logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…
  • Latest News
  • News
  • Politics
  • Elections
  • Viral
  • Astrology
  • Horoscope in Hindi
  • Horoscope in English
  • Latest Political News
logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…

5 hrs ago
user_Babulal Sarkar
Babulal Sarkar
Berhampore, Murshidabad•
5 hrs ago

More news from Paschim Bardhaman and nearby areas
  • কুলটিতে বিসিসিএলের ওসিপিতে ধস/ অবৈধভাবে কয়লা তুলতে গিয়ে মৃত ৩, জখম দুজন, নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান.............. কুলটি ও আসানসোল, ১৩ জানুয়ারিঃ আবারও পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল কয়লাখনি এলাকায় বেআইনি বা অবৈধভাবে কয়লা তোলার সময় ধসের ঘটনা ঘটলো। এবার আসানসোলের কুলটি থানার বড়িরায় বিসিসিএলের খোলামুখ বা ওপেন কাস্ট কয়লাখনিতে (ওসিপি) এই ঘটনাটি ঘটেছে। পরিত্যক্ত এলাকায় নির্দেশ অমান্য করে অবৈধভাবে কয়লা তোলার সময় এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে। ঐ খোলামুখ কয়লাখনি ভেতরে সুড়ঙ্গ ধসে পড়ার এই ঘটনায় অন্ততঃ ছয় জন চাপা পড়ে যায় বলে আশঙ্কা করা হয়েছিলো । তার মধ্যে তিনজনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি দুজন আহত হয়েছে। একজনের ব্যাপারে সন্ধ্যেবেলা পর্যন্ত কিছু জানা যায়নি। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনাটি ঘটে। সকাল দশটার পরে তা জানাজানি হয়। স্বাভাবিক ভাবেই এই ঘটনায় গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে এলাকায় আসেন আসানসোল পুরনিগমের ৬৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অশোক কুমার পাসোয়ান। আসেন বড়িরা গ্রামের বাসিন্দা তৃনমুল কংগ্রেসের নেতা শুভাশিষ মুখোপাধ্যায়। তারা বলেন, আমরা খবর পেয়ে এলাকায় আসি। জানতে পারি, ৫/৬ জন এই খনি এলাকায় এদিন সকালে কয়লা তোলার জন্য নেমেছিলো। তখন ধসের ঘটনা ঘটে। তাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলা হচ্ছে। আহত হয়েছেন আরো দুজন। ঘটনার কথা বিসিসিএলকে বলা হলে, তারা উদ্ধারকাজ করে। এই ঘটনার পরে ঐ খনি এলাকা থেকে যে তিনজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়, তাদের মধ্যে একজন মহিলা রয়েছেন। দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে আসানসোল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো বলে এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছিলেন। কিন্তু তাদেরকে জেলা হাসপাতালে পাওয়া যায় নি। মনে করা হচ্ছে, তারা অন্য কোন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন । ঘটনায় খনি এলাকায় ধসে ভেতরে আরো কেউ আটকে বা চাপা পড়ে আছে থাকার আশঙ্কা করা হয়েছিলো। যে কারণে তাদের উদ্ধারের জন্য পোকলেন মেশিনের সাহায্যে উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে কুলটি থানার পুলিশ বাহিনী ও সিআইএসএফের জওয়ানরা যায়। কিন্তু বিকেল পর্যন্ত আর কাউকে সেখান থেকে পাওয়া যায় নি। দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বডিরা ওপেন কাস্ট খনির আশপাশে শতাধিক মানুষের ভিড় জমে যায়। মৃত ও নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরাও খনি এলাকায় পৌঁছে যান। প্রিয়জনদের খোঁজে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তাঁরা। অভিযোগ উঠেছে, কিছু কয়লা মাফিয়ার