logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…
  • Latest News
  • News
  • Politics
  • Elections
  • Viral
  • Astrology
  • Horoscope in Hindi
  • Horoscope in English
  • Latest Political News
logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…

রাজনৈতিক সন্ত্রাসে ক্ষতিগ্রস্ত বিজেপি কর্মীদের খোঁজখবর নিতে জারুইলং গেষ্ট হাউজে মূখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ মানিক সাহা। তেলিয়ামুড়া প্রতিনিধি।। ১১ মহারানী–তেলিয়ামুড়া টিটিএএডিসি কেন্দ্র তথা ২৯ কৃষ্ণপুর বিধানসভা এলাকার অন্তর্গত চাকমাঘাটের তুইমধু গ্রামে বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার খোয়াই জেলা সভাপতি রশিদ মিয়ার বাড়িতে হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকাজুড়ে। অভিযোগের তীর তিপ্রা মথা সমর্থিত দুষ্কৃতীদের দিকেই। স্থানীয় সূত্রের দাবি, রাতের অন্ধকারে একদল দুষ্কৃতী হঠাৎই রশিদ মিয়ার বাড়িতে চড়াও হয়। ভাঙচুর চালানো হয় বাড়ির বিভিন্ন অংশে, নষ্ট করা হয় গৃহস্থালির জিনিসপত্র। শুধু তাই নয়, গোটা এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্কের আবহ। ঘটনার জেরে একাধিক বিজেপি কর্মী ও সমর্থক নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছেন তেলিয়ামুড়া থানার অন্তর্গত জারুইলং বাড়ি উপজাতি গেস্ট হাউসে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাক্তার  মানিক সাহা । তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপি প্রদেশ কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা, বিজেপি খোয়াই জেলার সভাপতি বিনয় দেব্বর্মা এবং ২৯ কৃষ্ণপুর মণ্ডলের সভাপতি ধনঞ্জয় দাস। প্রথমে তাঁরা চাকমাঘাটের তুইমধু এলাকায় রশিদ মিয়ার বাড়িতে পৌঁছে ক্ষয়ক্ষতির খোঁজখবর নেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন মুখ্যমন্ত্রী।পরবর্তী পর্যায়ে জারুইলং বাড়ি উপজাতি গেস্ট হাউসে আশ্রয় নেওয়া কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতির খোঁজ নেন এবং পাশে থাকার আশ্বাস দেন। প্রশাসনের তরফে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ইঙ্গিতও দেন তিনি, যদিও সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে এদিন কোনও মন্তব্য করতে দেখা যায়নি মুখ্যমন্ত্রীকে।ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা ইতিমধ্যেই তীব্র আকার নিয়েছে। বিরোধী পক্ষের বিরুদ্ধে শাসকদলের অভিযোগ যেমন বাড়ছে, তেমনি পাল্টা প্রতিক্রিয়াও আসছে বিভিন্ন মহল থেকে। নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে এ ধরনের ঘটনায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এলাকার পরিস্থিতি আপাতত থমথমে। পুলিশ ও প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, যদিও আতঙ্কের ছায়া এখনও কাটেনি তুইমধু ও আশপাশের গ্রামগুলিতে। স্থানীয়দের একাংশের বক্তব্য—“শান্তি ফেরানো এখন সবচেয়ে জরুরি।” তবে সাংবাদিকদের কাছে কোন সাক্ষাৎকার দিলেন না কোন অজ্ঞাত কারনে মুখ্যমন্ত্রী।

5 hrs ago
user_Mrinmoyy Royy
Mrinmoyy Royy
তেলিয়ামুড়া, খোয়াই, ত্রিপুরা•
5 hrs ago

রাজনৈতিক সন্ত্রাসে ক্ষতিগ্রস্ত বিজেপি কর্মীদের খোঁজখবর নিতে জারুইলং গেষ্ট হাউজে মূখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ মানিক সাহা। তেলিয়ামুড়া প্রতিনিধি।। ১১ মহারানী–তেলিয়ামুড়া টিটিএএডিসি কেন্দ্র তথা ২৯ কৃষ্ণপুর বিধানসভা এলাকার অন্তর্গত চাকমাঘাটের তুইমধু গ্রামে বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার খোয়াই জেলা সভাপতি রশিদ মিয়ার বাড়িতে হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকাজুড়ে। অভিযোগের তীর তিপ্রা মথা সমর্থিত দুষ্কৃতীদের দিকেই। স্থানীয় সূত্রের দাবি, রাতের অন্ধকারে একদল দুষ্কৃতী হঠাৎই রশিদ মিয়ার বাড়িতে চড়াও হয়। ভাঙচুর চালানো হয় বাড়ির বিভিন্ন অংশে,

