ত্রিপুরায় বিদ্যুৎ পরিষেবার বেসরকারিকরণ, স্মার্ট মিটার বাতিল এবং বিদ্যুৎ নিগমের সীমাহীন দুর্নীতির প্রতিবাদে ধর্মনগরে নেতাজি মূর্তির পাদদেশে এক তীব্র প্রতিবাদ ও তিন ঘণ্টার গণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে জেলা কংগ্রেস। শনিবার আয়োজিত এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা। আন্দোলন চলাকালীন বিদ্যুৎ মন্ত্রী রতন লাল নাথের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা। তিনি অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ সরবরাহের নামে সাধারণ মানুষের ওপর সীমাহীন দুর্নীতি ও অযৌক্তিক মাসুল চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং রেগুলেটরি কমিশনের দোহাই দিয়ে সরকারি ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা করছেন মন্ত্রী। বিদ্যুৎ মন্ত্রীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ দপ্তর চালাতে ব্যর্থ হলে মন্ত্রীকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। বিদ্যুতের আকাশছোঁয়া মাশুল বৃদ্ধির কারণে প্রান্তিক মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে এবং সাংবাদিকদের ও সাধারণ মানুষের প্রশ্নের কোনো সদুত্তর মন্ত্রী দিতে পারছেন না বলেও তিনি তোপ দাগেন। এই কর্মসূচিতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওবিসি কংগ্রেসের মনোরঞ্জন নাথ, প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি দিবাচন্দ্র রাঙ্খল, রাজ্য কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তরুণ সাহা, ধর্মনগর জেলা কংগ্রেস সভাপতি নিরূপণ দে, প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক চয়ন ভট্টাচার্য, পি সি সি সদস্য কেবল নন্দী এবং প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত জেলা কংগ্রেস সভাপতি দিগ্বিজয় চক্রবর্তী সহ দলের শীর্ষ ও অভিজ্ঞ নেতৃবৃন্দ। অবস্থান বিক্ষোভ থেকে বক্তারা একযোগে অবিলম্বে স্মার্ট মিটার প্রকল্প বাতিল এবং বিদ্যুৎ পরিষেবার উন্নয়নের দাবি জানান। এই দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে রাজপথে কংগ্রেসের আন্দোলনের ঝাঁঝ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
ত্রিপুরায় বিদ্যুৎ পরিষেবার বেসরকারিকরণ, স্মার্ট মিটার বাতিল এবং বিদ্যুৎ নিগমের সীমাহীন দুর্নীতির প্রতিবাদে ধর্মনগরে নেতাজি মূর্তির পাদদেশে এক তীব্র প্রতিবাদ ও তিন ঘণ্টার গণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে জেলা কংগ্রেস। শনিবার আয়োজিত এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা। আন্দোলন চলাকালীন বিদ্যুৎ মন্ত্রী রতন লাল নাথের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা। তিনি অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ সরবরাহের নামে সাধারণ মানুষের ওপর সীমাহীন দুর্নীতি ও অযৌক্তিক মাসুল চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং রেগুলেটরি কমিশনের দোহাই দিয়ে সরকারি ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা করছেন মন্ত্রী। বিদ্যুৎ মন্ত্রীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ দপ্তর চালাতে ব্যর্থ হলে মন্ত্রীকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। বিদ্যুতের আকাশছোঁয়া মাশুল বৃদ্ধির কারণে প্রান্তিক মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে এবং সাংবাদিকদের ও সাধারণ মানুষের প্রশ্নের কোনো সদুত্তর মন্ত্রী দিতে পারছেন না বলেও তিনি তোপ দাগেন। এই কর্মসূচিতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওবিসি কংগ্রেসের মনোরঞ্জন নাথ, প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি দিবাচন্দ্র রাঙ্খল, রাজ্য কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তরুণ সাহা, ধর্মনগর জেলা কংগ্রেস সভাপতি নিরূপণ দে, প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক চয়ন ভট্টাচার্য, পি সি সি সদস্য কেবল নন্দী এবং প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত জেলা কংগ্রেস সভাপতি দিগ্বিজয় চক্রবর্তী সহ দলের শীর্ষ ও অভিজ্ঞ নেতৃবৃন্দ। অবস্থান বিক্ষোভ থেকে বক্তারা একযোগে অবিলম্বে স্মার্ট মিটার প্রকল্প বাতিল এবং বিদ্যুৎ পরিষেবার উন্নয়নের দাবি জানান। এই দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে রাজপথে কংগ্রেসের আন্দোলনের ঝাঁঝ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