লোকজনেরা মৃতদের পরিবারের সদস্যদেরকে এলাকা থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে পরিবারগুলি অনড় থেকে প্রিয়জনদের এক ঝলক দেখার অপেক্ষায় ছিলেন। তাদের আশা, হয়তো এখনও কেউ জীবিত রয়েছেন। যাদেরকে পুলিশ প্রশাসন তাঁদের উদ্ধার করতে পারবে। সূত্রের খবর, যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে একজন বছর ৫০ র গীতা বাউরি। তিনি কুলটির লছমনপুরের বাসিন্দা। বাকি দুজন সুরেশ বাউরি আসানসোল উত্তর থানার কন্যাপুর ও টিপু মল্লিক কুুলটির লালবাজারের বাসিন্দা। গুরুতর জখম সুভাষ মল্লিক ও গোবিন্দ বাউরি কুলটির বডিরা গ্রামের বাসিন্দা। এই পাঁচজনের পরিবারের তরফেও কোন প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি। যদিও, পুলিশের তরফে এই ঘটনা নিয়ে সরাসরি কিছু বলা হয়নি। ঐ এলাকায় কিছু একটা ঘটনা ঘটেছে, এই খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ যায় বলে জানানো হয়েছে। বিসিসিএলের তরফেও একই মত পোষণ করা হয়েছে। তাদের তরফে আরো বলা হয়েছে, ঐ এলাকাটি পরিত্যক্ত ও বিপজ্জনক। সেখানে যে যাওয়া যায় না, তা মাইকিং করে জানানো হয়েছে। রাস্তা থেকে ঐ এলাকা ৩৫০ ফুট নিচে। উল্লেখ্য, বডিরার এই কয়লাখনিতে আগেও একাধিকবার ধসে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তবুও কয়লা মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য থামেনি। অভিযোগ, প্রতিদিনই ৩ থেকে ৪ ট্রাক অবৈধ কয়লা তুলে আশপাশের কয়লা ভাটায় পাচার করা হচ্ছে। এই ঘটনায় ফের একবার কয়লাখনির নিরাপত্তা ও অবৈধ কয়লা তোলা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
    1
    কুলটিতে বিসিসিএলের ওসিপিতে ধস/ অবৈধভাবে কয়লা তুলতে গিয়ে মৃত ৩, জখম দুজন, নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান.............. কুলটি ও আসানসোল, ১৩ জানুয়ারিঃ আবারও পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল কয়লাখনি এলাকায় বেআইনি বা অবৈধভাবে কয়লা তোলার সময় ধসের ঘটনা ঘটলো। এবার আসানসোলের কুলটি থানার বড়িরায় বিসিসিএলের খোলামুখ বা ওপেন কাস্ট কয়লাখনিতে (ওসিপি) এই ঘটনাটি ঘটেছে। পরিত্যক্ত এলাকায় নির্দেশ অমান্য করে অবৈধভাবে কয়লা তোলার সময় এই দুর্ঘটনাটি  ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে। ঐ খোলামুখ কয়লাখনি ভেতরে সুড়ঙ্গ ধসে পড়ার এই ঘটনায় অন্ততঃ ছয় জন চাপা পড়ে যায় বলে আশঙ্কা করা হয়েছিলো । তার মধ্যে তিনজনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি দুজন আহত হয়েছে। একজনের ব্যাপারে সন্ধ্যেবেলা পর্যন্ত কিছু জানা যায়নি। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনাটি ঘটে। সকাল দশটার পরে তা জানাজানি হয়। স্বাভাবিক ভাবেই এই ঘটনায় গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে এলাকায় আসেন আসানসোল পুরনিগমের ৬৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অশোক কুমার পাসোয়ান। আসেন বড়িরা গ্রামের বাসিন্দা তৃনমুল কংগ্রেসের নেতা শুভাশিষ মুখোপাধ্যায়। 
তারা বলেন, আমরা খবর পেয়ে এলাকায় আসি। জানতে পারি, ৫/৬ জন এই খনি এলাকায় এদিন সকালে কয়লা তোলার জন্য নেমেছিলো। তখন ধসের ঘটনা ঘটে। তাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলা হচ্ছে। আহত হয়েছেন আরো দুজন। ঘটনার কথা বিসিসিএলকে বলা হলে, তারা উদ্ধারকাজ করে। 
