Shuru
Apke Nagar Ki App…
সীমান্ত শহর থেকে চা বাগান, সর্বত্র প্রচারে জোর বিজেপি প্রার্থীর জয়গাঁ : ভুটান সীমান্ত জয়গাঁ এলাকায় বৃহস্পতিবার প্রচার চালালেন কালচিনি বিধানসভা বিজেপি প্রার্থী বিশাল লামা। এদিন সকালে বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে প্রথমে সাঁতালি চা বাগানে প্রচারে যান বিশাল লামা ।পরবর্তীতে জয়গাঁ দু নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় শুরু হয় প্রচার।
Dainik Barta
সীমান্ত শহর থেকে চা বাগান, সর্বত্র প্রচারে জোর বিজেপি প্রার্থীর জয়গাঁ : ভুটান সীমান্ত জয়গাঁ এলাকায় বৃহস্পতিবার প্রচার চালালেন কালচিনি বিধানসভা বিজেপি প্রার্থী বিশাল লামা। এদিন সকালে বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে প্রথমে সাঁতালি চা বাগানে প্রচারে যান বিশাল লামা ।পরবর্তীতে জয়গাঁ দু নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় শুরু হয় প্রচার।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- জয়গাঁ : ভুটান সীমান্ত জয়গাঁ এলাকায় বৃহস্পতিবার প্রচার চালালেন কালচিনি বিধানসভা বিজেপি প্রার্থী বিশাল লামা। এদিন সকালে বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে প্রথমে সাঁতালি চা বাগানে প্রচারে যান বিশাল লামা ।পরবর্তীতে জয়গাঁ দু নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় শুরু হয় প্রচার।1
- আলিপুরদুয়ার জেলার ফালাকাটা বিধানসভা কেন্দ্রে মেচবিল রাসমেলা ময়দানে বিজেপির বিজয় সংকল্প সভা আয়োজিত হয়। ফালাকাটা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দীপক বর্মণের সমর্থনে এদিন এই সভা আয়োজিন করা হয়েছিল। সেই সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। এদিনের সভা থেকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, রাজ্যে কর্মসংস্থান নেই। একের পর এক কোম্পানি রাজ্য ছেড়ে চলে গিয়েছে। রাজ্যে শুধু ভাতাশ্রী চলছে। যুবকদের দিনে ৫০ টা মাইনে দিচ্ছে তৃণমূল। বিজেপি নিয়ে এপিও প্রচার চালাচ্ছে শাসক দল। এছাড়াও অনুপ্রবেশ নিয়েও রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে সরব হন মিঠুন চক্রবর্তী। এবার রাজ্যে পরিবর্তন নিশ্চিত। বিজেপি সরকার গড়বে এবং মানুষের সমস্যা ঘোচাবে। এদিন মেচবিল রাসমেলা ময়দানে মিঠুন চক্রবর্তীকে দেখতে হাজার হাজার মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়।1
- আলিপুরদুয়ার জেলায় এক উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ নিল । থানার পক্ষ থেকে হারিয়ে যাওয়া মোট ৪০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে সেগুলি যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন সময়ে জেলার নানা প্রান্ত থেকে মোবাইল হারানোর অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। প্রযুক্তির সহায়তায় মোবাইলগুলির অবস্থান শনাক্ত করা হয় এবং ধারাবাহিক অভিযানে সেগুলি উদ্ধার করা সম্ভব হয়। এরপর যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত মালিকদের শনাক্ত করা হয়। থানায় ডেকে তাঁদের হাতে মোবাইল ফোনগুলি তুলে দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন পর নিজের হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই খুশি মালিকরা। অনেকেই পুলিশের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, সাধারণ মানুষের অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ফলেই এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ চালিয়ে যাওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে পুলিশের প্রতি আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা।1
- আজকে ৫০-৫৫ বছর হয়ে গেলো স্কুল রোড এইটা কতো রাজনৈতিক নেতা আসলো গেলো হাজারে হাজারে লোক চলা চল করে কারো এইরাস্তার দিকে চোখ পরে না । রাস্তা টা বানানোর জন্য । সব শুধু খাবার ধান্দাতে থাকে কাজ আসলে কিছু মাল ফেলায় দিয়ে কাজ শেষ আবার যেই সেই অবস্থা রাস্তার হয়ে যায় । পাকা কতো রাস্তা হয়ে গেলো এইরাস্তা আর হলো না দুঃখের বিষয় কেউ কোনো দিন কমপ্লেন করলো না ।1