নষ্ট করা হয় গৃহস্থালির জিনিসপত্র। শুধু তাই নয়, গোটা এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্কের আবহ। ঘটনার জেরে একাধিক বিজেপি কর্মী ও সমর্থক নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছেন তেলিয়ামুড়া থানার অন্তর্গত জারুইলং বাড়ি উপজাতি গেস্ট হাউসে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাক্তার  মানিক সাহা । তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপি প্রদেশ কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা, বিজেপি খোয়াই জেলার সভাপতি বিনয় দেব্বর্মা এবং ২৯ কৃষ্ণপুর মণ্ডলের সভাপতি ধনঞ্জয় দাস।

প্রথমে তাঁরা চাকমাঘাটের তুইমধু এলাকায় রশিদ মিয়ার বাড়িতে পৌঁছে ক্ষয়ক্ষতির খোঁজখবর নেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন মুখ্যমন্ত্রী।পরবর্তী পর্যায়ে জারুইলং বাড়ি উপজাতি গেস্ট হাউসে আশ্রয় নেওয়া কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতির খোঁজ নেন এবং পাশে থাকার আশ্বাস দেন। প্রশাসনের তরফে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ইঙ্গিতও দেন তিনি, যদিও সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে এদিন কোনও মন্তব্য করতে দেখা যায়নি মুখ্যমন্ত্রীকে।ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা ইতিমধ্যেই

তীব্র আকার নিয়েছে। বিরোধী পক্ষের বিরুদ্ধে শাসকদলের অভিযোগ যেমন বাড়ছে, তেমনি পাল্টা প্রতিক্রিয়াও আসছে বিভিন্ন মহল থেকে। নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে এ ধরনের ঘটনায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এলাকার পরিস্থিতি আপাতত থমথমে। পুলিশ ও প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, যদিও আতঙ্কের ছায়া এখনও কাটেনি তুইমধু ও আশপাশের গ্রামগুলিতে। স্থানীয়দের একাংশের বক্তব্য—“শান্তি ফেরানো এখন সবচেয়ে জরুরি।” তবে সাংবাদিকদের কাছে কোন সাক্ষাৎকার দিলেন না কোন অজ্ঞাত কারনে মুখ্যমন্ত্রী।

More news from ত্রিপুরা and nearby areas
  • তেলিয়ামুড়া প্রতিনিধি।। ১১ মহারানী–তেলিয়ামুড়া টিটিএএডিসি কেন্দ্র তথা ২৯ কৃষ্ণপুর বিধানসভা এলাকার অন্তর্গত চাকমাঘাটের তুইমধু গ্রামে বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার খোয়াই জেলা সভাপতি রশিদ মিয়ার বাড়িতে হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকাজুড়ে। অভিযোগের তীর তিপ্রা মথা সমর্থিত দুষ্কৃতীদের দিকেই। স্থানীয় সূত্রের দাবি, রাতের অন্ধকারে একদল দুষ্কৃতী হঠাৎই রশিদ মিয়ার বাড়িতে চড়াও হয়। ভাঙচুর চালানো হয় বাড়ির বিভিন্ন অংশে, নষ্ট করা হয় গৃহস্থালির জিনিসপত্র। শুধু তাই নয়, গোটা এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্কের আবহ। ঘটনার জেরে একাধিক বিজেপি কর্মী ও সমর্থক নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছেন তেলিয়ামুড়া থানার অন্তর্গত জারুইলং বাড়ি উপজাতি গেস্ট হাউসে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাক্তার  মানিক সাহা । তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপি প্রদেশ কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা, বিজেপি খোয়াই জেলার সভাপতি বিনয় দেব্বর্মা এবং ২৯ কৃষ্ণপুর মণ্ডলের সভাপতি ধনঞ্জয় দাস। প্রথমে তাঁরা চাকমাঘাটের তুইমধু এলাকায় রশিদ মিয়ার বাড়িতে পৌঁছে ক্ষয়ক্ষতির খোঁজখবর নেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন মুখ্যমন্ত্রী।পরবর্তী পর্যায়ে জারুইলং বাড়ি উপজাতি গেস্ট হাউসে আশ্রয় নেওয়া কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতির খোঁজ নেন এবং পাশে থাকার আশ্বাস দেন। প্রশাসনের তরফে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ইঙ্গিতও দেন তিনি, যদিও সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে এদিন কোনও মন্তব্য করতে দেখা যায়নি মুখ্যমন্ত্রীকে।ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা ইতিমধ্যেই তীব্র আকার নিয়েছে। বিরোধী পক্ষের বিরুদ্ধে শাসকদলের অভিযোগ যেমন বাড়ছে, তেমনি পাল্টা প্রতিক্রিয়াও আসছে বিভিন্ন মহল থেকে। নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে এ ধরনের ঘটনায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এলাকার পরিস্থিতি আপাতত থমথমে। পুলিশ ও প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, যদিও আতঙ্কের ছায়া এখনও কাটেনি তুইমধু ও আশপাশের গ্রামগুলিতে। স্থানীয়দের একাংশের বক্তব্য—“শান্তি ফেরানো এখন সবচেয়ে জরুরি।” তবে সাংবাদিকদের কাছে কোন সাক্ষাৎকার দিলেন না কোন অজ্ঞাত কারনে মুখ্যমন্ত্রী।
    4
    তেলিয়ামুড়া প্রতিনিধি।।
১১ মহারানী–তেলিয়ামুড়া টিটিএএডিসি কেন্দ্র তথা ২৯ কৃষ্ণপুর বিধানসভা এলাকার অন্তর্গত চাকমাঘাটের তুইমধু গ্রামে বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার খোয়াই জেলা সভাপতি রশিদ মিয়ার বাড়িতে হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকাজুড়ে।
অভিযোগের তীর তিপ্রা মথা সমর্থিত দুষ্কৃতীদের দিকেই। স্থানীয় সূত্রের দাবি, রাতের অন্ধকারে একদল দুষ্কৃতী হঠাৎই রশিদ মিয়ার বাড়িতে চড়াও হয়। ভাঙচুর চালানো হয় বাড়ির বিভিন্ন অংশে, নষ্ট করা হয় গৃহস্থালির জিনিসপত্র। শুধু তাই নয়, গোটা এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্কের আবহ। ঘটনার জেরে একাধিক বিজেপি কর্মী ও সমর্থক নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছেন তেলিয়ামুড়া থানার অন্তর্গত জারুইলং বাড়ি উপজাতি গেস্ট হাউসে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাক্তার  মানিক সাহা । তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপি প্রদেশ কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা, বিজেপি খোয়াই জেলার সভাপতি বিনয় দেব্বর্মা এবং ২৯ কৃষ্ণপুর মণ্ডলের সভাপতি ধনঞ্জয় দাস। প্রথমে তাঁরা চাকমাঘাটের তুইমধু এলাকায় রশিদ মিয়ার বাড়িতে পৌঁছে ক্ষয়ক্ষতির খোঁজখবর নেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন মুখ্যমন্ত্রী।পরবর্তী পর্যায়ে জারুইলং বাড়ি উপজাতি গেস্ট হাউসে আশ্রয় নেওয়া কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতির খোঁজ নেন এবং পাশে থাকার আশ্বাস দেন। প্রশাসনের তরফে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ইঙ্গিতও দেন তিনি, যদিও সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে এদিন কোনও মন্তব্য করতে দেখা যায়নি মুখ্যমন্ত্রীকে।ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা ইতিমধ্যেই তীব্র আকার নিয়েছে। বিরোধী পক্ষের বিরুদ্ধে শাসকদলের অভিযোগ যেমন বাড়ছে, তেমনি পাল্টা প্রতিক্রিয়াও আসছে বিভিন্ন মহল থেকে। নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে এ ধরনের ঘটনায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
এলাকার পরিস্থিতি আপাতত থমথমে। পুলিশ ও প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, যদিও আতঙ্কের ছায়া এখনও কাটেনি তুইমধু ও আশপাশের গ্রামগুলিতে। স্থানীয়দের একাংশের বক্তব্য—“শান্তি ফেরানো এখন সবচেয়ে জরুরি।” তবে সাংবাদিকদের কাছে কোন সাক্ষাৎকার দিলেন না কোন অজ্ঞাত কারনে মুখ্যমন্ত্রী।
    user_Mrinmoyy Royy
    Mrinmoyy Royy
    তেলিয়ামুড়া, খোয়াই, ত্রিপুরা•
    5 hrs ago
  • বন্ধুত্বের মুখোশে বিশ্বাসঘাতকতা: তিন যুবকের হাতে বন্ধুকে হ ত্যা র চেষ্টা, লুট নগদ ৮৫ হাজার ও স্বর্ণের চেইন
    1
    বন্ধুত্বের মুখোশে বিশ্বাসঘাতকতা: তিন যুবকের হাতে বন্ধুকে হ ত্যা র চেষ্টা, লুট নগদ ৮৫ হাজার ও স্বর্ণের চেইন
    user_NorthEast Byte
    NorthEast Byte
    আমবাসা, ধলাই, ত্রিপুরা•
    1 hr ago
