। অভিযোগ উঠেছে, কিছু কয়লা মাফিয়ার লোকজনেরা মৃতদের পরিবারের সদস্যদেরকে এলাকা থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে পরিবারগুলি অনড় থেকে প্রিয়জনদের এক ঝলক দেখার অপেক্ষায় ছিলেন। তাদের আশা, হয়তো এখনও কেউ জীবিত রয়েছেন। যাদেরকে পুলিশ প্রশাসন তাঁদের উদ্ধার করতে পারবে। সূত্রের খবর, যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে একজন বছর ৫০ র গীতা বাউরি। তিনি কুলটির লছমনপুরের বাসিন্দা। বাকি দুজন সুরেশ বাউরি আসানসোল উত্তর থানার কন্যাপুর ও টিপু মল্লিক কুুলটির লালবাজারের বাসিন্দা। গুরুতর জখম সুভাষ মল্লিক ও গোবিন্দ বাউরি কুলটির বডিরা গ্রামের বাসিন্দা। এই পাঁচজনের পরিবারের তরফেও কোন প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি। যদিও, পুলিশের তরফে এই ঘটনা নিয়ে সরাসরি কিছু বলা হয়নি। ঐ এলাকায় কিছু একটা ঘটনা ঘটেছে, এই খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ যায় বলে জানানো হয়েছে। বিসিসিএলের তরফেও একই মত পোষণ করা হয়েছে। তাদের তরফে আরো বলা হয়েছে, ঐ এলাকাটি পরিত্যক্ত ও বিপজ্জনক। সেখানে যে যাওয়া যায় না, তা মাইকিং করে জানানো হয়েছে। রাস্তা থেকে ঐ এলাকা ৩৫০ ফুট নিচে। উল্লেখ্য, বডিরার এই কয়লাখনিতে আগেও একাধিকবার ধসে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তবুও কয়লা মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য থামেনি। অভিযোগ, প্রতিদিনই ৩ থেকে ৪ ট্রাক অবৈধ কয়লা তুলে আশপাশের কয়লা ভাটায় পাচার করা হচ্ছে। এই ঘটনায় ফের একবার কয়লাখনির নিরাপত্তা ও অবৈধ কয়লা তোলা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
কুলটিতে বিসিসিএলের ওসিপিতে ধস/ অবৈধভাবে কয়লা তুলতে গিয়ে মৃত ৩, জখম দুজন, নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান.............. কুলটি ও আসানসোল, ১৩ জানুয়ারিঃ আবারও পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল কয়লাখনি এলাকায় বেআইনি বা অবৈধভাবে কয়লা তোলার সময় ধসের ঘটনা ঘটলো। এবার আসানসোলের কুলটি থানার বড়িরায় বিসিসিএলের খোলামুখ বা ওপেন কাস্ট কয়লাখনিতে (ওসিপি) এই ঘটনাটি ঘটেছে। পরিত্যক্ত এলাকায় নির্দেশ অমান্য করে অবৈধভাবে কয়লা তোলার সময় এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে। ঐ খোলামুখ কয়লাখনি ভেতরে সুড়ঙ্গ ধসে পড়ার এই ঘটনায় অন্ততঃ ছয় জন চাপা পড়ে যায় বলে আশঙ্কা করা হয়েছিলো । তার মধ্যে তিনজনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি দুজন আহত হয়েছে। একজনের ব্যাপারে সন্ধ্যেবেলা পর্যন্ত কিছু জানা যায়নি। