গণনা কেন্দ্রের সামনেই তৃণমূল-বিজেপি তরজা, উত্তপ্ত আলিপুরদুয়ার প্যারেড গ্রাউন্ড ৪ঠা মে ভোট গণনা। তার আগেই রণক্ষেত্রের চেহারা নিল আলিপুরদুয়ার প্যারেড গ্রাউন্ড। গণনা কেন্দ্রের বাইরে টেন্ট বানানোকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে চরম বাদানুবাদ ও উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, পুলিশের সামনেই তৃণমূল কর্মীরা ওই এলাকায় নিজেদের দলীয় পতাকা লাগিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। আলিপুরদুয়ার প্যারেড গ্রাউন্ডের ঠিক পাশেই আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানে রয়েছে ইভিএম-এর স্ট্রং রুম। আগামী ৪ঠা মে জেলার পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনা সেখানেই হবে। প্রথা অনুযায়ী, গণনা কেন্দ্রের বাইরে রাজনৈতিক দলগুলি তাদের কর্মীদের বসার জন্য অস্থায়ী টেন্ট তৈরি করে। আর এই টেন্টের জায়গা দখল ঘিরেই বিবাদের সূত্রপাত। আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ মনোজ টিগ্গা তৃণমূলের বিরুদ্ধে ‘গাজোয়ারি’র অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি: তৃণমূলের তৈরি টেন্ট থেকে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখেই বিজেপি নিজেদের প্যান্ডেল করতে গিয়েছিল। পুলিশের উপস্থিতিতেই তৃণমূল কর্মীরা বিজেপির জন্য নির্ধারিত জায়গায় জোরপূর্বক নিজেদের ঝান্ডা পুঁতে দেয়। সাংসদের কথায়, "পুরো জায়গাটাই তৃণমূল দখল করতে চাইছে। বাতি নেভার আগে যেমন দপদপ করে জ্বলে ওঠে, তৃণমূলের অবস্থাও এখন ঠিক সেরকম। ৪ তারিখের পর ওদের ঝান্ডা ধরার লোক থাকবে না।" বিজেপির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, তারা ওই নির্দিষ্ট জায়গাতেই টেন্ট তৈরি করবে। পাল্টা সুর চড়িয়েছে ঘাসফুল শিবিরও। তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জেলা সভাপতি সমীর ঘোষ জানান, বিজেপি নেতৃত্ব এসে প্যান্ডেলের কাজ শুরু করার চেষ্টা করছিল। নিজেদের এলাকা রক্ষার্থেই তাঁরা দলীয় পতাকা লাগাতে বাধ্য হয়েছেন। সমীরবাবুর কটাক্ষ, বিজেপি ভাবছে নির্বাচন কমিশন ওদের পকেটে। ওরা হারবে নিশ্চিত জেনেই এসব করছে। এটা বাংলা, এখানে বিজেপির মস্তানি চলবে না। গণনা কেন্দ্রের এত কাছে দুই যুযুধান শিবিরের এই সংঘর্ষে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন থাকলেও পরিস্থিতি থমথমে।
গণনা কেন্দ্রের সামনেই তৃণমূল-বিজেপি তরজা, উত্তপ্ত আলিপুরদুয়ার প্যারেড গ্রাউন্ড ৪ঠা মে ভোট গণনা। তার আগেই রণক্ষেত্রের চেহারা নিল আলিপুরদুয়ার প্যারেড গ্রাউন্ড। গণনা কেন্দ্রের বাইরে টেন্ট বানানোকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে চরম বাদানুবাদ ও উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, পুলিশের সামনেই তৃণমূল কর্মীরা ওই এলাকায় নিজেদের দলীয় পতাকা লাগিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। আলিপুরদুয়ার প্যারেড গ্রাউন্ডের ঠিক পাশেই আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানে রয়েছে ইভিএম-এর স্ট্রং রুম। আগামী ৪ঠা মে জেলার পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনা সেখানেই হবে। প্রথা অনুযায়ী, গণনা কেন্দ্রের বাইরে রাজনৈতিক দলগুলি তাদের কর্মীদের বসার জন্য অস্থায়ী টেন্ট তৈরি করে। আর এই টেন্টের জায়গা দখল ঘিরেই বিবাদের সূত্রপাত। আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ মনোজ টিগ্গা তৃণমূলের বিরুদ্ধে ‘গাজোয়ারি’র অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি: তৃণমূলের তৈরি টেন্ট থেকে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখেই বিজেপি নিজেদের প্যান্ডেল করতে গিয়েছিল। পুলিশের উপস্থিতিতেই তৃণমূল কর্মীরা বিজেপির জন্য নির্ধারিত জায়গায় জোরপূর্বক নিজেদের ঝান্ডা পুঁতে দেয়। সাংসদের কথায়, "পুরো জায়গাটাই তৃণমূল দখল করতে চাইছে। বাতি নেভার আগে যেমন দপদপ করে জ্বলে ওঠে, তৃণমূলের অবস্থাও এখন ঠিক সেরকম। ৪ তারিখের পর ওদের ঝান্ডা ধরার লোক থাকবে না।" বিজেপির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, তারা ওই নির্দিষ্ট জায়গাতেই টেন্ট তৈরি করবে। পাল্টা সুর চড়িয়েছে ঘাসফুল শিবিরও। তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জেলা সভাপতি সমীর ঘোষ জানান, বিজেপি নেতৃত্ব এসে প্যান্ডেলের কাজ শুরু করার চেষ্টা করছিল। নিজেদের এলাকা রক্ষার্থেই তাঁরা দলীয় পতাকা লাগাতে বাধ্য হয়েছেন। সমীরবাবুর কটাক্ষ, বিজেপি ভাবছে নির্বাচন কমিশন ওদের পকেটে। ওরা হারবে নিশ্চিত জেনেই এসব করছে। এটা বাংলা, এখানে বিজেপির মস্তানি চলবে না। গণনা কেন্দ্রের এত কাছে দুই যুযুধান শিবিরের এই সংঘর্ষে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন থাকলেও পরিস্থিতি থমথমে।
