পশ্চিমবঙ্গ অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকা কল্যাণ সমিতির সদস্যরা কালচিনি ব্লকের হ্যামিল্টনগঞ্জে আয়োজিত এক সভায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো ছাড়াই ডিজিটাল কাজের অতিরিক্ত চাপ তাঁদের উপর চাপানো হচ্ছে, যা তাঁরা মেনে নেবেন না। কর্মীরা জানিয়েছেন যে, সরকারি সিম এবং পর্যাপ্ত ইন্টারনেট সুবিধা না দিয়েই ‘পিএম পোষণ’ ও নতুন এমডিএম সিস্টেমের মতো গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল কাজ করতে তাঁদের বাধ্য করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে জেলা সভানেত্রী ঝুম্পা চৌধুরী উল্লেখ করেন যে, মোবাইল কেনার জন্য যে অনুদান দেওয়া হয়, তা দেরিতে পৌঁছানোর কারণে কর্মীরা উপযুক্ত ফোন কিনতে পারেননি। এর ফলস্বরূপ, সরকারি কাজ পরিচালনার জন্য তাঁদের নিজেদের ব্যক্তিগত সিম ব্যবহার করতে হচ্ছে এবং নিজস্ব অর্থ খরচ করতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে, কর্মীরা দ্রুত সরকারি সিম এবং ইন্টারনেটের একটি স্থায়ী ব্যবস্থা করার জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন।
পশ্চিমবঙ্গ অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকা কল্যাণ সমিতির সদস্যরা কালচিনি ব্লকের হ্যামিল্টনগঞ্জে আয়োজিত এক সভায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো ছাড়াই ডিজিটাল কাজের অতিরিক্ত চাপ তাঁদের উপর চাপানো হচ্ছে, যা তাঁরা মেনে নেবেন না। কর্মীরা জানিয়েছেন যে, সরকারি সিম এবং পর্যাপ্ত ইন্টারনেট সুবিধা না দিয়েই ‘পিএম পোষণ’ ও নতুন এমডিএম সিস্টেমের মতো গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল কাজ করতে তাঁদের বাধ্য করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে জেলা সভানেত্রী ঝুম্পা চৌধুরী উল্লেখ করেন যে, মোবাইল কেনার জন্য যে অনুদান দেওয়া হয়, তা দেরিতে পৌঁছানোর কারণে কর্মীরা উপযুক্ত ফোন কিনতে পারেননি। এর ফলস্বরূপ, সরকারি কাজ পরিচালনার জন্য তাঁদের নিজেদের ব্যক্তিগত সিম ব্যবহার করতে হচ্ছে এবং নিজস্ব অর্থ খরচ করতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে, কর্মীরা দ্রুত সরকারি সিম এবং ইন্টারনেটের একটি স্থায়ী ব্যবস্থা করার জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন।
- পশ্চিমবঙ্গ অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকা কল্যাণ সমিতির সদস্যরা কালচিনি ব্লকের হ্যামিল্টনগঞ্জে আয়োজিত এক সভায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো ছাড়াই ডিজিটাল কাজের অতিরিক্ত চাপ তাঁদের উপর চাপানো হচ্ছে, যা তাঁরা মেনে নেবেন না। কর্মীরা জানিয়েছেন যে, সরকারি সিম এবং পর্যাপ্ত ইন্টারনেট সুবিধা না দিয়েই ‘পিএম পোষণ’ ও নতুন এমডিএম সিস্টেমের মতো গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল কাজ করতে তাঁদের বাধ্য করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে জেলা সভানেত্রী ঝুম্পা চৌধুরী উল্লেখ করেন যে, মোবাইল কেনার জন্য যে অনুদান দেওয়া হয়, তা দেরিতে পৌঁছানোর কারণে কর্মীরা উপযুক্ত ফোন কিনতে পারেননি। এর ফলস্বরূপ, সরকারি কাজ পরিচালনার জন্য তাঁদের নিজেদের ব্যক্তিগত সিম ব্যবহার করতে হচ্ছে এবং নিজস্ব অর্থ খরচ করতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে, কর্মীরা দ্রুত সরকারি সিম এবং ইন্টারনেটের একটি স্থায়ী ব্যবস্থা করার জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন।1
