Shuru
Apke Nagar Ki App…
মোদিকে নয়, তারা দিদিকেই চাই এমনটাই জানালো কলকাতার অবাঙালিরা। বাংলায় নির্বাচন, বিধানসভার নির্বাচন। ধীরে ধীরে নির্বাচনের উত্তাপ বাড়ছে। চলছে জনমত সমীক্ষা। কি বলছে কলকাতার আবাঙালি সমাজ? তারা কাকে চাই? মোদী না দিদি?
Jayanta Biswas
মোদিকে নয়, তারা দিদিকেই চাই এমনটাই জানালো কলকাতার অবাঙালিরা। বাংলায় নির্বাচন, বিধানসভার নির্বাচন। ধীরে ধীরে নির্বাচনের উত্তাপ বাড়ছে। চলছে জনমত সমীক্ষা। কি বলছে কলকাতার আবাঙালি সমাজ? তারা কাকে চাই? মোদী না দিদি?
More news from Nadia and nearby areas
- বাংলায় নির্বাচন, বিধানসভার নির্বাচন। ধীরে ধীরে নির্বাচনের উত্তাপ বাড়ছে। চলছে জনমত সমীক্ষা। কি বলছে কলকাতার আবাঙালি সমাজ? তারা কাকে চাই? মোদী না দিদি?1
- *ভোটের আগে ‘গ্রাউন্ড জিরো’-তে জেলা শাসক- পুলিশ সুপার! স্পর্শকাতর বুথ সহ এলাকায় পরিদর্শনে জেলা প্রশাসন। ভোটের আগে ‘গ্রাউন্ড জিরো’-তে নেমে পড়ল প্রশাসন। নদিয়া জেলায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৎপরতা এখন তুঙ্গে। লক্ষ্য একটাই— যেন কোনোভাবেই অশান্তি বা সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি না হয়, আর সাধারণ ভোটাররা নির্ভয়ে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। বুধবার সকালে জেলা শাসক শ্রাকন্ত পাল্লী এবং কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার ওয়াইং রঘুবংশীয় একযোগে জেলার একাধিক স্পর্শকাতর বুথ ও অশান্তিপ্রবণ এলাকা পরিদর্শন করেন। বিশেষ করে কৃষ্ণনগরের নাজিরা পাড়া এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ বুথে গিয়ে খতিয়ে দেখা হয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আশপাশের পরিবেশ এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি। শুধু পরিদর্শনেই থেমে থাকেননি আধিকারিকরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাঁদের সমস্যা, অভিজ্ঞতা এবং উদ্বেগের কথাও শোনেন তাঁরা। এলাকায় কোনো ভয়ভীতি বা রাজনৈতিক চাপ রয়েছে কি না, তা বিস্তারিতভাবে জানার চেষ্টা করা হয়। জেলা শাসক স্পষ্ট জানিয়ে দেন— ভোট দেওয়া প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার, আর সেই অধিকার প্রয়োগে কোনো রকম বাধা বরদাস্ত করা হবে না। অন্যদিকে পুলিশ সুপার আশ্বাস দেন, স্পর্শকাতর বুথগুলিতে বাড়ানো হবে পুলিশ মোতায়েন, টহল এবং নজরদারি। প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সহায়তাও নেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে জেলার সমস্ত বুথকে সুপার সেনসেটিভ, ক্রিটিক্যাল, ভলনারেবল এবং নরমাল— এই চার ভাগে ভাগ করে নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে। প্রশাসনের এই পদক্ষেপে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। তবে ভোটের দিন পরিস্থিতি কেমন থাকে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা নদিয়া জেলা।1
- নাকাশিপাড়া বেথুয়ারীর অন্যতম স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান দশভূজা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি-র উদ্যোগে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে শুরু হলো বিশেষ কর্মসূচি। বুধবার সন্ধ্যা ছ’টা নাগাদ বস্ত্র দানের মাধ্যমে এই কর্মসূচির সূচনা করা হয়। ২০১৭ সাল থেকে পথচলা শুরু এই সংগঠনের—সমাজের বিভিন্ন কল্যাণমূলক কাজে নিয়মিত এগিয়ে আসছেন তারা। কয়েকজন মহিলার হাত ধরে শুরু হওয়া এই সংস্থা, কর্ণধার শাশ্বতী দাস চ্যাটার্জী-র নেতৃত্বে আজ একটি বড় পরিবারে পরিণত হয়েছে। গত কয়েক বছরে বহু মানুষ এই সোসাইটি-র সঙ্গে যুক্ত হয়ে সমাজসেবার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। নতুন বছরের শুরুতেই ভালো কাজের মাধ্যমে সমাজের পাশে থাকার বার্তা দিল দশভূজের ওয়েলফেয়ার সোসাইটি। 📹 স্পট বাংলার ক্যামেরায় ধরা পড়ল সেই মানবিক মুহূর্ত। 👉 Spot Bangla Media-এর সাথে থাকুন, পাশে থাকুন। চ্যানেলটি লাইক, শেয়ার ও সাবস্ক্রাইব করুন।1
- রাজ কুমার ঘোষ।কালনা। তৃণমূল প্রার্থীর বেফাশ মন্তব্য, আসরে পদ্ম শিবিরের প্রার্থী, কালনায় পূর্বস্থলী উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন করে চড়ল রাজনৈতিক উত্তাপ। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী বসুন্ধরা গোস্বামীর একটি কর্মীসভায় করা মন্তব্য ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক, যা ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে শোনা যাচ্ছে, কর্মীদের উদ্দেশ্যে বসুন্ধরা গোস্বামী বলছেন, দিদি আমাদের যাদের পাঠান, তাদের কোনও ব্যক্তিগত ক্ষমতা নেই। আমরা সবাই ল্যাম্পপোস্ট, একটাই পোস্ট। একটা তিনি ধাঁতানি দিলেই সবকিছু একসঙ্গে ঝুরঝুর করে ভেঙে পড়ে যাবে।” তাঁর এই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।এই ইস্যুকে হাতিয়ার করে সরব হয়েছে বিজেপি। পূর্বস্থলী উত্তর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী গোপাল চট্টোপাধ্যায় কড়া ভাষায় পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে বলেন, “উনি কথাটা ঠিকই বলেছেন, তবে এখন আর ল্যাম্পপোস্টও নেই।” পাশাপাশি তিনি আরও অভিযোগ করেন, বসুন্ধরা গোস্বামী নিজের সম্ভাব্য পরাজয়ের আশঙ্কা থেকেই এই ধরনের মন্তব্য করেছেন এবং সেই দায় এড়াতে মুখ্যমন্ত্রীর ওপর চাপানোর চেষ্টা করছেন।1
- আমি সমস্ত রাজ্যে এবং সমস্ত জেলায় জেলায় করেছি এটা আমাদের আই লাভ ইউ আমাদের মেমারি1
- ১৫ বছর বয়সে বাবা হারা অন্ধ মাকে নিয়ে কিভাবে কাটছে জীবন ! 😭 #abtabalam27 #abtabalam #humanity #emotional #FamilyLove #viralpost #public #everyoneシ゚1
- Post by Memari Update News1
- বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ আর এই ১৩ পার্বণের প্রথম পার্বণ হলো নববর্ষ। আর সেই নববর্ষের সকালে আনন্দময়ী তলা আনন্দময়ী মন্দিরে দেখা গেল অসংখ্য মায়েদের যারা স্বামী, সন্তানের মঙ্গল কামনায়, সংসারের আয়, উন্নতি, সমৃদ্ধির জন্য মায়ের মন্দিরে পূজা দিতে এসেছেন।1