এই ঘটনার পরে ঐ খনি এলাকা থেকে যে তিনজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়, তাদের মধ্যে একজন মহিলা রয়েছেন। দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে আসানসোল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো বলে এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছিলেন। কিন্তু তাদেরকে জেলা হাসপাতালে পাওয়া যায় নি। মনে করা হচ্ছে, তারা অন্য কোন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ।
ঘটনায় খনি এলাকায় ধসে ভেতরে আরো কেউ আটকে বা চাপা পড়ে আছে থাকার আশঙ্কা করা হয়েছিলো। যে কারণে তাদের উদ্ধারের জন্য পোকলেন মেশিনের সাহায্যে উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে কুলটি থানার পুলিশ বাহিনী ও সিআইএসএফের জওয়ানরা যায়। কিন্তু বিকেল পর্যন্ত আর কাউকে সেখান থেকে পাওয়া যায় নি। 
দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বডিরা ওপেন কাস্ট খনির আশপাশে শতাধিক মানুষের ভিড় জমে যায়। মৃত ও নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরাও খনি এলাকায় পৌঁছে যান। প্রিয়জনদের খোঁজে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তাঁরা। অভিযোগ উঠেছে, কিছু কয়লা মাফিয়ার লোকজনেরা মৃতদের পরিবারের সদস্যদেরকে এলাকা থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে পরিবারগুলি অনড় থেকে প্রিয়জনদের এক ঝলক দেখার অপেক্ষায় ছিলেন। তাদের আশা, হয়তো এখনও কেউ জীবিত রয়েছেন। যাদেরকে পুলিশ প্রশাসন তাঁদের উদ্ধার করতে পারবে।
সূত্রের খবর, যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে একজন বছর ৫০ র গীতা বাউরি। তিনি কুলটির লছমনপুরের বাসিন্দা। বাকি দুজন সুরেশ বাউরি আসানসোল উত্তর থানার কন্যাপুর ও টিপু মল্লিক কুুলটির লালবাজারের বাসিন্দা। গুরুতর জখম সুভাষ মল্লিক ও গোবিন্দ বাউরি কুলটির বডিরা গ্রামের বাসিন্দা।
এই পাঁচজনের পরিবারের তরফেও কোন প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।
যদিও, পুলিশের তরফে এই ঘটনা নিয়ে সরাসরি কিছু বলা হয়নি। ঐ এলাকায় কিছু একটা ঘটনা ঘটেছে, এই খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ যায় বলে জানানো হয়েছে।
বিসিসিএলের তরফেও একই মত পোষণ করা হয়েছে। তাদের তরফে আরো বলা হয়েছে, ঐ এলাকাটি পরিত্যক্ত ও বিপজ্জনক। সেখানে যে যাওয়া যায় না, তা মাইকিং করে জানানো হয়েছে। রাস্তা থেকে ঐ এলাকা ৩৫০ ফুট নিচে।
উল্লেখ্য, বডিরার এই কয়লাখনিতে আগেও একাধিকবার ধসে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তবুও কয়লা মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য থামেনি। অভিযোগ, প্রতিদিনই ৩ থেকে ৪ ট্রাক অবৈধ কয়লা তুলে আশপাশের কয়লা ভাটায় পাচার করা হচ্ছে। এই ঘটনায় ফের একবার কয়লাখনির নিরাপত্তা ও অবৈধ কয়লা তোলা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
    user_S kumar
    S kumar
    Photographer Kanksa, Paschim Bardhaman•
    2 hrs ago