  • জেলা স্তরে সংগঠন মজবুত করতে কংগ্রেসের সংগঠন সৃজন অভিযান। জেলা কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনে বিশেষ জোর পার্টির। চড়িলামে বিশালগড় জেলা কংগ্রেসের আইসিসি অবজারভার কে.বি.আর নাইডুর সাংবাদিক সম্মেলন।
    1
    জেলা স্তরে সংগঠন মজবুত করতে কংগ্রেসের সংগঠন সৃজন অভিযান। জেলা কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনে বিশেষ জোর পার্টির। চড়িলামে  বিশালগড় জেলা কংগ্রেসের আইসিসি অবজারভার কে.বি.আর নাইডুর সাংবাদিক সম্মেলন।
    user_News On Tiprasa
    News On Tiprasa
    Content Creator (YouTuber) জাম্পুইজলা, সিপাহীজলা, ত্রিপুরা•
    7 hrs ago
  • Post by Gouranga Majumder
    1
    Post by Gouranga Majumder
    user_Gouranga Majumder
    Gouranga Majumder
    Engineer হেজামারা, পশ্চিম ত্রিপুরা, ত্রিপুরা•
    9 hrs ago
  • चार-पांच hote ke rasta Kajol Sajan 4 5 6 ke raftar ka joining
    4
    चार-पांच hote ke rasta Kajol Sajan 4 5 6 ke raftar ka joining
    user_Sk Sjid
    Sk Sjid
    আমবাসা, ধলাই, ত্রিপুরা•
    9 hrs ago
  • Post by কালিদাস ভৌমিক
    4
    Post by কালিদাস ভৌমিক
    user_কালিদাস ভৌমিক
    কালিদাস ভৌমিক
    Local News Reporter Khowai, Tripura•
    10 hrs ago
  • উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর মহকুমার পূর্ব রাধাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘিরে নেমে এসেছে গভীর উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার ছায়া। মন্টি পাল (৪০) ও তাঁর ৭ বছরের কন্যা রেশ্মি পালের রহস্যজনক নিখোঁজ হওয়া আজ শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো এলাকার মানুষের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
    1
    উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর মহকুমার পূর্ব রাধাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘিরে নেমে এসেছে গভীর উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার ছায়া। মন্টি পাল (৪০) ও তাঁর ৭ বছরের কন্যা রেশ্মি পালের রহস্যজনক নিখোঁজ হওয়া আজ শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো এলাকার মানুষের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
    user_News 24 Zone
    News 24 Zone
    সাংবাদিক হেজামারা, পশ্চিম ত্রিপুরা, ত্রিপুরা•
    11 hrs ago
  • তেলিয়ামুড়া প্রতিনিধি।। ১১ মহারানী–তেলিয়ামুড়া টিটিএএডিসি কেন্দ্র তথা ২৯ কৃষ্ণপুর বিধানসভা এলাকার অন্তর্গত চাকমাঘাটের তুইমধু গ্রামে বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার খোয়াই জেলা সভাপতি রশিদ মিয়ার বাড়িতে হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকাজুড়ে। অভিযোগের তীর তিপ্রা মথা সমর্থিত দুষ্কৃতীদের দিকেই। স্থানীয় সূত্রের দাবি, রাতের অন্ধকারে একদল দুষ্কৃতী হঠাৎই রশিদ মিয়ার বাড়িতে চড়াও হয়। ভাঙচুর চালানো হয় বাড়ির বিভিন্ন অংশে, নষ্ট করা হয় গৃহস্থালির জিনিসপত্র। শুধু তাই নয়, গোটা এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্কের আবহ। ঘটনার জেরে একাধিক বিজেপি কর্মী ও সমর্থক নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছেন তেলিয়ামুড়া থানার অন্তর্গত জারুইলং বাড়ি উপজাতি গেস্ট হাউসে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাক্তার  মানিক সাহা । তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপি প্রদেশ কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা, বিজেপি খোয়াই জেলার সভাপতি বিনয় দেব্বর্মা এবং ২৯ কৃষ্ণপুর মণ্ডলের সভাপতি ধনঞ্জয় দাস। প্রথমে তাঁরা চাকমাঘাটের তুইমধু এলাকায় রশিদ মিয়ার বাড়িতে পৌঁছে ক্ষয়ক্ষতির খোঁজখবর নেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন মুখ্যমন্ত্রী।