Shuru
Apke Nagar Ki App…
*সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের স্ট্রংরুম পরিদর্শন | ভবানীপুরে প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী কি বললেন *সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের স্ট্রংরুম পরিদর্শন | ভবানীপুরে প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী কি বললেন
Eccn news 24×7
*সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের স্ট্রংরুম পরিদর্শন | ভবানীপুরে প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী কি বললেন *সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের স্ট্রংরুম পরিদর্শন | ভবানীপুরে প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী কি বললেন
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- বুদ্ধ পূর্ণিমায় কোচবিহারে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা1
- কোচবিহারের নাটাবাড়ির তরুণ শিল্পী কৌশিক দাস এক অনন্য কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। নিজের হাতে আঁকা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি পোট্রেট তিনি পৌঁছে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে। শুধু ছবি গ্রহণ করাই নয়, কৌশিকের এই প্রতিভাকে সম্মান জানিয়ে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী তাকে চিঠি লিখে প্রশংসিত করেছেন।1
- তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আরোও এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতরা মাদক কারবার ও অন্যান্য অসামাজিক কাজের সাথেও দীর্ঘদিন ধরে জড়িত হয়েছে বলে বানারহাট থানা সূত্রে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে ২৮শে এপ্রিল বানারহাট থানায় হওয়া একটি কেসের ভিত্তিতে ডাকাতির জন্য জমা হওয়া, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এই অভিযোগে বানারহাটের শান্তিপাড়ার নিবাসী সঞ্জয় শীল ওরফে গদো এবং সাদ্দাম আনসারি'কে সেই দিনই গ্রেফতার করা হয়। এই দুজনকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তাদের থেকে পাওয়া তথ্যের সূত্র ধরে চামুর্চী থেকে শেখর তামাং ওরফে লালা'কে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে দুটা বড় ধারালো দা ও একটা ছোট চাকু উদ্ধার হয়। তিনজনকেই বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি আদালতে পাঠানো হয়েছে। থানা সূত্রে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজকর্মের পাশাপাশি অভিযুক্তেরা ব্রাউন সুগার ও মাদক কারবারের সাথেও যুক্ত ছিলেন। এই অভিযুক্তদের সাথে স্থানীয় ও ভিন জেলার আরোও অনেকে মাদক কারবারে জড়িত রয়েছে। গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তরা ফালাকাটা, বীরপাড়া, চামুর্চী, বান্দাপানি এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজকর্ম চালাত। জেরায় অভিযুক্তদের থেকে পাওয়া তথ্যের সূত্র ধরে মাদক পাচার চক্রের অন্যান্য অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে৷1
- *ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করে তৃণমূলের বিতর্ক তুঙ্গে। দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়াল।ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে। Press conference by CEO West Bengal1
- মাথাভাঙ্গা কলেজে আগামী ৪ তারিখ গণনা অনুষ্ঠিত হবে।মাথাভাঙ্গা ও শীতলকুচি দুটি বিধানসভার গননা অনুষ্ঠিত হবে।গণনার দিন ভারি যানবাহন চলাচলে কিছু বিধিনিষেধ করার কথা বলেছেন।তবে যাত্রীবাহী যানবাহন চলাচলে কোনো বিধিনিষেধ থাকবে না বলেও জানান মাথাভাঙ্গা মহকুমা শাসক।1
- *শীতলখুঁচিতে সিপিআইএম-এর উদ্যোগে মে দিবস পালন, উপস্থিত জেলা ও ব্লকের শীর্ষ নেতৃত্ব*। আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস উপলক্ষে কোচবিহারের শীতলখুঁচি দলীয় কার্যালয়ে মর্যাদার সঙ্গে মে দিবস পালন করল ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দলীয় কার্যালয়ে ভিড় জমান পার্টি কর্মী-সমর্থকরা। সকাল ৯টায় রক্তপতাকা উত্তোলন ও শিকাগো শহিদ বেদীতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। আন্তর্জাতিক শ্রমিক আন্দোলনের তাৎপর্য ও বর্তমান সময়ে শ্রমিক-কৃষকের লড়াইয়ের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন শীতলখুঁচি এরিয়া কমিটির সম্পাদক আকবর আলী মিঞা, জেলা কমিটির সদস্য গোবিন্দ বর্মন, ক্ষেতমজুর ইউনিয়নের রাজ্য কমিটির সদস্য আসমত আলী মিঞা, প্রাক্তন বিধায়ক হরিশ বর্মন ও প্রবীণ নেতা নুরুদ্দিন মিঞা। এছাড়াও ব্লক ও শাখা স্তরের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন। সভায় এরিয়া সম্পাদক আকবর আলী মিঞা বলেন, "মে দিবস শুধু ছুটির দিন নয়, শ্রমিক শ্রেণির অধিকার আদায়ের শপথের দিন। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের শ্রমিক-বিরোধী নীতির বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই আরও জোরদার করতে হবে।" প্রাক্তন বিধায়ক হরিশ বর্মন তাঁর বক্তব্যে ১০০ দিনের কাজে বকেয়া মজুরি প্রদান, চা-বাগান ও ক্ষেতমজুরদের ন্যূনতম মজুরি ৬০০ টাকা এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বেসরকারিকরণ বন্ধের দাবি তোলেন। ক্ষেতমজুর ইউনিয়নের রাজ্য কমিটির সদস্য আসমত আলী মিঞা বলেন, "গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষ আজ কাজের অভাবে ভিনরাজ্যে পাড়ি দিচ্ছে। এই পরিস্থিতি বদলাতে সংগঠিত আন্দোলনই একমাত্র পথ।" শেষে উপস্থিত সকলে শোষণমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে শ্রমজীবী মানুষের পাশে থাকার শপথ নেন। আন্তর্জাতিক সঙ্গীত ও স্লোগানের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শীতলখুঁচি ব্লকের বিভিন্ন অঞ্চল ও শাখা কার্যালয়েও এদিন মে দিবস পালিত হয়েছে।1
- মে দিবসে কোচবিহারে শ্রমিক ঐক্যের বার্তা, AIUTUC-এর বর্ণাঢ্য কর্মসূচি1
- ৪ঠা মে ভোট গণনা। তার আগেই রণক্ষেত্রের চেহারা নিল আলিপুরদুয়ার প্যারেড গ্রাউন্ড। গণনা কেন্দ্রের বাইরে টেন্ট বানানোকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে চরম বাদানুবাদ ও উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, পুলিশের সামনেই তৃণমূল কর্মীরা ওই এলাকায় নিজেদের দলীয় পতাকা লাগিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। আলিপুরদুয়ার প্যারেড গ্রাউন্ডের ঠিক পাশেই আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানে রয়েছে ইভিএম-এর স্ট্রং রুম। আগামী ৪ঠা মে জেলার পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনা সেখানেই হবে। প্রথা অনুযায়ী, গণনা কেন্দ্রের বাইরে রাজনৈতিক দলগুলি তাদের কর্মীদের বসার জন্য অস্থায়ী টেন্ট তৈরি করে। আর এই টেন্টের জায়গা দখল ঘিরেই বিবাদের সূত্রপাত। আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ মনোজ টিগ্গা তৃণমূলের বিরুদ্ধে ‘গাজোয়ারি’র অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি: তৃণমূলের তৈরি টেন্ট থেকে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখেই বিজেপি নিজেদের প্যান্ডেল করতে গিয়েছিল। পুলিশের উপস্থিতিতেই তৃণমূল কর্মীরা বিজেপির জন্য নির্ধারিত জায়গায় জোরপূর্বক নিজেদের ঝান্ডা পুঁতে দেয়। সাংসদের কথায়, "পুরো জায়গাটাই তৃণমূল দখল করতে চাইছে। বাতি নেভার আগে যেমন দপদপ করে জ্বলে ওঠে, তৃণমূলের অবস্থাও এখন ঠিক সেরকম। ৪ তারিখের পর ওদের ঝান্ডা ধরার লোক থাকবে না।" বিজেপির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, তারা ওই নির্দিষ্ট জায়গাতেই টেন্ট তৈরি করবে। পাল্টা সুর চড়িয়েছে ঘাসফুল শিবিরও। তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জেলা সভাপতি সমীর ঘোষ জানান, বিজেপি নেতৃত্ব এসে প্যান্ডেলের কাজ শুরু করার চেষ্টা করছিল। নিজেদের এলাকা রক্ষার্থেই তাঁরা দলীয় পতাকা লাগাতে বাধ্য হয়েছেন। সমীরবাবুর কটাক্ষ, বিজেপি ভাবছে নির্বাচন কমিশন ওদের পকেটে। ওরা হারবে নিশ্চিত জেনেই এসব করছে। এটা বাংলা, এখানে বিজেপির মস্তানি চলবে না। গণনা কেন্দ্রের এত কাছে দুই যুযুধান শিবিরের এই সংঘর্ষে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন থাকলেও পরিস্থিতি থমথমে।1
- রাতের অন্ধকারে, বাড়িতে রাখা একটি টোটো চুরি যাওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল সিতাই ব্লকের কেশরিবাড়ি গ্রামে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গ্রামের বাসিন্দা আমিনুর মিঞার বাড়িতে এই চুরির ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, প্রায় আট মাস আগে ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকার একটি টোটো কিনেছিলেন আমিনুর মিঞা। এর জন্য ৩৭ হাজার টাকা ডাউন পেমেন্ট দিয়েছিলেন তিনি। পরিবারের আর্থিক সঙ্কট দূর করতে তাঁর ছেলে নবির হোসেন মিঞা ওই টোটো চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। অভিযোগ, রাত প্রায় তিনটে নাগাদ দুষ্কৃতীরা বাড়ির পিছনের টিন কেটে ভিতরে ঢোকে। এরপর সামনের গেটের তালা ভেঙে টোটোটি নিয়ে চম্পট দেয়। চোরেরা এতটাই পরিকল্পিতভাবে চুরি করে যে, বাড়ির কেউই বিষয়টি টের পাননি। ঘটনার পর থেকেই আতঙ্ক ও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন পরিবারটি। আমিনুর মিঞা জানিয়েছেন, তিনি শীঘ্রই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করবেন।1