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনাটি ঘটে। সকাল দশটার পরে তা জানাজানি হয়। স্বাভাবিক ভাবেই এই ঘটনায় গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে এলাকায় আসেন আসানসোল পুরনিগমের ৬৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অশোক কুমার পাসোয়ান। আসেন বড়িরা গ্রামের বাসিন্দা তৃনমুল কংগ্রেসের নেতা শুভাশিষ মুখোপাধ্যায়। তারা বলেন, আমরা খবর পেয়ে এলাকায় আসি। জানতে পারি, ৫/৬ জন এই খনি এলাকায় এদিন সকালে কয়লা তোলার জন্য নেমেছিলো। তখন ধসের ঘটনা ঘটে। তাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলা হচ্ছে। আহত হয়েছেন আরো দুজন। ঘটনার কথা বিসিসিএলকে বলা হলে, তারা উদ্ধারকাজ করে। এই ঘটনার পরে ঐ খনি এলাকা থেকে যে তিনজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়, তাদের মধ্যে একজন মহিলা রয়েছেন। দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে আসানসোল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো বলে এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছিলেন। কিন্তু তাদেরকে জেলা হাসপাতালে পাওয়া যায় নি। মনে করা হচ্ছে, তারা অন্য কোন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন । ঘটনায় খনি এলাকায় ধসে ভেতরে আরো কেউ আটকে বা চাপা পড়ে আছে থাকার আশঙ্কা করা হয়েছিলো। যে কারণে তাদের উদ্ধারের জন্য পোকলেন মেশিনের সাহায্যে উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে কুলটি থানার পুলিশ বাহিনী ও সিআইএসএফের জওয়ানরা যায়। কিন্তু বিকেল পর্যন্ত আর কাউকে সেখান থেকে পাওয়া যায় নি। দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বডিরা ওপেন কাস্ট খনির আশপাশে শতাধিক মানুষের ভিড় জমে যায়। মৃত ও নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরাও খনি এলাকায় পৌঁছে যান। প্রিয়জনদের খোঁজে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তাঁরা। অভিযোগ উঠেছে, কিছু কয়লা মাফিয়ার লোকজনেরা মৃতদের পরিবারের সদস্যদেরকে এলাকা থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে পরিবারগুলি অনড় থেকে প্রিয়জনদের এক ঝলক দেখার অপেক্ষায় ছিলেন। তাদের আশা, হয়তো এখনও কেউ জীবিত রয়েছেন। যাদেরকে পুলিশ প্রশাসন তাঁদের উদ্ধার করতে পারবে। সূত্রের খবর, যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে একজন বছর ৫০ র গীতা বাউরি। তিনি কুলটির লছমনপুরের বাসিন্দা। বাকি দুজন সুরেশ বাউরি আসানসোল উত্তর থানার কন্যাপুর ও টিপু মল্লিক কুুলটির লালবাজারের বাসিন্দা। গুরুতর জখম সুভাষ মল্লিক ও গোবিন্দ বাউরি কুলটির বডিরা গ্রামের বাসিন্দা। এই পাঁচজনের পরিবারের তরফেও কোন প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি। যদিও, পুলিশের তরফে এই ঘটনা নিয়ে সরাসরি কিছু বলা হয়নি। ঐ এলাকায় কিছু একটা ঘটনা ঘটেছে, এই খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ যায় বলে জানানো হয়েছে। বিসিসিএলের তরফেও একই মত পোষণ করা হয়েছে। তাদের তরফে আরো বলা হয়েছে, ঐ এলাকাটি পরিত্যক্ত ও বিপজ্জনক। সেখানে যে যাওয়া যায় না, তা মাইকিং করে জানানো হয়েছে। রাস্তা থেকে ঐ এলাকা ৩৫০ ফুট নিচে। উল্লেখ্য, বডিরার এই কয়লাখনিতে আগেও একাধিকবার ধসে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তবুও কয়লা মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য থামেনি। অভিযোগ, প্রতিদিনই ৩ থেকে ৪ ট্রাক অবৈধ কয়লা তুলে আশপাশের কয়লা ভাটায় পাচার করা হচ্ছে। এই ঘটনায় ফের একবার কয়লাখনির নিরাপত্তা ও অবৈধ কয়লা তোলা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
