জনজোয়ারে ভাসছেন তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান (সুমন) : ভরতপুরে শেষ মুহূর্তের প্রচারে তুঙ্গে উন্মাদনা। রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের আর মাত্র ৯ দিন বাকি, তাই জয়ের লক্ষ্যে প্রচারের ময়দানে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে নারাজ ৬৯ ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমন। রবিবার সকাল থেকেই ভরতপুর-১ নম্বর ব্লকের ভরতপুর পঞ্চায়েত এলাকার ডাঙ্গাপাড়া, মসজিদপাড়া, দিঘিরপাড়া, নতুনপাড়া, সেখপাড়া, সল্লাপাড়া, মীরাপাড়া, সুরপাড়া এবং সুন্দিপুর ঝিকড়া সহ বিস্তীর্ণ গ্রামে ঝোড়ো প্রচার চালান তিনি। মানুষের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে সৌজন্য বিনিময়ের পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনমুখী প্রকল্পগুলির সুফল তুলে ধরে জোড়াফুল প্রতীকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানান প্রার্থী। প্রচার চলাকালীন সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বতঃস্ফূর্ত উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো; কোথাও পুষ্পবৃষ্টি ও মালা পরিয়ে বরণ, আবার কোথাও প্রার্থীকে ঘরে নিয়ে গিয়ে সস্নেহে আশীর্বাদ ও মিষ্টিমুখ করান আপামর জনতা। বাজনার তালে আর দলীয় স্লোগানের মেজাজে ঘরের ছেলেকে একনজর দেখতে ভিড় জমান আবালবৃদ্ধবনিতা। এদিন প্রার্থীর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভরতপুর-১ নম্বর ব্লক তৃণমূল সভাপতি নজরুল ইসলাম, আই.এন.টি.টি.ইউ.সি-র জেলা সহ-সভাপতি আব্দুল বারী, অঞ্চল সভাপতি সাহদুল্লাহ সেখ, যুব সভাপতি মহঃ রানা, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য শাহিদুল ইসলাম এবং মহিলা ব্লক সভাপতি আহানা সুলতানা সহ অঞ্চলের সমস্ত প্রথম সারির নেতৃত্ব ও কর্মী-সমর্থকরা। সব মিলিয়ে, নির্বাচনের প্রাক্কালে ভরতপুরের এই নিবিড় জনসংযোগ শাসক শিবিরের আত্মবিশ্বাসকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
জনজোয়ারে ভাসছেন তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান (সুমন) : ভরতপুরে শেষ মুহূর্তের প্রচারে তুঙ্গে উন্মাদনা। রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের আর মাত্র ৯ দিন বাকি, তাই জয়ের লক্ষ্যে প্রচারের ময়দানে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে নারাজ ৬৯ ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমন। রবিবার সকাল থেকেই ভরতপুর-১ নম্বর ব্লকের ভরতপুর পঞ্চায়েত এলাকার ডাঙ্গাপাড়া, মসজিদপাড়া, দিঘিরপাড়া, নতুনপাড়া, সেখপাড়া, সল্লাপাড়া, মীরাপাড়া, সুরপাড়া এবং সুন্দিপুর ঝিকড়া সহ বিস্তীর্ণ গ্রামে ঝোড়ো প্রচার চালান তিনি। মানুষের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে সৌজন্য বিনিময়ের পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনমুখী প্রকল্পগুলির সুফল তুলে ধরে জোড়াফুল প্রতীকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানান প্রার্থী। প্রচার চলাকালীন সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বতঃস্ফূর্ত উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো; কোথাও পুষ্পবৃষ্টি ও মালা পরিয়ে বরণ, আবার কোথাও প্রার্থীকে ঘরে নিয়ে গিয়ে সস্নেহে আশীর্বাদ ও মিষ্টিমুখ করান আপামর জনতা। বাজনার তালে আর দলীয় স্লোগানের মেজাজে ঘরের ছেলেকে একনজর দেখতে ভিড় জমান আবালবৃদ্ধবনিতা। এদিন প্রার্থীর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভরতপুর-১ নম্বর ব্লক তৃণমূল সভাপতি নজরুল ইসলাম, আই.এন.টি.টি.ইউ.সি-র জেলা সহ-সভাপতি আব্দুল বারী, অঞ্চল সভাপতি সাহদুল্লাহ সেখ, যুব সভাপতি মহঃ রানা, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য শাহিদুল ইসলাম এবং মহিলা ব্লক সভাপতি আহানা সুলতানা সহ অঞ্চলের সমস্ত প্রথম সারির নেতৃত্ব ও কর্মী-সমর্থকরা। সব মিলিয়ে, নির্বাচনের প্রাক্কালে ভরতপুরের এই নিবিড় জনসংযোগ শাসক শিবিরের আত্মবিশ্বাসকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