- সোনামুড়ার গভীর জঙ্গল থেকে এক অজ্ঞাতপরিচয় যুবককে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারের পর বর্তমানে ওই যুবক চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তাঁর সঠিক পরিচয় এখনও জানা সম্ভব না হওয়ায়, তাঁর পরিবারের সন্ধান পাওয়ার জন্য একটি বিশেষ আবেদন জানানো হয়েছে।1
- ত্রিপুরায় বিদ্যুৎ পরিষেবার বেসরকারিকরণ, স্মার্ট মিটার বাতিল এবং বিদ্যুৎ নিগমের সীমাহীন দুর্নীতির প্রতিবাদে ধর্মনগরে নেতাজি মূর্তির পাদদেশে এক তীব্র প্রতিবাদ ও তিন ঘণ্টার গণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে জেলা কংগ্রেস। শনিবার আয়োজিত এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা। আন্দোলন চলাকালীন বিদ্যুৎ মন্ত্রী রতন লাল নাথের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা। তিনি অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ সরবরাহের নামে সাধারণ মানুষের ওপর সীমাহীন দুর্নীতি ও অযৌক্তিক মাসুল চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং রেগুলেটরি কমিশনের দোহাই দিয়ে সরকারি ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা করছেন মন্ত্রী। বিদ্যুৎ মন্ত্রীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ দপ্তর চালাতে ব্যর্থ হলে মন্ত্রীকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। বিদ্যুতের আকাশছোঁয়া মাশুল বৃদ্ধির কারণে প্রান্তিক মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে এবং সাংবাদিকদের ও সাধারণ মানুষের প্রশ্নের কোনো সদুত্তর মন্ত্রী দিতে পারছেন না বলেও তিনি তোপ দাগেন। এই কর্মসূচিতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওবিসি কংগ্রেসের মনোরঞ্জন নাথ, প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি দিবাচন্দ্র রাঙ্খল, রাজ্য কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তরুণ সাহা, ধর্মনগর জেলা কংগ্রেস সভাপতি নিরূপণ দে, প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক চয়ন ভট্টাচার্য, পি সি সি সদস্য কেবল নন্দী এবং প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত জেলা কংগ্রেস সভাপতি দিগ্বিজয় চক্রবর্তী সহ দলের শীর্ষ ও অভিজ্ঞ নেতৃবৃন্দ। অবস্থান বিক্ষোভ থেকে বক্তারা একযোগে অবিলম্বে স্মার্ট মিটার প্রকল্প বাতিল এবং বিদ্যুৎ পরিষেবার উন্নয়নের দাবি জানান। এই দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে রাজপথে কংগ্রেসের আন্দোলনের ঝাঁঝ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।1
- সিপাহিজলার চড়িলাম ব্লকের অন্তর্গত চেছুড়িমাই গ্রাম পঞ্চায়েতের বালুয়াছড়ি রাস্তার বেহাল দশা নিয়ে শনিবার সকালে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিলেন স্থানীয় এলাকাবাসী। বিশেষ করে এলাকার মহিলারা এই দীর্ঘকালীন সমস্যা নিয়ে চরম ক্ষুব্ধ। বাসিন্দাদের অভিযোগ, বিগত ২০ বছর ধরে এই রাস্তাটি সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে রয়েছে এবং এর কোনো সুরাহা করা হয়নি। রাস্তার করুণ অবস্থার কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বর্ষার দিনে রাস্তাটি এতটাই যাতায়াতের অযোগ্য হয়ে পড়ে যে জুতো হাতে নিয়ে পথ চলতে হয় এবং ওই অবস্থায় বাজারে যেতে হয়। চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে তারা জানান, রাস্তার এই বেহাল দশার কারণে কোনো আত্মীয়-স্বজনকে নিমন্ত্রণ করলেও তারা এই গ্রামে আসতে চান না। এই পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে অতি দ্রুত রাস্তাটি সারাইয়ের জোরালো দাবি জানিয়েছেন এলাকার ক্ষুব্ধ মহিলারা ও বাসিন্দারা।1