  • দু’দিন পরেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ রয়েছে। তবুও এখনও মৃত, অনুপ্রবেশকারী ভোটারদের নাম কাটা হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলে ধরনায় বসলেন হবিবপুরের বিজেপির জেলা পরিষদ সদস্য তারাশঙ্কর রায়। আজ মালদা জেলা প্রশাসনিক ভবনে গিয়ে হবিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা ERO রাজু মন্ডলের ঘরের সামনে ধরনায় বসেন বিজেপির জেলা পরিষদের সদস্য তারাশঙ্কর রায়। তার অভিযোগ ERO তাদের অভিযোগ জমা নিচ্ছে না। তাই আজ তারা ফরম সেভেন নিয়ে ধরনায় বসেছেন। তার জেলা পরিষদ এলাকায় প্রায় পাঁচ হাজার মৃত এবং বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী রয়েছে। অথচ আশ্চর্যজনকভাবে খসড়া তালিকায় তাদের প্রত্যেকের নাম রয়েছে। তাদের নাম না কেটে রেখে দেওয়া হয়েছে। এদের ভোটার তালিকায় রেখে দিতে পারলে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের লাভ বলে অভিযোগ করেন বিজেপি নেতা তারাশঙ্কর রায়। সেই সঙ্গে একই অভিযোগ করে সোচ্চার হোন মালদহের ইংলিশ বাজার বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী। আপনি সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন তার বিধানসভা এলাকায় প্রায় ১৫০০ থেকে ২০০০ ফরম সেভেন রয়েছে। ERO কাছে তা জমা দিতে যাওয়া হলে তার নিচ্ছে না। এই নিয়ে আগামীতে আন্দোলনে নামছে বিজেপি বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এই বিষয়ে শাসক দল তৃণমূলের দাবি, সমস্ত প্রক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশনের অধীনে। এখানে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার জন্য এই ধরনের কথাবার্তা বলছে বিজেপি বলে কটাক্ষ তৃণমূলের।
    1
    দু’দিন পরেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ রয়েছে। তবুও এখনও মৃত, অনুপ্রবেশকারী ভোটারদের নাম কাটা হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলে ধরনায় বসলেন হবিবপুরের বিজেপির জেলা পরিষদ সদস্য তারাশঙ্কর রায়। আজ মালদা জেলা প্রশাসনিক ভবনে গিয়ে হবিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা ERO রাজু মন্ডলের ঘরের সামনে ধরনায় বসেন বিজেপির জেলা পরিষদের সদস্য তারাশঙ্কর রায়। তার অভিযোগ ERO তাদের অভিযোগ জমা নিচ্ছে না।  তাই আজ তারা ফরম সেভেন নিয়ে ধরনায় বসেছেন। তার জেলা পরিষদ এলাকায় প্রায় পাঁচ হাজার মৃত এবং বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী রয়েছে। অথচ আশ্চর্যজনকভাবে খসড়া তালিকায় তাদের প্রত্যেকের নাম রয়েছে। তাদের নাম না কেটে রেখে দেওয়া হয়েছে। এদের ভোটার তালিকায় রেখে দিতে পারলে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের লাভ বলে অভিযোগ করেন বিজেপি নেতা তারাশঙ্কর রায়। 
সেই সঙ্গে একই অভিযোগ করে সোচ্চার হোন মালদহের ইংলিশ বাজার বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী। আপনি সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন তার বিধানসভা এলাকায় প্রায়  ১৫০০ থেকে ২০০০ ফরম সেভেন রয়েছে। ERO কাছে তা জমা দিতে যাওয়া হলে তার নিচ্ছে না। এই নিয়ে আগামীতে আন্দোলনে নামছে বিজেপি বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এই বিষয়ে শাসক দল তৃণমূলের দাবি, সমস্ত প্রক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশনের অধীনে। এখানে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার জন্য এই ধরনের কথাবার্তা বলছে বিজেপি বলে কটাক্ষ তৃণমূলের।
    user_Malda News
    Malda News
    English Bazar, Maldah•
    6 hrs ago
  • 🙏😘♥️ sushil Singh durgapur YouTube 🙏♥️😘 Benachity durgapur
    1
    🙏😘♥️ sushil Singh durgapur YouTube 🙏♥️😘 Benachity durgapur
    user_User5654
    User5654
    Photographer Faridpur Durgapur, Paschim Bardhaman•
    8 hrs ago