- এক বুথে ৩৭০ জনের সুনানিতে ডাক। ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা এলাকার মানুষ। এইখানে জন্ম হলেও শুনানিতে ডেকে সমস্যায় ফেলা হচ্ছে সাধারণ মানুষকে কটাক্ষে মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার। বৈধ নথি থাকলে কারো নাম বাদ যাবে না পাল্টা বিজেপি। গোলসি বিধানসভার ১৩নং বুথ কাঁকসার জাঠগড়িয়া। সেইখানেই রয়েছে প্রায় ১২৬০জন ভোটার। তাদের মধ্যে ৩৭০ জনের ডাক পড়েছে শুনানিতে। নোটিশ আসতেই ক্ষুব্ধ গোটা এলাকার মানুষ। কারোর নোটিশে লেখা হয়েছে একজন বাবার একাধিক ছেলে হওয়ায় সন্দেহের তালিকা দেখা দিয়েছে। কারোর নোটিশের লেখা রয়েছে নথির গোলযোগ রয়েছে। কিন্তু ক্ষুব্ধ মানুষের দাবী, তাদের এখানেই জন্মভিটে। বাপ ঠাকুরদারাও এখানেই জন্মগ্রহণ করেছে। এখন তাদের বিপাকে ফেলার চেষ্টা করছে নির্বাচন কমিশন। বেছে বেছে আবার সংখ্যালঘুদের পাঠানো হয়েছে এই নোটিশ বলেও অভিযোগ করেন। শেখ মনিরুল বলেন,"আমাদের নাম রয়েছে ২০০২ এর তালিকায়। তার পরেও ভোগান্তিতে ফেলা হচ্ছে। আমাদের মত গরিব মানুষ এখন কতবার করে যাবে ৩০ কিলোমিটার দূরে শুনানি কেন্দ্রে। ইচ্ছাকৃতভাবে নির্বাচন কমিশন আমাদের বিপাকে ফেলছে। আমরা এর বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবো।" কটাক্ষ করে রাজ্যের পঞ্চায়েত গ্রামোন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বলেন,"ভোটার তালিকায় ধর্মীয় বিভাজন করছে বিজেপি মনোনীত নির্বাচন কমিশন। প্রথম থেকেই যোগ্য ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত করছে। আমাদের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আর আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুস্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যদি কোন যোগ্য ভোটারের নাম বাদ যায় তাহলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটা হবে। কিন্তু তারপরেও দেখা যাচ্ছে জাঠ গড়িয়ার মত বহু প্রাচীন গ্রামের মানুষদেরও শুনানির লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে। ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে মানুষ যোগ্য জবাব দেবে।" পাল্টা দুর্গাপুর পশ্চিমের বিজেপি বিধায়ক লক্ষণ ঘড়ুই বলেন,"তৃণমূল ভয় পেয়েছে বলেই উল্টোপাল্টা বকছে তৃণমূল। আমরা বলছি যারা অবৈধভাবে এখানে রয়েছে তাদের নাম বাদ দেওয়ার জন্যই এই পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যারা যোগ্য ভোটার যাদের কাছে সব নথি আছে তাদের কারণ নাম বাদ যাবেনা। কিন্তু তৃণমূল উল্টোপাল্টা বলেও রেহাই পাবে না। বাংলার মানুষ তৃণমূলের নাটক বুঝে যাচ্ছে।"1
- পড়ুয়াদের সরঞ্জাম সহ দরিদ্র পরিবারের পাশে দাঁড়ালো STEP নামক সংস্থা1
