Shuru
Apke Nagar Ki App…
উন্নয়নের সংলাপ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হলো রামপুরহাট বিধানসভার অন্তর্গত খরুন অঞ্চলে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর অনুপ্রেরণায় উন্নয়নের সংলাপ কর্মসূচির আয়োজন করা হয় মঙ্গলবার দুপুরে রামপুরহাট 1 নম্বর ব্লকের খরুন অঞ্চলে । উপস্থিত ছিলেন রামপুরহাট পৌরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন ভকত সহ খরুন অঞ্চলের তৃণমূল নেতৃত্ব। এই কর্মসূচি মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে রাজ্যের উন্নয়নের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন তৃণমূল নেতৃত্ব
LOCAL VOICE
উন্নয়নের সংলাপ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হলো রামপুরহাট বিধানসভার অন্তর্গত খরুন অঞ্চলে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর অনুপ্রেরণায় উন্নয়নের সংলাপ কর্মসূচির আয়োজন করা হয় মঙ্গলবার দুপুরে রামপুরহাট 1 নম্বর ব্লকের খরুন অঞ্চলে । উপস্থিত ছিলেন রামপুরহাট পৌরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন ভকত সহ খরুন অঞ্চলের তৃণমূল নেতৃত্ব। এই কর্মসূচি মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে রাজ্যের উন্নয়নের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন তৃণমূল নেতৃত্ব
More news from Birbhum and nearby areas
- উন্নয়নের সংলাপ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হলো রামপুরহাট বিধানসভার অন্তর্গত খরুন অঞ্চলে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর অনুপ্রেরণায় উন্নয়নের সংলাপ কর্মসূচির আয়োজন করা হয় মঙ্গলবার দুপুরে রামপুরহাট 1 নম্বর ব্লকের খরুন অঞ্চলে । উপস্থিত ছিলেন রামপুরহাট পৌরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন ভকত সহ খরুন অঞ্চলের তৃণমূল নেতৃত্ব। এই কর্মসূচি মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে রাজ্যের উন্নয়নের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন তৃণমূল নেতৃত্ব1
- উন্নয়নের বার্তা নিয়ে মানুষের দুয়ারে তৃণমূল : ভরতপুরে বর্ণাঢ্য উন্নয়নের পাঁচালী কর্মসূচি1
- rc car new shop1
- Post by Babulal Sarkar1
- এসআইআর ইস্যুতে পাঁচ দফা দাবিতে লালবাগে নাগরিক মঞ্চের ডেপুটেশন1
- কুলটিতে বিসিসিএলের ওসিপিতে ধস/ অবৈধভাবে কয়লা তুলতে গিয়ে মৃত ৩, জখম দুজন, নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান.............. কুলটি ও আসানসোল, ১৩ জানুয়ারিঃ আবারও পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল কয়লাখনি এলাকায় বেআইনি বা অবৈধভাবে কয়লা তোলার সময় ধসের ঘটনা ঘটলো। এবার আসানসোলের কুলটি থানার বড়িরায় বিসিসিএলের খোলামুখ বা ওপেন কাস্ট কয়লাখনিতে (ওসিপি) এই ঘটনাটি ঘটেছে। পরিত্যক্ত এলাকায় নির্দেশ অমান্য করে অবৈধভাবে কয়লা তোলার সময় এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে। ঐ খোলামুখ কয়লাখনি ভেতরে সুড়ঙ্গ ধসে পড়ার এই ঘটনায় অন্ততঃ ছয় জন চাপা পড়ে যায় বলে আশঙ্কা করা হয়েছিলো । তার মধ্যে তিনজনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি দুজন আহত হয়েছে। একজনের ব্যাপারে সন্ধ্যেবেলা পর্যন্ত কিছু জানা যায়নি। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনাটি ঘটে। সকাল দশটার পরে তা জানাজানি হয়। স্বাভাবিক ভাবেই এই ঘটনায় গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে এলাকায় আসেন আসানসোল পুরনিগমের ৬৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অশোক কুমার পাসোয়ান। আসেন বড়িরা গ্রামের বাসিন্দা তৃনমুল কংগ্রেসের নেতা শুভাশিষ মুখোপাধ্যায়। তারা বলেন, আমরা খবর পেয়ে এলাকায় আসি। জানতে পারি, ৫/৬ জন এই খনি এলাকায় এদিন সকালে কয়লা তোলার জন্য নেমেছিলো। তখন ধসের ঘটনা ঘটে। তাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলা হচ্ছে। আহত হয়েছেন আরো দুজন। ঘটনার কথা বিসিসিএলকে বলা হলে, তারা উদ্ধারকাজ করে। এই ঘটনার পরে ঐ খনি এলাকা থেকে যে তিনজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়, তাদের মধ্যে একজন মহিলা রয়েছেন। দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে আসানসোল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো বলে এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছিলেন। কিন্তু তাদেরকে জেলা হাসপাতালে পাওয়া যায় নি। মনে করা হচ্ছে, তারা অন্য কোন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন । ঘটনায় খনি এলাকায় ধসে ভেতরে আরো কেউ আটকে বা চাপা পড়ে আছে থাকার আশঙ্কা করা হয়েছিলো। যে কারণে তাদের উদ্ধারের জন্য পোকলেন মেশিনের সাহায্যে উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে কুলটি থানার পুলিশ বাহিনী ও সিআইএসএফের জওয়ানরা যায়। কিন্তু বিকেল পর্যন্ত আর কাউকে সেখান থেকে পাওয়া যায় নি। দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বডিরা ওপেন কাস্ট খনির আশপাশে শতাধিক মানুষের ভিড় জমে যায়। মৃত ও নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরাও খনি এলাকায় পৌঁছে যান। প্রিয়জনদের খোঁজে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তাঁরা। অভিযোগ উঠেছে, কিছু কয়লা মাফিয়ার লোকজনেরা মৃতদের পরিবারের সদস্যদেরকে এলাকা থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে পরিবারগুলি অনড় থেকে প্রিয়জনদের এক ঝলক দেখার অপেক্ষায় ছিলেন। তাদের আশা, হয়তো এখনও কেউ জীবিত রয়েছেন। যাদেরকে পুলিশ প্রশাসন তাঁদের উদ্ধার করতে পারবে। সূত্রের খবর, যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে একজন বছর ৫০ র গীতা বাউরি। তিনি কুলটির লছমনপুরের বাসিন্দা। বাকি দুজন সুরেশ বাউরি আসানসোল উত্তর থানার কন্যাপুর ও টিপু মল্লিক কুুলটির লালবাজারের বাসিন্দা। গুরুতর জখম সুভাষ মল্লিক ও গোবিন্দ বাউরি কুলটির বডিরা গ্রামের বাসিন্দা। এই পাঁচজনের পরিবারের তরফেও কোন প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি। যদিও, পুলিশের তরফে এই ঘটনা নিয়ে সরাসরি কিছু বলা হয়নি। ঐ এলাকায় কিছু একটা ঘটনা ঘটেছে, এই খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ যায় বলে জানানো হয়েছে। বিসিসিএলের তরফেও একই মত পোষণ করা হয়েছে। তাদের তরফে আরো বলা হয়েছে, ঐ এলাকাটি পরিত্যক্ত ও বিপজ্জনক। সেখানে যে যাওয়া যায় না, তা মাইকিং করে জানানো হয়েছে। রাস্তা থেকে ঐ এলাকা ৩৫০ ফুট নিচে। উল্লেখ্য, বডিরার এই কয়লাখনিতে আগেও একাধিকবার ধসে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তবুও কয়লা মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য থামেনি। অভিযোগ, প্রতিদিনই ৩ থেকে ৪ ট্রাক অবৈধ কয়লা তুলে আশপাশের কয়লা ভাটায় পাচার করা হচ্ছে। এই ঘটনায় ফের একবার কয়লাখনির নিরাপত্তা ও অবৈধ কয়লা তোলা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।1
- নাকাশিপাড়া পঞ্চায়েত প্রধানকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ পরে ডেপুটেশন ঘটনাস্থলে পুলিশ1
- Post by Babulal Sarkar1