- আলিপুরদুয়ারের শামুকতলা রোড ফাঁড়ির পুলিশ চুরির অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় আলোচনা চলছে।1
- মাথাভাঙ্গা-১ ব্লকের জোরপাটকী গ্রাম পঞ্চায়েতের পূর্ব নেন্দারপাড় এলাকার ১৩২ নম্বর বুথের তৃণমূল বুথ সভাপতি সুবিত বর্মনের বিরুদ্ধে বাংলার আবাস যোজনার ঘর প্রাপকদের কাছ থেকে কাটমানি আদায়ের অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি প্রতিটি ঘর প্রাপকের কাছ থেকে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা করে আদায় করেছিলেন। রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে পালাবদলের পর অন্যান্য তৃণমূল নেতাদের মতোই সুবিত বর্মন বাড়িছাড়া হয়ে পড়েন। এরপর বিভিন্ন সময়ে আবাসের উপভোক্তারা তাঁর বাড়ির সামনে টাকা ফেরতের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান। এই চাপের মুখে সুবিত বর্মন টাকা তোলার কথা স্বীকার করলেও, বর্তমানে বাড়িতে না থাকায় তাঁর অনুপস্থিতিতে তাঁর মা নিরোবালা বর্মন টাকা ফেরতের উদ্যোগ নেন। বুধবার স্থানীয় বাসিন্দাদের উপস্থিতিতে নিরোবালা বর্মন মোট ১৬ জন উপভোক্তার হাতে ৬০ হাজার ৫০০ টাকা তুলে দেন। টাকা ফেরত পেয়ে উপভোক্তারা খুশি হয়েছেন। নিরোবালা বর্মন এদিন জানান যে, তাঁর ছেলে ঘরের টাকা তুলেছিল এবং এখন ছেলে বাড়িতে না থাকায় তিনি নিজেই উপভোক্তাদের সেই টাকা ফিরিয়ে দিয়েছেন।1
- Sonu ka company meeting Kisi ka madhur bhasha company shiliguri Sonu ka company meeting Kisi ka madhur bhasha company shiliguri potal khati1
- কলকাতায় হুগলি নদীর উপর একজোড়া টর্নেডো দৃশ্যমান হয়েছে।1
- দিনহাটা থানায় প্রাক্তন মন্ত্রী উদয়ন গুহকে নিয়ে এসেছে পুলিশ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।1
- আলিপুরদুয়ারের ফাঁসখাওয়ায় শামুকতলা থানার পুলিশের উদ্যোগে আয়োজিত একটি যোগা অনুষ্ঠানে মোট ৬২ জন পুলিশ কর্মী অংশ নিয়েছিলেন।1
- কথায় আছে, চিরদিন কারো সমান নাহি যায়, আর এই প্রবাদ বাক্য যেন উদয়ন গুহর ক্ষেত্রে সত্যিই মিলে গেল। গতকাল কোচবিহার জেলা পুলিশের একটি দল কলকাতার ফুলবাগানের একটি ফ্ল্যাট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে। দিনহাটা পৌরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালীন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় কাট মানি নেওয়া এবং দিনহাটা শিশু মঙ্গল সমিতির নাম ব্যবহার করে লক্ষ লক্ষ টাকা তোলার মতো একাধিক বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দিনহাটা থানায় দায়ের করা হয়েছিল, যার ভিত্তিতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে উদয়ন গুহর স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় পুলিশকে চরম সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। ক্ষুব্ধ জনতাকে শান্ত করতে পুলিশকে রীতিমতো কালঘাম ছোটাতে দেখা যায়। হাসপাতাল থেকে আদালত চত্বর পর্যন্ত সব জায়গাতেই উদয়ন গুহকে ডিম থেরাপির শিকার হতে হয়; ক্ষুব্ধ জনতা তার দিকে জুতা ছুড়ে মারারও চেষ্টা করে। আদালতের পথে তাকে হেলমেট পরেই যেতে দেখা যায়, কারণ স্থানীয়রা ডিম, পচা আলু এবং কাদা ছুড়ে তার বিরুদ্ধে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।1