  • পৌষ মাসের শেষ মঙ্গলবার ব্যাপক ভক্ত সমাগম গুপ্তিপাড়ার দেশকালীকা মন্দিরে লাল রঙের জোড়া মূলা দিয়ে পুজো দেওয়াটাই প্রথা
    1
    পৌষ মাসের শেষ মঙ্গলবার 
ব্যাপক ভক্ত সমাগম  গুপ্তিপাড়ার 
দেশকালীকা মন্দিরে 
লাল রঙের জোড়া মূলা
দিয়ে পুজো দেওয়াটাই প্রথা
    user_Journalist  Chiranjib  Chatterjee
    Journalist Chiranjib Chatterjee
    Journalist Balagarh, Hooghly•
    12 hrs ago
  • মকর সংক্রান্তিকে ঘিরে বীরভূমের জয়দেব মেলায় পুণ্যার্থীদের ঢল নামতে শুরু করতেই আঁটোসাটো নিরাপত্তায় মুড়লো গোটা এলাকা। জয়দেব পদ্মাবতীর রাধা বিনোদের মন্দিরকে কেন্দ্র করে লক্ষাধিক ভক্তের সমাগমের কথা মাথায় রেখে প্রশাসনের তরফে নেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ সতর্কতা।বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পুণ্যার্থীরা কাঁকসার বিদ বিহারের নবগ্রামের অজয় ঘাট হয়ে মেলামুখী হচ্ছেন। সেই পথকেই নিরাপত্তার বিশেষ করিডর হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। বীরভূম জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি পশ্চিম বর্ধমান জেলা প্রশাসন যৌথভাবে পরিস্থিতির উপর কড়া নজরদারি চালাচ্ছে।নবগ্রামে গড়ে তোলা হয়েছে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প, অস্থায়ী পঞ্চায়েত কার্যালয় ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র।আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের বিপুল সংখ্যক পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে মেলা ও সংলগ্ন এলাকায়।নিরাপত্তা জোরদার করতে বসানো হয়েছে পঞ্চাশেরও বেশি সিসি ক্যামেরা, গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ব্যারিকেডিং করা হয়েছে।অজয় নদের বিপজ্জনক অংশগুলিতে সতর্কতামূলক বোর্ড লাগানো হয়েছে। পাশাপাশি ড্রোনের মাধ্যমেও আকাশপথে নজরদারি চালানো হবে। সব মিলিয়ে, নির্বিঘ্নে পুণ্যস্নান ও মেলা উপভোগ করতে যাতে কোনও বিঘ্ন না ঘটে, সে জন্য প্রশাসনের প্রস্তুতি এবার একেবারে প্রশ্নাতীত। বিদবিহার গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান গোপাল সরকার বলেন,"পঞ্চায়েতের তরফ থেকে নির্মল বাংলার একাধিক ব্যানার দেওয়া হয়েছে। মেলায় যাতে আবর্জনা না হয় অজয়। নদ যাতে দূষণ না হয় সেজন্য সতর্কতা করা হচ্ছে। পঞ্চায়েত সদস্যরা নজরদারির মধ্যে রাখছে গোটা মেলা চত্বর। পুলিশ প্রশাসনেরও সহযোগিতা রয়েছে।"
    1
    মকর সংক্রান্তিকে ঘিরে বীরভূমের জয়দেব মেলায় পুণ্যার্থীদের ঢল নামতে শুরু করতেই আঁটোসাটো নিরাপত্তায় মুড়লো গোটা এলাকা। জয়দেব পদ্মাবতীর রাধা বিনোদের মন্দিরকে কেন্দ্র করে লক্ষাধিক ভক্তের সমাগমের কথা মাথায় রেখে প্রশাসনের তরফে নেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ সতর্কতা।বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পুণ্যার্থীরা কাঁকসার বিদ বিহারের নবগ্রামের অজয় ঘাট হয়ে মেলামুখী হচ্ছেন। সেই পথকেই নিরাপত্তার বিশেষ করিডর হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। বীরভূম জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি পশ্চিম বর্ধমান জেলা প্রশাসন যৌথভাবে পরিস্থিতির উপর কড়া নজরদারি চালাচ্ছে।নবগ্রামে গড়ে তোলা হয়েছে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প, অস্থায়ী পঞ্চায়েত কার্যালয় ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র।আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের বিপুল সংখ্যক পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে মেলা ও সংলগ্ন এলাকায়।নিরাপত্তা জোরদার করতে বসানো হয়েছে পঞ্চাশেরও বেশি সিসি ক্যামেরা, গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ব্যারিকেডিং করা হয়েছে।অজয় নদের বিপজ্জনক অংশগুলিতে সতর্কতামূলক বোর্ড লাগানো হয়েছে। পাশাপাশি ড্রোনের মাধ্যমেও আকাশপথে নজরদারি চালানো হবে। সব মিলিয়ে, নির্বিঘ্নে পুণ্যস্নান ও মেলা উপভোগ করতে যাতে কোনও বিঘ্ন না ঘটে, সে জন্য প্রশাসনের প্রস্তুতি এবার একেবারে প্রশ্নাতীত। বিদবিহার গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান গোপাল সরকার বলেন,"পঞ্চায়েতের তরফ থেকে নির্মল বাংলার একাধিক ব্যানার দেওয়া হয়েছে। মেলায় যাতে আবর্জনা না হয় অজয়। নদ যাতে দূষণ না হয় সেজন্য সতর্কতা করা হচ্ছে। পঞ্চায়েত সদস্যরা নজরদারির মধ্যে রাখছে গোটা মেলা চত্বর। পুলিশ প্রশাসনেরও সহযোগিতা রয়েছে।"
    user_Sanatan Garai
    Sanatan Garai
    দুর্গাপুর, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিমবঙ্গ•
    12 hrs ago
  • आसनसोल :आज आसनसोल में जीटी रोड के पास स्थित सेंट जोसेफ स्कूल के छात्रों ने पथ अवरोध कर विरोध प्रदर्शन किया। उनका कहना है कि स्कूल की ओर से उन पर दबाव डाला जा रहा है कि वे क्लास ट्वेल्व की परीक्षा देने से पहले एक मॉक टेस्ट दें, जिसका नाम सेंटाप टेस्ट रखा गया है, जिसके लिए पांच हजार रुपये मांगे जा रहे हैं। छात्रों का आरोप है कि स्कूल की ओर से कहा गया है कि अगर वे इस सेंटाप परीक्षा के लिए पांच हजार रुपये जमा नहीं करते हैं, तो जब वे उच्च माध्यमिक परीक्षा के लिए बैठेंगे, तो उनका एडमिट कार्ड रोक दिया जाएगा। इसके विरोध में आज सेंट जोसेफ स्कूल के छात्रों ने पथ अवरोध किया और कहा कि जब राज्य सरकार की ओर से यह नियम बनाया गया है कि सेंटाप परीक्षा देना अनिवार्य नहीं है, तो उन्हें ऐसा करने के लिए मजबूर क्यों किया जा रहा है। हालांकि, इस मामले में जब हमने स्कूल के कॉमर्स के शिक्षक से बात की, तो उन्होंने कहा कि किसी भी छात्र को मजबूर नहीं किया जा रहा है और एडमिट कार्ड रोकने की धमकी भी नहीं दी गई है। लेकिन जब हमने स्कूल के हेडमास्टर से बात करने की कोशिश की, तो उन्होंने कोई प्रतिक्रिया देने से इनकार कर दिया।
    1
    आसनसोल   :आज आसनसोल में जीटी रोड के पास स्थित सेंट जोसेफ स्कूल के छात्रों ने पथ अवरोध कर विरोध प्रदर्शन किया। उनका कहना है कि स्कूल की ओर से उन पर दबाव डाला जा रहा है कि वे क्लास ट्वेल्व की परीक्षा देने से पहले एक मॉक टेस्ट दें, जिसका नाम सेंटाप टेस्ट रखा गया है, जिसके लिए पांच हजार रुपये मांगे जा रहे हैं।
छात्रों का आरोप है कि स्कूल की ओर से कहा गया है कि अगर वे इस सेंटाप परीक्षा के लिए पांच हजार रुपये जमा नहीं करते हैं, तो जब वे उच्च माध्यमिक परीक्षा के लिए बैठेंगे, तो उनका एडमिट कार्ड रोक दिया जाएगा। इसके विरोध में आज सेंट जोसेफ स्कूल के छात्रों ने पथ अवरोध किया और कहा कि जब राज्य सरकार की ओर से यह नियम बनाया गया है कि सेंटाप परीक्षा देना अनिवार्य नहीं है, तो उन्हें ऐसा करने के लिए मजबूर क्यों किया जा रहा है।
हालांकि, इस मामले में जब हमने स्कूल के कॉमर्स के शिक्षक से बात की, तो उन्होंने कहा कि किसी भी छात्र को मजबूर नहीं किया जा रहा है और एडमिट कार्ड रोकने की धमकी भी नहीं दी गई है। लेकिन जब हमने स्कूल के हेडमास्टर से बात करने की कोशिश की, तो उन्होंने कोई प्रतिक्रिया देने से इनकार कर दिया।
