দৌলতপুরে ১০ বেডের হাসপাতালের সূচনা, স্বপ্নপূরণে খুশি এলাকাবাসী দৌলতপুরে ১০ বেডের হাসপাতালের সূচনা, স্বপ্নপূরণে খুশি এলাকাবাসী দীর্ঘদিনের দাবির পর অবশেষে দক্ষিণ দিনাজপুরের দৌলতপুর এলাকায় ১০ বেডের একটি হাসপাতাল তৈরির কাজের সূচনা হলো সোমবার। রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র ফিতে কেটে ও নারিকেল ফাটিয়ে হাসপাতাল নির্মাণের কাজের উদ্বোধন করেন। প্রায় ৪ একর ৭৮ শতক জমির উপর গড়ে উঠবে এই হাসপাতাল। নির্মাণে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৩৭ লক্ষ ৮২ হাজার ৭৯১ টাকা। বহু বছর ধরে দৌলতপুর এলাকায় একটি হাসপাতালের দাবি জানিয়ে আসছিলেন স্থানীয় মানুষ। অবশেষে সেই দাবি পূরণ হতে চলায় খুশির হাওয়া এলাকাজুড়ে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গঙ্গারামপুর মহকুমার মহকুমা শাসক অভিষেক শুক্লা, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ দাস সহ অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। বর্তমানে দৌলতপুরের কেউ অসুস্থ হলে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য রশিদপুর গ্রামীণ হাসপাতাল অথবা গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে বা গাজল হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। এতে সময় ও অসুবিধা দুই-ই বাড়ে। নতুন হাসপাতাল তৈরি হলে এলাকার মানুষ প্রাথমিক চিকিৎসা পরিষেবা নিজেদের এলাকাতেই পাবেন। ফলে রোগীদের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকাবাসীর মতে, এই হাসপাতাল চালু হলে দৌলতপুর ও আশেপাশের গ্রামের মানুষ বিশেষভাবে উপকৃত হবেন। স্বাস্থ্য পরিষেবায় এটি একটি বড় পদক্ষেপ বলেই মনে করেন স্থানীয়রা।
দৌলতপুরে ১০ বেডের হাসপাতালের সূচনা, স্বপ্নপূরণে খুশি এলাকাবাসী দৌলতপুরে ১০ বেডের হাসপাতালের সূচনা, স্বপ্নপূরণে খুশি এলাকাবাসী দীর্ঘদিনের দাবির পর অবশেষে দক্ষিণ দিনাজপুরের দৌলতপুর এলাকায় ১০ বেডের একটি হাসপাতাল তৈরির কাজের সূচনা হলো সোমবার। রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র ফিতে কেটে ও নারিকেল ফাটিয়ে হাসপাতাল নির্মাণের কাজের উদ্বোধন করেন। প্রায় ৪ একর ৭৮ শতক জমির উপর গড়ে উঠবে এই হাসপাতাল। নির্মাণে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৩৭ লক্ষ ৮২ হাজার ৭৯১ টাকা। বহু বছর ধরে দৌলতপুর এলাকায় একটি হাসপাতালের দাবি জানিয়ে আসছিলেন স্থানীয় মানুষ। অবশেষে সেই দাবি পূরণ হতে চলায় খুশির হাওয়া এলাকাজুড়ে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গঙ্গারামপুর মহকুমার মহকুমা শাসক অভিষেক শুক্লা, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ দাস সহ অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। বর্তমানে দৌলতপুরের কেউ অসুস্থ হলে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য রশিদপুর গ্রামীণ হাসপাতাল অথবা গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে বা গাজল হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। এতে সময় ও অসুবিধা দুই-ই বাড়ে। নতুন হাসপাতাল তৈরি হলে এলাকার মানুষ প্রাথমিক চিকিৎসা পরিষেবা নিজেদের এলাকাতেই পাবেন। ফলে রোগীদের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকাবাসীর মতে, এই হাসপাতাল চালু হলে দৌলতপুর ও আশেপাশের গ্রামের মানুষ বিশেষভাবে উপকৃত হবেন। স্বাস্থ্য পরিষেবায় এটি একটি বড় পদক্ষেপ বলেই মনে করেন স্থানীয়রা।