- মান্দাইয়ের ভদ্রাই সেনাপতি পাড়া জে.বি স্কুলের চরম অব্যবস্থার চিত্র সামনে এসেছে। এই বিদ্যালয়ে ইএমআইএস থাকলেও মাথার ওপর কোনো ছাদ নেই। সামান্য বৃষ্টি হলেই পুরো স্কুলটি বৃষ্টির জলে ভেসে যাচ্ছে।1
- গোমতী জেলার করবুক আর.ডি. ব্লকের অন্তর্গত গুনাধর পাড়ায় একটি নতুন মাল্টিপারপাস সেন্টারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। ১১ জুলাই ২০২৬ তারিখে আয়োজিত এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী শুক্লা চরণ নোয়াতিয়া। অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন করবুক আর.ডি. ব্লকের BAC ভাইস চেয়ারম্যান প্রণব ত্রিপুরা। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন শান্তিরবাজারের বিধায়ক প্রমোদ রিয়াং, অতীন্দ্র রিয়াং এবং অসীম ত্রিপুরা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন যে, এই মাল্টিপারপাস সেন্টারটি ভবিষ্যতে এলাকার সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষামূলক এবং জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে। পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও প্রয়োজনীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনার ক্ষেত্রেও এটি একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় অবকাঠামো হিসেবে ভূমিকা রাখবে। এই অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক স্থানীয় বাসিন্দা, জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা এলাকাবাসীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং করবুক এলাকার সার্বিক উন্নয়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।1
- রাজ্যের আর্থিক পরিস্থিতি, ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব এবং শিল্পোন্নয়নের বাস্তব চিত্র নিয়ে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনায় সরব হয়েছে ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেস। শনিবার আগরতলার প্রদেশ কংগ্রেস ভবনে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে দলের নেতারা সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। কংগ্রেস নেতাদের অভিযোগ, বিজেপি সরকার উন্নয়ন ও বিনিয়োগের নামে শুধুমাত্র প্রচারমুখী রাজনীতি করছে। বিজনেস কনক্লেভ নিয়েও সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র তোপ দাগেন নেতারা। তাদের দাবি, বাস্তবে রাজ্যে কর্মসংস্থান ও শিল্পায়নের ক্ষেত্রে কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতিই হয়নি।1
- সাব্রুমে 'ছাড়পত্র' নিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাস-জিপ চালক সংঘকে ঘিরে তীব্র অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।1
- গোমতী জেলার করবুক আর.ডি ব্লকের বিডিও-র পক্ষ থেকে ‘প্রজেক্ট লক্ষ্য’ নামে একটি বিশেষ উদ্যোগের ঘোষণা করা হয়েছে। এই প্রকল্পটি মূলত দ্বাদশ শ্রেণি উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রী, গ্রামীণ এলাকার যুবক-যুবতী এবং করবুক আর.ডি ব্লকের অধীন বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিক ও কর্মীদের জন্য পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও যুব সমাজের দক্ষতা বৃদ্ধি, ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নের পথ সুগম করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি লাইন ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তা ও কর্মীদেরও এই উদ্যোগের আওতায় আনা হয়েছে। করবুক এলাকার মানুষের সার্বিক উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘প্রজেক্ট লক্ষ্য’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।1