- स्वामी विवेकानंद की जयंती पर भाजयुमो ने निकाली रैली रानीगंज : स्वामी विवेकानंद के जयंती के अवसर पर आसनसोल जिला भारतीय जनता युवा मोर्चा की तरफ से रानीगंज रेलवे स्टेशन से एक रैली निकाली गई। इस रैली का नाम अभिलेख यात्रा रखा गया था। यह रैली रानीगंज रेलवे स्टेशन से निकली और तिलक रोड नेताजी मोड होकर फिर से रानीगंज रेलवे स्टेशन पर आकर समाप्त हुई। यहां युवा गर्जन सभा का भी आयोजन किया गया। इस मौके पर यहां भाजपा जिला अध्यक्ष देवतनु भट्टाचार्य, भारतीय जनता युवा मोर्चा के प्रदेश सचिव मुकुंद झा, राष्ट्रीय सदस्य विशाल त्रिवेदी, बाबन मंडल, अनिरुद्ध चक्रवर्ती, अभिक मंडल, अभिराज शर्मा, दिनेश सोनी, रानीगंज मंडल एक अध्यक्ष शमशेर सिंह, बिजन मुखर्जी, रानीगंज विधानसभा प्रभारी आशा शर्मा भी उपस्थित थे। इस मौके पर मुकुंद झा ने सभा को संबोधित करते हुए कहा कि स्वामी विवेकानंद ने एक ऐसे देश का सपना देखा था। जहां पर कोई भेदभाव नहीं होगा जहां पर सभी लोग आत्म सम्मान के साथ अपनी जिंदगी जिएंगे। उन्होंने कहा था कि हिंदू होने पर गर्व होना चाहिए लेकिन आज स्थिति ऐसी हो गई है कि अगर बंगाल में कोई कहता है कि वह हिंदू है तो ममता बनर्जी की पुलिस उसे गिरफ्तार कर लेगी। उन्होंने कहा कि इस तरह के बंगाल के कल्पना किसी ने नहीं की थी और अगर बंगाल को इस स्थिति से निकलना है तो सबको एकजुट होकर अगले विधानसभा चुनाव में प्रतिद्वंद्विता करनी होगी। उन्होंने कहा कि स्वामी विवेकानंद या नरेंद्र नाथ दत्त ने एक सपना देखा था और आज दिल्ली में बैठे एक और नरेंद्र बंगाल को नई दिशा देने का एक बार सपना देख रहे हैं जिसे हम सबको मिलकर पूरा करना है।1
- উন্নয়নের বার্তা নিয়ে মানুষের দুয়ারে তৃণমূল : ভরতপুরে বর্ণাঢ্য উন্নয়নের পাঁচালী কর্মসূচি1
- উন্নয়নের সংলাপ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হলো রামপুরহাট বিধানসভার অন্তর্গত খরুন অঞ্চলে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর অনুপ্রেরণায় উন্নয়নের সংলাপ কর্মসূচির আয়োজন করা হয় মঙ্গলবার দুপুরে রামপুরহাট 1 নম্বর ব্লকের খরুন অঞ্চলে । উপস্থিত ছিলেন রামপুরহাট পৌরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন ভকত সহ খরুন অঞ্চলের তৃণমূল নেতৃত্ব। এই কর্মসূচি মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে রাজ্যের উন্নয়নের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন তৃণমূল নেতৃত্ব1
- তারকেশ্বরে শুরু হলো প্রকৃতি উৎসব। #newsupdate #hooghly #Tarakeswar #tdbangla1
- আসানসোল পুরনিগমের ৪৪ নং ওয়ার্ডে কম্বল বিতরণ.......... আসানসোল, ১৩ জানুয়ারিঃ আসানসোল পুরনিগমের ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডে আসানসোল বাজার এলাকার সরকারি কুয়োর কাছে কম্বল বিতরণের এক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সেখানে প্রায় ২০০ জন দরিদ্র মানুষকে কম্বল বিতরণ করা হয়। এই অনুষ্ঠানে ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার তথা পুর চেয়ারম্যান অমরনাথ চট্টোপাধ্যায়, তৃণমূল কংগ্রেসের ওয়ার্ড সভাপতি মুকেশ শর্মা, বিমল জালান, ইমতিয়াজ খান সহ তৃণমূল কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অমরনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ অনুসারে তৃণমূল কংগ্রেস জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে। তাই এই তীব্র শীতের সময় এদিন কম্বল বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে কেন্দ্রীয় সরকার এবং নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গের জনগণকে হয়রানি করার জন্য এসআইআর বাস্তবায়নের প্রতিবাদ করছেন সে সম্পর্কেও সাধারণ মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে।1
- দীর্ঘ চার বছর পর দুর্গাপুরে ফের চালু হতে চলেছে বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র। নগরোন্নয়ন দপ্তরের উদ্যোগে পান্ডবেশ্বর বিধানসভার জেমুয়া পঞ্চায়েতের শঙ্করপুরে গড়ে উঠবে এই কেন্দ্র। এডিডিএয়ের দেওয়া ২৫ একর জমিতে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হবে অপচনশীল বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট। সোমবার কেন্দ্রের শিলান্যাস করেন মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার, নগরোন্নয়ন দপ্তরের বিশেষ সচিব ও সুডার ডাইরেক্টর জলি চৌধুরী এবং এডিডিএ চেয়ারম্যান কবি দত্ত। আগামী দেড় বছরের মধ্যে কাজ শুরু হবে। দৈনিক ১৬০ টন বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ হবে এখানে। ভবিষ্যতে সার ও সিএনজি গ্যাস উৎপাদনের সম্ভাবনার কথাও জানানো হয়েছে।1
- स्वामी विवेकानंद की जयंती पर भाजयुमो ने निकाली रैली रानीगंज : स्वामी विवेकानंद के जयंती के अवसर पर आसनसोल जिला भारतीय जनता युवा मोर्चा की तरफ से रानीगंज रेलवे स्टेशन से एक रैली निकाली गई। इस रैली का नाम अभिलेख यात्रा रखा गया था। यह रैली रानीगंज रेलवे स्टेशन से निकली और तिलक रोड नेताजी मोड होकर फिर से रानीगंज रेलवे स्टेशन पर आकर समाप्त हुई। यहां युवा गर्जन सभा का भी आयोजन किया गया। इस मौके पर यहां भाजपा जिला अध्यक्ष देवतनु भट्टाचार्य, भारतीय जनता युवा मोर्चा के प्रदेश सचिव मुकुंद झा, राष्ट्रीय सदस्य विशाल त्रिवेदी, बाबन मंडल, अनिरुद्ध चक्रवर्ती, अभिक मंडल, अभिराज शर्मा, दिनेश सोनी, रानीगंज मंडल एक अध्यक्ष शमशेर सिंह, बिजन मुखर्जी, रानीगंज विधानसभा प्रभारी आशा शर्मा भी उपस्थित थे। इस मौके पर मुकुंद झा ने सभा को संबोधित करते हुए कहा कि स्वामी विवेकानंद ने एक ऐसे देश का सपना देखा था। जहां पर कोई भेदभाव नहीं होगा जहां पर सभी लोग आत्म सम्मान के साथ अपनी जिंदगी जिएंगे। उन्होंने कहा था कि हिंदू होने पर गर्व होना चाहिए लेकिन आज स्थिति ऐसी हो गई है कि अगर बंगाल में कोई कहता है कि वह हिंदू है तो ममता बनर्जी की पुलिस उसे गिरफ्तार कर लेगी। उन्होंने कहा कि इस तरह के बंगाल के कल्पना किसी ने नहीं की थी और अगर बंगाल को इस स्थिति से निकलना है तो सबको एकजुट होकर अगले विधानसभा चुनाव में प्रतिद्वंद्विता करनी होगी। उन्होंने कहा कि स्वामी विवेकानंद या नरेंद्र नाथ दत्त ने एक सपना देखा था और आज दिल्ली में बैठे एक और नरेंद्र बंगाल को नई दिशा देने का एक बार सपना देख रहे हैं जिसे हम सबको मिलकर पूरा करना है।1