- গঙ্গারামপুরে বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য: পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন গঙ্গারামপুর: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর শহর ও সংলগ্ন এলাকাগুলোতে বালি মাফিয়াদের দাপট চরমে উঠেছে। অভিযোগ, পুনর্ভবা নদীর মাহুর কিসমত, শিববাড়ি, কেশবপুর ও নারায়ণপুর এলাকা থেকে কোনো রয়্যালটি ছাড়াই অবৈধভাবে বালি তোলা হচ্ছে। মাফিয়ারা কখনো সরকারি জায়গা, আবার কখনো সাধারণ মানুষের জমি ভাড়া নিয়ে সেই বালি মজুত করছে এবং রাতের অন্ধকারে নম্বরহীন ট্রাক্টরের মাধ্যমে পাচার চালাচ্ছে। এর ফলে সরকার যেমন লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে, তেমনি অনিয়ন্ত্রিত ট্রাক্টরের দাপটে বিপন্ন হচ্ছে সাধারণ মানুষের জীবন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই অবৈধ কারবারে যুক্ত রয়েছে ট্রাক্টর মালিকদের একটি শক্তিশালী সংগঠনও। সম্প্রতি শিববাড়ি এলাকায় অবৈধ বালির ট্রাক্টরের ধাক্কায় একটি নার্সারি পড়ুয়া শিশু গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনায় স্কুল কর্তৃপক্ষ ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে। বৈধ বালিঘাটের মালিক তাপস বিশ্বাস জানান একাধিক বালি মাফিয়ার বিরুদ্ধে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন, কিন্তু রহস্যজনকভাবে পুলিশ এখনো কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। এই পরিস্থিতিতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। মাফিয়াদের এই দুঃসাহস দেখে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন জেগেছে— তবে কি "সর্ষের মধ্যেই ভূত" রয়েছে? অর্থাৎ প্রশাসনের কোনো অংশের মদতেই কি এই কারবার চলছে? যদিও গঙ্গারামপুরের মহকুমা পুলিশ আধিকারিক শুভতোষ সরকার আশ্বাস দিয়েছেন যে, দ্রুত বড় ধরনের অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখন দেখার, পুলিশ মাফিয়াদের দমনে শেষ পর্যন্ত কি হয়l1
- মন্ত্রীর হাত দিয়ে দৌলতপুরে গ্রামীণ হাসপাতাল ও ১৮.২০ কিমি রাস্তা সংস্কারের শুভ উদ্বোধন | Sabar Sangbad | Breaking News 2026 --- ⚠️ দর্শকের দৃষ্টিগোচর করা হচ্ছে যে, নিচের পোস্টে দুর্ঘটনা সম্পর্কিত সংবেদনশীল বিষয়বস্তু থাকতে পারে। দয়া করে আপনার বিবেচনা অনুযায়ী দেখুন। Disclaimer: This channel does not promote any violent, harmful or illegal activities. All content provided by this channel is meant for an educational purpose only. 🎥 ভিডিওটি প্রকাশ করছে আপনার বিশ্বস্ত লোকাল নিউজ ফেসবুক পেজ — Sabar Sangbad 👉 আরও এমন নিউজ পেতে আমাদের পেজ ফলো করুন। 🔁 ভিডিওটি শেয়ার করে আরো দর্শকদের দেখার সুযোগ করে দিন। #SabarSangbad #BanglaNews #LocalNews #BreakingNews #HumanStory #DakshinDinajpur #TodayNews #maldaNews #gazolnews #westbengalnews1