    user_Biju reporter
    Biju reporter
    Photographer বারাবনি, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিমবঙ্গ•
    6 hrs ago
  • Post by Babulal Sarkar
    1
    Post by Babulal Sarkar
    user_Babulal Sarkar
    Babulal Sarkar
    Berhampore, Murshidabad•
    6 hrs ago
  • আসানসোল পুরনিগমের ৪৪ নং ওয়ার্ডে কম্বল বিতরণ.......... আসানসোল, ১৩ জানুয়ারিঃ আসানসোল পুরনিগমের ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডে আসানসোল বাজার এলাকার সরকারি কুয়োর কাছে কম্বল বিতরণের এক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সেখানে প্রায় ২০০ জন দরিদ্র মানুষকে কম্বল বিতরণ করা হয়। এই অনুষ্ঠানে ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার তথা পুর চেয়ারম্যান অমরনাথ চট্টোপাধ্যায়, তৃণমূল কংগ্রেসের ওয়ার্ড সভাপতি মুকেশ শর্মা, বিমল জালান, ইমতিয়াজ খান সহ তৃণমূল কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অমরনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ অনুসারে তৃণমূল কংগ্রেস জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে। তাই এই তীব্র শীতের সময় এদিন কম্বল বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে কেন্দ্রীয় সরকার এবং নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গের জনগণকে হয়রানি করার জন্য এসআইআর বাস্তবায়নের প্রতিবাদ করছেন সে সম্পর্কেও সাধারণ মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে।
    1
    আসানসোল পুরনিগমের ৪৪ নং ওয়ার্ডে কম্বল বিতরণ..........  আসানসোল, ১৩ জানুয়ারিঃ আসানসোল পুরনিগমের ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডে আসানসোল বাজার এলাকার সরকারি কুয়োর কাছে কম্বল বিতরণের এক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সেখানে প্রায় ২০০ জন দরিদ্র মানুষকে কম্বল বিতরণ করা হয়। এই অনুষ্ঠানে ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার তথা পুর চেয়ারম্যান অমরনাথ চট্টোপাধ্যায়, তৃণমূল কংগ্রেসের ওয়ার্ড সভাপতি মুকেশ শর্মা, বিমল জালান, ইমতিয়াজ খান সহ তৃণমূল কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অমরনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ অনুসারে তৃণমূল কংগ্রেস জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে। তাই এই তীব্র শীতের সময় এদিন কম্বল বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন,  অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে কেন্দ্রীয় সরকার এবং নির্বাচন কমিশন  পশ্চিমবঙ্গের জনগণকে হয়রানি করার জন্য এসআইআর বাস্তবায়নের প্রতিবাদ করছেন সে সম্পর্কেও সাধারণ মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে।
    user_S kumar
    S kumar
    Photographer Kanksa, Paschim Bardhaman•
    2 hrs ago