- জনজোয়ারে ভাসছেন তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান (সুমন) : ভরতপুরে শেষ মুহূর্তের প্রচারে তুঙ্গে উন্মাদনা। রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের আর মাত্র ৯ দিন বাকি, তাই জয়ের লক্ষ্যে প্রচারের ময়দানে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে নারাজ ৬৯ ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমন। রবিবার সকাল থেকেই ভরতপুর-১ নম্বর ব্লকের ভরতপুর পঞ্চায়েত এলাকার ডাঙ্গাপাড়া, মসজিদপাড়া, দিঘিরপাড়া, নতুনপাড়া, সেখপাড়া, সল্লাপাড়া, মীরাপাড়া, সুরপাড়া এবং সুন্দিপুর ঝিকড়া সহ বিস্তীর্ণ গ্রামে ঝোড়ো প্রচার চালান তিনি। মানুষের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে সৌজন্য বিনিময়ের পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনমুখী প্রকল্পগুলির সুফল তুলে ধরে জোড়াফুল প্রতীকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানান প্রার্থী। প্রচার চলাকালীন সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বতঃস্ফূর্ত উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো; কোথাও পুষ্পবৃষ্টি ও মালা পরিয়ে বরণ, আবার কোথাও প্রার্থীকে ঘরে নিয়ে গিয়ে সস্নেহে আশীর্বাদ ও মিষ্টিমুখ করান আপামর জনতা। বাজনার তালে আর দলীয় স্লোগানের মেজাজে ঘরের ছেলেকে একনজর দেখতে ভিড় জমান আবালবৃদ্ধবনিতা। এদিন প্রার্থীর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভরতপুর-১ নম্বর ব্লক তৃণমূল সভাপতি নজরুল ইসলাম, আই.এন.টি.টি.ইউ.সি-র জেলা সহ-সভাপতি আব্দুল বারী, অঞ্চল সভাপতি সাহদুল্লাহ সেখ, যুব সভাপতি মহঃ রানা, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য শাহিদুল ইসলাম এবং মহিলা ব্লক সভাপতি আহানা সুলতানা সহ অঞ্চলের সমস্ত প্রথম সারির নেতৃত্ব ও কর্মী-সমর্থকরা। সব মিলিয়ে, নির্বাচনের প্রাক্কালে ভরতপুরের এই নিবিড় জনসংযোগ শাসক শিবিরের আত্মবিশ্বাসকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।1
- সামশেরগঞ্জে কৃষি মান্ডি ময়দানে রাহুল গান্ধীর বিশাল জনসভা। সেখানে ফরাক্কা, সামশেরগঞ্জ, সুতি, জঙ্গীপুর, রঘুনাথগঞ্জ, লালগোলা ও সাগরদীঘির কংগ্রেস প্রার্থীদের সমর্থনে এখানে রাহুল গান্ধী জনসভা করবেন। রাহুল গান্ধী সভা ঘিরে সকাল থেকে জোরদার প্রস্তুতি চলছে এবং প্রস্তুতি ক্ষতিয়ে দেখতে সামশেরগঞ্জের কংগ্রেস ব্লক সভাপতি তাসিরুদ্দিন আহমেদ এখানে উপস্থিত হয়েছেন। এই সভাস্থল ঘিরে সাজ সাজ রব।1
- পায়ে হেঁটে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তৃণমূল প্রার্থী শাহিনা মমতাজ খানের জোরদার প্রচার নওদায়। মুর্শিদাবাদের নওদা থানার কেদার চাঁদপুর এক নম্বর অঞ্চলের ঝাউবোনা এলাকায় ভোটের আবহে জোর প্রচারে নামলেন নওদা বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সাহিনা মমতাজ খান । শুক্রবার বিকেলে ঝাউবোনা বাজারে এবং পাড়ায় পাড়ায় বাড়ি বাড়ি পায়ে হেঁটে গিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যান তিনি। এদিন তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের সদস্য শ্রাবণী মোদক, মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতি মোশাররফ হোসেন, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সাহিনাম মমতাজ খানের মেয়ে নাজনীন খান ওরফে টুম্পা সহ স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বরা। প্রচার চলাকালীন স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সমস্যা ও চাহিদার কথা শোনেন প্রার্থী। পাশাপাশি আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে সমর্থন চেয়ে প্রচার চালান তিনি। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই প্রচারের গতি বাড়াচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলি। সেই তালিকায় পিছিয়ে নেই তৃণমূল কংগ্রেসও1
- হুমায়ুনে চুপ ! কান্দির সভায় ওয়াইসির নিশানায় অপূর্ব, মুর্শিদাবাদের কান্দিতে AIMIM এর প্রধান আসাদউদ্দি ওয়ইসি কড়া ভাষায় আক্রমণ করল হুমায়ুন কবীর কে, এছাড়াও তৃণমূল ের প্রার্থী অপূর্ব সরকারকে।1