- আপ্তৈর সংসদে বিজেপি-র গৃহ সম্পর্ক অভিযান: জনগণের পাশে বালুরঘাটের বিধায়ক ড. অশোক কুমার লাহিড়ী1
- Post by Mojahidul Islam3
- স্বনির্ভর বাংলা প্রকল্পের অন্তর্গত যুব সাথী প্রকল্পে চালু হোলো অন লাইন প্রক্রিয়া, আবেদন করা যাবে ঘরে বসেই। মঙ্গলবার দুপুরে রায়গঞ্জের BDO কামাল উদ্দিন আহমেদ জানান, সোমবার বিকাল থেকে দফতর যুবসাথী প্রকল্পে অন লাইনের মাধ্যমে আবেদন জমা নেওয়ার কাজ শুরু করেছে। এখন আবেদনকারীরা নিজেরা ক্যাম্পে গিয়েও আবেদন করতে পারবেন। পাশাপাশি অন লাইনেও আবেদন করতে পারবে। এদিন এবিষয়ে রায়গঞ্জের BDO কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন1
- SWM বা সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট (Solid Waste Management) প্রজেক্ট হলো পৌরসভা বা গ্রামীণ এলাকায় উৎপন্ন বর্জ্য পদার্থ (যেমন- প্লাস্টিক, খাবারের অবশিষ্টাংশ, কাগজ) বৈজ্ঞানিক উপায়ে সংগ্রহ, পৃথকীকরণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং নিষ্পত্তি করার একটি সুপরিকল্পিত ব্যবস্থা। এটি পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা, রোগব্যাধি প্রতিরোধ এবং বর্জ্য থেকে জৈব সার বা বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে বাস্তবায়িত একটি পরিবেশবান্ধব প্রকল্প।1
- হিলির তিওর মালিপাড়ায় ষাঁ*ড় হ*ত্যা*র অভিযোগ! শিবরাত্রির দিন হিলি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের। #followerseveryonehighlights #হিলিনিউজবাংলা #hilightseveryonefollowers #hilinewsbangla #HiliNews #হিলি #তিওড়1
- দৌলতপুরে ১০ বেডের হাসপাতালের সূচনা, স্বপ্নপূরণে খুশি এলাকাবাসী দীর্ঘদিনের দাবির পর অবশেষে দক্ষিণ দিনাজপুরের দৌলতপুর এলাকায় ১০ বেডের একটি হাসপাতাল তৈরির কাজের সূচনা হলো সোমবার। রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র ফিতে কেটে ও নারিকেল ফাটিয়ে হাসপাতাল নির্মাণের কাজের উদ্বোধন করেন। প্রায় ৪ একর ৭৮ শতক জমির উপর গড়ে উঠবে এই হাসপাতাল। নির্মাণে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৩৭ লক্ষ ৮২ হাজার ৭৯১ টাকা। বহু বছর ধরে দৌলতপুর এলাকায় একটি হাসপাতালের দাবি জানিয়ে আসছিলেন স্থানীয় মানুষ। অবশেষে সেই দাবি পূরণ হতে চলায় খুশির হাওয়া এলাকাজুড়ে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গঙ্গারামপুর মহকুমার মহকুমা শাসক অভিষেক শুক্লা, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ দাস সহ অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। বর্তমানে দৌলতপুরের কেউ অসুস্থ হলে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য রশিদপুর গ্রামীণ হাসপাতাল অথবা গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে বা গাজল হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। এতে সময় ও অসুবিধা দুই-ই বাড়ে। নতুন হাসপাতাল তৈরি হলে এলাকার মানুষ প্রাথমিক চিকিৎসা পরিষেবা নিজেদের এলাকাতেই পাবেন। ফলে রোগীদের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকাবাসীর মতে, এই হাসপাতাল চালু হলে দৌলতপুর ও আশেপাশের গ্রামের মানুষ বিশেষভাবে উপকৃত হবেন। স্বাস্থ্য পরিষেবায় এটি একটি বড় পদক্ষেপ বলেই মনে করেন স্থানীয়রা।1