পরবর্তী পর্যায়ে জারুইলং বাড়ি উপজাতি গেস্ট হাউসে আশ্রয় নেওয়া কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতির খোঁজ নেন এবং পাশে থাকার আশ্বাস দেন। প্রশাসনের তরফে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ইঙ্গিতও দেন তিনি, যদিও সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে এদিন কোনও মন্তব্য করতে দেখা যায়নি মুখ্যমন্ত্রীকে।ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা ইতিমধ্যেই তীব্র আকার নিয়েছে। বিরোধী পক্ষের বিরুদ্ধে শাসকদলের অভিযোগ যেমন বাড়ছে, তেমনি পাল্টা প্রতিক্রিয়াও আসছে বিভিন্ন মহল থেকে। নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে এ ধরনের ঘটনায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এলাকার পরিস্থিতি আপাতত থমথমে। পুলিশ ও প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, যদিও আতঙ্কের ছায়া এখনও কাটেনি তুইমধু ও আশপাশের গ্রামগুলিতে। স্থানীয়দের একাংশের বক্তব্য—“শান্তি ফেরানো এখন সবচেয়ে জরুরি।” তবে সাংবাদিকদের কাছে কোন সাক্ষাৎকার দিলেন না কোন অজ্ঞাত কারনে মুখ্যমন্ত্রী।
    4
    তেলিয়ামুড়া প্রতিনিধি।।
১১ মহারানী–তেলিয়ামুড়া টিটিএএডিসি কেন্দ্র তথা ২৯ কৃষ্ণপুর বিধানসভা এলাকার অন্তর্গত চাকমাঘাটের তুইমধু গ্রামে বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার খোয়াই জেলা সভাপতি রশিদ মিয়ার বাড়িতে হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকাজুড়ে।
অভিযোগের তীর তিপ্রা মথা সমর্থিত দুষ্কৃতীদের দিকেই। স্থানীয় সূত্রের দাবি, রাতের অন্ধকারে একদল দুষ্কৃতী হঠাৎই রশিদ মিয়ার বাড়িতে চড়াও হয়। ভাঙচুর চালানো হয় বাড়ির বিভিন্ন অংশে, নষ্ট করা হয় গৃহস্থালির জিনিসপত্র। শুধু তাই নয়, গোটা এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্কের আবহ। ঘটনার জেরে একাধিক বিজেপি কর্মী ও সমর্থক নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছেন তেলিয়ামুড়া থানার অন্তর্গত জারুইলং বাড়ি উপজাতি গেস্ট হাউসে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাক্তার  মানিক সাহা । তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপি প্রদেশ কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা, বিজেপি খোয়াই জেলার সভাপতি বিনয় দেব্বর্মা এবং ২৯ কৃষ্ণপুর মণ্ডলের সভাপতি ধনঞ্জয় দাস। প্রথমে তাঁরা চাকমাঘাটের তুইমধু এলাকায় রশিদ মিয়ার বাড়িতে পৌঁছে ক্ষয়ক্ষতির খোঁজখবর নেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন মুখ্যমন্ত্রী।পরবর্তী পর্যায়ে জারুইলং বাড়ি উপজাতি গেস্ট হাউসে আশ্রয় নেওয়া কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতির খোঁজ নেন এবং পাশে থাকার আশ্বাস দেন। প্রশাসনের তরফে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ইঙ্গিতও দেন তিনি, যদিও সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে এদিন কোনও মন্তব্য করতে দেখা যায়নি মুখ্যমন্ত্রীকে।ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা ইতিমধ্যেই তীব্র আকার নিয়েছে। বিরোধী পক্ষের বিরুদ্ধে শাসকদলের অভিযোগ যেমন বাড়ছে, তেমনি পাল্টা প্রতিক্রিয়াও আসছে বিভিন্ন মহল থেকে। নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে এ ধরনের ঘটনায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
এলাকার পরিস্থিতি আপাতত থমথমে। পুলিশ ও প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, যদিও আতঙ্কের ছায়া এখনও কাটেনি তুইমধু ও আশপাশের গ্রামগুলিতে। স্থানীয়দের একাংশের বক্তব্য—“শান্তি ফেরানো এখন সবচেয়ে জরুরি।” তবে সাংবাদিকদের কাছে কোন সাক্ষাৎকার দিলেন না কোন অজ্ঞাত কারনে মুখ্যমন্ত্রী।
    user_Mrinmoyy Royy
    Mrinmoyy Royy
    তেলিয়ামুড়া, খোয়াই, ত্রিপুরা•
    5 hrs ago
View latest news on Shuru App
Download_Android
  • Terms & Conditions
  • Career
  • Privacy Policy
  • Blogs
Shuru, a product of Close App Private Limited.