তুফানগঞ্জে বিজেপি প্রার্থীর প্রচারে ‘হামলা’! আক্রান্ত বিজেপি বুথ সভাপতি, তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে রণক্ষেত্র বলরামপুর ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই কোচবিহারের তুফানগঞ্জে রাজনৈতিক উত্তেজনা তীব্র আকার নিচ্ছে। মঙ্গলবার রাতে তুফানগঞ্জ-১ ব্লকের বলরামপুর বাজারে নির্বাচনী প্রচার ঘিরে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। জানা গিয়েছে, বিজেপি প্রার্থী মালতী রাভার নেতৃত্বে বাজার এলাকায় প্রচার চলছিল। সেই সময় অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত কিছু দুষ্কৃতী ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিতে শুরু করে। এতে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা এবং পরে তা হাতাহাতিতে পরিণত হয়। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এই ঘটনায় বিজেপির ৯/২০১ নম্বর বুথ সভাপতি মলয় দাস গুরুতর আহত হন। তাঁকে তড়িঘড়ি তুফানগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত মলয় দাস হাসপাতাল থেকে অভিযোগ করেন, “আমরা প্রার্থীর সঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে প্রচার করছিলাম। হঠাৎ তৃণমূলের কার্যালয় থেকে কয়েকজন যুবক লোহার রড ও বাঁশ নিয়ে এসে আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমার মাথায় রড দিয়ে আঘাত করা হয়েছে।” ঘটনার তীব্র নিন্দা করে বিজেপি প্রার্থী মালতী রাভা বলেন, “তৃণমূল ভয় পেয়ে আমাদের প্রচারে বাধা দিচ্ছে এবং পরিকল্পিতভাবে হামলা চালাচ্ছে।” অন্যদিকে, সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের তুফানগঞ্জ ১ (খ) ব্লক সভাপতি প্রদীপ বসাকের দাবি, “মালতী রাভা গত পাঁচ বছরে এলাকায় কোনও উন্নয়ন করেননি। সাধারণ মানুষ তাঁর কাছে জবাব চাইতে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এই ঘটনার সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই।” সংঘর্ষের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় তুফানগঞ্জ থানার পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতিতে কিছুক্ষণ উত্তেজনা বজায় থাকলেও পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এলাকায় এখনও থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বলরামপুর বাজারে পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে। নির্বাচনের প্রাক্কালে এই ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে এবং এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
তুফানগঞ্জে বিজেপি প্রার্থীর প্রচারে ‘হামলা’! আক্রান্ত বিজেপি বুথ সভাপতি, তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে রণক্ষেত্র বলরামপুর ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই কোচবিহারের তুফানগঞ্জে রাজনৈতিক উত্তেজনা তীব্র আকার নিচ্ছে। মঙ্গলবার রাতে তুফানগঞ্জ-১ ব্লকের বলরামপুর বাজারে নির্বাচনী প্রচার ঘিরে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। জানা গিয়েছে, বিজেপি প্রার্থী মালতী রাভার নেতৃত্বে বাজার এলাকায় প্রচার চলছিল। সেই সময় অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত কিছু দুষ্কৃতী ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিতে শুরু করে। এতে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা এবং পরে তা হাতাহাতিতে পরিণত হয়। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এই ঘটনায় বিজেপির ৯/২০১ নম্বর বুথ সভাপতি মলয় দাস গুরুতর আহত হন। তাঁকে তড়িঘড়ি তুফানগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত মলয় দাস হাসপাতাল থেকে অভিযোগ করেন, “আমরা প্রার্থীর সঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে প্রচার করছিলাম। হঠাৎ তৃণমূলের কার্যালয় থেকে কয়েকজন যুবক লোহার রড ও বাঁশ নিয়ে এসে আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমার মাথায় রড দিয়ে আঘাত করা হয়েছে।” ঘটনার তীব্র নিন্দা করে বিজেপি প্রার্থী মালতী রাভা বলেন, “তৃণমূল ভয় পেয়ে আমাদের প্রচারে বাধা দিচ্ছে এবং পরিকল্পিতভাবে হামলা চালাচ্ছে।” অন্যদিকে, সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের তুফানগঞ্জ ১ (খ) ব্লক সভাপতি প্রদীপ বসাকের দাবি, “মালতী রাভা গত পাঁচ বছরে এলাকায় কোনও উন্নয়ন করেননি। সাধারণ মানুষ তাঁর কাছে জবাব চাইতে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এই ঘটনার সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই।” সংঘর্ষের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় তুফানগঞ্জ থানার পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতিতে কিছুক্ষণ উত্তেজনা বজায় থাকলেও পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এলাকায় এখনও থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বলরামপুর বাজারে পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে। নির্বাচনের প্রাক্কালে এই ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে এবং এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