- আগামী ১৬ই মে কোচবিহার শহরের রাজপথে আয়োজিত হতে চলা মহা-মিছিল এবং রাসমেলা ময়দানের বৈদিক জনসভাকে ঐতিহাসিক রূপ দিতে কোমর বেঁধে নামল 'সন্তান দল'। শুক্রবার দিনহাটা মহকুমার অন্তর্গত গোসানিমারি ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের চাউলের কুটি গ্রামে সংগঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মীসভা সম্পন্ন হলো। সভার মূল লক্ষ্য: আগামী ১৬ই মে-র কর্মসূচিকে সফল করতে চাউলের কুটি গ্রাম থেকে রেকর্ড সংখ্যক কর্মী-সমর্থকদের কোচবিহারে নিয়ে যাওয়াই এই সভার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল। সভায় উপস্থিত নেতৃত্বরা বৈদিক জনসভার গুরুত্ব এবং আদর্শগত লড়া1
- ডাকাতির চেষ্টাকে বানচাল করে দিল বানারহাট থানার পুলিশ, গ্রেফতার দুই অভিযুক্ত, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আরোও এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতরা মাদক কারবার ও অন্যান্য অসামাজিক কাজের সাথেও দীর্ঘদিন ধরে জড়িত হয়েছে বলে বানারহাট থানা সূত্রে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে ২৮শে এপ্রিল বানারহাট থানায় হওয়া একটি কেসের ভিত্তিতে ডাকাতির জন্য জমা হওয়া, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এই অভিযোগে বানারহাটের শান্তিপাড়ার নিবাসী সঞ্জয় শীল ওরফে গদো এবং সাদ্দাম আনসারি'কে সেই দিনই গ্রেফতার করা হয়। এই দুজনকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তাদের থেকে পাওয়া তথ্যের সূত্র ধরে চামুর্চী থেকে শেখর তামাং ওরফে লালা'কে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে দুটা বড় ধারালো দা ও একটা ছোট চাকু উদ্ধার হয়। তিনজনকেই বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি আদালতে পাঠানো হয়েছে। থানা সূত্রে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজকর্মের পাশাপাশি অভিযুক্তেরা ব্রাউন সুগার ও মাদক কারবারের সাথেও যুক্ত ছিলেন। এই অভিযুক্তদের সাথে স্থানীয় ও ভিন জেলার আরোও অনেকে মাদক কারবারে জড়িত রয়েছে। গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তরা ফালাকাটা, বীরপাড়া, চামুর্চী, বান্দাপানি এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজকর্ম চালাত। জেরায় অভিযুক্তদের থেকে পাওয়া তথ্যের সূত্র ধরে মাদক পাচার চক্রের অন্যান্য অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে৷1
- *সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের স্ট্রংরুম পরিদর্শন | ভবানীপুরে প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী কি বললেন1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা ঝাটুলাল হাইস্কুলের স্ট্রং রুমের সামনে সকাল ১১টা নাগাদ ধুন্ধুমার কান্ড, পুলিশি মদতের অভিযোগে তৃণমূল কংগ্রেসের বিক্ষোভ, যা নিয়ে রীতিমতো এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এগরা থানার IC সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ ফেটে পড়ে পটাশপুরের তৃণমূল প্রার্থী পীযুষ পন্ডা সহ তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা। এই খবর পেয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এগরার মহকুমা শাসক ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর দল।পটাশপুরের তৃণমূল প্রার্থী পীযুষকান্তি পন্ডার অভিযোগ, এগরা থানার আইসি সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে পটাশপুরের বিজেপি প্রার্থী তপন মাইতিকে স্ট্রং রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। তাঁর দাবি নিয়মের বাইরে গিয়ে একটা দলের প্রার্থীর প্রতি পুলিশের এই ‘বিশেষ আনুকূল্য’ নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলছে।আর এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই তৃণমূলের কয়েকশ কর্মী সমর্থক এগরা থানার আইসিকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে আইসির অপসারণের দাবি তুলে স্লোগান দিতে থাকে। বিক্ষোভের জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে স্ট্রং রুম চত্তর, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষুব্ধদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন এগরার মহকুমা শাসক মঞ্জিত যাদব। তবে উত্তেজনা পরিস্থিতি না কমায় নিয়ন্ত্রণে আনতে মাঠে নেমে লাঠি উঁচিয়ে তাড়া করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। এই পরিস্থিতির পর বর্তমানে ওই এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।1
- Post by Jakir Islam1
- তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে মাথাভাঙ্গা বেসরকারি বাস টার্মিনার্সে ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক মে দিবস পালন1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1