- বড়সড় বিপত্তির হাত থেকে রক্ষা পেল দিনহাটা ২ নং ব্লকের সাহাপাড়া এলাকা। হঠাৎই ১১০০০ ভোল্টের বিদ্যুৎবাহী তারের সংস্পর্শে একটি আম গাছে আগুন লেগে যায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সাহেবগঞ্জ রোড সাহাপাড়া এলাকায় থাকা উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎবাহী তারের সঙ্গে গাছের ডালের সংস্পর্শ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যেই আম গাছটিতে দাউদাউ করে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। জনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। খবর দেওয়া হয় দিনহাটা দমকল কেন্দ্রে। খবর পাওয়া মাত্রই দিনহাটা দমকলের একটি ইঞ্জিন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। দমকল কর্মীদের তৎপরতায় আগুন আশেপাশে ছড়িয়ে পড়তে পারেনি। পরবর্তীতে বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীরা এলাকায় এসে পৌঁছান এবং মেরামতির কাজ শুরু করেন। দমকলের দ্রুত হস্তক্ষেপের কারণে বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানা গিয়েছে। আগুন অন্য কোথাও ছড়িয়ে পড়ার আগেই তা নিভিয়ে ফেলা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।1
- কোচবিহার উত্তর বিধানসভা কেন্দ্র আজ সাক্ষী থাকল এক নতুন রাজনৈতিক বার্তার। প্রার্থী **পার্থ প্রতিম রায়** এবং কোচবিহার ২ নম্বর ব্লক সভাপতি **শুভঙ্কর দে**-র উপস্থিতিতে পুন্ডিবাড়ীতে শুভ সূচনা হলো তৃণমূলের ‘প্রতিজ্ঞা স্তম্ভ’-এর। এ শুধু একটি স্তম্ভ নয়—এটি মানুষের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতির প্রতীক। “কথা নয়, কাজ”—এই বার্তাকেই সামনে রেখে তৃণমূল জানিয়ে দিল, জয়ের পর কোন কোন গুরুত্বপূর্ণ কাজ প্রথমেই বাস্তবায়িত করা হবে তার স্পষ্ট রূপরেখা। জনগণের সামনে প্রতিশ্রুতি লিখে রেখে রাজনীতিতে স্বচ্ছতার এক নতুন উদাহরণ গড়তে চাইছে তৃণমূল। 💬 “মানুষের আশীর্বাদে জয় নিশ্চিত—আর জয়ের পর প্রতিটি প্রতিশ্রুতি পূরণই আমাদের প্রথম দায়িত্ব,”—জানালেন নেতৃত্ব। 👉 পুন্ডিবাড়ীর মাটি থেকে শুরু হলো সেই অঙ্গীকার, যা বদলে দিতে পারে গোটা এলাকার ভবিষ্যৎ!1
- 😊 এই নাও: "অবিলম্বে আমাদের গ্রামের রাস্তার অবস্থা উন্নয়ন করুন! Dinhata 2, নাজিরহাট 1, গ্রাম: পূর্ব শিকারপুর মানুষের চলাচল খুবই কষ্টকর হয়ে উঠেছে। আমাদের গ্রামের রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। আমরা আশা করি মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয়া আমাদের গ্রামের দিকে তাকাবেন এবং অবিলম্বে রাস্তা মেরামতের ব্যবস্থা করবেন। #রাস্তা_উন্নয়ন #গ্রাম_উন্নয়ন #মমতা_বন্দ্যোপাধ্যায়" তোমার কি মনে হয়, এই পোস্টটা ঠিক আছে? 👀1
- আলিপুরদুয়ার জেলায় রেল কোয়ার্টার এলাকায় শূকর পালন ঘিরে তীব্র বিতর্ক ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই প্রসঙ্গে বড়সড় চক্রের অভিযোগ তুলেছেন স্বপন আচার্য ভাদুড়ী। তাঁর দাবি, পরিকল্পিতভাবে রেল কোয়ার্টারের ভিতরে শূকর পালন করা হচ্ছে এবং এর সঙ্গে একটি সুসংগঠিত চক্র জড়িত থাকতে পারে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কোয়ার্টার সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে শূকর পালন করা হচ্ছে। এর ফলে এলাকায় দূষণ বাড়ছে, ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ এবং বাড়ছে বিভিন্ন রোগের আশঙ্কা। বিশেষ করে শিশু ও প্রবীণদের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাসিন্দারা। তাঁদের বক্তব্য, বারবার প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এই পরিস্থিতিতে সরব হয়েছেন স্বপন আচার্য ভাদুড়ী। তিনি অভিযোগ করে বলেন, “এটি শুধুমাত্র অবৈধ পশুপালনের বিষয় নয়, এর পিছনে একটি বড় চক্র কাজ করছে। প্রশাসনের নিরবতা এই সন্দেহ আরও জোরদার করছে।” তিনি দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন। অন্যদিকে, স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এই ধরনের কার্যকলাপ চালানো হচ্ছে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট মহলের কিছু প্রতিনিধি। তাঁদের দাবি, বিষয়টি অতিরঞ্জিত করা হচ্ছে এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই ইস্যুটি তুলে ধরা হচ্ছে। এদিকে, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, জনবসতির মধ্যে এভাবে শূকর পালন করলে সংক্রামক রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়। সঠিক নিয়ম ও স্বাস্থ্যবিধি না মানা হলে তা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হতে পারে। সমগ্র ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলিপুরদুয়ারে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। এখন দেখার, প্রশাসন এই অভিযোগের ভিত্তিতে কী পদক্ষেপ নেয় এবং স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান কত দ্রুত হয়।1