- কুমারগ্রামে নির্বাচনী প্রচারে এসে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ টেনে কেন্দ্রকে আক্রমণ করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রাজিব তির্কি-র সমর্থনে আয়োজিত সভা থেকে তিনি অনুপ্রবেশ ইস্যুতে বিজেপিকে কটাক্ষ করেন। এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং অনুপ্রবেশ রোধের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের। সেই প্রসঙ্গেই তিনি শেখ হাসিনা-র ভারতে আশ্রয় নেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে বিজেপির বক্তব্যকে ইঙ্গিত করে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর কথায়, “যারা আজ অনুপ্রবেশ নিয়ে বড় বড় কথা বলছে, তারাই আবার আন্তর্জাতিক সম্পর্কের প্রশ্নে দ্বিচারিতা করছে।” তিনি আরও দাবি করেন, ভোটের আগে ইচ্ছাকৃতভাবে অনুপ্রবেশ ইস্যু উসকে দিয়ে সাধারণ মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে ঘোরানোর চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি, কেন্দ্রের নীতির সমালোচনা করে বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের বাস্তব সমস্যার সমাধান না করে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা করছে বিজেপি। অভিষেকের এই মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শেখ হাসিনার আশ্রয় প্রসঙ্গ টেনে আনা নিয়ে বিরোধী শিবিরের তরফেও পাল্টা প্রতিক্রিয়া আসার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।1
- মাথাভাঙ্গা ১ ব্লকের বৈরাগীর হাঁট এলাকায় বিজেপি ও তৃণমূলের মিছিল ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।বিজেপির মিছিলের পাল্টা মিছিল করে তৃণমূল।নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে রাজনৈতিক উত্তাপ ততো ছড়িয়ে পড়ছে।মাথাভাঙ্গা ১ ব্লকের বৈরাগীর হাটে শীতলকুচি বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী সাবিত্রী বর্মনের সমর্থনে মিছিল করে বিজেপি অপরদিকে বিজেপির মিছিলের শেষ হতেই শীতলকুচি বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হরিহর দাসের সমর্থনে পাল্টা মিছিল করে তৃণমূল কংগ্রেস।দুই রাজনৈতিক দলের স্লোগানে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে বৈরাগীর হাঁট বাজার এলাকায়।1
- গাড়ির স্টিয়ারিং হঠাৎ ব্লক হয়ে যাওয়ায় ভোরবেলায় দুর্ঘটনা ঘটল দিনহাটার মদনমোহন বাড়ি গ্যাস অফিসের সামনে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল প্রায় পাঁচটা নাগাদ একটি মালবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সজোরে ধাক্কা মারে একটি ইলেকট্রিক খুঁটিতে। দুর্ঘটনায় ট্রাকের ক্ষয়ক্ষতি হলেও সৌভাগ্যবশত কেউ আহত হননি। ঘটনাটি ঘটতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দিনহাটা থানার পুলিশ। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।1
- চিলাখানা পশ্চিম পালপাড়া পাল সমিতি কালীপুজো এবং শীতলা পুজো আমরা তুলে ধরলাম1
- নিগমনগর বাজারে সন্ধ্যার ভোট প্রচারে দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী উদয়ন গুহ1
- Post by Jakir Islam1
- কোচবিহারের নাটাবাড়ির জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi-কে সরাসরি নিশানা করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক Abhishek Banerjee।1
- ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই কোচবিহারের তুফানগঞ্জে রাজনৈতিক উত্তেজনা তীব্র আকার নিচ্ছে। মঙ্গলবার রাতে তুফানগঞ্জ-১ ব্লকের বলরামপুর বাজারে নির্বাচনী প্রচার ঘিরে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। জানা গিয়েছে, বিজেপি প্রার্থী মালতী রাভার নেতৃত্বে বাজার এলাকায় প্রচার চলছিল। সেই সময় অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত কিছু দুষ্কৃতী ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিতে শুরু করে। এতে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা এবং পরে তা হাতাহাতিতে পরিণত হয়। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এই ঘটনায় বিজেপির ৯/২০১ নম্বর বুথ সভাপতি মলয় দাস গুরুতর আহত হন। তাঁকে তড়িঘড়ি তুফানগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত মলয় দাস হাসপাতাল থেকে অভিযোগ করেন, “আমরা প্রার্থীর সঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে প্রচার করছিলাম। হঠাৎ তৃণমূলের কার্যালয় থেকে কয়েকজন যুবক লোহার রড ও বাঁশ নিয়ে এসে আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমার মাথায় রড দিয়ে আঘাত করা হয়েছে।” ঘটনার তীব্র নিন্দা করে বিজেপি প্রার্থী মালতী রাভা বলেন, “তৃণমূল ভয় পেয়ে আমাদের প্রচারে বাধা দিচ্ছে এবং পরিকল্পিতভাবে হামলা চালাচ্ছে।” অন্যদিকে, সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের তুফানগঞ্জ ১ (খ) ব্লক সভাপতি প্রদীপ বসাকের দাবি, “মালতী রাভা গত পাঁচ বছরে এলাকায় কোনও উন্নয়ন করেননি। সাধারণ মানুষ তাঁর কাছে জবাব চাইতে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এই ঘটনার সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই।” সংঘর্ষের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় তুফানগঞ্জ থানার পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতিতে কিছুক্ষণ উত্তেজনা বজায় থাকলেও পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এলাকায় এখনও থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বলরামপুর বাজারে পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে। নির্বাচনের প্রাক্কালে এই ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে এবং এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।1