Shuru
Apke Nagar Ki App…
পুরুলিয়া জেলা পুলিশের উদ্যোগে জেলার ট্রাফিক ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে একটি নতুন প্রচেষ্টা শুরু করা হয়েছে।
Siddharth Sen
পুরুলিয়া জেলা পুলিশের উদ্যোগে জেলার ট্রাফিক ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে একটি নতুন প্রচেষ্টা শুরু করা হয়েছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- পুরুলিয়া শহরে 'ভাঙ্গার ভাঙ্গি' চলছে বলে জানানো হয়েছে। এই বিষয়ে পুরুলিয়ার একজন বিজেপি কর্মী সুশীল কুইরি নিজের বক্তব্য পেশ করেছেন।1
- পুরুলিয়া মিঠুন চক্রবর্তী ফ্যান্স ক্লাবের উদ্যোগে পুরুলিয়া শহরের ট্যাক্সি স্ট্যান্ড মোড়ে ভারতের স্বনামধন্য চলচ্চিত্র অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর ৭৬তম জন্মদিন মহাসমারোহে পালিত হয়েছে। একাধিকবার জাতীয় পুরস্কার এবং ভারতীয় চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ সম্মান দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কারে বিভূষিত পদ্মবিভূষণ মিঠুন চক্রবর্তীকে শ্রদ্ধা জানাতে এই অনুষ্ঠানে তাঁর অনুরাগী ও ভক্তদের আবেগপূর্ণ উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।1
- পুরুলিয়ায় উচ্চশিক্ষার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের লক্ষ্যে APAI-WB (APAI-WB)-এর উদ্যোগে প্রি-কাউন্সেলিং ও এডুকেশন ফেয়ার ২০২৬ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।1
- বাড়িতে বসেই রক্ত পরীক্ষার সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। আরশা, পুরুলিয়া, তামনা, কোটশিলা, ঝালদা এবং সিরকাবাদ-সহ সমস্ত গ্রামে এই হোম ব্লাড কালেকশন পরিষেবা উপলব্ধ। এই পরিষেবার জন্য 8942854730 নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।1
- পুরুলিয়া জেলার নবনিযুক্ত পুলিশ সুপার কুমার শানি রাজ-এর নির্দেশনায় জেলা জুড়ে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে বান্দোয়ান থানার পক্ষ থেকে থানার অন্তর্গত লতাপাড়া গ্রামে একটি বিশেষ জনসংযোগ ও সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করা হয়। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত গ্রামবাসীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে বাল্যবিবাহের কুফল, সাইবার প্রতারণা থেকে বাঁচার উপায়, ট্রাফিক আইন মেনে চলার গুরুত্ব এবং অন্যান্য সামাজিক ও আইনগত বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে বান্দোয়ান থানার ওসি, থানার জরুরি যোগাযোগ নম্বর, জেলা কন্ট্রোল রুম এবং এসডিপিও মানবাজারের যোগাযোগ নম্বরও প্রদান করা হয়। এছাড়াও বান্দোয়ান হাসপাতালের এক চিকিৎসককে সঙ্গে নিয়ে সাপের কামড়ের ক্ষেত্রে করণীয় ও প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে বিশেষ আলোচনা করা হয়। গ্রামবাসীদের উদ্দেশে জানানো হয় যে সাপের কামড়ের ঘটনায় কোনো ধরনের কুসংস্কারে বিশ্বাস না করে দ্রুত নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করতে হবে। পুলিশ ও স্বাস্থ্য বিভাগের এই যৌথ উদ্যোগকে স্থানীয় বাসিন্দারা স্বাগত জানিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।1
- পুরুলিয়া জেলার বাবা কালেশ্বর যোগাশ্রমের মন্দিরে বর্তমানে নির্মাণ কাজ চলছে। এই চলমান কাজের কিছু বিশেষ মুহূর্ত তুলে ধরা হয়েছে।1
- রাজ্য প্রশাসনকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন যে, বর্ষা শুরু হতেই জল জমা, ডেঙ্গির প্রকোপ, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা কিংবা সরকারি জমি দখলের মতো কোনও বিষয়েই আর কোনওরকম গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটের সময় দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারের সৃজনী প্রেক্ষাগৃহে একটি সাংবাদিক বৈঠক থেকে তিনি এই বার্তা দেন। মন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, জল জমলেই সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের জবাবদিহি করতে হবে এবং অবৈধ দখল ও জল চুরিতেও কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্ষার মরশুমে কোথাও যাতে জল না জমে, সেজন্য এলাকাভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টন করে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের কড়া নজরদারিতে রাখা হবে। জলনিকাশি ব্যবস্থাকে আরও সক্রিয় ও কার্যকর করার উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। একইসাথে, ল্যাম্পপোস্ট বা বিদ্যুৎ সংক্রান্ত ত্রুটির কারণে শর্ট সার্কিট ও দুর্ঘটনা রুখতেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কোনও প্রাণহানি যাতে না ঘটে, তার জন্য নির্দিষ্ট আধিকারিকদের দায়িত্ব দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান। ডেঙ্গি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গির কারণে যাতে একজন মানুষেরও মৃত্যু না হয়, সেই লক্ষ্য নিয়েই বাড়তি নজরদারি চালানো হচ্ছে। প্রশাসনিক কর্তাদের নিকাশি নালা পরিষ্কার রাখা, জমা জল অপসারণ এবং স্বাস্থ্য দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।1
- সম্প্রতি বলরামপুর ব্লকের স্থানীয় আইটি-সিআরপি কর্মীরা নিয়মিত বেতন, বকেয়া টাকা পরিশোধ এবং ব্লক স্তর থেকে নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র প্রদানের দাবিতে বলরামপুর ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও)-এর দ্বারস্থ হয়েছেন। তাঁরা তাঁদের চার দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি বিডিও দপ্তরে জমা দিয়েছেন। স্মারকলিপিতে কর্মীরা জানিয়েছেন যে তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং দ্রুত সমাধানের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন। তাঁদের প্রধান দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে: অবিলম্বে ব্লক স্তর থেকে আনুষ্ঠানিক নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র প্রদান, নিয়মিত মাসিক বেতন নিশ্চিত করা এবং সমস্ত বকেয়া ভাতা পরিশোধ করা। এছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা বিভিন্ন বিলের অর্থ দ্রুত মিটিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। কর্মীরা আরও দাবি করেছেন যে কাজের গুণগত মান বজায় রাখতে এবং নির্ধারিত দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় ও উপযুক্ত সময় বরাদ্দ করতে হবে। আইটি-সিআরপি কর্মীদের এই চার দফা দাবি ঘিরে এলাকায় আলোচনা শুরু হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীরা এখন প্রশাসন এই দাবিগুলির বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকেই নজর রাখছেন।1