- ভোট প্রচারের শেষ দিকে রোড শো করে নিমতিতা অঞ্চলে ঝড় তুললেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী নুর আলম। মঙ্গলবার সকালে নিমতিতা অঞ্চলের শেরপুর থেকে শুরু করে হাসিমপুর, ধনার মোড় সহ বিভিন্ন প্রান্ত দিয়ে রোড শো আয়োজিত হয়। রোড শোতে মানুষের ব্যাপক সমাগম লক্ষ করা যায়। নিমতিতা অঞ্চলের বিভিন্ন প্রান্তে হুডখোলা গাড়িতে করে রোড শো করেন নুর আলম। বাইক মিছিলে শত শত কর্মী সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।1
- Post by Babulal Sarkar1
- নীল পূজো দিয়ে প্রচারে বেরোলেন ষষ্ঠী তলা থেকে নাকাশীপাড়া বিজেপি প্রার্থী শান্তনু দে1
- নলহাটিতে দেরিতে আসাদউদ্দিন ওয়াইসির সভা, কম ভিড় নিয়ে প্রশ্ন—মঞ্চ থেকে মমতা ও মোদীকে একসাথে আক্রমণ। বীরভূমের নলহাটিতে এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসির নির্ধারিত জনসভা ঘিরে দিনভর অনিশ্চয়তার পর শেষমেশ বিকেল প্রায় ৪টা নাগাদ তাঁর আগমন ঘটে। যদিও পূর্বঘোষণা অনুযায়ী দুপুর ১টায় সভা শুরু হওয়ার কথা ছিল, দীর্ঘ প্রতীক্ষার ফলে সভাস্থলে উপস্থিত জনতার একটি বড় অংশ ধীরে ধীরে ফিরে যেতে শুরু করেন। প্রথমদিকে কিছুটা উৎসাহ থাকলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মাঠে ভিড় কমতে থাকে। স্থানীয় সূত্রে অনুমান, সভায় উপস্থিতির সংখ্যা প্রায় ১৫০০ থেকে ২০০০-এর মধ্যে ছিল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, প্রত্যাশিত জনসমাগম না হওয়ায় সভার প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। অন্যদিকে বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের দাবি, উপস্থিত অনেকেই মূলত হেলিকপ্টার দেখতে বা কৌতূহলবশত সভাস্থলে এসেছিলেন, রাজনৈতিক সমর্থনের জন্য নয়। যদিও এই দাবির স্বপক্ষে কোনও নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। এ প্রসঙ্গে অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (এআইএমআইএম)-এর সাংগঠনিক শক্তি নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিরোধীদের বক্তব্য, এত বড় নেতার উপস্থিতিতেও যদি মাঠ পূর্ণ না হয়, তবে তা ভবিষ্যৎ নির্বাচনী সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে। তৃণমূল কংগ্রেসের নলহাটি ১ নম্বর ব্লক সভাপতি অশোক ঘোষ বলেন, “নলহাটিতে এআইএমআইএম-এর কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই। এত বড় নেতা আসার পরও যদি জনসমাগম সীমিত থাকে, তাহলে তা স্পষ্ট বার্তা দেয়। এখানে মানুষ অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস-কেই ভরসা করে।” তিনি আরও দাবি করেন, “অনেকেই শুধুমাত্র হেলিকপ্টার দেখতে এসেছিলেন, রাজনৈতিক সমর্থনের জন্য নয়।” পাশাপাশি এআইএমআইএম-কে কটাক্ষ করে তিনি একে “বিজেপির বি-টিম” বলেও অভিযোগ তোলেন। এদিকে সভামঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আসাদউদ্দিন ওয়াইসি সরাসরি আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নরেন্দ্র মোদীকে। তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির উত্থানের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়ী। ওয়াইসি অভিযোগ করেন, “মোদী বলছেন মুসলিমদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে, আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির বিরুদ্ধে কথা বললেও বাস্তবে তাদেরই শক্তিশালী করেছেন।” তিনি আরও কটাক্ষ করে বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই—দুজনেই এক।” পাশাপাশি অতীতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, বহু বছর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে যুক্ত ছিলেন এবং সেই সময়ের সিদ্ধান্তগুলিও প্রশ্নের মুখে তোলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের “সাপকে ভরসা করা যায়, কিন্তু বিজেপিকে নয়” মন্তব্যের পাল্টা জবাবে ওয়াইসি বলেন, “বিজেপিকে যদি দুধ খাওয়ানো হয়ে থাকে, তা আপনার হাতেই হয়েছে।” তবে এই পরিস্থিতি নিয়ে এআইএমআইএম-এর পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। দেরিতে আগমন ও তুলনামূলক কম ভিড়—এই দুই বিষয়কে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। সব মিলিয়ে, নলহাটির এই সভা ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি আগামী দিনে এলাকার রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার।1