  • দু’দিন পরেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ রয়েছে। তবুও এখনও মৃত, অনুপ্রবেশকারী ভোটারদের নাম কাটা হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলে ধরনায় বসলেন হবিবপুরের বিজেপির জেলা পরিষদ সদস্য তারাশঙ্কর রায়। আজ মালদা জেলা প্রশাসনিক ভবনে গিয়ে হবিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা ERO রাজু মন্ডলের ঘরের সামনে ধরনায় বসেন বিজেপির জেলা পরিষদের সদস্য তারাশঙ্কর রায়। তার অভিযোগ ERO তাদের অভিযোগ জমা নিচ্ছে না। তাই আজ তারা ফরম সেভেন নিয়ে ধরনায় বসেছেন। তার জেলা পরিষদ এলাকায় প্রায় পাঁচ হাজার মৃত এবং বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী রয়েছে। অথচ আশ্চর্যজনকভাবে খসড়া তালিকায় তাদের প্রত্যেকের নাম রয়েছে। তাদের নাম না কেটে রেখে দেওয়া হয়েছে। এদের ভোটার তালিকায় রেখে দিতে পারলে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের লাভ বলে অভিযোগ করেন বিজেপি নেতা তারাশঙ্কর রায়। সেই সঙ্গে একই অভিযোগ করে সোচ্চার হোন মালদহের ইংলিশ বাজার বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী। আপনি সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন তার বিধানসভা এলাকায় প্রায় ১৫০০ থেকে ২০০০ ফরম সেভেন রয়েছে। ERO কাছে তা জমা দিতে যাওয়া হলে তার নিচ্ছে না। এই নিয়ে আগামীতে আন্দোলনে নামছে বিজেপি বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এই বিষয়ে শাসক দল তৃণমূলের দাবি, সমস্ত প্রক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশনের অধীনে। এখানে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার জন্য এই ধরনের কথাবার্তা বলছে বিজেপি বলে কটাক্ষ তৃণমূলের।
    1
    দু’দিন পরেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ রয়েছে। তবুও এখনও মৃত, অনুপ্রবেশকারী ভোটারদের নাম কাটা হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলে ধরনায় বসলেন হবিবপুরের বিজেপির জেলা পরিষদ সদস্য তারাশঙ্কর রায়। আজ মালদা জেলা প্রশাসনিক ভবনে গিয়ে হবিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা ERO রাজু মন্ডলের ঘরের সামনে ধরনায় বসেন বিজেপির জেলা পরিষদের সদস্য তারাশঙ্কর রায়। তার অভিযোগ ERO তাদের অভিযোগ জমা নিচ্ছে না।  তাই আজ তারা ফরম সেভেন নিয়ে ধরনায় বসেছেন। তার জেলা পরিষদ এলাকায় প্রায় পাঁচ হাজার মৃত এবং বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী রয়েছে। অথচ আশ্চর্যজনকভাবে খসড়া তালিকায় তাদের প্রত্যেকের নাম রয়েছে। তাদের নাম না কেটে রেখে দেওয়া হয়েছে। এদের ভোটার তালিকায় রেখে দিতে পারলে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের লাভ বলে অভিযোগ করেন বিজেপি নেতা তারাশঙ্কর রায়। 
সেই সঙ্গে একই অভিযোগ করে সোচ্চার হোন মালদহের ইংলিশ বাজার বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী। আপনি সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন তার বিধানসভা এলাকায় প্রায়  ১৫০০ থেকে ২০০০ ফরম সেভেন রয়েছে। ERO কাছে তা জমা দিতে যাওয়া হলে তার নিচ্ছে না। এই নিয়ে আগামীতে আন্দোলনে নামছে বিজেপি বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এই বিষয়ে শাসক দল তৃণমূলের দাবি, সমস্ত প্রক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশনের অধীনে। এখানে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার জন্য এই ধরনের কথাবার্তা বলছে বিজেপি বলে কটাক্ষ তৃণমূলের।
    user_Malda News
    Malda News
    English Bazar, Maldah•
    6 hrs ago
View latest news on Shuru App
Download_Android
  • Terms & Conditions
  • Career
  • Privacy Policy
  • Blogs
Shuru, a product of Close App Private Limited.